

কুমিল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারি
উপলক্ষে খিচুড়ি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির
ছাত্র আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরবেলা
কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা: ফরিদা ইয়াসমিন
এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন:
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর (সামারচর) গ্রামের মোঃ মোসলেম সরদারের ছেলে মোঃ
নেয়ামত উল্লাহ (১৮)।
মামলার বিবরণে জানাযায়,
২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী মাগরিবের নামাজের শেষে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ভিকটিম আল-আমিন (৯) মাহফিলের কথা বলে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর
পিতাসহ আত্মীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন কোতয়ালী মডেল থানায়
নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পরেরদিন শালধরের জৈনক দেলোয়ার হোসেন এর বাগানের পাশে
পুকুরে ছোট শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে শোর চিৎকার করে মোঃ আল আমিন এর পিতা। আল-আমিন এর
মরদেহ পুকুর থেকে উপরে তুলে দেখেন আল-আমিনের ঘাড়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে
২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম মোঃ আল আমিন এর পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন
শালধর গ্রামের মৃত মালু মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়েজ আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতয়ালী
মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই
পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সারওয়ার আলম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ
(১৮) ও মোঃ শাহ জাহানকে আটক করে।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে
আসলে রাষ্ট্রপক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি
মোঃ নেয়ামত উল্লাহ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির
৩০২ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের
বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে
আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না
হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আশা করছি উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল
রাখবেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্প থেকে গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে কুমিল্লা শাসনগাছা এলাকায় একটি সফল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে সুন্দর আলি ও মো: ইউসুফ নামক দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫ প্যাকেট গাঁজা,
১ রোল অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আটককৃত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত
ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী
কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আর্ন্তজাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আমীর আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন, দুদক কুমিল্লার উপ-পরিচালক মোঃ ফজলুল হক।
এর আগে জেলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি দুর্নীতি বিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা ।
গতকাল (৯ জুন) রাতে জেলা গোয়েন্দা
শাখা, কুমিল্লার এসআই উক্যমং রাখাইন তার সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী
মডেল থানাধীন ১নং কালির বাজার বাইতুন সালাম ইসলামীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে
৩টি বস্তার ভিতরে মোট ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শুভপুর এলাকার আব্দুল জলিল এর ছেলে
মোঃ সুমন(৩৫)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা :
কুমিল্লা শাসনগাছা এলাকায়
সেনাবাহিনী চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনাকালে চারটি মোটরবাইক চালককে মামলা দেওয়া
হয়। এ সময় তাদের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়াও ১৫ টি মোটরসাইকেল,
একটি মারুতি এবং একটি প্রাইভেট কারের কাগজপত্র না থাকার কারণে জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে
নেওয়া হয়েছে।
সমাজসেবা (ব্যাটালিয়ন সদর)
সেনাবাহিনী ক্যাম্প শাসনগাছা এলাকায় আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত
একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী ক্যাম্প সূত্র
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকা হতে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩২ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার বাতানিয়া গ্রামের মৃত মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে আলী হোসেন রতন (২২) এবং সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ার থানার দোয়ারগাঁও গ্রামের ইফসুফ আলী এর ছেলে আকির মিয়া রাকিব (২৫)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহেল রানা (৩৯) এবং একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আড়াইউড়া গ্রামের শামসুল হক এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৬)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ ও কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর
ইউনিয়নের পাঁচোড়া গ্রামে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন পাঁচোড়া গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শাহাজাহান।
নিহত দুই বোন হলো: হাফেজ ঘটক মিয়ার
মেয়ে উম্মে কুলছুম তামান্না (৯) ও খাদিজা আক্তার (৭)। নিহত উম্মে কুলছুম তামান্না পাঁচোড়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ও নিহত খাদিজা আক্তার একই বিদ্যালয়ের
৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার
(২২ মে) বিকেলে উপজেলার পাঁচোড়া দক্ষিণ কালেম পাড়া মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নামে
ওই দুই বোন। এক সময় তারা পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর
পুকুরে নেমে তাদের দুই বোনকে উদ্ধার করে। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃত্যুতে মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন,
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আবুল হাসানাত খন্দকার জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। পরিবারের
পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর টাস্কফোর্স অভিযানে অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভারতীয় বাসমতি চাউলসহ একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে। আটককৃত পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ৪৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৫০ টাকা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ
(২৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ রেফাঈ আবিদের উপস্থিতিতে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স মালিকবিহীন একটি ট্রাক থেকে ৭,৬৫৯ কেজি অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত চাউল ও ট্রাক সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিজিবি তাদের দায়িত্বশীল এলাকায় চোরাচালান রোধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস পপি (১৭) হত্যা মামলার
রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ২ জনকে গ্রেফতার
করেছে বরুড়া থানা
পুলিশ।
গত
(১৩ ডিসেম্বর) বরুড়া থানার মোঃ আলী হোসেন
(৪৫) এর মেয়ে পপি
আক্তার (১৭) বরুড়া থানাধীন
সোনাইমুড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে
বাড়িতে এসে ছাগল চরাতে
জমিতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়। খোঁজাখুজির
এক পর্যায়ে বরুড়া থানাধীন ১৩নং অদ্রা ইউপির
সোনাইমুড়ী সাকিনের চান মিয়ার জমি
সংলগ্ন খালের পানি থেকে পপি
আক্তার (১৭) কে মৃত
অবস্থায় উদ্ধার করার করা হয়। পরে (১৫ডিসেম্বর) পপি আক্তার
এর পিতা মোঃ আলী
হোসেন বরুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত
অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার কুমিল্লার সার্বিক দিকনির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, এ, কে, এম
এমরানুল হক মারুফ এর
নেতৃত্বে বরুড়া থানা পুলিশের একটি
চৌকস টিম তদন্ত কার্যক্রম
শুরু করে স্থানীয় সোর্স
ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ
করে বরুড়া থানা এলাকায় বিভিন্ন
স্থানে অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে
জড়িত ফারুক হোসেন শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের পর উক্ত ঘটনার সাথে
জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে
এবং এই ঘটনার সাথে
জড়িত অপর আসামী কাশেম
হোসেন এর নাম জানান। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার সোনাইমুড়ি মহিষ
পুকুরিয়া এ লাকার মিজানুর রহমান এর ছেলে ফারুক হোসেন শামীম এবং একই এলাকার মৃত মনু মিয়ার ছেলে কাশেম হোসেন।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় সহ ঘটনাস্থলে গেলে হত্যাকান্ডের সময় ব্যবহৃত বাঁশের টুকরাটি আসামীদের দেখানো মতে পাশের জঙ্গলের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন।
মন্তব্য করুন