

কুমিল্লায়
১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১টি পিকআপ
গাড়ীসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে বুড়িচং থানার পুলিশ।
শনিবার
বুড়িচং থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) মাহবুবুর
রহমান খাদিম, এএসআই(নিরস্ত্র) নুর আলম এবং
সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায়
মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল
ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
বুড়িচং থানাধীন ২ নং বাকশীমুল
ইউনিয়নের খাড়েরা সাকিনস্থ বাগড়া টু কুমিল্লাগামী রাস্তার
মুনাফ ফিলিং স্টেশনের সামনে পাকা রাস্তার উপর
চেকপোস্ট করে ১টি পিকআপ
গাড়ি আটকে তল্লাশি করে
১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট
সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ
সুমন(৩১), পিতা- মৃত
নরুল ইসলাম, মাতা- রোকেয়া বেগম, সাং- খারেরা, থানা- বুড়িচং, জেলা- কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে
ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পিকআপ গাড়িটি
জব্দ করা হয়।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বুড়িচং থানার মামলা নং-২৫, তারিখ-১৫/০৭/২০২৩,
ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য
নিয়স্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির
১০(ক) তে মামলা
রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


জনসম্পৃক্ততা বিঘ্নিত না করে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর ৩৮তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আগে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে রাষ্ট্রপতি ভিভিআইপিদের জন্য নিরাপত্তাবলয় তৈরিতে সব সহযোগী
এজেন্সির সঙ্গে সুসম্পর্ক, নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখার পাশাপশি ভিভিআইপিদের
জনসংযোগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখার তাগিদ দেন।
অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর পেশাদার,
দক্ষ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি চৌকস বাহিনী হিসেবে এসএসএফ
গড়ে তোলা হয়েছে। ১৯৮৬-এর ১৫ জুন, রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনী (পিএসএফ) গঠিত হয়, পরবর্তী
সময় দেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পর একে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)
নামে নামকরণ করা হয়। এসএসএফ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু পরিবার
এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী ভিভিআইপি ও বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সুরক্ষা প্রদান
করে এবং ভিভিআইপিদের ওপর সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ এবং সক্রিয় হুমকি থেকে ভিভিআইপিদের
সুরক্ষায় বেসামরিক প্রশাসন এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ভিভিআইপিদের অফিস ও বাসস্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বও
পালন করে এসএসএফ।
অতি কঠোরতা ও বাড়াবাড়ির কারণে
নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা ও জনগণের মধ্যে যেন কোনো দূরত্ব বা ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি না
হয় সেদিকটিও অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করারও নির্দেশনা প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা আর জনসম্পৃক্ততা দুটিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
রাষ্ট্রপতি সদা পরিবর্তনশীল
নিরাপত্তা পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় এসএসএফ সদস্যদের সর্বদা বলিষ্ঠ
মনোবল, প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও পেশাদারত্বের সর্বোত্তম প্রয়োগ ঘটানোর উপদেশ দিয়ে এসএসএফকে
বলেন, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। আপনাদের কোনো আচরণে জনগণ যেন কষ্ট না পায়
সেদিকে সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। জনগণ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে নয়, বরং জনসম্পৃক্ততা
স্বাভাবিক রেখেই পেশাদারত্বের সঙ্গে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স
(এসএসএফ)-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী ড. রেবেকা
সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক
আহমেদ সিদ্দিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য
রাখেন এসএসএফের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান ।
মন্তব্য করুন


আজ
মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত
। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য
দিয়ে এদিন দিবাগত রাতে
সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত
হবে।
হিজরী
বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত
রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন
করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে
রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়। গুনাহ থেকে
ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র
শবে বরাত। এই রাতকে ভাগ্য
নির্ধারণের রাতও বলা হয়।
তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত
এই রাত।
এই
রাতে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকতে থাকেন।
রিযিক বৃদ্ধির জন্য আহ্বান করেন।
অসুস্থদের সুস্থতার সুসংবাদ দান করেন মহান
সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। ফজর
উদিত হওয়া পর্যন্ত এভাবেই
বান্দাকে ডাকতে থাকেন তিনি। এসব কারণে এ
রাতের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অন্যান্য
সাধারণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি।
রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত উপস্থিত হয়
তখন তোমরা এ রাত (ইবাদতের
মধ্যে) জাগরণ কর এবং দিনে
রোজা রাখ (আল হাদিস)।
অন্যত্র
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
এই রাতে আল্লাহ তায়ালা
প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং ফজর
উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে
থাকেন গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়ার
কে আছ ? আমি তাকে
ক্ষমা করে দিব। অসুস্থতা
থেকে সুস্থ চাওয়ার কে আছ আমি
তাকে সুস্থ করে দিব। রিযিক
অন্বেষণকারী কে আছ? আমি
তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিব। কে
আছ তওবাকারী? আমি তার তওবা
কবুল করে নিব (আল
হাদিস)।
এই
রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ
লাভের আশায় নফল নামাজ,
কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে
রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন।
অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা,
ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা ও বিভিন্ন মহামারি
থেকে মুক্তির জন্য মুসলমানরা মোনাজাতে
অংশ নেবেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে মা-বাবাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও
দোয়া করেন।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা পবিত্র শবে বরাতের মাহত্মে
উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও
দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ
করার জন্য সবার প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন,
সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার
করে আমরা শান্তির ধর্ম
ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয়
জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা
করি। পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে এক
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
শবে
বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান
শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিস্ফোরক দ্রব্য,
আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য
বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ
করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন
কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র
কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ কেজি ৫শ গ্রাম কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
গতকাল (২৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ সোহেল রানা (৩১) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোহেল রানা (৩১) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার ময়নামতি গ্রামের মোঃ শাহ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে প্রাথমিকভাবে ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ বিঘা জমির ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে ঢাকা নগর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল।
আজ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নুর তাপস।
এ বাস টার্মিনাল নির্মাণ শেষে ব্যবহার শুরু হলে ঢাকায় আর ঢুকবে না ১৬ জেলার দূরপাল্লার ১১ হাজার বাস। এতে ঢাকার যানজট অনেকটাই কমে যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ খান ও পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকতা ছাড়াও কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনসহ অনেকে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে এই টার্মিনাল আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে বাস চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে বলে জানান ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
মেয়র তাপস বলেন, ১৯৮৪ সালে সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল নির্মাণের পর আর কেউ ঢাকায় বাস টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়নি। যে কারণে ঢাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা নেই। নগর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই ঢাকার বাইরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, কাঁচপুর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৬ জেলার গণপরিবহন চলাচল করবে। এটি নির্মিত হলে সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে নগর পরিবহন সেবায় নিয়োজিত বাস শুধু চলাচল করবে। ঢাকায় যাত্রীরা যাতে নিরাপদে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে এসে দূরপাল্লার বাসে সহজে উঠতে পারেন সেজন্য নগর পরিবহনের বাস সায়দাবাদ থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত চলাচল করবে।এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঢাকার যানজট কমে আসবে এবং নগর পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
মেয়র বলেন, রাজধানী ঢাকার বাইরে ঢাকার চারপাশে আন্তঃজেলা বাস চলাচলের জন্য হেমায়েতপুর, কামরাঙ্গীরচরসহ বেশ কয়েকটি বাস টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন। তারই প্রথম উদ্যোগ কাঁচপুর বাস টার্মিনাল।
তিনি বলেন, আগামী ছয় মাস অর্থাৎ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে টার্মিনালের মাটি ভরাট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, চালক ও হেলপার কর্মচারীদের জন্য ছাউনি নির্মাণ করাসহ বাস টার্মিনালের বাস রাখার উপযোগী করে তোলা হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১২ বিঘা জমির ওপর সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে ২৮ কোটি টাকা ব্যয় হবে এতে।
ঢাকায় গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যে কোনো উদ্যোগের পাশে থাকবে বলে জানান সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের যে জায়গায় কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নিমিত হচ্ছে এখান থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৬ জেলার প্রায় ১১ হাজার যাত্রীবাহী বাস চলাচল করবে।
এই বাসগুলো ঢাকায় বাইরে চলে এলে ঢাকায় যানজট অনেকাংশে কমে আসবে।
মন্তব্য করুন


জাহিদুল ইসলাম, হাইমচর প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন হাইমচর উপজেলা শাখার ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে বৃত্তি পরীক্ষা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ জুলাই শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলার সদর আলগী বাজার আদর্শ শিশু নিকেতন হলরুমে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন হাইমচরের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় উক্ত এসোসিয়েশনের সভাপতি হাইমচর আইডিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো: তাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাইমচর মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আল্লামা মাহফুজ উল্যাহ ইউসূফী।
তিনি বলেন, সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করার জন্য সকলকে চারিদিকে নজর রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য অনুরোধ করেন। আমরা সবসময় সকলে ঐক্যবদ্ধ ও এক হয়ে কাজ করবো।
তিনি আরও বলেন, আমাদের যতগুলো কিন্ডারগার্টেন রয়েছে এগুলোকে দ্রুত রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সরকারি তালিকাভুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি আমাদের কেজি স্কুলগুলোর প্রতি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এস বি সবুজ ভদ্র, মতলব দক্ষিণ উপজেলা শাখার সভাপতি ফারুক আহমেদ বাদল, মতলব দক্ষিণ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল জাহান।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন. আদর্শ শিশু নিকেতন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আঃ লতিফ মাস্টার, জাগরণী আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতন প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শাহ মোঃ আলম হোসাইন, নেকসা মডেল স্কুল প্রধান শিক্ষক আল মামুন, উদয়ন একাডিমি প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন, শাহ সুফি কিন্ডারগার্টেন প্রধান শিক্ষক মোঃ ওমর ফারুক, ছোট লক্ষীপুর আলীমুন্নেছা মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মোঃ শাহাদাত হোসাইন সাদ্দাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক ও প্রধানগণসহ গন্যমান্যবর্গ।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


বরগুনার বেতাগী উপজেলায় র্যাব পরিচয়ে দিয়ে প্রতারণা
করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছে মিঠুন চন্দ্র গাইন (২৮) নামে এক ব্যক্তি। শুক্রবার
(০৪ অক্টোবর) মিঠুন চন্দ্র গাইনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার (০৩ আগস্ট) রাতে মিঠুন চন্দ্র গাইনকে উপজেলার
কাজিরাবাদ ইউনিয়ন থেকে আটক করা হয়।
বরগুনা সদর উপজেলা ০৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ২
নম্বর ওয়ার্ডের ঘটবাড়িয়া এলাকার মৃত নিতাই চন্দ্র গাইনের ছেলে মিঠুন চন্দ্র গাইন।
বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা ইমরাম
রাজার জানান, গতকাল রাতে র্যাব পরিচয় দিয়ে চাকরির নামে প্রতারণা করার চেষ্টা
করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। তার কথাবার্তার সন্দেহ হলে এক পর্যায়ে পুলিশকে জানানো হয়।
পরে পুলিশ এসে ঘটনা সত্যতা যাচাই করে আটক করে নিয়ে যায় প্রতারক ওই ব্যক্তিকে।
চান্দখালী ফাড়ির ইনচার্জ আনোয়ার জানান, স্থানীয়দের অভিযোগে প্রতারক
মিঠুনকে আটক করে বেতাগী থানায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার
হোসেন জানান, ঘটনার পর দ্রুত টহল পুলিশ পাঠিয়ে প্রতারক মিঠুন চন্দ্র গাইনকে আটক
করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তার নামে প্রতারণা মামলা দিয়ে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে
জেল হাজতে পাঠানো হয়। এছাড়াও মিঠুন চন্দ্র গাইন একটি হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি। এতোদিন
পলাতক ছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


১২ নভেম্বর রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজার এলাকায় মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশনের দায়ে ৫টি বেকারি ও রেস্টুরেন্টকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ জরিমানা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. বুলবুল আহমেদ তালুকদার।
দুটি হাজী বিরিয়ানিকে ১০ হাজার টাকা, অভিযানে রয়েল বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা, সারিন্দাকে ৩০ হাজার টাকা এবং নবাবী রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব।
সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব বলেন, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবালসহ পুলিশ সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন, রমজানের ছুটি সমন্বয় করতে আগামী বছর থেকে প্রয়োজনে শনিবার স্কুল খোলা রাখা যেতে পারে বলে ।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব মতের মানুষের বিশ্বাস ও চিন্তা-চেতনার প্রতি সম্মান রেখে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নসহ সব বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে মন্ত্রণালয়। রমজানের ছুটি সমন্বয় করতে আগামী বছর থেকে প্রয়োজনে সারা বছর শনিবার স্কুল খোলা রাখা যেতে পারে।
এ বছর রমজানে স্কুল ছুটির আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল মন্ত্রণালয়। রমজানের আগের দিন তারা আপিল করে বসে।
আর এরপরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি হয়। শুনানিতে স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এ এম আমিন উদ্দিন। উচ্চ আদালতের আদেশ স্থগিত না করে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) আপিল বিভাগে শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
পরে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
মন্তব্য করুন