

কুমিল্লায়
১,৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা(ডিবি)।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একাধিক টিম কুমিল্লা জেলায় বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাটাবিল সাকিনস্থ হাউজিং
এস্টেট টু সুজানগর গামী রোডের জনৈক মমতাজ মিয়ার দোকানের সামনে তল্লাশি করে ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। রাসেল আহমেদ জয় (২৭), পিতা-তোফায়েল আহমেদ
কাউছার, মাতা-গ্রাম-কাশারী পট্টি, চকবাজার, ২। মোঃ কাজী সজল (৩০), পিতা-কাজী গিয়াস
উদ্দিন, গ্রাম-তৈতয়ারা, জগন্নাথপুর ইউপি, ৩। মোঃ ইউসুফ আলী (৩৩), পিতা-মকবুল হোসেন,
মাতা-দেলোয়ারা বেগম, গ্রাম-তৈতয়ারা, জগন্নাথপুর ইউপি, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১০৪ , তারিখ-২৭/০৭/২৩, ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন
আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১০(ক) তে মামলা রুজু করা হয়।
অপর
একটি অভিযানে বুধবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন ইউপির সোয়াগাজী
সাকিনস্থ রাহাত সিএনজি ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণ পাশে বিসমিল্লাহ টায়ার সেন্টার এর সামনে
তল্লাশি করে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক
ব্যবসায়ী ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ ছেরু
মিয়া (৫৫), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী, মাতা-মৃত আমেনা বেগম, গ্রাম-ফিরিঙ্গীর হাট (মধ্য
পাড়া), থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ মোহন মিয়া (২৯), পিতা-অহিদ মিয়া,
মাতা-আনোয়ারা বেগম, গ্রাম-দড়িবটগ্রাম, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা। এ সংক্রান্তে সদর
দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৪৫ , তারিখ-২৭/০৭/২৩, ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন
আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১০(ক) তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের কচুয়ায় মিশুক চালক সাব্বির হোসেনকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও গ্রেফতারকৃত আসামীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। রবিবার দুপুরে এলাকাবাসীর আয়োজনে কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কের পালাখাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাব্বির হত্যার গ্রেফতারকৃত আসামীদের দ্রুত ফাঁসির কার্যকর দাবি জানাচ্ছি। কোনো ভাবে তারা যেন আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে জামিন না পায় তারও দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের মা জাহানারা বেগম,উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান বাবুল,পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি করেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুুস,যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন,অহিদ রাজা প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকালে মিশুক নিয়ে সাব্বির বাড়ি থেকে বের হলেও আর বাড়ি ফিরেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পালাখাল-সেঙ্গুয়া সড়কের পাশে ডোবা থেকে মিশুক চালক সাব্বির হোসেনের হাত পা বাধা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের মা জাহানার বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করলে তারই প্রেক্ষিতে ৯জন আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সৈয়দপুর এলাকায় হোটেল ব্যবসার অন্তরালে গাঁজার বাণিজ্য করছে একটি চক্র।
আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে ফাঁকি দিতে হোটেল বা দোকানের বাহিরে ঝোপ ও মাটির স্তুপের মধ্যে ছোট ছোট পুটলি করে গাঁজার লুকিয়ে রাখে। মহাসড়কে চলাচলরত ট্রাক, কার্ভাডভ্যান, যাত্রীবাহী বাসের কিছু চালক ও হেলপারসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মাদকসেবীরা ওইসব হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। তখন হোটেল বা চা দোকানের লোকজন লুকানো স্থান থেকে চাহিদা মাফিক গাঁজার পুটলি তাদের হাতে তুলে দেয়।
শনিবার বিকেল ৩ টা ২২ মিনিটে ঢাকাগামী সিডিএম পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় মহাসড়কের পাশের জোনাকি হোটেল সংলগ্ন (দক্ষিণ পাশে) একটি দোকানের সামনে দাঁড়ায়। পরে গাড়ির সুপারভাইজার থেকে ২০০ টাকা নিয়ে হেলপার সাইনবোর্ড বিহীন হোটেলে যায়। হেলপার যাওয়ার পরে ওই হোটেলের মালিক পাশের মাটির স্তুপ থেকে কয়েকটি গাঁজার পুটলি বের করে নিয়ে আসে।
এমন একটি সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই ওসমান গণি সঙ্গীয় অফিসারসহ পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোটেলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম (৩৮)কে আটক করে।
এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ও ডান হাতে থাকা নীল রংয়ের পলিথিনের ভিতর রক্ষিত পেপার দ্বারা মোড়ানো ৫০টি গাঁজার রোল উদ্ধার করা হয়। যাহা কাগজ সহ প্রতিটি রোলের ওজন ২০ গ্রাম করিয়া মোট ১০০০ গ্রাম বা ০১ কেজি।
আটককৃত জাহাঙ্গীর উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের উত্তর বাবুচির্র (বসুন্ডা বাড়ি) মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।
এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে ওসি ত্রিনাথ সাহা সংবাদ মাধ্যমকে জানান। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


তেজগাঁও থানা পুলিশ রাজধানীতে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে । এসময় তাদের কাছ থেকে এক হাজার পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- আব্দুল আজিজ (২৮), মো. সাহিদুল ওরফে জাহিদুল ইসলাম (৩০) এবং মো. রমজান আলী (৪৫)। এদের মধ্যে আজিজ ও জাহিদুল সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। এছাড়া রমজান ও আজিজ পরস্পর বেয়াই।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা বাদাম বিক্রির আড়ালে গাঁজা বিক্রি করতেন । বাদামের প্যাকেটের মতো করেই এসব গাঁজা প্যাকেটজাত করা হতো ।
শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গ্রেফতার তিনজনই তেজগাঁওয়ের চিহ্নিত মাদক কারবারি। তারা শুধু গাঁজা বিক্রি করতেন। গ্রেফতার আজিজের বিরুদ্ধে ২৮টি, রমজানের বিরুদ্ধে ৭টি এবং জাহেদুলের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে।
ওসি আরো বলেন,সাধারণত বাদাম বিক্রির আড়ালেই এসব গাঁজা বিক্রি করা হয়। তারা তেজকুনি পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় গোপনে গাঁজার ব্যবসা করতেন। গাঁজা ক্রেতা-বিক্রেতার কাছে সেই বাসা গাঁজার আড়ৎ নামে পরিচিত। তারা সেখানে গাঁজাকে বাদামের প্যাকেটের মতো করেই এসব প্যাকেটজাত করে রাখতেন। এরপর খুচরা বিক্রেতারা এখান থেকে কিনে নিতেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আনুমানিক ২ কেজি পরিমাণের এক হাজার পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানান ওসি মহসীন।
মন্তব্য করুন


কানাডার
টরেন্টোতে বাড়ছে বাড়ি ভাড়া। সেই
ধকল কূলাতে না পেরে নিজের
অর্ধেকটা বিছানা ভাড়া দেওয়ার ঘোষণা
দিয়েছেন টরেন্টোর এক নারী।
গত
মাসে টরেন্টোর বাসিন্দা অ্যানিয়া ইটিংগার ফেসবুকের মার্কেট প্লেসেস একটি পোস্ট করে
জানিয়েছন, তিনি তার বিছানার
অর্ধেকটা ভাড়া দিতে চান
মাসে ৯০০ কানাডিয়ান ডলারের বিনিময়ে।
ওই
পোস্টে অ্যানিয়া ইটিংগার লিখেছিলেন, ‘একজন সরল মনের
নারীকে খুঁজছি। যার সাথে মাস্টার
বেডরুমে একটি কুইন সাইজ
বেড শেয়ার করতে চাই। এর আগেই
আমি
ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া নারীর সাথে আমার বিছানা
শেয়ার করেছিলাম। সেটা বেশ ভালোভাবেই
চলছিল।’
ভাড়া
বিষয়ক পোস্টটির শিরোনাম ছিল, ‘শেয়ারড বেডরুম ইন অ্যা লেক-ফেসিং ডাউটাউন কনডো।।’ তিনি প্রতিমাসে ৯০০ কানাডিয়ান
ডলার ভাড়া দাবি করেন
।
অ্যানিয়া
ওই পোস্টের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, আপনি যদি ভাবেন
টরেন্টোর বাজারে খারাপ কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আসলে এটা ঘটছে। এটা
খুবই অস্থিরতা। আপনার
বিছানা ৯০০ কানাডিয়ান ডলারে
মাসে ভাড়া দিতে চান,
অনেকেই এটাকে ঘৃণা করবে। তবে
সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে, অনেকে
এটা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
সূত্র:
এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দূর্গাপুর এলাকা হতে ৭৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
গতকাল সকালে (৬ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দূর্গাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৭৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মহিলা মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার উত্তর পাড়া গ্রামের মোঃ মালেক মিয়া এর মেয়ে মনি (৩০)। এসময়ে মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন যাবৎ গাইবান্ধা ও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত মহিলা আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকা হতে ২০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২০ নভেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী নরসিংদী জেলার পলাশ থানার পলাশ (নতুন বাজার) গ্রামের শেখ আবুল খায়ের এর ছেলে শেখ জুম্মন (২৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ নরসিংদী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তরুণ বয়সে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা মাসুক মিয়ার। ঘটনার পর ৩৩ বছর আত্মগোপনে কাটিয়ে বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।
১৯৯০ সালে পলাতক তরুণ মাসুক মিয়ার বয়স এখন ৫৬ বছর। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুক মিয়া (৫৬) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের চরন মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার (১১আগস্ট) ভোরে আসামির নিজ বাড়ি উপজেলার করগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ । বোনের মৃত্যুশোকে বোরকা পরে গোপনে কুলখানিতে অংশ নিতে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।
পুলিশ সূত্র জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে খুন হন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের হাছন মিয়ার ছেলে আব্দুস সালাম। ঘটনার রাতে উপজেলার পুরকায়স্থ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে তাকে খুন করা হয়।
খুনের ঘটনায় ওই বছরের ১৩ এপ্রিল থানায় মামলা করা হয়। দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন মাসুক মিয়া। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এরপর ১৯৯২ সালে সিলেটের আদালত থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন মাসুক মিয়া। দীর্ঘ আত্মগোপনকালে সৌদি আরবেও অবস্থান করেন তিনি।
সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. সম্রাট তালুকদার জানান, কিছুদিন আগে বোনের কুলখানিতে অংশগ্রহণের জন্য দেশে আসেন। শুক্রবার (১১ আগস্ট) ভোরে আসামি বোরকা পরে এলাকায় প্রবেশ করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৯০ সালে খুনের ঘটনার পর মাসুক মিয়া পালিয়ে চট্রগ্রামে ৬ মাস থাকার পর আসামে চাচার কাছে চলে যান। সেখান থেকে সৌদি আরব গিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে আবার আসামে ফিরে বিয়েও করেন। কিন্তু নিঃসন্তান থাকার কারণে স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আগেও একাধিকার বোরকা পরে তিনি এলাকায় যাতায়াত করেছিলেন। সে খবর আমাদের কাছে ছিল। যে কারণে সোর্স নিয়োগ করি। কিন্তু এবার তা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি বোনের কুলখানিতে অংশ নিতেই তিনি দেশে এসেছিলেন। শুক্রবার ভোর আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মামলাটি বেশ পুরোনো। তাই ওয়ারেন্ট তামিল ছাড়া কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে তিনি তরুণ বয়সে পলাতক ছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,সেনা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানকে এ নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে ন্যস্ত করেছে ।
অন্যদিকে, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির মহাপরিচালকের দায়িত্ব চালিয়ে আসা মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসানকে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আর এজন্যই তার চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের ইছানগরে আগুনে পুড়তে থাকা চিনির গুদাম দেখতে এসে শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ বলছেন, আগুন নেভার পর দুই দিনের মধ্যে চিনি পরিশোধনে ফিরতে চান তারা।
সোমবার বিকাল ৪টার দিকে কর্ণফুলী নদীর তীরে এস আলম সুগার রিফাইন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ১ নম্বর গুদামে আগুন লাগে। ২৫ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বিকালেও সেই আগুন নির্বাপণ করা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট।
এস আলমের ওই চিনিকলের দৈনিক পরিশোধন ক্ষমতা ২২০০ টন। কারখানার পাশের পাঁচটি গুদামের মধ্যে চারটিতে অপরিশোধিত এবং একটি গুদামে পরিশোধিত চিনি রাখা হয়। রোজা শুরুর এক সপ্তাহ আগে চিনিকলটির ১ নম্বর গুদামে আগুন লাগে, যাতে এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল বলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার যখন গুদামে আগুন লাগে, তখন চিনিকলটি চালু ছিল। আগুন লাগার পর কারখানায় উৎপাদন বন্ধ করা হয়। ওই দিনই এস আলমের কল থেকে বাজারে চিনি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
আগুনে ১ নম্বর গুদাম ভস্মীভূত হলেও অন্য গুদাম বা কারখানায় আগুন ছড়ায়নি। তবে ১ নম্বর গুদামের আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে আরও কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার দুপুরে আগুনে পুড়তে থাকা গুদাম দেখতে এলে সাংবাদিকরা সাইফুল আলম মাসুদের কাছে জানতে চান, এই অগ্নিকাণ্ডের প্রভাব রোজায় চিনির বাজারে পড়বে কি না।
উত্তরে সাইফুল আলম মাসুদ বলেন, আপনারা জানেন কিছু ব্যবসায়ী আছে, দুয়েকদিনের জন্য করে এরা; এগুলো ঠিক হয়ে যাবে। হয়তো দুয়েকদিন হবে আরকি। দুয়েকদিন পর তো আমার ডেলিভারি ঠিক হয়ে যাবে।
এস আলমের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ আরো বলেন, আমার প্রোডাকশন চালু করব। আমার বানানো মাল আছে। ওইটা দিয়ে এক সপ্তাহ মিনিমাম চলবে। প্রোডাকশনে যাইতে লাগবে দুই দিন। মালেরও সমস্যা নেই। মেইনলি আগুনটা নিভে গেলে হয়ে যাবে আমার।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিনব কায়দায় চুরি ও ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা আদতে ছেলে হলেও নারী বেশে চুরি করেন, আবার সড়কে হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি ছিনতাই করে আসছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হিজড়া মনির ওরফে প্রকাশ মণি (২৭) ও রফিক প্রকাশ ওরফে অপরূপা প্রকাশ রূপা (২৮)।
বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মহসীন এ ব্যাপারে বলেন, মিরপুরের একটি চুরির তদন্তে বেরিয়ে আসে ধূর্ত এ চক্রের নাম ।
তিনি বলেন, চক্রটি গত রোববার (২৭ আগস্ট) মিরপুর মডেল থানার ৬০ ফিট এলাকার টুর অ্যান্ড ট্রাভেলসে চুরি করে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় তারা।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চুরি করেছে এক নারী। পরে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন দেখা যায় চোর নারী নয় নন,আদতে পুরুষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই মেয়ে সেজে চুরি করে তারা। ঘরে মেয়ে সেজে চুরি করলেও রাস্তায় আবার তারা সাজে হিজড়া! হিজড়া সেজে তারা মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও সুযোগ বুঝে ছিনতাই করে।
সাধারণত শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিন হলেও রফিক ও মনিরের কাছে এই দুই দিনই কাজের দিন! কারণ এ সময় অফিস বন্ধ থাকে। তারা যে অফিসেই যায় সেখান ঢুকতেই মাথায় ঘোমটা দিয়ে ঢুকে! আবার রুমে ঢুকলে মাথায় ছাতাও ধরে! কারণ এসব জায়গায় সিসি ক্যামেরা থাকে। সেই ক্যামেরায় যাতে তাদের মুখ না আসে সে জন্যই এ পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা। যেখানেই চুরি করে সেখানেই সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়ে আসে।
আসল নাম রফিক। কিন্তু বাইরে তিনি পরিচয় দেন রূপা নামে! একইভাবে আরেকজনের নাম মনির। কিন্তু তিনি বাইরে পরিচিত মণি নামেই। তারা দুইজনই ছেলে হলেও বাইরে তারা কখনও হিজড়া হিসেবে, আর কখনও মেয়ে হিসেবেই পরিচয় দিতেন!
প্রায় ৪ বছর ধরে তারা চুরি করছিলেন। এ পর্যন্ত শতাধিক চুরি করেছে তারা। কিন্তু মেয়ে সেজে করার কারণে অধিকাংশ সময়ই তাদের শনাক্ত করা যায়নি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরে বাংলা নগর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, দুইটি মোবাইল ও ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দুইটি করে মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন