

কুমিল্লায়
জুয়ার আখড়ায় অভিযান পরিচালনা করে জুয়া খেলার তাস ও নগদ ১,৭৭০ টাকাসহ ৩ জন জুয়াড়ীকে
গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ ।
শনিবার
রাতে দাউদকান্দি মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ সরোয়ার হোসেন এবং সঙ্গীয় ফোর্স
সহ রাত্রিকালে থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পরে যে দাউদকান্দি মডেল থানাধীন উত্তর ইউনিয়নস্থ কদমতলী সাকিনস্থ
আউলিয়া সওদাগর এর বসত বাড়ীর চৌচালা টিনের ঘরে কতিপয় ব্যক্তি প্রকাশ্যে টাকার বিনিময়ে
তাস দ্বারা জুয়া খেলছেন। উক্ত জুয়ার আসরে অভিযান করে ০৪ সেট বিভিন্ন রং ও নম্বরের তাস
এবং ১,৭৭০ টাকাসহ ৩ জুয়াড়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: ১। মোঃ আজাহার
হোসেন(৬৫), পিতা- মৃত শামসুল হক, সাং- মাইজপাড়া, দিঘীর পাড়, ৩নং ওয়ার্ড, দাউদকান্দি,
পৌরসভা, ২। মোঃ মনির হোসেন সওদাগর(৪৮), পিতা- মৃত কালু মিয়া সওদাগর, সাং- উত্তর সতানন্দি,
০৪নং ওয়ার্ড, দাউদকান্দি পৌরসভা, উভয় থানা- দাউদকান্দি, জেলা- কুমিল্লা এবং ৩। মোঃ
বাদল মিয়া(৩৫), পিতা- আবু বক্কর সিদ্দিক, সাং- ফতেপুর ফকিরা, ইউপি- ৭নং বড় আলমাপুর,
থানা- পীরগঞ্জ, জেলা- রংপুর, বর্তমান সাং- উত্তর সতানন্দি শ^শুর নুরুল ইসলামের বাড়ী,
৪নং ওয়ার্ড, দাউদকান্দি পৌরসভা, থানা- দাউদকান্দি,জেলা- কুমিল্লা ।
উক্ত
আসামীদের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি মডেল থানার মামলা নং-৩১, তারিখ-২৩/০৭/২০২৩খ্রিঃ, ধারা-১৮৬৭
সনের প্রকাশ্যে জুয়া আইনের ৩ ও ৪ তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের দাম্মামে একটি ফার্নিচারের কারখানায় আগুনে পুড়ে ৯জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৭জন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও ২জন।
১৪ জুলাই শুক্রবার দাম্মাম শহরের হুফুপ সানাইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সৌদির বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া একজন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩ জন নাটোরের ও ১ জন রাজশাহীর। বাকি ৩ জনের বাড়ির ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শ্রম কাউন্সিলর নিহতদের পরিচয় শনাক্তে দুর্ঘটনাস্থলে গেছেন। তবে এখনও জানা যায়নি আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ছেলের সামনে ট্রেনের ধাক্কায় মারা গেলেন মা লাইলী বেগম (৪০)।
শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার রেলওয়ে থানা (কমলাপুর) উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হারুনুর রশিদ তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন যে, ছেলেকে নিয়ে লালমনিহাটগামী একটি চলন্ত ট্রেনে উঠার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি আরো জানান, নিহত নারীর স্বামীর নাম জাহাঙ্গীর আলম। তারা নারায়ণগঞ্জ এলাকায় থাকেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে লাইলী বেগম তার ছেলে মো. হৃদয় হোসেনকে নিয়ে কমলাপুর ছয় নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে লালমনিহাটগামী একটি চলন্ত ট্রেনে উঠার সময় পা পিছলে পড়ে যান। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে লাইলী বেগম মারা যান।
এসআই জানান, ছেলের হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লালমনিরহাটগামী একটি চলন্ত ট্রেনে তার মাকে পেছন দিক থেকে ধরে ট্রেনে ওঠার সহযোগিতা করার সময় পা পিছলে পড়ে তার মা ট্রেনের আঘাতে আহত হন। পরে হাসপাতালে মারা যান।
মরদেহ এখন পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে আছে। তবে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
আজ
১০সেপ্টেম্বর চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ
চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন ৬নং ঘোলপাশা ইউপির আমানগন্ডা শালুকিয়া সাকিনস্থ পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতাল
সংলগ্ন পূর্ব পাশে রাস্তার উপর হতে পলাতক অজ্ঞাতনামা ২ জন আসামীদের ফেলে যাওয়া ২টি
প্লাষ্টিকের বস্তা উদ্ধার করে। এ সময় বস্তার ভেতরে থাকা ২০ কেজি গাঁজা জব্দ করেন।
এ
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-১৬, তারিখ-১০/০৯/২০২৩,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১৯(গ)/৪১ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ,
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের
অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সস্ত্রীক ভুটান ফিরে গেলেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল
ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে জেলার সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন
শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন শেষে সস্ত্রীক ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা
শুরু করেছেন রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক।
এর
আগে বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউজ থেকে দুপুর ১ টা ২০ মিনিটে ধরলার পাড়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলে
যান এবং পনের মিনিট স্থানটি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ
হারুনসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এর
পরে রাজা সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে রওয়ানা দেন। রাজা সড়ক পথে দুপুর ১২ টা ১৫
মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে কুড়িগ্রাম
সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান।
কুড়িগ্রামের
জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে অবস্থান
করেন। এরমধ্যে তিনি দুপুরের খাবার সেরে নেন। এরপর দুপুর দেড়টায় তিনি ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম
সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত
জায়গা পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজা পনের মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভূরুঙ্গামারী
উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থলবন্দরে বিশেষ ইমিগ্রেশনের
মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন রাজা। বাংলাদেশ-ভুটান দুদেশের
যৌথ উদ্যোগে ধরলা পাড়ে ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জিটুজি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক
অঞ্চল। রাজার আগমনকে ঘিরে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করে প্রশাসন। ভুটানের রাজার আগমনে
কয়েক স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কুড়িগ্রাম
চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আব্দুল আজিজ জানান, ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
এ
সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম ৪- আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিপ্লব হাসান পলাশ
সহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন


প্রতারক
চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার এবং আসামীর ব্যাংক একাউন্টে থাকা ১,৯৮,০০০ টাকা জব্দ করেছে
জেলা গোয়েন্দ শাখা (ডিবি), কুমিল্লা ।
গত
৯আগস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: মতিন কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগে জানান
যে, গত ১/০৩/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে বাদীর পুত্রবধূর (ভুক্তভোগী) ফেইসবুকে +৪৪৭৮২৩৯৭০৩..
নম্বর হতে জন রিকো নামের এক ব্যাক্তি ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায়। ভিকটিম ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
একসেপ্ট করলে, উক্ত জন রিকো নামক ব্যক্তি ম্যাসেঞ্জারে ভুক্তভোগীকে উপহার সামগ্রী পাঠানোর
জন্য ঠিকানা চায়। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে কর্মস্থলের ঠিকানা উক্ত ব্যক্তিকে পাঠায়।
পরবর্তীতে উক্ত জন রিকো নামক ব্যক্তি ম্যাসেঞ্জারে মি: জন রিকো লন্ডন লেখা একটি পার্সেলের
রশিদ পাঠায়। পরের দিন সকাল অনুমান ৯:৪৫ ঘটিকার সময় নিজেকে কাস্টমস্ অফিসার পরিচয় দিয়ে
০১৭৩৩১৪২১.. নম্বর হতে ভুক্তভোগীকে পার্সেলের টাকা পরিশোধের জন্য ০২০০০১৯১৯৩১.. নম্বর
ব্যাংক হিসাবে ৫৪,০০০/- (চুয়ান্ন হাজার) টাকা জমা দিতে বলে। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে
উক্ত টাকা নিজ ব্যাংক হিসাব হতে পরিশোধ করে। এরপর পরই উক্ত নম্বর হতে মোবাইলে ফোন করে
জানায় উক্ত পার্সেলে ডলার আছে, আপনি মানিলন্ডারিং এর মামলা হতে বাঁচতে চাইলে দ্রুত
আরো ১,৮০,০০০/- টাকা উক্ত ব্যাংক হিসাবে পাঠান। আর না পাঠালে ১২ ঘন্টার মধ্যে আপনাকে
গ্রেফতার করা হবে। এভাবে ভিকটিমকে মানিলন্ডারিং এর মামলা, চাকরি যাওয়া সহ জেল খাটানোর
ভয় দেখিয়ে ২/০৪/২৩ খ্রিঃ হতে ০৪/০৪/২০২৩ খ্রি: তারিখে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কিস্তিতে
সর্বমোট ২৪,৩৬,০০০/- টাকা প্রতারকদের ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে বাধ্য করে। এরপর উক্ত ব্যক্তি
আরো টাকা পাঠাতে বললে ভুক্তভোগী বাদীকে এবং বাদীর ছেলে (ভুক্তভোগীর স্বামী) কে বিষয়টি
জানায়। পরবর্তীতে এই সংক্রান্তে বাদী কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ২৯, তাং- ০৯/০৮/২৩
খ্রি: ধারা- ৪১৯/১০৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু করেন। কুমিল্লার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান
বিপিএম বার মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দ শাখা কুমিল্লাকে নির্দেশ দেন এবং দ্রুত
ব্যবস্থা গ্রহণে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার
একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে উক্ত
প্রতারণার ঘটনায় জড়িত মূল হোতা মো: রুবেল আহম্মেদ (৩৩), পিতা- রেজাউল করিম,
সাং- আলীপুর (উত্তরপাড়া), থানা- গুরুদাসপুর, জেলা- নাটোরকে শনাক্ত করে। মূল হোতাকে
শনাক্ত পূর্বক অভিযান চালিয়ে গত ১১/০৮/২৩ খ্রি: ভোর ০৫.০০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ মদনপুর
এলাকায় আসামীর বর্তমান ঠিকানার ভাড়া বাসা হতে গ্রেফতার করা হয়।
আসামীকে
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র পর্যালোচনায় জানা যায়,অত্র মামলায় ব্যবহৃত
মোবাইল সিমসহ তার নামে মোট ১৩ টি মোবাইল সিম রেজিষ্ট্রেশনকৃত এবং বিভিন্ন ব্যাংকে মামলায়
উল্লেখিত একাউন্ট সহ মোট ৮ (আটটি) ব্যাংক একাউন্ট খোলা আছে। উক্ত মামলার এজাহারে উল্লেখিত
০২০০০১৯১৯৩১১১ নং হিসাবটি ১,৯৮,০০০ (এক লক্ষ আটানব্বই হাজার) টাকাসহ সাময়িকভাবে স্থগিত
করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


সকালে ভারী বর্ষণ চলাকালে মার্কেটের ওপর বজ্রপাত হয়। সেই বজ্রপাত থেকে সৃষ্ট বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান ও ১টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পুড়ে গেছে। এ সময় আরো ৩টি অটোরিকশা আংশিক পুড়ে গেছে।
সোমবার (১০ জুন) এ ঘটনা ঘটে এয়ারপোর্ট সড়কে লাক্কাতুড়া এলাকায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনের সড়ক সংলগ্ন একটি আধাপাকা মার্কেটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুনু মিয়া জানান, বজ্রপাত থেকে সৃষ্ট আগুনে কিংবা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুনে ৯টি দোকান ও ৪টি অটোরিকশা পুড়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে ভারী বর্ষণ চলাকালে মার্কেটের ওপর বজ্রপাত হয়। এ সময় বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে ৯টি দোকান ও ৪টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা আগুনে পুড়ে যায়। এরমধ্যে ১টি সেলুন, ১টি খোলা তেলের দোকানসহ ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্যারেজে থাকা ১টি সিএনজি অটোরিকশা পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এছাড়া সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ৩টি সিএনজি অটোরিকশাও পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে সিলেট ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা প্রসাশন ও বিএসটিআই, কুমিল্লার সমন্বয়ে এবং বাংলাদেশ পুলিশের সহযোগিতায় সিনিয়র
সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার এর নেতৃত্বে মঙ্গলবার
(১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলায় বিসিক শিল্প নগরীতে
একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। উক্ত অভিযানে মেসার্স ইউ এস ফুড এন্ড বেভারেজ
নামীয় প্রতিষ্ঠাটি মশার কয়েল ও সফট ড্রিংকস পাউডার পণ্যসমূহের অনুকূলে বিএসটিআই হতে
গুণগতমানের সিএম লাইসেন্স গ্রহণ\নবায়ন না করে মানচিহ্ন ব্যবহার করে মিথ্যা
তথ্য প্রদান করে বিক্রি/বিতরণের দায়ে অবৈধ পণ্যসমূহ ধ্বংস এবং কারখানা সীলগালা করা
হয়। অভিযানটিতে উপপরিচালক (সিএম) কে এম হানিফ, নিখিল রায়, ফিল্ড অফিসার (সিএম)
কোর্টকে সার্বিক সহযোগিতা করেন এবং মো: আমিনুল ইসলাম শাকিল, ফিল্ড অফিসার (সিএম) প্রসিকিউটরের
দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ-জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি - এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী শনিবার (৪ নভেম্বর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২৩।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সদস দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) কামরুল হাসান বিষয়টি জানান।
বাংলাদেশ পুলিশের সব মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ, জেলা পুলিশ, বিশেষায়িত ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ইত্যাদি ইউনিটে দিবসটি পালিত হবে বলে বাংলাদেশ পুলিশ সদস দপ্তর থেকে জানানো হয়।এ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এছাড়া শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের পুরস্কার দেওয়া হবে।
কামরুল হাসান জানান, কমিউনিটি পুলিশিং একটি সংগঠনভিত্তিক দর্শন ও ব্যবস্থাপনা, যা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনগণ ও পুলিশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমাজে অপরাধ ভীতি কমানো ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়। এটি একটি গণমুখী, প্রতিরোধমূলক এবং সমস্যা সমাধানমূলক পুলিশি ব্যবস্থা।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল/কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পুলিশের কাজে সহযোগিতা, অপরাধ বিরোধী সচেতনতা তৈরি, বাল্যবিয়ে রোধ, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জঙ্গিবাদ দমন, সন্ত্রাস দমন, মাদকের কুফল, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক নিরোধ, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধ বাড়ানো ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপী ৪৯ হাজার ৫২৯টি কমিটিতে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ জন কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা সহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে
আনোয়ার হোসেন (৫২), কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ঘোড়াকান্দা গ্রামের, ০২ নং ওয়ার্ড এর
মোজাম্মেল হক এর ছেলে সুমন মিয়া (২৪), কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের
আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সিহাব হোসেন (১৯)।
গাইবান্ধা
জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায়
তার ছেলে লাজু মিয়া (২২) কে ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে লিবিয়াতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে
বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তার ছেলে লিবিয়ায় মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে যায়।
মানব পাচার চক্রের সদস্যরা তার ছেলেকে আটকে রেখে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবী করে। উক্ত
চক্রের দেশীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে গ্রেফতারকৃত আসামীরা। গ্রেফতারকৃত আসামীরা আবুল
কাশেমকে কুমিল্লায় এসে টাকা দেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। শেষমেষ ভিকটিম আবুল কাশেম ছেলেকে
বাচাবার আশায় উপায়ান্তর না দেখে র্যাব-১১, কুমিল্লা অফিসে এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তে
প্রাপ্ত তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকেলে কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকায় আসামীরা মুক্তিপনের টাকা নিতে আসলে কৌশলে উক্ত
আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা র্যাবের নিকট স্বীকার করে যে,
তারা সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্যমতে
জানা যায়, তারা ও তাদের সহযোগী আরো পলাতক আসামীরা মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন
স্থান হতে ভিকটিম সংগ্রহ করে তাদেরকে লিবিয়া ও ইতালী প্রেরণের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশের
বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আটক রেখে হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের পরিবারের নিকট হতে মোটা অংকের
মুক্তিপণ আদায় করেছে। মানব পাচার ও মুক্তিপণের অবৈধ অর্থ দিয়ে গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী
ও তার ছেলে পলাতক আসামী সাখাওয়াত হোসেন কুমিল্লা, গাজীপুর, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন
জেলায় অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা কর্তৃক ১২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)/ অরুন কুমার চাকমা এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার কাশারীপট্রি চৌরাস্তার রঘুপুরের মিষ্টি ঘরের সামনে রাস্তার উপর তল্লাশি করে ১২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ আরিফ (৩৮), পিতা-মোঃ হারুন মিয়া, স্থায়ী: (বাউবন মুহুরী বাড়ী, ২৬ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জেলা –কুমিল্লা। ২. শরীফ(৩০), পিতা-রমজান আলী, স্থায়ী: গ্রাম- কাশারিপট্টি (জনের ভাগিনা, ১৫নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা কে গ্রেফতার করা হয়।
এ সংক্রান্তের উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার, এফআইআর নং-২০, তারিখ-০৭ নভেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(খ); তে মামলা অজু করা হয়েছে। এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন