

কুমিল্লা
জেলার বরুড়া উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের দঃ
ঘোষ্পা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলা ও ইয়াবা
ট্যাবলেট রাখার দায়ে ৭ জন আসামীকে বরুড়া থানা পুলিশ আটক করে।
২০
জুলাই বৃহস্পতিবার বরুড়া থানা ওসি ফিরোজ হোসেনের নির্দেশনায় এসআই (নিঃ) আলী মর্তুজা
ও এএসআই মতিউর রহমান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার বরুড়া থানাধীন ঘোষ্পা মোল্লা বাড়ির
মিজানের বসত ঘর হইতে মাদকদ্রব্য বিক্রয় এবং
জুয়া খেলার অপরাধে মীর হোসেন (৩৭), শাহ পরান(৩৫),মিজানুর রহমান(৪৭), মিলন(৩৭),
লিটন(৩৮), জহির(৩৮), ওন নকির হোসেন(২৭) কে বরুড়া থানা পুলিশ আটক করে।
মাদক বিক্রয়ের সাথে জড়িত ২ জনের নিকট হতে ১৫০ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট এবং জুয়া খেলা অবস্থায় ৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের নিকট
হইতে বিভিন্ন রংয়ের ৫২টি তাস ও নগদ ২২০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে বরুড়া থানার এসআই(নিঃ) আলী মর্তুজা বাদী হয়ে
১ ও ২নং আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে এবং ১ হইতে ৭ জনের বিরুদ্ধে জুয়া
আইনে এজাহার দায়ের করলে আসামীদের বিরুদ্ধে
২টি মামলা রুজু করা হয়।
এই
বিষয়ে বরুড়া থানা ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চৌদ্দগ্রাম থানা কর্তৃক আন্তঃজেলা সিএনজি চোরচক্রের সক্রিয়
০৩ সদস্য গ্রেফতার এবং চুরাইকৃত সিএনজি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গত ০৫/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ বিকালে মামলার বাদী দুলাল মিয়া (৫০), পিতা—লাতু
মিয়া, সাং—শালুকিয়া, থানা—চৌদ্দগ্রাম, জেলা—কুমিল্লা এর চালিত সিএনজি গাড়ী ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে
বের হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ০২নং উজিরপুর ইউপিস্থ মিয়াবাজার সাকিনে মিয়াবাজার সিএনজি
পাম্পের দক্ষিণ পূর্বে চাকার দোকানের সামনে সিএনজি গাড়ীটি নষ্ট হওয়ায় অবস্থান করে।
এখানে ইতিপূর্বে গ্রেফতার হওয়া বিবাদী কাউছারের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে আন্তঃজেলা চোর
চক্রের সদস্যগণ অন্য একটি সিএনজি যোগে ঘটনাস্থলে চলে আসে। বিবাদী কাউছার অভিনব কায়দায়
ভাড়া ঠিক করে দেওয়ার কথা বলে বাদীর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে এবং বাদীর মোবাইল নম্বর
নিয়ে চোর চক্রের সদস্যদেরকে দিয়ে দেয়। বিবাদী কাউছারের মধ্যস্থতায় সদর দক্ষিণ থানাধীন
সুয়াগাজী টু কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে বাদীকে ভাড়া ঠিক করে পাঠায়। সুয়াগাজী থেকে বিবাদীরা অভিনব কায়দায় তাদের একই চক্রের একজন
পুরুষ ও একজন মহিলা বাদীর চালিত সিএনজি গাড়ীতে উঠে। তারপর কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালের
উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে বিকাল অনুমান ০৪.১৫ ঘটিকার সময় কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন টাওয়ার
হাসপাতালের পাশে রামঘাটলার পাড়ে পৌঁছায়। তখন চোর চক্রের একজন সদস্য বাদীকে আইসক্রিমের
মধ্যে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে বাদীকে অচেতন করে চোর চক্রের সদস্যরা সিএনজি গাড়িটি
চুরি করে নিয়ে যায়। বাদী অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বাদীকে কুমিল্লা সরকারী
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। দুই দিন পর বাদীর জ্ঞান ফিরলে বাদীকে চৌদ্দগ্রাম
নিয়ে আসে। উক্ত ঘটনায় বাদীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২৩,
তারিখ-১৩/০৯/২০২৩খ্রিঃ, ধারা- ৩২৮/৩৭৯/১০৯ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
মামলা রুজু হওয়ার পর পরই গত-১৩/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ ঘটনার সাথে জড়িত
আসামী ০১। মোঃ কাউসার ড্রাইভার (২২), পিতা-এরশাদ মিয়া, মাতা-খোরশেদা বেগম, সাং-কমলপুর
(কাজলের বাড়ি), চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা, ০২। মোঃ আশিক
(৩০), পিতা-সেলিম, মাতা-শাহানারা, সাং-পিপুলিয়া (আজমত কেরানী বাড়ি), থানা-সদর দক্ষিণ,
জেলা-কুমিল্লাদ্বয়কে গ্রেফতার করে। উক্ত আসামীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চোর চক্রের সক্রিয়
সদস্য আমান প্রকাশ ইমন নামের একজনকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৭/০৯/২০২৩খ্রিঃ
তারিখ রাত ১২.০৫ ঘটিকায় চোরাই সিএনজি গাড়ীটি বিক্রি করতে যাওয়ার সময় নোয়াখালী
জেলার সোনাইমুড়ী থানাধীন সোনাইমুড়ী পৌরসভা চৌরাস্তা সংলগ্ন সিএনজি ষ্টেশনের সামনে
পাকা রাস্তার উপর হতে গ্রেফতার পূর্বক সিএনজি গাড়ীটি উদ্ধার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা
এলাকায় ফিরোজ মিয়ার ভাড়া বাড়িতে বসবাসরত বাবুল মিয়ার ছেলে মোঃ আমির হোসেন প্রঃ
(ইমন) (৩৪) এর দেওয়া তথ্যমতে কুমিল্লা কোতয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে,
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার নোয়াপাড়া এলাকার তারা মিয়ার বাড়ী মোঃ রিয়াজ
মিয়ার ছেলে মোঃ রাব্বি (২৪) এবং কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আড়াইওড়া (উত্তর
পাড়া), ০৩ নং ওয়ার্ড ইছাপুর গ্রামের মোঃ হাবিব এর ছেলে মোঃ ফারুক (৩৬) কে গ্রেফতার
করা।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা
নং-২৩, তারিখ-১৩/০৯/২০২৩ খ্রিঃ ধারা-৩২৮/৩৭৯/১০৯ পেনাল কোড মূলে তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত
আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।
মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।
আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।
মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


১৮ আগস্ট শুক্রবার সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা পুলিশলাইন শিব মন্দিরেও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আনন্দঘন পরিবেশে শ্রী শ্রী মনসাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশনেন সনাতন ধর্মালম্বী প্রায় সহস্রাধিক পুর্ণ্যাথী।
জানা যায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাপঞ্চমী তিথিতেও মনসাপূজার বিধান আছে । বর্তমানে সর্বজনীনভাবে মনসাদেবীর মন্দিরে মনসাপূজা করা হয়। আবার পারিবারিক পর্যায়ে পারিবারিক মন্দিরেও মনসাদেবীর পূজা হয়। প্রধানত সর্পদংশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে বা সর্পদংশনের প্রতিকার পেতে মনসার পূজা করা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আইটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, শ্রী মনসা সর্পের দেবী। দেবাদিদেব শিবের কন্যা। স্বর্গের দেবতারা মনসাকে দেবতা হিসেবে মানতে রাজি ছিলেন না। অবশেষে সকল দেবতা বলেন চম্পক নগরের চাঁদ সওদাগর যদি মনসাকে পূজা করেন তবে তিনি দেবতা হিসেবে স্বর্গে পরিচিত লাভ করবেন। দেবী মনসা তখন চম্পক নগরে গিয়ে চাঁদ সওদাগরকে তার পূজা করতে বলনে। চাঁদ সওদাগর ছিলেন শিবের একনিষ্ঠ ভক্ত।
তিনি মনসাকে জানিয়ে দেন যে হাতে আমি তোমার পিতার পূজা করি সেহাতে তোমার পূজা করতে পারবো না। মনসা তাকে অনুরোধ করলেন কিন্তু চাঁদ সওদাগর তার কথা শুনলেন না বরংতার উপর ক্ষিপ্ত হলেন। এ ঘটনায় চাঁদ সওদাগর মা মনসার কোপে পড়েন সপ্ততরী ও ছয় সন্তানকে সাগরে তলিয়ে দেন। এতে তিনি নিজে প্রাণে রক্ষা পেলেও ৬ পুত্রের মৃত্যু হয়। অনেকদিন পর চাঁদ সওদাগর চম্পক নগরে ফিরে এসে দেখেন লক্ষিন্দর নামে তাঁর আরেক পুত্রের জন্ম হয়েছে।
উপযুক্ত বয়সে বেহুলার সঙ্গে লক্ষিন্দরের বিবাহ দিলেন। বাসর রাতেই লক্ষিন্দরকে কাল সাপে দংশন করে। সতী বেহুলা অযুতযোজন পথ বেলায় ভাসিয়ে স্বর্গে গিয়ে দেবতাদের তুষ্ট করেন। শিব মনসাকে স্বর্গে ডেকে নিয়ে বেহুলার স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে দিতে আদেশ দেন। এবারো বেকে বসেন দেবী মনসা। তিনি চাঁদ সওদাগরের পূজা পেতে বেহুলাকে শর্ত দেন।
বেহুলা মনসাকে কথা দেন, তাঁর স্বামীর জীবন ফিরিয়ে দিলে তিনি তার শ্বশুরকে দিয়ে মনসার পূজা দেবেন। মা মনসা চাঁদ সওদাগর এর ৭ পুত্রের জীবন ফিরিয়ে দেন। অবশেষে বেহুলা চম্পনগরে এসে তার শ্বশুর চাঁদ সওদাগরকে মা মনসার পূজা করতে বলেন। চাঁদ সওদাগর তখন তার বাম হাত দ্বারা মা মনসার চরণে ফুল নিবেদন করেন। কথিত আছে সেই থেকে মা মনসা দেবীর পূজা আরম্ভ হয়েছে প্রতি বছর ঘরে ঘরে।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের ৫ নম্বর পন্টুনের অদূরে ডুবে যায় ইউটিলিটি ফেরি রজনীগন্ধা উদ্ধারের জন্য নারায়ণগঞ্জ ও মাওয়া থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম ও প্রত্যয় রওনা দিয়েছে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় উদ্ধারকারী ২টি জাহাজ রওনা দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা সেক্টরের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে এসে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। ডুবে যাওয়া ফেরিকে সোজা করবে হামজা এবং বাকি কাজ প্রত্যয় ও রুস্তম এসে করবে। আমাদের ট্রাক বোর্ড দিয়ে ভেসে যাওয়া পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলো উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসবে।
তিনি আরও জানান, হয়ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এসে পৌঁছাতে পারে রুস্তম ও প্রত্যয় উদ্ধারকারী এই ২টি জাহাজ।
মন্তব্য করুন


মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপিতে ২টি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এতে হুরমত আলী (৫০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছে।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা সড়কের আমঝুপি বীজ খামারের সামনে।
মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের মোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা নিহত হুরমত আলী।
এই তথ্য নিশ্চিত করেন মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কনি মিয়া।
মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানায়, সার বিষ কেনার জন্য মোটরসাইকেলযোগে মেহেরপুর শহরে আসছিলেন নিহত হুরমত আলী। আমঝুপি বীজ খামারের নিকট এলে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তার পাশে পড়ে যায় হুরমত আলী। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক হুরমত আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন বর্ণাঢ্য র্যালি, উদ্বোধনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির।
এসময় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিন, জাবের মিয়া, জেলা পরিষদের সদস্য তৌহিদুল ইসলাম খোকা, এসিল্যান্ড ইবনে আল জায়েদ হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাসুদুল হাছান, সাংবাদিক, সুধীজনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় এবং প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর
করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালী
মডেল থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ১৪ টি
মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান
থেকে উদ্ধার করেন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনসমূহ আজ ২৬ আগস্ট
২০২৩ খ্রি: কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ
প্রকৃত মালিকগণ ১) ফারদিন আলম(২২) , পিতা-খোরশেদ
আলম, সাং- অশোকতলা, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ২) শহিদুল ইসলাম (৫৭), পিতা-
গোলাম হোসেন, সাং-বল্লভপুর,থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৩)সুদর্শন চক্রবর্তী
(৬০), পিতা-রমনী মোহন, সাং বশিকপুর,থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা। ৪)শফিক (৪৮),পিতা-
আবুল বশর, সাং-বড়খলা,থানা- দোয়ারাবাজার, জেলা- সুনামগঞ্জ। ৫)আবু হাসান (৪২), হাজী জামাল
উদ্দিন,সাং- কালিকাপুর, থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা. ৬) সালমান সামি সৌরভ(১৭),
পিতা- সাদেক হোসেন, সাং- ঠাকুর পাড়া, থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৭)
গাজী আশিকুর রহমান (৪১), পিতা- গাজী গোলাম হোসেন, সাং- গাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল,
জেলা- কুমিল্লা। ৮)শাহজাহান (৬২), পিতা-সিরাজ মিয়া,সাং- উত্তর আমপালা,থানা- কোতয়ালী
মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ৯)মো: ফয়েজ(৫৫), পিতা- আব্দুল লতিফ, সাং- নিজ বানাশুয়া,থানা-
কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ১০) সোহেল আহাম্মাদ (৩১) পিতা মো: আমির হোসেন সাং- অশোকতলা, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১১) মো: জাহিদুল ইসলাম ফাহিম(১৮) পিতা : ফজলুল হক,
সাং- ছয়ঘরিয়া, থানা- বুড়িচং, জেলা : কুমিল্লা। ১২) মো: মোশারফ হোসেন মিলন (২৭) পিতা :মো: আবু তাহের, সাং- শাসনগাছা,
থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লা। ১৩) মো: তন্ময় (১৯) পিতা : মো: সুলতান মিয়া,
সাং- মনোহরপুর, থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১৪) জোহরাতুল ইসলাম (২০), পিতা:মো:জহিরুল
ইসলাম, সাং-মনোহরপুর থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লাদের নিকট হস্তান্তর করেন।
মোবাইল
ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি
প্রকাশ করে পুলিশ সুপার, কুমিল্লা সহ কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ
জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ
সুপার এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় জেলা পুলিশের এই জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত
থাকবে বলে জানান পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাবিব নামের ২বছরের এক শিশুর পেট থেকে জানালার ছিটকিনি বের করা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার মো. আবু সাঈদের তত্ত্বাবধানে শিশুটির খাদ্যনালিতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ছিটকিনিটি বের করা হয়েছে।
বর্তমানে শিশুটি শঙ্কামুক্ত হলেও ওই হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে হাবিব ।
হাবিব জেলার আখাউড়া উপজেলার শান্তিনগর গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, বুধবার সকালে ২বছরের হাবিবকে বিছানায় রেখে তার মা পাখি বেগম ঘরের বাইরে যান। এ সময় জানালা ধরে খেলা করছিল শিশুটি। এরপর সে শ্বাসকষ্টসহ পেটব্যথা ও যন্ত্রণায় আর্তনাদ করতে থাকে। এ অবস্থায় তাকে প্রথমে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এক্সরে করে চিকিৎসকরা দেখেন পেটের ভেতর একটা ছিটকিনি। চিকিৎসকরা তাকে ২ দিন অবজারভেশনে রাখেন। শুক্রবার রাতে ডাক্তার মো. আবু সাঈদ তার সফল অস্ত্রোপচার করা হয়।
হাবিবের মা পাখি বেগম বলেন, আমার ছেলেটি অনেক চঞ্চল। গত ২ আগস্ট সকালে তাকে আমি নাস্তা করিয়ে ঘরের বাইরে যাই। এসে দেখি তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তার মুখ খুলে প্রথমে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এক্সরে রিপোর্ট দেখে ডাক্তাররা বলেন সে ছিটকিনি গিলে ফেলেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও হাবিবের অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডাক্তার মো. আবু সাঈদ বলেন, এক্সরে রিপোর্টে শিশুটির পেটের খাদ্যনালিতে ছিটকিনি দেখা যায়। পেটের ভেতরে খাদ্যনালি প্রায় ২০ ফুট লম্বা থাকে। অস্ত্রোপচারের সময় খাদ্যনালির ভেতর থেকে খুঁজে বের করা হয়েছে ছিটকিনিটি। সে এখন সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহে
বাস-সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার
(১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে
সদর উপজেলার আলালপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সদর
থানার এসআই হারুনুর রশিদ
জানান, ঢাকা থেকে শেরপুরগামী
আদিল পরিবহনের একটি বাস আলালপুর
এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা
সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে
চালকসহ ৭জন নিহত হন।
এখনো নিহতের নাম পরিচয় জানা
যায়নি।
এ
বিষয়ে থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার
হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বাস ও অটোরিকশা
জব্দ করা হয়েছে। যান
চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে
কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


হিট পিডিমা
গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়।
চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে
যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই।
বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা
যায়।
হিট স্ট্রোক
গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে
হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।
শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়।
শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা
সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে
ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
হিট ক্র্যাম্প
গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে
কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড়
এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না
খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ
এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।
হিট টিটানি
অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময়
হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই
ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই
সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই
ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।
হিট সিঙ্কোপ
মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে
অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়।
এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে
সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে
পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।
ঘামাচি
ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড়
সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই
ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে
ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি
নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।
মন্তব্য করুন