

চট্টগ্রাম
নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন আসদগঞ্জ এলাকা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে ১৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার
দিনগত রাতে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ অর্থ উদ্ধার
করা হয়।
আটককৃত
ব্যক্তিরা হলো, ১। মো. হারুন (৪৭), ২।মো. আবদুর রফিক (৬০), ৩।মো. মহিউদ্দিন (৩০),
৪।মো. রুবেল (২৮), ৫।জাকির হোসেন (৪০), ৬।আবুল হোসেন (৬০), ৭।মো. সোলেমান (৪২), ৮।মো.
নরুল ইসলাম (২৪), ৯।মো. মানিক (২৫), ১০।মো. বেলার হোসেন (২৫), ১১।মো. ইউসুফ (৩৪), ১২।মো.
জাফর (৩৯), ১৩।মো. জসিম (৪৪), ১৪।নুরনবী (৩৭), ১৫।জুয়েল (৩৩), ১৬।মো. এবাদুল (৩৫),
১৭।মো. খালেদ মোর্শেদ (৪৫)।
কোতোয়ালি
থানার ওসি এম ওবায়দুল হক বলেন, রাতে জুয়া খেলার সময় আসদগঞ্জ এলাকা থেকে ১৭ জনকে হাতেনাতে
আটক করা হয়।
তাদের
নন-এফআইআর প্রসিকিউশন মূলে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
মন্তব্য করুন


মুড়ি ভাজার কারখানা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রাম। মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশীয় মুড়ি ভাজার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ওই গ্রামের পালবাড়ির বাসিন্দারা। এ যেন কারিগরদের ধম নেয়ারও সময় নেই।
সরেজমিনে কাদলা গ্রামের পাল বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন মুড়ি ভাজার কারিগরদের সাথে কথা হয়। ওই গ্রামের বিমল পাল,শ্যামল পাল, যুবরাজ,অমর পাল ও অজয় পাল জানান,মুড়ি ভাজা আমাদের বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত পেশা হিসেবে মুড়ি ভাজার কাজে আছি। সংসারের হাল ধরার একমাত্র উপার্জনক্ষন ব্যক্তি হিসেবে তারা বংশগত এ পেশার উপরেই নির্ভরশীল রয়েছেন বলেও তারা জানান।
তারা আরো জানান, মুড়ি ভাজতে অনেক পরিশ্রম হয়। বর্তমান যুগে মুড়ির চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের এখানে আগের মতো এখন আর কেউ মুড়ি ভাজতে আসে না। প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মুড়ি ২০ টাকা প্রতি কেজি ধরে ভাজা হয় প্রতিটি পরিবারে। প্রতি কেজি মুড়ি তারা ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি করেন। এক সময় এ গ্রামে ২৫টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে থাকলেও বর্তমানে ৩/৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ধানের দাম বেশি হওয়ায় এবং আধুনিক মেশিনে মুড়ি ভাজায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা অনেকটাই কমে গেছে। তবে রমজান আসলে একটু চাহিদা থাকলেও বছরের অন্যান্য সময় অনেকটা অলস সময় কাটাতে হয় তাদের। মুড়ি ভাজতে লবন, বালু লাগলেও এতে সহায়ক হিসেবে মাটির চুলা, লাকরি ও মাটির কড়াইয়ে মুড়ি ভাজা হয়। এতে এক একটি পরিবারের ৪ থেকে ৫ জন সদস্য সার্বক্ষনিক মুড়ি ভাজার কাজে সহায়তা করে থাকেন।
এমনি ভাবে কাদলা পাল বাড়ির অজয় পাল, যুবরাজ পাল, বিমল পাল, দিলিপ পাল, বিষ্ণু পদ পাল, বিমল পালের পরিবারও এ মুড়ি ভাজার কাজ করে তাদের সংসার চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তবে তারা জানান, এ পেশায় আগের মতো চাহিদা না থাকায় এবং লোকজন আগের মতো মুড়ি না ভাজায় বাধ্য হয়ে বংশগত পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে অনেকে।
তাদের দাবি বাপ-দাদার ঐতিহ্যগত এ পেশা বদল করতে চাইলেও পারছে না এবং কাছা-কাছি এলাকায় বৃহৎ বাজার না থাকায় ইচ্ছা করলেও ব্যবসা করতে পারছে না তারা।
বিমল পাল,শ্যামল পাল ও অমর পাল জানান, চলতি বছর এক মন ধান ১৭-১৮শ টাকায় ক্রয় করতে হয়। মুড়ির দাম কম হওয়ায় এবং আগের মতো মানুষের হাতে ভাজা মুড়ি ক্রয়ে আগ্রহ না থাকায় এ পেশায় আমাদের এখন আর পোষে না। আমরা বাপ দাদার ঐতিহ্য পেশায় ধরে রাখলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের ছেলেরা এ পেশায় থাকবে না। তারা আরো জানান, ইচ্ছা করলেই এ পেশা বদল করা যায় না। তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা এনজিও সংস্থার ঋণ সহায়তা নিয়ে এ পেশাকে এগিয়ে নিতে চান কাদলা গ্রামের মুড়ি ভাজার কারিগড়রা ।
মন্তব্য করুন


মো:মিজানুর রহমান মিনু,কুমিল্লা
কুমিল্লায় কিছুতেই যেন কমছে না শীতের তীব্রতা। উত্তরের হিমেল বাতাস আর হার কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবন হয়ে পড়েছে স্থবির।
দুপুর গড়িয়ে গেলও সূর্যের দেখা মিলছে না, এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুরা।
এদিকে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে শীত জনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক রোগির সংখ্যা।
আজ কুমিল্লায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছেন, আগামী ২৬ নভেম্বর (রোববার) মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ
সৃষ্টি হতে পারে । পরবর্তীতে এটি ঘনীভূত হতে পারে।
আজ
(২৪ নভেম্বর) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের
তেঁতুলিয়ায়।
আবহাওয়া
অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববারের মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ
সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীতে আরও ঘনীভূত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ
এ কে এম নাজমুল হক জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক
থাকতে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী
শনি ও রোববার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। অতিবৃষ্টির পর যমুনা নদীর পানি বেড়ে তা শহরে ঢুকে পড়ে। আর এ বন্যার পানিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দিল্লিতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার (১৪ জুলাই) দিল্লির সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ইন্দ্রপ্রস্থ মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ড্রেন ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে পানি ঢুকে পড়ে।
আর এই ড্রেন ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সেনাবাহিনী ও জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন বাহিনীর সহায়তা চেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সারাদিন যমুনার পানি স্থিতিশীল ছিল এবং সন্ধ্যার পর থেকে তা কিছুটা নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে যমুনার পানির স্তর ছিল ২০৮.৬৬ মিটার। শুক্রবার সকালে তা ২০৮.৪৬ মিটারে নেমে এসেছে। ওয়াটার কমিশনের আশা শুক্রবার দুপুরের পর থেকে যমুনার পানি আরও কমবে এবং দুপুর নাগাদ তা ২০৮.৩০ মিটারে নেমে যাবে। তা সত্ত্বেও এখনো পানির নিচে রয়ে গেছে দিল্লির অনেক অঞ্চল। সেখানকার স্থানীয় সরকার স্কুল, কলেজ, শ্মশান; এমনকি পানি শোধনাগারও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আইটিও ও রাজঘাটের অনেক এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র তিলক মার্গ এলাকায় অবস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আঙ্গিনায় বন্যার পানি ঢুকেছে। আইটিওতে সরকারি অনেক অফিস ও পুলিশের সদর দপ্তর অবস্থিত।
এদিকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিমাচল প্রদেশে কমপক্ষে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত পাঁচ দিনে মারা গেছেন ৪২ জন। ওই রাজ্যে শতাধিক মানুষ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। বন্যার পানিতে গাড়ি, বাস, সেতু, বাড়িঘর ভেসে যাচ্ছে।
বুধবার থেকে বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় উত্তর প্রদেশে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাজ্য সরকারের মুখপাত্র শিশির সিং এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এদিকে বন্যার পানি অনেক আগে দিল্লির লালকেল্লা ছুঁয়েছে। এবার সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেও পৌঁছে গেছে যমুনার পানি।
সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী পানির প্রবাহ বন্ধ করার জন্য ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


সিলেটে বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের
সংখ্যা। জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ৭টিতে বন্যা দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে পাঁচটির অবস্থা
ভয়াবহ।
ঘূর্ণিঝড় রিমেলের প্রভাবে ভারতের
মেঘালয় ও আসামের পাহাড়ি এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টিপাত হয়। ফলে সীমান্তের ওপার থেকে নেমে
আসা পাহাড়ী ঢলে সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট ও জকিগঞ্জে বন্যা
দেখা দেয়। সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, লোভা, ধলাই ও পিয়াইন নদীর বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ
ভেঙে ও উপচে পড়ে ওই পাঁচ উপজেলর বিস্তীর্ণ জনপদ প্লাবিত হয়। এদিকে, গত বৃহস্পতিবার
থেকে কুশিয়ারা নদীর পানি ঢুকতে থাকে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন স্থান দিয়ে।
ফলে এ দুই উপজেলাও বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল
হাসান শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, “বন্যা পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে
আমরা সার্বিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। বন্যা কবলিতদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে
নিয়ে আসা হচ্ছে এবং বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ চলছে।”
পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো সিলেটের
নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, শুক্রবার সিলেটের গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার
নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে জকিগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি
বিপৎসীমার দুই মিটার ও কানাইঘাটে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত
হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী,
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিলেটের ৭ উপজেলার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন বন্যাকবলিত হয়েছেন। এর
মধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৫০ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার
৩ ইউনিয়নের ৯৩ হাজার জন, কানাইঘাট উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ৮০ হাজার ৬০০ জন, জৈন্তাপুরের
৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার জন, জকিগঞ্জের ৮ ইউনিয়নের ৩৯ হাজার ৮৫২ জন, বিয়ানীবাজারের ৫ ইউনিয়নের
৫ হাজার ৫০০ জন ও গোলাপগঞ্জের ১ ইউনিয়নের ৩৫০০ জন পানিবন্দি হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলার
মধ্যে ৭টি বন্যাকবলিত হলেও সবকটি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলার
১৩টি উপজেলায় মোট ৫৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এতে
আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ৮০২ জন।
এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত
জকিগঞ্জের ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৯৫ জন, জৈন্তাপুরের ৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬৭৫ জন,
গোয়াইনঘাটে ৫৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৫৬ জন, কানাইঘাটে ৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৪৬৬ জন,
কোম্পানীগঞ্জে ৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৩৫ জন, বিয়ানীবাজারের ৬৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬০ জন,
গোলাপগঞ্জের ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় আশ্রয়কেন্দ্রের
সংখ্যা হ্রাস বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান।
মন্তব্য করুন


অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চাঁদপুরে র্যাব-১১ এর একটি দল মহড়া দিয়েছে। ২৪ ঘন্টার জন্য বিশেষ টহল পরিচালনা কার্যক্রম শুরু করে কুমিল্লা জোনে থাকা র্যাব-১১।
শনিবার দিনব্যাপী চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, পার্ক, শপিং মল, রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন উপজেলায় মহড়া ও গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে র্যাব এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
র্যাব-১১ জানায়, হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধের মাত্রা তুলনামূলক বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য র্যাব এর এই বিশেষ কার্যক্রম। যেকোন প্রকার নাশকতা বা হামলা মোকাবেলায় র্যাব-১১ কুমিল্লা তৎপর রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রাম জেলার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার মূলহোতা শ্রী জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণ’কে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
গ্রেফতার জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণ কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার পুরিরপটল গ্রামের মৃত গৌবিন্দ চন্দ্র বর্মণের ছেলে।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিকটিম ২৭ বছর বয়সের একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। গত ১৯ জুলাই ২০২৩ ইং তারিখ হঠাৎ অসুস্থ হলে ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমকে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় এবং ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ভিকটিম গর্ভবতী বলে জানায়। পরবর্তীতে গত ২৪ জুলাই ২০২৩ ইং তারিখ ভিকটিমের পরিবার পুনরায় আকতারুন্নাহার মেমোরিয়াল হাসপাতালে প্রেগনেন্সি টেস্ট করালে ভিকটিম ১৩ সপ্তাহের গর্ভবতী রিপোর্ট আসে। উক্ত বিষয়ে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ২০২৩ ইং তারিখ ভিকটিমকে বাড়িতে একা পেয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শ্রী জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণ ধর্ষণ করে।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে শ্রী জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণ’কে আসামী করে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ২৮, তারিখ ২৬ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সং/২০০৩) এর ৯(১)।
পরর্বতীতে ভিকটিমের পরিবার আসামীকে গ্রেফতারের জন্য র্যাব-৭, চট্টগ্রাম বরাবর একটি আবেদন দাখিল করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখ র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র্যাব-১৩, রংপুর এর একটি অভিযানিক দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী শ্রী জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: শ্রী জয়ন্ত চন্দ্র বর্মণ (২৮), পিতা- মৃত গৌবিন্দ চন্দ্র বর্মণ, সাং-পুরিরপটল, থানা-উলিপুর, জেলা-কুড়িগ্রাম।
গ্রেফতারকৃত আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় বসতঘরে চুরির ঘটনায় মামলা রুজুর ২ ঘন্টার মধ্যে চোরাই মালামালের
মধ্যে নগদ ৬৮,০০০টাকা ও ৩টি স্মার্ট ফোন উদ্ধারসহ ১ জন চোরকে গ্রেফতার করেছে।
গত
২০ জুলাই থেকে ২১ জুলাই মধ্যে যে কোন সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন ১নং শ্রীকাইল ইউপির
৩নং ওয়ার্ডস্থ সাহেবনগর সাকিনে বাসিন্দা জনৈকা সালমা আক্তার (২৬), পিতা-মোঃ চরু মিয়া,
মাতা-জাহানারা বেগম, সাং- সাহেবনগর, ০৩নং ওয়ার্ড, ০১নং শ্রীকাইল ইউপি, থানা-বাঙ্গরা
বাজার, জেলা-কুমিল্লা এর বসতঘরে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন চোর প্রবেশ করে ভুক্তভোগী সালমা
আক্তার এর শয়ন কক্ষের ওয়াড্রপে রক্ষিত নগদ ১,২৫,০০০টাকা এবং ৩টি স্মার্ট ফোন চুরি
করে নিয়া যায়। বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-১০, তারিখ- ২৩/০৭/২০১৩ইং,
ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
উক্ত
অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হওয়ার পর বাঙ্গরা বাজার থানার একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির
সহায়তায় ঘটনার সহিত জড়িত আসামী কাজী জসিম মিয়া কে শনিবার রাতে তার বসতঘর হতে গ্রেফতার
করা হয় এবং চোরাই যাওয়া মালামালের মধ্যে নগদ ৬৮,০০০টাকা এবং ৩টি স্মার্ট ফোন উদ্ধার
করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কাজী জসিম মিয়া (২৬), পিতা-কাজী হোসেন মিয়া,
সাং-সাহেবনগর ০৩নং ওয়ার্ড, ০১নং শ্রীকাইল ইউপি, থানা-বাঙ্গরা বাজার, জেলা-কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবনেই সমৃদ্ধি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২ দিন দিনব্যাপী ৪৫ তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল হকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এরশাদুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সাংবাদিকগণ।
এ বছর ৪৫ তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় উপজেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিবৃন্দ স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে উম্মে হাবিবা (১২) নামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে হিটস্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে ২০২৩ইং) দুপুরে জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পার্শ্ববর্তী তিতাস উপজেলার নাগেশ্বর উরাকান্দি গ্রামের জিয়াউল হকের মেয়ে উম্মে হাবিবা। সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহিনুল হাসান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউএনও জানান, উম্মে হাবিবা সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বমি করতে শুরু করে হাবিবা। তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেওয়ার পথেই মারা যায় উম্মে হাবিবা।
ইউএনও মুহিনুল আরও জানিয়েছেন, হাবিবা আসলে হিটস্ট্রোকেই মারা গেল কি না সেটা নিশ্চিত নয়। তবে অসুস্থ হয়ে বমি করা শুরু করলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করবেন বলেও উল্লেখ করেন ইউএনও।
দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূইয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আমরা খবরটি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই তাকে ঢাকার দিকে নিয়ে যায় তার স্বজনেরা।
মন্তব্য করুন