

সাইদ জুবায়ের রাসেল, দাউদকান্দি:
কুমিল্লা
দাউদকান্দিতে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আয়োজনে সেন্টার ফর কমিউনিটি
ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স (সিসিডিএ) এর বাস্তবায়নে বিশ্ব মৎস্য দিবস ২০২৩ উদযাপন করা হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে মৎস্যচাষ খামারের পানি পরীক্ষার ক্যাম্পেইন ও চাষীদের নিয়ে আলোচনা
সভার আয়োজন করা হয়৷
মঙ্গলবার
(২১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার চারিপাড়া এলাকায় প্লাবনভূমি ও পুকুর ভিত্তিক মৎস্যচাষ
খামারে বিনামূল্যে পানি পরীক্ষার ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়৷ এতে প্রায় ৩০ টি খামারের
পানি পরীক্ষা করে পানির পিএইচ, এ্যামোনিয়া, অক্সিজেন, তাপমাত্রা, স্যালাইনিটি, হার্ডনেস
ইত্যাদি গুণাগুণ পরিমাপ ও করনীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন এসইপি মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান
শেখ ও পরিবেশ কর্মকর্তা সাহেদুল ইসলাম।
এরপর
বিকেল ৪টায় দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলার প্লাবনভূমি কেন্দ্রিক ট্যুরিজম এর সভাকক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় সংস্থার
আদমপুর-১ এলাকা কর্মকর্তা লোকমান হোসেন আকন্দ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, একাধিকবার জাতীয় পদক প্রাপ্ত পরিবেশ সমাজ ও কৃষি উন্নয়ন সংগঠক অধ্যাপক মতিন
সৈকত।
এসইপি
ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- প্রকল্প
ব্যবস্থাপক মাসুদ আলম, বিশিষ্ট মৎস্য চাষী এসএম নাজমুল হুদা, এসইপি পরিবেশ কর্মকর্তা
সাহেদুল ইসলাম সুজন, পেইজ প্রকল্পের মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান প্রমুখ।
আলোচনা
সভায় বক্তারা নিরাপদ মৎস্য চাষ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন এর ওপর জোর দেন। সবাইকে
নিরাপদ মাছ ও খাদ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায়
আরও উপস্থিত ছিলেন, মৎস্যচাষী আবুল কাশেম, মোঃ জহিরুল হক, মোঃ শাহজাহানসহ স্থানীয়
বিভিন্ন খামারের মৎস্যচাষী সিসিডিএ'র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য
ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ধানের চারা, টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি থেকে এসব বিতরণ করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজার সংলগ্ন দরগা বাড়ির সামনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ জন কৃষকের মাঝে বি আর ২২ ও কাটারিভোগ জাতের ধানের চারা বিতরণ করা হয়। একজনকে ৩০ শতাংশ পরিমাণ জমিতে ধান চাষ করার মতো ধানের চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া তাদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
পরে ইছাপুর ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘর নির্মাণের জন্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি পরিবারের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা এলাকায় খুঁজে খুঁজে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ধানের চারা ও ঘর নির্মাণের জন্য টিন বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর সাকিনস্থ চাঁন্দপুর ব্রীজ সংলগ্ন মা ভ্যারাইটিজ স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচর থানার তালুকভুবন গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাফী (৩৫), কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমরাতলী গ্রামের মৃত জুলফু মিয়া এর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩২)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে রংপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়েছে কুমিল্লা জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার সকালে কুমিল্লা নগরীর নিউ মার্কেট, টমছমব্রিজ, রানীর বাজারে তদারকি অভিযান অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম।
অভিযানে এক মাংস ব্যবসায়ী ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করার কারণে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আজকে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় বালক (অনূর্ধ্ব -১৫) ফুটবল প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে
আজ শনিবার (২৪ মে) বিকালে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি
২০২৪-২৫ এর আওতায় জেলা ক্রীড়া অফিস, কুমিল্লার
আয়োজনে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান
অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কুমিল্লার ৪০ জন বালক ফুটবল প্রশিক্ষণের
সুযোগ পায়। জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সদস্য সচিব জেলা ক্রীড়া সংস্থা জনাব সুমন কুমার মিত্রের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক
কমিটির সদস্য আহসানউল্লাহ স্বপন, আরিফ খান,
কাজী গোলাম কিবরিয়া, মাহির তাজওয়ার ওহি, ক্রীড়া সংগঠক মাহবুবুল আলম চপল, জেলা ফুটবল
এসোসিয়েশন এর কোষাধ্যক্ষ সাইফুল আলম বাবু,
সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, জেলা ফুটবল দলের প্রশিক্ষক মোঃ তুহিন, ফুটনল
প্রশিক্ষক পিন্টু দাস, মাধব বণিক সহ অতিথিবৃন্দু।
জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান,
তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, বালকদের
মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য আজকের এ আয়োজন। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হতে প্রতিভাবান
খেলোয়াড়েরা পরবর্তীতে জেলা দল, বিভাগীয় দল ও জাতীয় পর্যায়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গতকাল
(১৪ জানুয়ারি) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪ নং আমড়াতলী ইউনিয়নের
বানাসুয়ায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম প্রঃ মেহেদী হাসান প্রঃ
মনা কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার শাসনগাছা এলাকার মনসুর
মিয়ার ছেলে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সপ্তাহখানেক আগেও
কুমিল্লায় ত্রাণ দিয়েছি। আজ জরুরি ওষুধ যা বন্যা পরবর্তী সময় দরকার হয় ও একদল বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। দ্রুত বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির নিরূপণ
ও বন্যা দুর্গতদের পুনর্বাসনে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ক্ষতির পরিমাণ দেখে বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা ও বুড়িচং উপজেলায় বন্যার্তদের জরুরি চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণের পর এসব কথা
বলেন তিনি। এসময় শিশু ও গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশনের হেলথ কেয়ার
প্রজেক্ট কনসালটেন্ট ডা. রেহানা খানমের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রতিনিধি দল বন্যায়
অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
আহত হয়ে কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ৬ জনের চিকিৎসার
খোঁজ-খবর নিলেন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। পরে বন্যার কারণে অসুস্থদের পরিদর্শন ও
চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।
বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের নিজ উদ্যোগ ও এইচ অ্যান্ড এইচ ফাউন্ডেশন, পিএসও, এস এস
গ্রুপের ও অন্যান্য সংগঠনের সহায়তায় প্রায় ৭০ হাজার ওষুধ এবং ১০০০ প্যাকেট শিশুখাদ্য
বিতরণ করা হয়েছে, এর মধ্যে পাউডার দুধ, চকোলেট, ম্যাংগো বার,বিস্কুট, চিপস, চানাচুর
ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম সেনা
ক্যাম্পের লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রহমতুল্লাহ, সার্কেল
এএসপি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহেদা বেগমসহ সেনাবাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তা
ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় বকশিশের টাকা
ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক সহকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে আরেক সহকর্মীকে
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরবেলা
এ রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছাঃ
ফরিদা ইয়াসমিন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে মোঃ
রাব্বি হোসেন (২২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়-
২০২৩ সালের ১০ মে বিভিন্ন যানবাহনের মালিক/চালকের কাছ থেকে প্রাপ্ত বকশিসের টাকা ভাগাভাগি
নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মোঃ রাব্বি হোসেন (২২) এর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে মোঃ মারুফ
হোসেন (১৯) কে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঘাই মারিলে রক্তাক্ত জখম অবস্থায়
মাটিতে লুটাইয়া পড়ে। তার আত্ম চিৎকার শুনে ফিলিং স্টেশনের স্টাফরা তাঁকে উদ্ধার করে
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের মা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ঘোষগাঁও কাজী বাড়ীর মৃত মোঃ হাফিজুর
রহমানের স্ত্রী মোসাঃ মিনুয়ারা বেগম (৫০) বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা
মামলা দায়ের করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আহসান হাবীব ২০২৩ সালের ১৩ মে আসামি
মোঃ রাব্বি হোসেনকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি
রাব্বি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
তৎপর আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার
বিধানমতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবীব ২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে
অভিযোগপত্র দাখিল করেন (যাহার অভিযোগপত্র নং-৪২২)। তৎপর মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৪ সালের
৪ নভেম্বর আসামি মোঃ রাব্বি হোসেন এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠন করলে রাষ্ট্রপক্ষে
১৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ
অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় অটোরিকশা চুরির ঘটনায় ২৪ ঘন্টার মধ্যেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চোরাই অটোরিক্সাটি উদ্ধার করেছে। এসময় চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কুমিল্লার কোতয়ালী থানার আনোয়ার হোসেন মজুমদারের ছেলে সিয়াম মজুমদার (২০), আবু হানিফের ছেলে মোঃ পরান (১৯) ও মৃত আলী গাজীর ছেলে মহব্বত গাজী (২৯)।
রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা।
ত্রিনাথ সাহা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে শাহ আলমের বাড়ি থেকে অজ্ঞাতনামা চোরচক্র তার একটি অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে তিনি শনিবার সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল কুদ্দুস তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ১নং কাশিনগর ইউনিয়নের দাতামা বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করে। এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা চোরাইকাজে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি শেষে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের মূল হোতাসহ আরো ৮ সদস্য গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত ২৪ জানুয়ারি রুজুকৃত বুড়িচং থানার মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০১/২০২৪, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫ এর রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনির হোসেন (৩২), ২। মোঃ সোহেল (৩০), ৩। কামরুল হাসান (৩২), ৪। মাঈনউদ্দিন (২৮), ৫। রুবেল আহমেদ @মিন্টু (২৯) দের গত ০৪/০২/২০২৪খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামি সোহেল ও মাঈনউদ্দিন ফোজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় ট্রান্সফরমার চুরি সংক্রান্তে রুজুকৃত ৮টি মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো এবং তাদের দেওয়া তথ্য তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা পাওয়া যায়।
আসামী মাঈন উদ্দিন (২৮) এর দেওয়া বিজ্ঞ আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মোতাবেক কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় চোর চক্রের চোরাই মাল ক্রয় -বিক্রয়ের মূল মধ্যস্থতাকারী রুবেল (২৮) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ দোকানের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লার অধিকাংশ চোরাই মাল ক্রয়কারী মাঈন উদ্দিন ঢাকায় চোরাই মাল বিক্রয় করে। ঢাকায় চোরাইমাল ক্রয় চক্রের মূলহোতা ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর মালিক দেলোয়ার ও ম্যানেজার মনসুর। তার দেওয়া তথ্য মতে চোরাই মালামাল ক্রয়কারী ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম মনছুর কে ঢাকা মিডফোর্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনসুরের দেখানো মতে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে ৫০ কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক দেলোয়ার পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সাথে জড়িত অনেক সদস্যের নাম প্রকাশ করে। প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে লালমাই থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫/৪১ এর পলাতক আসামী চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। রবিউল আলম @ রফিক (২৬) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয় । তার দেখানো স্থান হতে ২টি ট্রান্সফরমারের খালি খোসা, ৩৩ কেজি ষ্টিলের পাত, ২টি ট্রান্সফরমারের ঢাকনা ও ২টি লোহার তৈরি কয়েলের ঢাকনা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। রবিউল আলম রফিককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অত্র মামলার সাথে জড়িত আসামী ২। মেহেদী হাসান শাকিল (২৩), ৩। রুবেল (২৬), ৪। মাসুদ রানা (২৩) দেরকে ভূশ্চি এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত অটোটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলের দেওয়া তথ্য মতে, তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৭, তারিখ- ০২/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ৩৭৯ দন্ডবিধি এর পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (২৮) কে সদর দক্ষিণ থানাধীন সুয়াগাজি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জহিরুল ইসলাম (২৮) এর দেওয়া তথ্য মতে, অত্র মামলার আর এক পলাতক আসামী মোঃ কবির হোসেন (৩০) কে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ থানাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পাশর্^বর্তী জেলা চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে। তারা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ৬টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামী জহিরুল ইসলাম জহির এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ৩টি মাদক মামলা, ২টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মাসুদ রানা এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মেহেদী হাসান শাকিল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী রবিউল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মাদক ও ১টি মারামারি মামলা রয়েছে। আসামী রফিকুল ইসলাম মনছুর এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মারামারি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ কবির হোসেন (৩০), পিতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, সাং-কাদির বক্স বাড়ী, গ্রাম- সৈয়দপুর, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা,
২। জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতাঃ মৃত মোঃ জাকির হোসেন, সাং- পূর্ব পাড়া, গ্রাম- বড় দৌলতপুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা
৩। রুবেল (২৬), পিতাঃ মিজান, সাং- চৌকিদার বাড়ী, গ্রাম- দূর্গাপুর, ওয়ার্ড- ১, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
৪। মাসুদ রানা (২৩), পিতাঃ আব্দুল গফুর, সং- গ্রাম- ভুচ্চি (নুরপুর) মুক্তিযোদ্ধা জহির সাহেবের বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৫। মেহেদী হাসান @শাকিল (২৩), পিতাঃ শুক্কুর আলী,সাং- মোহরী বাড়ী, গ্রাম- চেংহাটা, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৬। রবিউল আলম @রফিক (২৬), পিতাঃ মৃত সুরুজ, সাং- ভুচ্চি( নুরপুর) ডাক্তার বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
৭। রুবেল (২৮), পিতাঃ মৃত ফোরকান মিয়া, সাং- আহাম্মদপুর(ধানুর বাড়ী), থানা-নবীনগর, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়ীয়া
৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম @মনছুর (৪৮), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী , সাং- পায়না (প্রামানিক বাড়ী), থানা- ভেড়া, জেলা- পাবনা
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী ও পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ০৫ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫), ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) এবং ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) নামক ০৩ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৬,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) ও ২। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৩,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের মোঃ নাসির উদ্দিন এর ছেলে, ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বাগমারা গ্রামের মৃত জহির মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ খায়ের মিয়া এর ছেলে, ৪। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত দুলা মিয়া এর ছেলে এবং ৫। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দুতিয়াপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানা ও এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন