

মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা
:
নারীর
প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কুমিল্লা
অঞ্চল।
আজ
মঙ্গলবার এলজিইডি কুমিল্লা অঞ্চলের মিলনায়তনে এ্যালায়েন্স গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
এতে
সভাপতিত্ব করেন এলজিইডি কুমিল্লা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন এলজিইডি কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ
আবদুল মতিন। অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক কালবেলা
কুমিল্লার ব্যুরো চীফ মাসুক আলতাফ চৌধুরী, জাতীয় মহিলা সংস্থা কুমিল্লার জেলা কর্মকর্তা
তানিয়া আক্তার, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড ও সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) কুমিল্লার সাবেক
সমন্বয়কারী এডভোকেট শামীমা আক্তার জাহান, প্রত্যয়ের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা আক্তার,
আমরাই পারি প্রকল্প সমন্বয়কারী রিনা রাণী দত্ত, এলজিইডির রুরাল ব্রীজেস প্রকল্পের মেইন্টেনেন্স
ইঞ্জিনিয়ার এসএম জাকিউর রহমান, রিজিওনাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম,
মোঃ মাকসুদুল আলম, মোঃ সুলতান মাহমুদ, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক রূপসী বাংলাৱ ফটো সাংবাদিক,
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এন কে রিপন, ব্রীজেস প্রকল্পের কুমিল্লার
এডভোকেসী কাউন্সিলর মোঃ আলী আজ্জম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ
(৩ মার্চ) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন আমানগন্ডা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
মোঃ আরমান (২০) এবং মোঃ রাজীব (১৯) নামক ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময়
আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ আরমান (২০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আমানগন্ডা গ্রামের আশাদুল এর
ছেলে এবং মোঃ রাজীব (১৯) একই গ্রামের আব্দুল মমিন এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


স্বাধীনতা
ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর এবং অধীনস্থ ব্যাটালিয়ন চৌদ্দগ্রামের
জগন্নাথ দিঘী এলাকায় দুস্থ ও অসহায় ২ শত মানুষের মাঝে ইফতার ও খাদ্য
সামগ্রী বিতরণ করেন।
বুধবার
বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দিঘী বিওপিতে কুমিল্লা বিজিবির সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মো: শরিফুল ইসলাম মেরাজ
অসহায় ও দু:স্থদের মাঝে ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
বিজিবি
সূত্র জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বদাই আর্ত মানবতার সেবায় অসহায় ও দুস্থদের জন্য
বিভিন্ন প্রকার কল্যাণমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে৷ এরই ধারাবাহিকতায় মহান স্বাধীনতা
ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও এর সদর দপ্তরসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল
হতে শুরু করে সারাদেশে দুস্থ ও বিপন্ন মানুষদের মাঝে ইফতার, রাতের খাবার ও খাদ্য সামগ্রী
বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই মহতি উদ্যোগের অংশ হিসেবে বিজিবি, উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন,
সরাইলসহ অধীনস্থ কুমিল্লা সেক্টর এবং ব্যাটালিয়ন কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়ও দুস্থ-
দরিদ্রদের মাঝে ইফতার, রাতের খাবার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
রমজান
মাস আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস এবং এই মাস আমাদেরকে সংযমের পাশাপাশি ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা
দেয় ৷ সবার সাথে ইফতারি ভাগ করে নেয়াটা অত্যন্ত আনন্দের । আর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সব সময়ই সমাজের দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আমাদের এই
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানান।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাংকন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর কাটাবিল এলাকার দুই ভাইয়ের এক ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুন্নতে খতনা
অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার
রাতে কাটাবিল এলাকার মো: রুবেল গাজির ২ ছেলে আব্দুল্লাহ গাজী ( ৯) এবং আব্দুর রহমান
গাজী ( ৭) এর সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠান পালন করা হয়।
রুবেল
গাজীর ২ ছেলের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে সাউণ্ড বক্স দিয়ে উচ্চ শব্দে গান বাজনা, নাচানাচি,
গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান না করে কোরআন তেলাওয়াত, গজল – ক্বাসিদা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
করে এলাকাবাসীকে নিয়ে ছেলেদের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠান পালন করেন।
সোমবার
(১৫ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই এলাকার বাসিন্দা কাটাবিল জামে মসজিদ
কমিটির সহ-সভাপতি আহমেদ জোরফান বেলাল।
আহমেদ
জোরফান বেলাল জানান, কুমিল্লা নগরীর প্রায় সব এলাকায় বিয়ে, সুন্নতে খতনা এবং জন্মদিনের
অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজনা করা, ডিজে পার্টি করা এবং নাচানাচি করার প্রবণতা দেখা
যায়। সেখানে কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল
এবং গজল দিয়ে সুন্নতে খাৎনার অনুষ্ঠান করা
এখন এ সমাজে বিরল।
মো:
রুবেল গাজী বলেন, আমার সন্তানদের সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে সাউণ্ড বক্সে উচ্চ শব্দে
গান বাজনা ডিজে অনুষ্ঠান এজন্য করিনি কারণ সুন্নতে খতনা আমাদের নবীজীর একটি সুন্নত
তাই এখানে সুন্নত বিরোধী কাজ না করে মিলাদ মাহফিল ও গজলের অনুষ্ঠান এলাকা বাসীকে নিয়ে
একসাথে পালন করেছি। শুক্রবারে আমাদের মসজিদের
ইমাম সাহেব খুৎবাতে বিয়ে, জন্মদিন, সুন্নতে খাৎনায় ডিজে পার্টির মত শরিয়ত বিরোধী কাজ না করে কোরআন তেলাওয়াত, গজল ও মিলাদ মাহফিলের
মাধ্যমে আয়োজন করার জন্য বলেন। ইমাম সাহেবের সে বক্তব্য থেকে আমি অনুপ্রানিত হয়ে এমন
অনুষ্ঠান করেছি।
কাটাবিল
জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা হাফেজ বাইজিদ রাজা রজবি আলক্বাদেরী বলেন, আমি শুক্রবারের
বাংলা খুৎবাতে জন্মদিন, বিয়ের অনুষ্ঠান এবং সুন্নতে খাৎনার অনুষ্ঠানে শরিয়ত বিরোধী
উচ্চ শব্দে গানবাজনা এবং ডিজে পার্টি না করার জন্য কোরআন হাদিস ও ইসলামী শরীয়তের আলোকে বক্তব্য রেখেছি। আমার এ আহবানে সাড়া দিয়ে রুবেল গাজী তার নিজের ২
ছেলের অনুষ্ঠানে এরকম ব্যাতিক্রম অনুষ্ঠান করেছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় বালক (অনূর্ধ্ব -১৫) ফুটবল প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে
আজ শনিবার (২৪ মে) বিকালে ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম কনফারেন্স কক্ষে প্রশিক্ষণের
সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি
২০২৪-২৫ এর আওতায় জেলা ক্রীড়া অফিস, কুমিল্লার
আয়োজনে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র প্রদান
অনুষ্ঠিত হয়।
এতে কুমিল্লার ৪০ জন বালক ফুটবল প্রশিক্ষণের
সুযোগ পায়। জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সদস্য সচিব জেলা ক্রীড়া সংস্থা জনাব সুমন কুমার মিত্রের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক
কমিটির সদস্য আহসানউল্লাহ স্বপন, আরিফ খান,
কাজী গোলাম কিবরিয়া, মাহির তাজওয়ার ওহি, ক্রীড়া সংগঠক মাহবুবুল আলম চপল, জেলা ফুটবল
এসোসিয়েশন এর কোষাধ্যক্ষ সাইফুল আলম বাবু,
সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, জেলা ফুটবল দলের প্রশিক্ষক মোঃ তুহিন, ফুটনল
প্রশিক্ষক পিন্টু দাস, মাধব বণিক সহ অতিথিবৃন্দু।
জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান,
তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, বালকদের
মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য আজকের এ আয়োজন। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হতে প্রতিভাবান
খেলোয়াড়েরা পরবর্তীতে জেলা দল, বিভাগীয় দল ও জাতীয় পর্যায়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ভোমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১১ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
গ্রেপ্তার আসামির জহির ইসলাম ওরফে জহির হিজড়া (৪৬)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জাপর আলীর ছেলে। নিহত হিজড়ার নাম এনামুল হক শিশির (২৯)।
র্যাব জানায়, গত ১৩ মে সকালে বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি টিনশেড বাসায় এনামুল হক শিশির (২৯) নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির হাত-পা বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে জহিরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, নিহত শিশির ও আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারা নিহত শিশির ও আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলাও রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও বাকি কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভ্যানচালক শফিউল্লাহকে নৃশংসভাবে চোখ উপড়িয়ে হত্যার প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেন (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি- ২ ।
র্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ১৭ মে শনিবার রাতে পটুয়াখালী জেলার বাউফলের নগরের হাট এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রধান আসামী মোঃ রাছেল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সে , দেবীদ্বার উপজেলার আন্দিরপাড় গ্রামের পিতা-মোঃ কিরনের পুত্র।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ০৬ মে ২০২৫ ইং তারিখ দুপুরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের কারনে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানাধীন ত্রিবিদ্যা গ্রামে মোঃ ছফিউল্লাহ (৪৩) নামে এক ভ্যান চালককে শাবল দিয়ে ভিকটিমের মাথা ও বুকে গুরুতর আঘাত করে হত্যা ড্রিল মেশিন দিয়ে নির্মমভাবে ভিকটিমের চোখ উপড়ে ফেলে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল শনিবার (৩০ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ জন্মভূমিতে সংবর্ধিত হবেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এ নেতাকে বরণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় মুরাদনগর ডিআর সরকারি হাইস্কুল মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর যাবেন পৈত্রিক বাড়ি আকুবপুরে। অনুষ্ঠানে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। উপদেষ্টার আগমন ঘিরে উপজেলা জুড়ে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। তরুণ এ উপদেষ্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে উচ্ছ্বসিত ছাত্র সমন্বয়ক ও আয়োজকবৃন্দ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, মধ্যাহ্ন ভোজের আগে উপদেষ্টা উপজেলার কর্মকর্তাদের সাথে একটি মতবিনিময় করবেন। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে শীত বস্ত্র বিতরণ কমসূচিও রয়েছে। মুরাদনগরবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বরুড়া থানাধীন চাঞ্চল্যকর আব্দুস সাত্তার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৫ আসামীকে কুমিল্লা
জেলাধীন দাউদকান্দি এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ও র্যাব-০২,
সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর যৌথ আভিযানিক দল।
গত
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন জালগাঁও গ্রামের ভিকটিম আব্দুস
সাত্তার (৫৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে
এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় যে, কুমিল্লা
জেলার বরুড়া থানার জালগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুস সাত্তার (৫৫) এর সাথে গ্রেফতারকৃত
আসামীদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতে থাকে। এরই জের ধরে গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ
ভিকটিম তার নিজ জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে গ্রেফতারকৃত আসামীরা ও সাথে থাকা অন্য পলাতক
আসামীরা লাঠিশোঠা দিয়ে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করে। এর ফলে
ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় অন্যান্য আসামীরা তাদের সাথে থাকা লাঠি দিয়ে ভিকটিমকে
এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে আহত করে। ভিকটিম বাঁচার আশায় সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়
নিকটবর্তী একটি কচু ক্ষেতের জলার মধ্যে উপস্থিত হলে গ্রেফতারকৃত আসামী ইমন, রাজ্জাক
ও আজাদ তাদের সাথে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ভিকটিমের বাম পা ভেঙে দেয় এবং চাকু দিয়ে আঘাত করে
ভিকটিমের দুই পায়ের হাটুর নিচে ছিদ্র করে ফেলে। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত জেনে আসামীরা
দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী সহ অন্যান্য লোকজন ভিকটিমকে
ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে সিএনজি যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী রোশন আরা বেগম (৪০) বাদী হয়ে
কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত
ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে
র্যাব-১১, কুমিল্লা ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা মাঠ পর্যায়ে ছায়াতদন্ত
শুরু করে। ছায়া তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা
ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮/০৯/২০২৩ ইং তারিখ
সকালে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার টোল প্লাজা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে এই হত্যা মামলার ০৪ নং আসামী ইমন @ রিমন (২০), পিতা-মোঃ বাবুল, ০৬
নং আসামী আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), পিতা-মৃত আবুল হাসেম, ০৭ নং আসামী সেকান্দার আলী (৬০),
পিতা-মৃত কলিম উদ্দিন, ০৮ নং আসামী জয়নাল (৪৬), পিতা-মৃত আব্দুল গনি ও ০৯ নং আসামী
আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল গনি, সর্ব সাং- জালগাঁও, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা’কে
গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন