

মন্তব্য করুন


গত ৭৬ বছরের
রেকর্ড ভেঙেছে এবারের তাপপ্রবাহ। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এক ঝলক বৃষ্টি
দেখতে কখনো সাধারণ মানুষ করছেন বিশেষ দোয়া ও পড়ছেন নামাজ,
কেউবা করছেন মন্দিরে বিশেষ প্রাথর্না আবার কেউ করছে হাহাকার।
দাবদাহ কমবে এবং দু-তিন দিনের
মধ্যে দেশজুড়ে হতে পারে বৃষ্টি; এমনি এক সুখবর দিলেন
আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সম্পর্কে বলা হয়েছে- সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং লীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকবে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে এই বৃষ্টির প্রকোপ বেশি থাকবে। এপ্রিলের বাকি দুদিনও থাকবে তাপপ্রবাহের দাপট। তবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের
দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে
দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা
বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ সহ আবহাওয়া প্রধানত
শুষ্ক থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার
পূর্বাভাস ।
তাপপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও রাজশাহী জেলা সমূহের ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ জেলাসহ বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


আর দশজন সাধারণ গৃহবধূর মতই জীবন ছিল মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সুবিধপুর গ্রামের রেজিয়া খাতুনের। কিন্তু হঠাৎ তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহতা।
৩০ বছর আগে এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে অচেতন অবস্থায় সীমান্ত পার করে ভারতে বিক্রি করে দেয়া হয় ।
আর এই দীর্ঘ সময় পরিবার ও গ্রামবাসী জানতেন, রেজিনা মারা গেছেন।
কিন্তু এখন হঠাৎ তিনি ফিরে আসায় তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ।
গত ১০ নভেম্বর ৫০ বছর বয়সী রেজিয়া বাড়ি ফিরে জানতে পারেন মা-বাবা মারা গেছেন। ভাই-বোনরা বৃদ্ধপ্রায়; সন্তানরা সংসার পেতেছেন।এরপর সোমবার তিনি মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। তারা হলেন- রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী এবং তার সহযোগী জয়নাল।
শুনানি শেষে আদালত দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে থানা থেকে বলা হয়েছে।
এদিকে রেজিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সে গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের সাত্তার আলীর সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেই সংসারে এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। পরে সাত্তারের সঙ্গে রেজিয়ার বিচ্ছেদ হয়।
এরপর রেজিয়া নিজ গ্রামের আজগর আলীকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর শুরু হয় রেজিয়ার উপর আজগরের নির্যাতন।
১৯৯৩ সালের এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে প্রতিবেশী জয়নালের সহযোগিতায় আজগর সীমান্তের কাঁটাতার পার করে ভারতের কাশ্মিরে নিয়ে যান এবং কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন।
রেজিয়া বলেন, ৩০ বছর সীমাহীন কষ্টে বন্দিজীবন পার করেছি। ছেলেমেয়েরা তাদের মায়ের আদর- ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে বড় হয়েছে। নিখোঁজ অবস্থায় মা-বাবাকে হারিয়েছি। তাদের মরা মুখটাও আমি দেখতে পাইনি।
আমি চাই না আর কারো জীবন যেন এভাবে ধ্বংস হোক সেজন্য মামলা করেছি। আদালত আমার মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
যদিও রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, বিয়ে হওয়ার পর কয়েক বছর আমরা সংসার করি। তারপর সামাজিকভাবে রেজিয়ার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পাচারের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
এদিকে জয়নালের দাবি, যড়যন্ত্র করে রেজিয়ার হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাকে জড়ানো হচ্ছে।
দেশে কীভাবে ফিরে আসলেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিয়া জানান, তিন মাস আগে তিনি ভারতের জম্মু-কাশ্মির থেকে ভারতের নদীয়া জেলার পণ্ডিতপুর গ্রামে পায়ের চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে কথা হয় সুবিধপুরের পাশের কসবা হিন্দি গ্রামের আমিরুল ইসলাম বাবলুর সঙ্গে।তখন রেজিয়া তাকে পুরো ঘটনা জানান এবং গ্রামে পরিবারের কাছে তার বেঁচে থাকার খবর পৌঁছে দিতে বলেন। পরে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাকে কাশ্মির থেকে মেহেরপুর ফিরিয়ে আনেন।
কসবা হিন্দি গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বাবলু বলেন, রেজিয়ার মুখে সব শুনে মেহেরপুর ফিরে তার ভাইদের সন্ধান করে ঘটনাটি জানান তিনি। পরে রেজিয়ার দেওয়া মোবাইল নম্বর ও কাশ্মিরের ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে গিয়ে ফারুকের কাছ থেকে রেজিয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে তার পরিবার।
রেজিয়ার বড় ভাই আনারুল ইসলাম বলেন,রেজিয়ার স্বামী আজগর এতদিন বলেছে, আমার বোন ওই রাতে কাউকে না বলে নিখোঁজ হয়ে যায়। দেশের প্রায় সব জেলায় বোনের সন্ধান করেছি। কিন্তু কোথাও হদিস না পেয়ে ভেবেছি, বোন হয়ত মারা গেছে। তিন মাস আগে পাশের গ্রামের আমিরুলের মাধ্যমে বোনের সন্ধান পেলে আমরা ভারতের কাশ্মিরে গিয়ে বোনকে ফিরিয়ে আনি।
রেজিয়ার মেয়ে সালেহা খাতুন বলেন, মাকে ফিরে পেয়ে জীবন ফিরে পেয়েছি মনে হচ্ছে। যারা আমার মাকে এতদিন আমার কাছ থেকে দূরে রেখেছিল আমি তাদের কঠিন বিচার চাই।”
কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুমিতপুর গ্রামের ওয়ার্ড সদস্য আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতাম রেজিয়া মারা গেছে। তার ফিরে আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কয়েক গ্রামের মানুষ রেজিয়াকে দেখতে ভিড় করছে। আমরা রেজিয়ার পাশে আছি। তাকে সব ধরনের আইনি সহায়তা করা হবে।
রেজিয়ার দায়ের করা মামলার বিষয়ে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম আছাদুজ্জামান জানান, ঘটনাটি মানবপাচার প্রমাণ হলে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় বসতঘরে চুরির ঘটনায় মামলা রুজুর ২ ঘন্টার মধ্যে চোরাই মালামালের
মধ্যে নগদ ৬৮,০০০টাকা ও ৩টি স্মার্ট ফোন উদ্ধারসহ ১ জন চোরকে গ্রেফতার করেছে।
গত
২০ জুলাই থেকে ২১ জুলাই মধ্যে যে কোন সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন ১নং শ্রীকাইল ইউপির
৩নং ওয়ার্ডস্থ সাহেবনগর সাকিনে বাসিন্দা জনৈকা সালমা আক্তার (২৬), পিতা-মোঃ চরু মিয়া,
মাতা-জাহানারা বেগম, সাং- সাহেবনগর, ০৩নং ওয়ার্ড, ০১নং শ্রীকাইল ইউপি, থানা-বাঙ্গরা
বাজার, জেলা-কুমিল্লা এর বসতঘরে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন চোর প্রবেশ করে ভুক্তভোগী সালমা
আক্তার এর শয়ন কক্ষের ওয়াড্রপে রক্ষিত নগদ ১,২৫,০০০টাকা এবং ৩টি স্মার্ট ফোন চুরি
করে নিয়া যায়। বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-১০, তারিখ- ২৩/০৭/২০১৩ইং,
ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
উক্ত
অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হওয়ার পর বাঙ্গরা বাজার থানার একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির
সহায়তায় ঘটনার সহিত জড়িত আসামী কাজী জসিম মিয়া কে শনিবার রাতে তার বসতঘর হতে গ্রেফতার
করা হয় এবং চোরাই যাওয়া মালামালের মধ্যে নগদ ৬৮,০০০টাকা এবং ৩টি স্মার্ট ফোন উদ্ধার
করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কাজী জসিম মিয়া (২৬), পিতা-কাজী হোসেন মিয়া,
সাং-সাহেবনগর ০৩নং ওয়ার্ড, ০১নং শ্রীকাইল ইউপি, থানা-বাঙ্গরা বাজার, জেলা-কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্র ও কার্তুজসহ একজন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার
(১৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর কালিয়াজুরি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ নাইম (২৪) নামক একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ১ টি এলজি গান ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ নাইম (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর কালিয়াজুরি গ্রামের মোঃ তপন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম
সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের
বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জে হেলিকপ্টারে চড়ে কর্মচারীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন সৌদি মালিক ও তার ছেলে।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় পৌঁছান সৌদি আরবের নাগরিক আহাম্মদ হলিবি (৬০) ও ছেলে আব্দুল লিল হলিবি (৪৫)। সৌদি আরবের দাম্মাম এর আল হাসার খালিদীয়া এলাকার অধিবাসী তারা।
জানাযায়, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের সাহেবেরচর নয়াপাড়া এলাকার মৃত কৃষক চাঁন মিয়ার ৩ ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০), আব্দুল হামিদ (৩৫) ও সারোয়ার হোসেন সাহিদ (৩১)। খাইরুল ২০ বছর আগে সৌদি আরবে যান। আর ছোট ২ ভাই হামিদ ও সারোয়ার ৭ বছর আগে সৌদি আরবে যান। সৌদি আরবের দাম্মাম এর আল হাসার খালিদীয়া এলাকার শামীম আহাম্মদ হলিবির পরিবারে কাজ করতো তারা। সেখানে কাজ করতে গিয়ে মালিকদের সঙ্গে তাদের তিন ভাইয়ের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই ভালোবাসার টানে মঙ্গলবার তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন সৌদি নাগরিক আহাম্মদ হলিবি ও তার ছেলে আব্দুল লিল হলিবি।
ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে হোসেনপুর সদরের ঢেকিয়া খেলার মাঠে আসেন। পরে সেখান থেকে মাইক্রোবাসে করে তারা সাহেবেরচর নয়াপাড়া এলাকায় যান।
মন্তব্য করুন


নগরে
মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এবং যন্ত্রপাতি কিনতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১৪ কোটি ৫০ লাখ
টাকা বরাদ্দ রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ খাতে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ
টাকা ব্যয় করা হয় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ।
২৪
জুলাই সোমবার দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা
অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান মেয়র আতিকুল ইসলাম।
তিনি
বলেন, একটি টেকসই ও নিরাপদ শহর বিনির্মাণে আমরা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। আমি
মশক নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মশা নিধনে নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও এডিসের
প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি অন্যান্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য
হলো-ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, বিএনসিসি ও
বাংলাদেশ স্কাউটের সদস্যদের যুক্ত করে প্রচারাভিযান পরিচালনা, ডিএনসিসির আওতাধীন
এলাকার মসজিদ ও মাদরাসার এক হাজার ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে এবং স্কুল ও কলেজের প্রধান
শিক্ষক ও অধ্যক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, ছাদ বাগানে এডিসের লার্ভা শনাক্তে
ড্রোনের ব্যবহার।
মেয়র
আতিকুল ইসলাম আরো বলেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে মশক নিয়ন্ত্রণ
কার্যক্রমে ৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি বছর তথা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের
বাজেটে এ খাতে ৮৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রেখেছি। যা গত অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে
বরাদ্দের হার ৬১ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া গত অর্থবছরে মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি কিনতে
১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা আগের
চেয়ে ১০০ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাঁচটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান ও তমালিকা পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
ইটভাটাগুলো হলো: ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকস।
জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকসে অভিযান পরিচালনা করেন। এরমধ্যে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তিনটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি ইটভাটা থেকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতায় ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস, জুবায়ের হোসেন, বিএসটিআই কুমিল্লার পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ শাহান, চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ও থানা পুলিশের একটি টিম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইটভাটাগুলোতে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য
বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সারা দেশে মাঠে নেমেছে সশস্ত্র বাহিনী।
বুধবার
সকাল থেকে মাঠে নেমেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।
আসন্ন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা
দিতে সশস্ত্র বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।
মঙ্গলবার
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভোটগ্রহণের আগে,
ভোটগ্রহণের দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য ৩-১০
জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন/স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবে সশস্ত্র বাহিনী।
আইএসপিআর
জানায়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট
ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে অবস্থান করবে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে
ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বাহিনীসমূহ এলাকাভিত্তিক মোতায়েন সম্পন্ন করছে।
সেনাবাহিনী
৬২টি জেলায় নিয়োজিত হয়েছে। সমতলে সীমান্তবর্তী ৪৫টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে দায়িত্ব
পালন করবে।
এছাড়াও
সীমান্তবর্তী ৪৭টি উপজেলায় সেনাবাহিনী বিজিবির সঙ্গে এবং উপকূলীয় ০৪টি উপজেলায় কোস্ট
গার্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
উপকূলীয়
২টি জেলাসহ (ভোলা ও বরগুনা) সর্বমোট ১৯টি উপজেলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ
বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয়
সহায়তা করবে। জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনি সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয়
সংখ্যক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সশস্ত্র
বাহিনী বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে
যৌথ সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে, যা ১০ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত কার্যকরী থাকবে।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান, ভোলা প্রতিনিধি:
কৈশোর ও যুব বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা
নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে ভোলায় আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক যুব
দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সোমবার (১৪ আগষ্ট) ভোলা জেলা প্রশাসন এর কার্যলয়ে আলোচনা সভা
ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
কৈশোরকালীণ স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে সেবাদানকারীদের জবাবদিহিতা তৈরী” এই পতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু কর্নার হল রুমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষ ও আইসিটি) মো: আলমগীর হুসাইন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক তাপশ কুমাড় শীল, ভোলা প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু, জেলা প্রশাসন কার্যলয়ের সহকারী কমিশনার মো: আবু সাইদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সঞ্চলনা করেন, ইয়ূথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক আদিল হোসেন তপু। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, তারুণ্যের কন্ঠস্বর-প্লাটফর্ম এর সদস্য আমান উল্ল্যাহ রাব্বি, আফিয়া ইসলাম।
ইয়ূথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ ও তারুণ্যের কন্ঠস্বর-প্ল্যাটফর্ম এর যৌথ আয়োজনে ও অধিকার এখানে, এখনই (RHRN-2) প্রকল্প সহযোগীতায় এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে তারুণ্যের কন্ঠস্বর-প্ল্যাটফর্ম একটি র্যালি ভোলা শহর প্রদক্ষিন করেন।
আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন,
স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেওয়া এবং স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলোকে যুববান্ধব
করা অত্যন্ত প্রয়োজন। কেননা যে কোনো দেশের প্রাণ শক্তি হলো তরুণ সমাজ। আজকের কিশোর,
তরুণ ও যুবকরাই আগামীর পরিবার, সমাজ ও দেশের চালিকাশক্তি। তাদের সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম
করে জাতি গঠনের কোনো বিকল্প নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন বক্তারা।
সভায় জানানো হয়, টেকসই উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জন করতে হলে সব বয়সি মানুষের সক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের
পাশাপাশি সবার অধিকার, বিশেষত প্রজনন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে
সামাজিক রীতিনীতি ও বিশ্বাস অনেক ক্ষেত্রেই তরুণ প্রজন্মের প্রজনন অধিকার ও স্বাস্থ্য
সেবা বাধাগ্রস্ত করে। এ থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ শহরে গ্যাসের
লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আগুন লেগে
শিশুসহ দগ্ধ হয়েছে ছয়জন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটে ২৬
আগস্ট শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর শানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকায়।
দগ্ধরা হলো: বাসার
মালিক নুরুল ইসলাম (৭৩), সাত বছরের শিশু ও বাসায় কাজ করা শ্রমিক সোয়েব মাহমুদ (৪০),
সাদ্দাম (৩০), প্রান্ত (৩০), বিল্লাল হোসেন (৩২)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, শানকিপাড়া শেষ মোড়
এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় ভবনটির একটি কক্ষে
সিলিন্ডার গ্যাস সংযোগের চুলা জ্বালানোর সময় লিকেজ
থেকে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগে
যায়। এতে চার শ্রমিকসহ বাড়িটির মালিক নুরুল ও তার নাতি দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন
স্থানীয়রা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আহতরা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত ।
মন্তব্য করুন