

গাজীপুরের চান্দনায় আজ সকালে নয়টার দিকে একটি পোষাক তৈরির কারখানায় শ্রমিকরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন।
এ ঘটনার পর নাওজোড় এলাকায়ও শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। ধীরে ধীরে আশপাশের আরো কয়েকটি এলাকায় ছড়িয়েছে এই শ্রমিক বিক্ষোভ।
এসময় মহাসড়কে টায়ার দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়, শ্রমিক ও পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
এছাড়াও কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর, জামগড়া, ছয়তলা ও নরসিংহপুরের একাধিক এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।
এদিকে এ পরিস্থিতি বিবেচনায় গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর, কোনাবাড়ী, জরুন, ভোগরাসহ বেশ কিছু এলাকার কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অন্য সব এলাকায় কারখানা স্বাভাবিকভাবে চলছে।
শ্রমিক বিক্ষোভ পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, সকালে চান্দনা এলাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদেরকে বুঝিয়েসুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পরবর্তীতে নাওজোর এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা ভাঙচুর করে এবং সড়কে কাঠ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এর আগে সকালে বাসন থানাধীন জয়দেবপুর-শিববাড়ি রোডেও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ধনপুর এলাকা হতে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ৪১ বোতল বিদেশী মদসহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ২৬ জুলাই ২০২৩ইং তারিখ সকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ধনপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ৪১ বোতল বিদেশী মদসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল
থানার ধনপুর গ্রামের এরশাদ মিয়া এর ছেলে রিপন মিয়া (৩৭); ২। একই থানার মথুরাপুর গ্রামের
রুক্কু মিয়া এর ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৬); ৩। একই গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে নজরুল
ইসলাম (৩৫) এবং ৪। একই থানার জয়নগর গ্রামের আবুল কাশেম এর ছেলে শাকিল (২৪)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন
যাবৎ কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ’সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ
করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রি (পাস) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,বিকেল ৪টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়। চলবে আগামী ৩০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করে প্রিন্ট করতে হবে। এরপর ওই ফরমসহ আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটের অপশন থেকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


৩ জুলাই দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পশ্চিম কুমারপুর গ্রামে বন্ধুর বিয়েতে উপহার হিসেবে ১ কেজি কাঁচামরিচ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমনই এক মজার কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে সামাজিক মাধ্যমে।
অভিনব উপহারের নিয়ে আসা এসএম রায়হান বলেন, দেশে যে হারে কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। উপহার হিসেবে কাঁচামরিচ দেওয়াটা আমার কাছে প্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়েছে। এছাড়া কাঁচামরিচ দাম বৃদ্ধির একটি মৌন প্রতিবাদ।
বরের চাচা অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান বলেন, আজকে আমাদের বৌভাত অনুষ্ঠানে অনেকেই অনেক রকম উপহার নিয়ে এসেছে। তবে আফ্রিদের বন্ধুদের কাঁচামরিচ উপহার দেওয়ার বিষয়টি বেশ চমকপ্রদ। তাদের এই প্রতিবাদী উপহার আমি সাদরে গ্রহণ করেছি।
মন্তব্য করুন


জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে দেখা করে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রীর দপ্তরে জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সে সময় তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আগামী দিনে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনে বলেন, আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে রূপকল্প ২০৪১, ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচিগুলোর সফল বাস্তবায়নে আমাদের দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। মানবসম্পদের উন্নয়নে ভারত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। ভবিষ্যতেও তাদের এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সুযোগ আছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনে আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনেক মিল রয়েছে। ফলে এ সকল ক্ষেত্রেও দুই দেশের আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এ সময় বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এই সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত বাংলাদেশের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে ইচ্ছুক।
শিল্প-সংস্কৃতি, অর্থনীতি, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ ইরফান আনোয়ার (তুষার) গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ নাম অন্তর্ভূক্ত করেছেন। গত ২১ মার্চ ২০২৩ তারিখে অংশগ্রহণ করে এক মিনিটে এবং ত্রিশ সেকেন্ডে সর্বোচ্চবার ড্রাম স্টিক হাতের মধ্যে ঘুড়িয়ে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ নাম অন্তর্ভূক্তি করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে।
মোঃ ইরফান আনোয়ার (তুষার) এর সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেছেন।
উপাচার্য বলেন, বর্তমানে শিক্ষা, গবেষনা সহ সর্বক্ষেত্রে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ সফলতার স্বাক্ষর রাখার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ বৃদ্ধি করার যে প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছেন তা আমাদের গর্বিত করে এবং এভাবেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় একটি লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিনত হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা চর্চা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


গ্রীলে ঘেরা সুসজ্জিত ফুলের বাগান। বাগানের এক কোণে কাঁটা মেহেদী গাছ। আর সেই গাছগুলো কেটে তৈরি করা হয়েছে শহীদ মিনার। শহীদ মিনারটিকে গাদা ফুল দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে। এই নান্দনিক শহীদ মিনারটি ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এই ব্যতিক্রম শহীদ মিনারটি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার সাবেক গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে সবাই যখন ইট-পাথর দিয়ে তৈরি তখন ব্যতিক্রম এই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করতে দেখা যায়।
ইতিপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনে শিরোনাম হয়ে ছিলেন, এই শহীদ মিনার। পরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সোহেল আরমান নামে এক তরুণ বলেন, একজন শিক্ষকের সৃজনশীল এমন কাজ আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। উনার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
এই বাগান ও শহীদ মিনারের মূল কারিগর, প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ছোটবেলা থেকেই বাগানের প্রতি আমার আগ্রহ অনেক বেশি। সেই থেকেই বাগানে গাছ ও ফুল দিয়ে বিভিন্ন প্রতীক ও স্তম্ভ তৈরি করি। এর মধ্যে শহীদ মিনারটি অন্যতম। গত বছরের মত এবারো এই শহীদ মিনারটি সাজানো হয়েছে। বাগানের প্রতি শিক্ষার্থীদের সাথে দর্শনার্থীরাও অনেক বেশি আকৃষ্ট হয়। এটিই আমার বড় প্রাপ্তি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও এখানে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এই বাগানের কাজ আরো প্রসারিত করতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএমএ মান্নান বলেন, সাবেক গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে তৈরিকৃত শহীদ মিনারটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এটির পিছনে যারা শ্রম ও মেধা ব্যয় করেছেন, তাদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
খানসামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন বলেন, এটি একটি সৃজনশীল কাজ। নিশ্চয়ই এটি প্রশংসার দাবিদার। এই বাগান তৈরিতে কোমলমতি শিশুদের মেধাবিকাশ ঘটবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বলেন, তিনি এই বাগান করে ইতিমধ্যে সুনাম কুড়িয়েছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি মেধা বিকাশের জন্য এটি একটি সৃজনশীল উদ্যোগ।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ:
একটি দূর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। মানুষের পারিবারিক জীবনকে ঠেলে দেয় অন্ধকারে। স্বাবলম্বী মানুষ হয়ে যায় অসহায়।নিজের ও পরিবারের সদস্যদের দুঃখ দুর্দশা সইতে না পেরে সাহায্যের জন্য হাত বাড়ায় অন্যের কাছে। আবার এমনও মানুষ আছে চক্ষু লজ্জার কারনে কষ্ট বুকে চেপে রেখে পরিবার পরিজনদের নিয়ে অনাহারে দিন কাটান।
এমনি একজন শাহরিয়ার সুজন(২৪) । তিনি কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার পশ্চিম রাজিবপুর গ্রামের খোকা মিয়ার ছেলে। শাহরিয়ার সুজন মাত্র তিন মাস আগেও স্বাভাবিক মানুষের মত চলাফেরা করতেন।তিনি পেশায় ছিলেন একজন কলেজ ছাত্র। অন্য সকল বন্ধুদের মতো কলেজে লেখাপড়া করতেন।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। তিন মাস পূর্বে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় তার ঘাড়ের (মেরুদন্ড) হাড় ভেঙ্গে যায়।ঘাড়ের(মেরুদন্ড) হাড়ের মূল নার্ভে আঘাত হেনে
পুরো শরীর অচল করে ফেলে।পরে তার পরিবারের সদস্যরা সমস্ত কিছু বিক্রি করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অপারেশন করার পরও শরীরে শক্তি ফিরে না আসায় দীর্ঘদিন ধরে বিছানায় শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পঁচন ধরেছে যা খুবই মর্মান্তিক।কিন্তু সুজনের পরিবার আর্থিক ভাবে অসচ্ছল হওয়ায় এবং চিকিৎসার শুরুতে সমস্ত অর্থ ব্যয় করার কারণে বর্তমানে চিকিৎসার যোগান দেওয়া পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে ডাক্তারের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।তাই আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা করাতে না পেরে মানবিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন।
মানবিক সাহায্যই সুস্থ করতে পারে শাহরিয়ার সুজনকে । তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা এলাকার বিত্তশালীসহ দেশবাসীর কাছে মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। আসুন আমরা সকলে একটু মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই শাহরিয়ার সুজনের দিকে। সুস্থ হোক শাহরিয়ার সুজন ।
আর্থিক সহযোগিতা করুন শাহরিয়ার সুজনের বাবার(খোকা মিয়া)নিজস্ব মোবাইল বিকাশ নম্বরে - ০১৯৯২৬২৪১৮৪।
শাহরিয়ার সুজন জানায়, লজ্জায় মানুষের কাছে হাত বাড়াতে পারি না। আপনাদের মাধ্যমে সকলের কাছে আমার অনুরোধ, আমার ও পরিবার সদস্যদের দিকে তাকিয়ে হলেও আমাকে বাঁচান। আপনাদের নিজ নিজ অবস্থান হতে আমার চিকিৎসার জন্য সহায়তা করুন। আমি যেনো সুস্থ হয়ে অন্য সকলের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি।
অসুস্থ্য অসহায় শাহরিয়ার সুজন আর্থিক সহযোগিতার জন্যে হাত বাড়িয়ে এলাকার বিত্তশালীসহ দেশবাসীর কাছে অনুরোধ জানান।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর):
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সুন্দরী খাল কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হয়ে এখন তা এলাকাবাসীর দূর্ভেগের কারণ।
ওই দু’ইউনিয়নটিতে ছোট বড় মিলেয়ে প্রায়ই অনেক খাল রয়েছে। তন্মধ্যে সুন্দরী খাল অন্যতম। এই খাল দিয়ে আগে নিয়মিত পরস্কিার পানি ও নৌকা যাতায়াত করত। এই খাল গুলোতে এলাকাবাসী গোসল সহ নানান রকম কাজ কর্ম করতো। কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য হারিয়ে গেছে এখন আর চোখে পড়ে না।
খাল গুলোতে এখন কচুরিপানায় দখলে চলে গেছে। এর ফলে পানি দুষিত হয়ে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। এছাড়া দুর্গন্ধে মানুষ বসবাস করতে পারে না।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার বক্সগঞ্জ হয়ে মালচোয়া গ্রামে অতিবাহিত হয়ে পাশ্ববর্তী মতলব উপজেলা সংযুক্ত রয়েছে। তাছাড়া কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে এ সুন্দরী খাল বয়ে গেছে। এই সুন্দরী খালের মাধ্যমে দুটি ইউনিয়নের ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করায় কৃষক বিনা সেচে রবি শস্য অবাদ করত। আস্তে আস্তে কচুরিপানায় খালটিকে গ্রাস করে ফেলায় ছোট নৌকাও চলাচল করতে পারে না।
স্থানীয় অধিবাসী গোলাপ শাহ, মহিউদ্দিন ও তাজুল ইসলাম সহ একাধিক লোকজন জানায়, সুন্দরী খাল দুটি ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির এখন কচুরিপানায় ভরা। সাপ-বিচ্ছু সহ নানা বিষধর পোকামাকড়ে আতংকিত থাকি সবসময়। এক সময় দুই ইউনিয়নের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এটি।
এ ব্যাপারে পশ্চিম সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই খাল গুলোতে কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ আসে না। এই খাল গুলোর কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ততা করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরী খালের কচুরিপানা পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সেচ কাজের সুবিধার্থে খাল পুন:খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৃষকরা আবারো নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে ইরি-বোরো মৌসুমে এর ফলে জমিতে সেচকাজ পরিচালনা সহজলভ্য হবে বলে মনে করছেন কৃষকরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কৃষি মন্ত্রনালয়ের আওতায় কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পালাখাল মডেল ইউনিয়নের মনসামূড়া সুন্দরী খালের ১.৭ কিলোমিটার দৈঘ্যের পুন:খনন কাজ শুরু হয়। যার ৮মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরতা হবে। এছাড়াও ওই ইউনিয়নের মনসামূড়া মন্দির থেকে পালাখাল পর্যন্ত খাল পুন:খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
ভূঁইয়ারা গ্রামের কৃষক সফিউল্যাহ,ফারুক মিয়া,জমির হোসেন ও কবির হোসেন জানান, এই জনগুরুত্বপূর্ণ খালের পানির ওপর এখানকার ইরি-বোরো ব্লকের প্রায় এক হাজার একর জমি নির্ভরশীল। এই খালটি কখনও পুনঃখনন করা হয়নি। ফলে খরস্রোতা খালটি দুইপাশের মাটি জমে মরে যায়। পানির অভাবে অনেক জমির বোরো চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। খালটি পুন:খননে কাজ শুরু করায় খুশি তারা।
ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয় বলেন,এ অঞ্চলের কৃষকরা রবি শস্যের পাশাপাশি বোরো ও সবজির আবাদ করে বেশি। তাই পানির পরিমান বেশি প্রয়োজন। খালটির নাব্যতা সংকটের কারণে চাষীরা চরম সংকটের মধ্যে দিন পার করছিলেন। তবে, খাল খনন হয়ে গেলে ও পানির প্রবাহ ঠিক থাকলে আগামীতে আবারও ক্ষেতগুলো বছরজুড়ে ফসলে ভরে থাকবে। কৃষকের মুখেও হাসি ফুটবে। দীর্ঘদিন পরে হলেও বর্তমান সরকারের মহতী উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করা হয়েছে। খাল খননের ফলে পাঁচ শতাধিক কৃষক উপকৃত হবেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কুমিল্লা বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুবায়েত ফয়সাল আল মাসুম বলেন,এ খাল খননের মাধ্যমে কৃষকরা প্রধান প্রধান শস্য (রবিশস্য) গুলো আছে সেগুলো পানি সেচের প্রয়োজন হয় এটা কৃষকরা সহজেই পাবে। তাছাড়া আমন মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের অভাবে অনেকে দেরীতে আমন চাষ করে থাকেন কিন্তু খাল খননের পলে সহজেই পানিগুলো সরে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, এ খালের প্রায় ১. ৭ কি.মি. দৈঘ্য যার ৮ মিটার প্রস্থ ও ৩ মিটার গভীরে খালটি সুন্দরী খালের সাথে সংযোগ হবে। দীর্ঘদিও ধরে চরতে থাকা কৃষকের কান্নার আরেকনাম জমিতে জলাবদ্ধতা সেটি নিরসন হবে। পাশাপাশি খালের পানির পর্যাপ্ততা এবং প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেবে। সেচ কাজের জন্যে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলনের নির্ভরতা কমবে। উপকৃত হবে কৃষক পরিবার ও বৃদ্ধি পাবে কৃষির আবাদ।
মন্তব্য করুন


কেঁদে গিনেস বুকে নাম তুলে কৃতিত্ব
স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে টানা
সাত দিন কেঁদে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারালেন নাইজেরিয়ার এক যুবক।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নাইজেরিয়ার বাসিন্দা। ওই
যুবকের নাম টেম্বু এবেরে। জোর করে চোখে পানি আনার জন্য নানারকম কলাকৌশলও করেছিলেন
তিনি। আর তা করতে গিয়েই হঠাৎ ওই যুবক টের পান যে, তিনি সব কিছুই অস্পষ্ট দেখছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কে দীর্ঘতম সময় কাঁদতে পারেন, তা নিয়ে
একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চলছিল। সেই প্রতিযোগিতাতেই অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
ওই যুবক জানান, ৪৫ মিনিটের জন্য তিনি কিছু দেখতে পাননি। চোখ ফুলে
গিয়েছিল। মাথাতেও অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছিল।
এখন
অবশ্য সুস্থই রয়েছেন। চোখ নিয়েও কোনও সমস্যা নেই।
তারপরেও হাল ছাড়তে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছিলেন কৌশল বদলে
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা তার শারীরিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, তাকে ওই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া
হচ্ছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, বিবিসি
মন্তব্য করুন