

পুষ্পা টিমের বিপদ যেন কাটছেই না!
ভারতের তুমুল হাইপ তোলা চলচ্চিত্র পুষ্পা’র ২য় কিস্তি আসার আগেই একের পর এক বাধার
সম্মুখীন হচ্ছেন সিনেমাটির নায়ক, নির্মাতা ও পুরো টিম। তার আগেও দুর্ঘটনার কারণে
বন্ধ ছিল সিনেমাটির শুটিং। সেই দুর্ঘটনায় সিনেমার একাধিক তারকা আহত হয়েছিলেন। তবে এবার
সিনেমাটির নায়ক আল্লু অর্জুন পড়লেন আঘাতের কবলে। ফের বন্ধ হলো পুষ্পার’
সিক্যুয়েলের শুটিং।
সিনেমাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র
ভারতীয় বিনোদন মাধ্যম পিঙ্কভিলাকে জানিয়েছে, ভারী পোশাক পরে অ্যাকশন দৃশ্যে
স্টান্ট করার কারণে কোমরে ও কাঁধে চোট পেয়েছেন আল্লু অর্জুন। চিকিৎসক জানিয়েছেন,
তাকে কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। সে কারণেই আপাতত বন্ধ ‘পুষ্পা ২’-এর শুটিং। অর্জুন
সুস্থ হলেই ফের শুরু হবে শুটিং।
ইন্ডাস্ট্রি সূত্র অনুসারে, ‘পুষ্পা’র
দ্বিতীয়ভাগে চিত্রনাট্যে আসবে বড়সড় পরিবর্তন। এমনকি সিনেমাটির ক্লাইম্যাক্স
একেবারে চমকে দেবে দর্শকদের! এর আগে পরিচালক সুকুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন,
‘পুষ্পা’ যেভাবে গোটা দেশে দারুণ সাফল্য পায়, সে কথা মাথায় রেখেই এর দ্বিতীয়ভাগ
সাজানো হচ্ছে।
আল্লু অর্জুন অভিনীত পুষ্পা ২০২১ সালে
মুক্তি পায়। করোনা-পরবর্তী পর্যায়ে এই সিনেমাটির হাত ধরে ভারতীয় বিনোদন সংস্থা
সাফল্যের মুখ দেখেছিল।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


ব্যাচেলর পয়েন্ট নাটকে হাবু চরিত্র দিয়ে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মাহবুবুর রহমান চাষী। ‘তোমার রান্নার হাতটা একটু দেখবো’ এই সংলাপটি কম বেশি সবারই খুব চেনা । এটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র হাবু ভাই চরিত্রে অভিনয় করা চাষী আলমের মুখে বারবার শোনা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২৫ আগস্ট বিয়ে করছেন চাষী আলম। ২৪ আগস্ট আজ রাতে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্ট আয়োজন করা হয়েছে গায়ে হলুদের।
শোবিজ অঙ্গন সূত্রে জানা গেছে, পরিবার ও শোবিজ অঙ্গনের অনেকে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলতে চাননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চাষী আলমের এক আত্মীয় বলেন, আজ বনানীর একটি রেস্টুরেন্টে গায়ে হলুদের অয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার বিয়ে।
এবার ঈদে চাষী আলম অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক মুক্তি পায়।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়ক আদর আজাদ ও অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি জুটির প্রথম সিনেমা ‘যন্ত্রণা’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী শুক্রবার। ভালোবাসা ও অ্যাকশন গল্পে নির্মিত আব্দুল্লাহ জহির বাবুর গল্পে সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আরিফুর জামান আরিফ।
চিত্রনায়ক
আদর আজাদ বলেন, ভালোবাসার গল্পে সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে। গল্পে নতুনত্ব আছে। আশা করছি, সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শক পছন্দ করবেন।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মানসী প্রকৃতি বলেন, সিনেমার গল্প ও চরিত্রটি ভালো। চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দিয়ে কাজটি করতে। তবে দর্শক এখন যে ধরনের গল্পের সিনেমা দেখতে চায় এটি তেমনই। চেষ্টা করেছি নিজের চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। অনেক দিন পর বড় পর্দায় আসছি। আশা করছি, গল্প ও চরিত্র মিলিয়ে সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।
সিনেমার পরিচালক আরিফুর জামান আরিফ বলেন, প্রথমবার সিনেমা পরিচালনা করেছি। আশা করি, ‘যন্ত্রণা’ সবার ভালো লাগবে।
আদর-প্রকৃতি ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, ডন, বড়দা মিঠু, সায়মা স্মৃতি, আশরাফ কবির, সোহেল রশিদ, গাঙ্গুয়া, জাহিদ, পারভেজ সুমন, শেখ স্বপ্না, পারভিন আক্তার, অতিথি শিল্পী তনামি হকসহ আরো অনেকেই।
মন্তব্য করুন


ঢালিউড
সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রাজকুমার’ এর শুটিং শুরু
হবে মঙ্গলবার। রাজকুমার সিনেমায় শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায়
এসেছেন মার্কিন অভিনেত্রী কোর্টনি কফি।
গতকাল
সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে রাষ্ট্রপতি ও
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিনের জন্মদিন
উপলক্ষে বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন শাকিব খান। তার সঙ্গে
দেখা গিয়েছে মার্কিন অভিনেত্রী কোর্টনি কফিসহ আরও উপস্থিত ছিলেন
অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, ‘প্রিয়তমা’র নায়িকা ইধিকা
পাল, কণ্ঠশিল্পী কোনালসহ আরও শিল্পী।
জানা
যায়, মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায়
শুরু হবে রাজকুমার সিনেমার
শুটিং। পাবনা এবং পরে আমেরিকাতে
সিনেমাটির শুটিং শেষ হবে। সিনেমাটি নির্মাণ
‘প্রিয়তমা’ খ্যাত পরিচালক হিমেল আশরাফ।
প্রেম,
পারিবারিক সম্পর্ক এবং একজন স্বপ্নবাজ
তরুণের বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় যাত্রার
গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে
‘রাজকুমার’।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


প্রভাস পরবর্তী ছবি ‘সালারে’-এ অভিনয়ের জন্য ১০০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যেই নাকি এই পারিশ্রমিকে আরও দুটো ছবি সাইন করেছেন প্রভাস। সেই সিনেমা দুটির নাম এখনও প্রকাশ হয়নি।
প্রকাশ্যে এসেছে ‘সালার’-এর ফার্স্টলুক। যেখানে সাদা কালো পোস্টারে ধারালো অস্ত্র হাতে দেখা গেছে অভিনেতাকে। এরপরই ছবিটির টিজার মুক্তি পেয়েছে গত ৬ জুলাই।
বিগ বাজেটের এই সিনেমাকে ঘিরে ভক্তদেরও আগ্রহ তুঙ্গে। বিশেষ করে প্রভাসের পারিশ্রমিকের খবর সেই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ‘আদিপুরুষ’ সিনেমাতেও নাকি ১০০ কোটি টাকার বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন প্রভাস। যদিও তিনি ভক্তদের সেখানে হতাশই করেছেন।
সিনেমায় এই নায়কের বিপরীতে শ্রুতি হাসান অভিনয় করছেন। এ বছর ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে ‘সালার’।
মন্তব্য করুন


এক ক্যালেন্ডারে পরপর ৩টি হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন বিগত বছরটা নিজের করে নিয়েছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। শোনা যাচ্ছে এবার, ২০২৪ সালের শুরুটা সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘ইনশাআল্লাহ’ সিনেমা দিয়ে করবেন শাহরুখ। ইতোমধ্যেই নাকি এই সিনেমার প্রি প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামী মে-জুন মাসে আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহরুখের সঙ্গে সিনেমা প্রসঙ্গে প্রাথমিক আলাপ সেরেছেন পরিচালক। তিনি নিজেও সিনেমাটি করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
গত বছর ২০২৩ সালে শাহরুখর ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ ও ‘ডাঙ্কি’ দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অভিনেতার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ২৪ সালেও ৩টি সিনেমা মুক্তি দেবেন শাহরুখ।
তবে বর্তমানে পরিবারকে নিয়ে লন্ডনে অবকাশ যাপন করছেন শাহরুখ। সেখানেই বেশ কয়েকটি সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েছেন তিনি। ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরেই ৩টি সিনেমা ফাইনাল করবেন বাদশাহ ।
মন্তব্য করুন


রাশিয়ার বেলগোরোডের ইয়ানা বোভরোভা এক নারী উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি শরীরের গড়ন নিয়ে তার স্বামী তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি খুব মোটা হয়ে যাচ্ছ। গালের মাংস ঝুলে যাচ্ছে।’ স্বামীর এ কথা ভালো লাগেনি ইয়ানার। ওই মন্তব্য শোনার পর থেকেই নিজের চেহারা নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠেন তিনি।
রাশিয়ার টিভি চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চেহারা নিয়ে স্বামীর মন্তব্য তার ভালো লাগেনি। ফলে চেহারায় কিভাবে সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিয়মিত জিম করে শরীরের মেদ কমানোর কাজ শুরু করেন ইয়ানা। একই সাথে দিন দিন নিজের খাবারের পরিমাণও কমিয়ে দেয়া শুরু করেন তিনি।
ইয়ানা জানান, তার খাবারের তালিকা থেকে অনেক কিছু বাদ দিয়েছেন। তার খাবারের তালিকায় ছিল বিস্কুট, চা, ক্যান্ডি, এক টুকরো চিজ, অর্ধেক গ্লাস স্যুপ।
এভাবে দিনের পর দিন জিম ও খাবারের তালিকায় অসামঞ্জস্যে দ্রুত ওজন কমতে থাকে ইয়ানার। একটা সময় তার ওজন ২২ কেজিতে পৌঁছায়। এরপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
চিকিৎসকেরা জানায়, ইয়ানার শরীর ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় ভেতর থেকে খোকলা হয়েছে। যেন শরীর শরীরকেই খেতে শুরু করেছিল।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপাকে (মাহিয়া মাহি) নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে তলব করেছে ।
শুক্রবার অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালত) মো. আবু সাঈদ তাকে তলব করেন।
মাহিয়া মাহিকে পাঠানো এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছেন মাহি শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।
এছাড়া নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি আরো জানতে পারে ওই দিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রচার শুরু করেন এবং ভোটারদের কাছে ভোট চান।
চিঠিতে আরো বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৬(ঘ) ও বিধি ১২ লঙ্ঘন করেছেন শারমিন আক্তার নিপা (মাহি)। যা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়েছে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন