

সেসনা- ২০৬ বিমান ১ মে ভোরে ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে কলম্বিয়ার ক্যাকেটা রাজ্যের সোলানোর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়।
বিমানটিতে ৭ জন আরোহী ছিল। বিমানটি আমাজোনাস প্রদেশের আরাকুয়ারা এবং গুয়াভিয়ার প্রদেশের শহর সান জোসে দেল গুয়াভিয়ারের একটি রুটে যাচ্ছিল। ওই সময় বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় পাইলটসহ তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক মারা যান। তাদের মৃতদেহগুলো বিমানের ভেতরেই পাওয়া যায়। ১৩, ৯ এবং ৪ বছর বয়সী শিশু এবং সেইসঙ্গে ১২ মাস বয়সী আরো একটি শিশু দুর্ঘটনায় বেঁচে গিয়েছিল। তারা পরে জঙ্গলে হারিয়ে যায়।
উদ্ধারকারীরা কুকুরের সাহায্যে অনুসন্ধান চালায়। তারা জঙ্গলের মাঝে গাছপালা দিয়ে তৈরি আশ্রয় খুঁজে পেয়েছিল। ফল খেয়ে শিশুগুলো বেঁচে ছিল। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর বিমান ও হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।
দেশটির রাষ্ট্রপতি পেট্রো প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন, ১৭মে টুইটারে এক বার্তায় শিশুদের পাওয়া গেছে। তবে তথ্য নিশ্চিত না থাকায় পোস্টটি পরে মুছে দেওয়া হয়। পেট্রো শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিশুরা জঙ্গলের মাঝখানে নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করেছে। তারা একসঙ্গেই ছিল এবং তারা বর্তমানে দুর্বল।’
শিশুদের দাদা নার্সিজো মুকুটুই সাংবাদিকদের বলেছেন, তাদের উদ্ধারের খবরে তিনি আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘ইয়ারির জঙ্গলে নিখোঁজ হওয়া আমার নাতি-নাতনিদের দাদা হিসাবে এই মুহুর্তে আমি খুব খুশি।’ উদ্ধার হওয়া শিশুরা হুইটোতো সম্প্রদায়ের। কর্মকর্তারা বলেছন, রেইনফরেস্টে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয় সে সম্পর্কে বড় ভাইবোনদের কিছুটা জ্ঞান ছিল। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর প্রকাশ করা ছবিগুলোতে জঙ্গলের মাঝখানে চার শিশুর সঙ্গে একদল সৈন্যকে দেখা গেছে।
সূত্র : আলজাজিরা
মন্তব্য করুন


ভারত মহাসাগরে চীনের একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে গেছে। এতে ৩৯ জন ক্রু ছিলেন এবং নৌকাডুবির পর তারা সবাই নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ এই ক্রুদের মধ্যে চীনসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও আছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার বরাত দিয়ে বুধবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে চীনা একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে গেছে এবং এর ৩৯ জন চীনা ও আন্তর্জাতিক ক্রু নিখোঁজ হয়েছেন।
ব্রডকাস্টার সিসিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ ক্রুদের মধ্যে চীনের ১৭ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন এবং ফিলিপাইনের পাঁচজন রয়েছেন।
সিসিটিভি আরও বলেছে, নৌকাডুবির ঘটনার পর নিখোঁজদের সন্ধানে সমন্বিত অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কিন্তু ‘এখন পর্যন্ত, নিখোঁজ কোনও ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি’। তবে আঞ্চলিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য চীন ঘটনাস্থলের আশপাশে দু’টি বাণিজ্যিক জাহাজ মোতায়েন করেছে।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘সমুদ্রে মাছ ধরার নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে আরও জোরদার করা এবং সামুদ্রিক চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।’
আল জাজিরা বলছে, চীনা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মাছ ধরার ওই নৌকা ডুবে যাওয়ার সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা হয়নি। এতে কেবল প্রকাশ করা হয়েছে যে, ভারত মহাসাগরের কেন্দ্রস্থলে নৌকাডুরি এই ঘটনা ঘটেছে। ভারত মহাসাগর মূলত দক্ষিণ এশিয়া ও আরব উপদ্বীপ থেকে পূর্ব আফ্রিকা এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত।
ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড বুধবার বলেছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ম্যানিলায় চীনা দূতাবাসের পাশাপাশি জাহাজের সর্বশেষ অবস্থানের কাছাকাছি কাজ করা অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের সাথে সমন্বয় করছে।
সংবাদমাধ্যম বলছে, চীন বিশ্বের বৃহত্তম গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বহর পরিচালনা করে বলে মনে করা হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা এবং সহায়ক জাহাজের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের অনেক জাহাজ একটানা কয়েক মাস বা এমনকি বছরজুড়ে সমুদ্রে অবস্থান করে।
অবশ্য নৌকা ডুবে যাওয়ার পেছনে কারণ কী হতে পারে তার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে আবহাওয়া এবং উত্তাল সমুদ্র সাধারণত এই ধরনের ট্র্যাজেডির কারণ বলে মনে করা হয়।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


২১ ফুট পানির নিচে ফটোশুট করেন এক তরুণী। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছে মডেল সিয়ারা আন্তোস্কি। শুধু সিয়ারা আন্তোস্কি নয়, একসাথে তার ফটোগ্রাফার স্টিভেন হেইনিং এই রেকর্ড অর্জন করেন। কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরির কাছে পৃষ্ঠের ২১ ফুট নিচে একটি শ্যুট সম্পন্ন করেন তারা। এজন্য সময় নেন মাত্র ১৬ মিনিট। যদিও এই পুরো ফটোশুট প্রক্রিয়া শেষ করতে কয়েক মাস লেগেছিল। এমন একটি ফটোশুট করার ধারণা স্টিভেনের মাথায় আসে কোভিড-১৯ এর সময়। ২০২১ সালের ২১ জুন কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরিতে ফ্যাথম ফাইভ ন্যাশনাল মেরিন পার্কের লেকের ২১ ফুট বা ৬.৪০ মিটার নিচে ফটোশুট করেন। শুটের আগের দিন পানির নিচে জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে গিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করেন আন্তোস্কি ও স্টিভেনে। সেদিন আন্তোস্কি ৩০ মিনিট পানির তলায় ছিলেন। পানির এতটা গভীরে ফটোশুট করেছেন এমন ব্যক্তি তারাই প্রথম। স্টিভেন ইচ্ছা পানির ১০০ ফুট নিচে ফটোশুট করার। এজন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অবশ্য এর আগে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে তাকে।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গেয়ে শুনিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে তাকে উৎসাহ দেন।
১০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৈশভোজ শুরুর আগে চলে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাঙালিদের জন্য বিশেষ সৌন্দর্য। এসময় জাতীয় সংগীতের কয়েক লাইন গেয়ে শুনান ম্যাক্রোঁ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ফ্রান্স আমাদের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। আমাদের পার্টনারশিপ বিভিন্ন সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে।
রোববার রাত ৮টায় ভারতে জি-২০ সম্মেলন শেষে ২ দিনের সফরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এসময় ম্যাক্রোঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ম্যাক্রোঁর এ সফরে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে দুটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হবে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার ভারতের বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে দুই দল।
খেলার ১৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় কুয়েত। ৩৮ মিনিটে গোল করে সমতায় ফেরে ভারত। প্রথমার্ধ থেকে দুই দল একটি করে গোল নিয়ে সমতা ধরে রেখেছিল। যা বজায় ছিল নির্ধারিত সময় গড়িয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও।
১২০ মিনিটের খেলা শেষেও কুয়েত-ভারত ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ১-১। পরবর্তীতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জিতে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে ভারত।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিফের ফাইনালে কুয়েতকে হারিয়ে নয়বারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। মঙ্গলবার শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে টাইব্রেকারে কুয়েতকে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে হারায় ভারত।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট
অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস
ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল
জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া
নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায়
বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই
নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক
ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী
কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন
সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি
তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার
ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই
ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক
সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া
ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর
সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলের একাধিক স্থানে স্বর্ণের নতুন খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার(২৮ ডিসেম্বর) সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মাদেন) এই ঘোষণা দিয়েছে। খবর রয়টার্স' ও সৌদি গেজেট'র।
কোম্পানি এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন সন্ধান পাওয়া খনিগুলো কোম্পানিটির বিদ্যমান মানসুরা মাসারাহ স্বর্ণের খনির দক্ষিণে অবস্থিত।
স্বর্ণের খনির সন্ধানে তারা ২০২২ সালে ১০০ কিলোমিটার উপত্যকা এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। এই অনুসন্ধানে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের মজুত আবিষ্কৃত হলো।
সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণে নতুন খনিতে উচ্চ মানসম্পন্ন স্বর্ণ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। জরিপের ফলাফলের আলোকে কোম্পানিটি ২০২৪ সালে মানসুরা মাসারাহ এলাকা ঘিরে ব্যাপক খননকাজ চালানোর পরিকল্পনা করছে।
মন্তব্য করুন


সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। এ সময় বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা।
সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দপ্তরে এই বৈঠক হয়। সাক্ষাৎকালে দু'দেশের মধ্যে মানবপাচার প্রতিরোধ, কৃষি পুনর্বাসন ও বীমা, পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন ও সংস্কার, মানিলন্ডারিং ও দুর্নীতি প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত এ মুহূর্তে উপদেষ্টার অগ্রাধিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জ। উপদেষ্টা এসময় কৃষি পুনর্বাসনে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কৃষকদের সক্ষমতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে কৃষি ক্ষেত্রে বীমা চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের কৃষকগণ এখনো এ বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী নয়। ভবিষ্যতে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন বেশ বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছ। যে কারণ বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি এসব সমস্যা সমাধানে কৃষকদের নিকট গ্রহণযোগ্য ও উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্রদূত জানান, পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারে।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকার সুউচ্চ ও সমুন্নত রাখতে সুইজারল্যান্ডের সহায়তা চান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া টাকা দেশে ফেরত আনতে সহযোগিতা করবে সুইজারল্যান্ড।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
করতে বদ্ধপরিকর। শুধু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক ও সেনাবাহিনীর প্রাক্তন
সদস্য হিসেবে আমি বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চাই। সঠিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত
ও ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু করা হবে।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ গ্রিস ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে। এই আগুন নেভাতে গিয়ে ভেঙে পড়েছে একটি বিমান। এতে ২জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার এথেন্সের কাছে এভিয়া দ্বীপের দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে একটি বিমান পৌঁছায়। দমকল বাহিনীর ওই বিশেষ প্লেনটি আগুন নেভানোর জন্যই সেখানে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ভেঙে পড়ে। এতে প্লেনের ২ পাইলট মারা গেছেন।
এদিকে দাবানলের কারণে গ্রিসের একাধিক অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বেশকিছু অঞ্চল থেকে স্থানীয় মানুষ এবং পর্যটকদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা রোডস এবং কর্ফুতে। সেখান থেকে পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে সিসিলির বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার তা আবার খোলা হয়।
গ্রিসে এই নিয়ে গরমের দাপটে তিন জনের মৃত্যু হলো।
সূত্র- ডয়চে ভেলে
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার:
রক্তঋন সামাজিক সংগঠন সৌদিআরবের
রিয়াদ শাখা ও আল খারিজ ফ্রেন্ডস ক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার সৌদিআরব সময় রাত ১২টায় রিয়াদ
প্রদেশে ফুটবল একাডেমিতে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথমে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে
বরণ ও পরিচয় পর্বের মধ্যে দিয়ে ফুটবল প্রীতি ম্যাচের প্রথম পর্ব শুরু হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী
হাজী মোহাম্মদ মামুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
ও সমাজসেবক জাকির মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজসেবক
নুর মোহাম্মদ বাবু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজসেবক কবির মজুমদার, আসলাম আহমেদ মুরশিদ,
হাজী শাহজাহান ও মুকবুল হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ
ও সমাজসেবক কাজী সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ রিপন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, শফিকুল ইসলাম,
বিল্লাল হোসেন, রাকিবুল ইসলাম এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইনতিয়ার আহমেদ।
ফুটবল খেলা রেফারি দায়িত্ব
পালন করেন, মোহাম্মদ হাসান। আল খারিজ লাল দল ও আল খারিজ সবুজ দল ১-১ গোলে ড্র করলে
খেলাটি ট্রাইবেকারে গড়ায়। ট্রাইবেকারে আল খারিজ লাল দল ৫-৩ গোলে আল খারিজ সবুজ দলকে
পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হন আল খারিজ লাল দল।
উক্ত খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স আপ খেলোয়াড়দের মাঝে টিভি, ট্রপি, ক্রেস্ট ও মেডেল
প্রদান করে অতিথি বৃন্দ।
মন্তব্য করুন