

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)কে অবমাননার
দায়ে ইরানের পপ শিল্পী আমির হোসেন মাগসুদলুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমির হোসেন ইরানে
‘তাতালু’ নামে বেশি পরিচিত।
আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) তাকে মৃত্যুদণ্ড
দেয় দেশটির একটি আদালত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানায়।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্ম
অবমাননাসহ বিভিন্ন অপরাধে পূর্ববর্তী পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট
প্রসিকিউটরের আপত্তি মেনে নিয়েছে দেশটির আদালত। এতে বলা হয়েছে, মামলাটি পুনরায় খোলা
হয়েছে। সেই সাথে আসামী ‘তাতালু’-কে মহানবী (সা.)-কে অবমাননার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া
হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে রায়টি
চূড়ান্ত নয় এবং চাইলে এখনও আপিল করা যেতে পারে। ৩৭ বছর বয়সী এই সঙ্গীতশিল্পী ২০১৮
সাল থেকে ইস্তাম্বুলে বসবাস করছিলেন। তারপর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তুর্কি পুলিশ
তাকে ইরানের কাছে হস্তান্তর করে।
এর আগে ‘পতিতাবৃত্তি’ প্রচারের জন্য
ওই পপ তারকাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডও দেয়া হয়েছিলো। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে
‘প্রচার’ এবং ‘অশ্লীল বিষয়বস্তু’ প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছিলো এই পপ তারকার বিরুদ্ধে।
এমনকি, ২০১৭ সালে, অতি-রক্ষণশীল ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সাথে একটি বেমানান
টেলিভিশন বৈঠকও করেছিলেন তাতালু।
মন্তব্য করুন


১৭ জুন শনিবার ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে আদালত চত্বরে পৌঁছান আমিশা। এরপর রাঁচি সিভিল কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এরপরেই আদালত শর্তসাপেক্ষে অভিনেত্রীর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করেন।
গেল এপ্রিল মাসে আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেছিলেন রাঁচি হারমু জেলার বাসিন্দা অজয় কুমার সিং।
জানা গেছে, আড়াই কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় অভিযুক্ত এই নায়িকা।
অজয় কুমার সিং-এর অভিযোগ অনুযায়ী, আমিশা তাকে ‘দেশি ম্যাজিক’ নামে একটি সিনেমার জন্য অর্থ বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি সিনেমাটি নির্মাণ ও প্রচারের জন্য আমিশার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২.৫ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছিলেন। ২০১৩ সালে সিনেমাটির শুটিং শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি।
অজয় কুমার সিং-এর দাবি আমিশা ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার আশ্বাস দিয়েছিলেন সিনেমাটি শেষ হওয়ার পরে সুদের সঙ্গে তিনি আসল ফেরত পাবেন। বারবার দেরি হওয়ার পর, আমিশা অজয় কুমার সিংকে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ২.৫ কোটি এবং ৫০ লাখ টাকার দুটি চেক দিয়েছিলেন, যা বাউন্স হয়ে যায়। এরপরই আমিশা ও তার ব্যবসায়ীক সঙ্গী ক্রুনালের নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ১২০ ধারায় মামলা দায়ের করেন অজয়।
এদিকে, জালিয়াতি এবং চেক বাউন্সের মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২১ জুন ধার্য করা হয়। ওইদিন আমিশাকে রাঁচি আদালতে শারীরিকভাবে হাজির হতে বলা হয়।
মন্তব্য করুন


এই বিশাল ভূগর্ভস্থ শহরটি যেটিতে একসময় প্রায় ২০০০০ লোক বাস করত, পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে একজন ব্যক্তি তার বেসমেন্টে একটি প্রাচীর ছিটকে পড়ার পরে পুনরায় এটা আবিষ্কার করেছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রকাশ করেছেন যে শহরটি ১৮ তলা গভীর এবং স্কুল, চ্যাপেল এবং এমনকি আস্তাবল সহ ভূগর্ভস্থ জীবনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল
ডেরিঙ্কুইতে ভূগর্ভস্থ শহরটি বড় ঘূর্ণায়মান পাথরের দরজা দিয়ে ভিতরে থেকে বন্ধ করা যায়। এমনকি প্রতিটি ফ্লোর আলাদাভাবে বন্ধ করা যায়।
এই শহরটি ২০০০০ জন লোকের থাকার ব্যবস্থা ছিলো,এবং ক্যাপাডোসিয়া জুড়ে অন্যান্য ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সে আরও ঘড় পাওয়া যায় যেমন মদ এবং তেলের প্রেস, আস্তাবল, সেলার, স্টোরেজ রুম, রিফেক্টরি এবং চ্যাপেল। Derinkuyu কমপ্লেক্সের জন্য আলাদা এবং দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত একটি ব্যারেল-খিলানযুক্ত সিলিং সহ একটি প্রশস্ত ঘড় আছে।। জানা গেছে যে এই কক্ষটি একটি ধর্মীয় বিদ্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত এবং বাম দিকের কক্ষগুলি পড়াশোনার জন্য ব্যাবহৃত হতো।
তৃতীয় এবং চতুর্থ স্তরের মধ্যে শুরু হচ্ছে উল্লম্ব সিঁড়িগুলির একটি সিরিজ, যা সর্বনিম্ন (পঞ্চম) স্তরে একটি ক্রুসিফর্ম চার্চের দিকে নিয়ে যায়।
বড় ৫৫ মিটার বয়ুচলাচল খাদ একটি কূপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়। বাইরের দুনিয়ার লোকের থেকে লুকানোর জন্য এটা ছিলো মোক্ষম জায়গা।
তুরস্কের সংস্কৃতি বিভাগের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম-৭ম শতাব্দীতে ফ্রিজিয়ানরা ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলের নরম আগ্নেয় শিলায় প্রাথমিকভাবে গুহাগুলি তৈরি করেছিল। রোমান কালে যখন ফ্রিজিয়ান ভাষা মারা যায়, গ্রীক ভাষার সাথে প্রতিস্থাপিত হয় তখন বাসিন্দারা তাদের গুহাগুলিকে গভীর বহু-স্তরের কাঠামোতে প্রসারিত করে চ্যাপেল এবং গ্রীক শিলালিপি যুক্ত করে।
মন্তব্য করুন


ইরাকে
৩০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। জানা গেছে, সড়ক
সম্প্রসারণের কাজের জন্য দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ওই মসজিদটি স্থানীয়
প্রশাসন গত শুক্রবার বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় ।
তবে প্রাচীন ওই মসজিদ ভেঙে ফেলায় নিন্দায় সরব হয়েছে দেশটির সাধারণ
মানুষ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, মসজিদটি ১৭২৭ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল।
এতে ১১ মিটার বা ৩৬ ফুট উঁচু একটি মিনার ছিল,যেটিকে সিরাজি মিনার বলা হত । মসজিদটির
দেওয়াল ছিল লাল মাটির তৈরি ইটের।
স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মসজিদসংলগ্ন সড়কটি বেশ সংকীর্ণ। এতে ওই
এলাকায় ব্যাপক যানজট দেখা দেয়। সড়কটির সম্প্রসারণের জন্য প্রাচীন মসজিদটি ভেঙে
ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বসরার গর্ভনর। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ইরাকের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আর-বাদরানি বলেন, মসজিদটি ভেঙে
ফেলার বিষয়ে তাদের আপত্তি ছিল। কিন্তু বসরার গভর্নর ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সড়ক
সম্প্রসারণের জন্য মসজিদটি অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। এখন ইরাকের সংস্কৃতি
মন্ত্রণালয় বসরার প্রাচীন এই মসজিদের আদলে আরেকটি মসজিদ বানাতে চায়।
বারবার
নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও মসজিদটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেয়নি
দাবি করেছেন বসরার গভর্নর আসাদ আল এইদানি।
তিনি
বলেন, সড়ক সম্প্রসারণের কাজে এটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এখন প্রতিবাদ না করে নতুন একটি
মসজিদ কীভাবে তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন বসরার
গভর্নর।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


রোববার সকালে চট্টগ্রামে ডাঙ্গারচর নৌ তদন্ত কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, তুমব্রু সীমান্তে বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সঙ্গে কাজ করছে পুলিশ। বিজিবিকে সব ধরনের সহযোগিতা করার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ সদস্যরা।
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। তাদের ছোড়া গুলির সিসা ও রকেট লঞ্চার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে উড়ে এসে পড়ছে।এ ঘটনায় ঘুমধুম-তুমব্রু এলাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। আতঙ্ক, উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন তারা। ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতেও পারছেন না অভিভাবকরা। এছাড়াও কৃষকরা ফসলি জমিতে যেতে ও দৈনন্দিন কাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন তারা।এদিকে বিদ্রোহীদের আক্রমণে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে দেশটির সামরিক বাহিনীর ১৪ সদস্য তুমব্রু বিজিবি ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে।
গত রাতে বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় আবারও মর্টার শেলের বিস্ফোরিত অংশ বাংলাদেশে এসে পড়েছে। এছাড়া গত রাতে সীমান্তঘেঁষা ঘুমধুম ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সীমান্তের ওপারে প্রায় সারা রাত গুলির শব্দ শোনা গেছে।
রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বান্দরবানের তুমব্রু বিজিবি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় তারা।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ঘুমধুম পুলিশ ফাঁড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মাহাফুজ ইমতিয়াজ ভুঁইয়া বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের নিরাপত্তা দিতে আমরা প্রস্তুত আছি।
আইজিপি বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করছি। বিজিবি আমাদের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পাবে, আইনানুগভাবে আমরা সেই সহযোগিতা বিজিবিকে দেবো।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।
রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ও ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
বৈঠকে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।
প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলের একাধিক স্থানে স্বর্ণের নতুন খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার(২৮ ডিসেম্বর) সৌদি অ্যারাবিয়ান মাইনিং কোম্পানি (মাদেন) এই ঘোষণা দিয়েছে। খবর রয়টার্স' ও সৌদি গেজেট'র।
কোম্পানি এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন সন্ধান পাওয়া খনিগুলো কোম্পানিটির বিদ্যমান মানসুরা মাসারাহ স্বর্ণের খনির দক্ষিণে অবস্থিত।
স্বর্ণের খনির সন্ধানে তারা ২০২২ সালে ১০০ কিলোমিটার উপত্যকা এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। এই অনুসন্ধানে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের মজুত আবিষ্কৃত হলো।
সংগৃহীত নমুনা বিশ্লেষণে নতুন খনিতে উচ্চ মানসম্পন্ন স্বর্ণ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। জরিপের ফলাফলের আলোকে কোম্পানিটি ২০২৪ সালে মানসুরা মাসারাহ এলাকা ঘিরে ব্যাপক খননকাজ চালানোর পরিকল্পনা করছে।
মন্তব্য করুন


সোনা,হীরাসহ নানা দামি সম্পদ পাচার করার জন্য প্রায়ই নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে পাচারকারীরা। তবে গত তিনদিন ধরে ভারতের মুম্বাই বিমানবন্দরে ধরা পড়া পাচারকারীদের কীর্তি দেখে হতবাক নিরাপত্তারক্ষীরাও। কেউ নুডলসের প্যাকেটে, কেউ আবার শরীরের মধ্যে লুকিয়ে কোটি কোটি টাকা মূল্যের সোনা ও হীরা পাচারের চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যায় তাদের কৌশল।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মুম্বাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার রাতে ব্যাঙ্ককগামী বিমান ধরতে আসা এক যাত্রীর স্যুটকেস থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা ও হীরা উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যাত্রীর স্যুটকেস খুলে পরীক্ষা করার সময় বেশ কয়েকটি নুডলসের প্যাকেট পাওয়া যয়। সেই প্যাকেট কাটতেই বেরিয়ে আসে সোনা ও হীরা।
ভারতের শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই যাত্রীর কাছ থেকে ৬ কেজি ৮০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি রুপি। এ ছাড়া ২ কোটি রুপিরও বেশি মূল্যের হীরাও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে কলম্বো থেকে মুম্বইগামী বিমানে এক বিদেশি নাগরিক শরীরের মধ্যে ৩২১ গ্রামের সোনার বার নিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু মুম্বাই বিমানবন্দরে নামতেই নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে ধরা পড়ে যান তিনি।
সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


রাতে রহস্যজনক স্ট্যাটাস আর সকালে অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে শাড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল ভারতীয় অভিনেত্রী অমৃতা পান্ডের মরদেহ।
অমৃতা পান্ডে ‘অন্নপূর্ণা’ নামে ইন্ডাস্ট্রিতে
পরিচিত ছিলেন। বিহারের ভাগলপুরের জোগসার থানা এলাকার আদমপুর জাহাজ ঘাটে অবস্থিত একটি
অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। অভিনেত্রীর
মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে কী কারণে অমৃতা আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো
জানা যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে,
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অমৃতা তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি
নোট শেয়ার করেছিলেন।
পুলিশ রিপোর্ট অনুসারে, হোয়াটসঅ্যাপে
অমৃতার নোটে লেখা ছিল, ‘কেন দুই নৌকায় ভাসছিল জীবন, নৌকা ডুবিয়ে জীবন সহজ করে দিয়েছি।’
রিপোর্ট বলছে, অমৃতা তাঁর স্বামীর সঙ্গে
মুম্বাইয়ে থাকতেন। কিন্তু তিনি সম্প্রতি ভাগলপুরে একটি বিয়ের জন্য তাঁর আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ছিলেন অমৃতা এবং তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ
স্ট্যাটাসে সেই নোটটি পোস্ট করেন।
এর কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে তাঁর ঘরে মৃত
অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট
অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস
ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল
জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া
নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায়
বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই
নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক
ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী
কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন
সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি
তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার
ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই
ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক
সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া
ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর
সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন