

ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা ‘লাল শাড়ি’। যে ছবিতে প্রযোজক ও নায়িকার ভূমিকায় ছিলেন ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস। অপু–জয় প্রোডাকশন হাউজের এটি প্রথম চলচ্চিত্র।
অপু জানান, ‘‘আমার প্রত্যেকটা সফলতার পেছনে কৃতিত্ব-অবদান শাকিব খানের। উনি যদি না থাকতেন তাহলে প্রযোজনাটা আমি করতে পারতাম না। আমি এতটুকু বলতে চাই, ‘লাল শাড়ি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় আমি কিছুটা অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে যাই। বিষয়টা শাকিব খানকে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সে আমাকে সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি বলেছে, আগে আউটডোর শুটিং শেষ করে আসো।’’
মন্তব্য করুন


সানি দেওলের ‘গদর ২’
একের পর এক রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। ৩য় সপ্তাহে যেখানে সিনেমাটির আয় কমার কথা, সেখানে
শনিবার বেড়েছে ‘গদর ২’ এর আয়। এবার ‘কেজিএফ ২’-এর
রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘গদর ২’ সিনেমাটি।
বলিউড মুভি রিভিউজ
বলছে, মুক্তির ১৬তম দিনে ভারতের বক্স অফিসে ১৩.৭৫ কোটি রুপি আয় করেছে ‘গদর ২’।
অর্থাৎ, এখনো পর্যন্ত শুধু ভারতেই সিনেমাটির মোট আয় ৪৩৯.৯৫ কোটি রুপি।
‘কেজিএফ চ্যাপটার ২’
হিন্দি ভার্সনের মোট আয় ছিল ৪৩৪.৭০ কোটি রুপি। ফলে ‘কেজিএফ’র রেকর্ড ভেঙে দিলো
‘গদর ২’।
বলিউডের বাণিজ্য
বিশ্লেষকদের মতে, ২৭ আগস্ট রোববার ‘গদর
২’-এর আয়ের অংকটা আরও বাড়বে। তাদের ধারণা, হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের ৩ নম্বর সিনেমা
হিসাবে আজই ৪৫০ কোটির গণ্ডি পার করবে ‘গদর ২’।
এই মুহূর্তে আয়ের
হিসাবে ‘গদর ২’-এর আগে রয়েছে ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে থাকা শাহরুখ খানের ‘পাঠান’
এবং প্রভাসের ‘বাহুবলী ২’ (হিন্দি ভার্সন)।
বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের
মতে, অতি সহজেই ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবের তৃতীয় সিনেমা হিসেবে নাম লেখাবে ‘গদর ২’।
২০০১ সালে ‘গদর: এক
প্রেমকথা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন


‘অ্যানিম্যাল’
সিনেমায় উগ্র পৌরুষ ও নারীবিদ্বেষ রয়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও
কাজের জন্য দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন অভিনেতা রণবীর। এ সিনেমায় তার
সোথে জুটি বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণী বিনোদন জগতের পাশাপাশি এখন
বলিউডেরও জনপ্রিয় নায়িকা রাশমিকা মান্দানা।
‘অ্যানিম্যাল’-এর
সাফল্যের পর অভিনেত্রী রাশমিকা জানান, সিনেমাতে তার চরিত্র গীতাঞ্জলির কিছু কাজকর্ম
ও কথাবার্তা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছিল তার মনে। তবে পরিচালক তাকে বোঝান, চরিত্রের প্রয়োজনে
গীতাঞ্জলির মতো করে ভাবতে।
সিনেমার
প্রযোজক জানালেন, ‘অ্যানিম্যাল’-এর সেটে নাকি রণবীরের গায়েও হাত তুলেছিলেন নায়িকা!
সম্প্রতি
এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক প্রণয় রেড্ডি বঙ্গা জানান, একটি দৃশ্যের মহড়ার সময় নাকি একাধিকবার
অভিনেতা রণবীরের গায়ে হাত তুলেছিলেন অভিনেত্রী রাশমিকা। ওই দৃশ্যকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে
তুলতে কোনো কমতি রাখেননি অভিনেত্রী রাশমিকা। রণবীরকে কমপক্ষে ২০-২৫ বার মেরেছিলেন তিনি।
তারপর ওই দৃশ্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


এই ছবিগুলো প্রকাশের পরই
ভক্তদের নানা
রকমের
মিশ্র
প্রতিক্রিয়া দেখা
যায়। অভিনেত্রীর খোলামেলা রূপের ছবি জন্য
আক্রমণ
করেও
মন্তব্য করেছেন। কিন্তু নুসরাত ফারিয়া
তাদের
কারও
মন্তব্যেরই জবাব
দেননি।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি রক সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ নগর বাউল খ্যাত জেমস। গান দিয়ে ভক্তদের মাতিয়ে রাখেন যিনি সর্বদা।
এবার নেটমাধ্যমে ঝড় তুলল এই সংগীত তারকার একটি ছবি যেখানে বাউল বেশে ধরা দিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভিন্ন তারকা ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের বিভিন্ন ছবি নেটমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে। কিছুদিন আগে ভাইরাল হয়েছে প্রয়াত ত্রনায়ক সালমান শাহর একটি ছবি। যেটি তৈরি করেছিলেন রাজিব জাহান ফেরদৌস নামে একজন এআই প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার। এবার ভাইরাল হলো জেমসের এআই লুক। যেটি তৈরি করেছেন সংগীতশিল্পী ও ফটোগ্রাফার অভিষেক ভট্টাচার্য্য।
ব্যক্তিগতভাবে যাদের গান শুনতে পছন্দ করেন, তাদের মধ্য থেকে প্রিয় কিছু শিল্পীর ছবি এআই’র মাধ্যমে তৈরি করেছেন অভিষেক। যেখানে জেমসকে দেখা যায় বৃদ্ধ বেশে, বাউলিয়ানা লুকে। ছবিটি ঘিরে জেমস ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিষেক বলেন, যেহেতু লোকেরা জেমসের ছবিটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করছে, তার মানে আমার কাজটা সফলতার জায়গায় গিয়েছে। আসলে এআই ব্যবহার করে স্থিরচিত্র তৈরি করা ছবির কারিগরদেরও তো কল্পনার জায়গা থাকে। আমি সেই কল্পনা থেকে জেমসকে এমন রূপ দিয়েছি। তাছাড়া একজন শিল্পী দেখতে ঠিক যেমন- এআই ব্যবহার করে হুবহু তেমন ছবি তৈরি করলে তো আর পারপাস সার্ভ হলো না।
যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে এবার দেশের মঞ্চে গাইবেন জেমস। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর তার ব্যান্ড নগর বাউল নিয়ে পারফর্ম করবেন ‘দ্য স্কুল অব রক’ কনসার্টের প্রথম পর্বে। এটি অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির (আইসিসিবি) ৪ নম্বর হলে। ইটিসি ইভেন্টস কনসার্টটির আয়োজন করছে ।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। অভিনয়কে
ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পর ইচ্ছে ছিল সিনেমায় কাজ করার। কিন্তু বিরূপ
অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তীতে তা আর করা হয়ে ওঠেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে
সুযোগ পেয়ে যান আকরাম খানের ‘ঘাসফুল’ ছবিতে। এরপর বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেলেও
নিয়মিত হননি বড় পর্দায়।
তানিয়া বৃষ্টি বলেন, সিনেমায়
অনেক প্রস্তাব পেলেও স্বপ্নটা এগিয়ে নিতে পারিনি। তখন মনে হয়েছে, ওই সময়টাতে ওই
জায়গা আমার জন্য নয়। যে কারণে প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। আমার বড় পর্দার নায়িকা হওয়ার
খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সেসব প্রস্তাব নিতে পারছিলাম না। সেই কারণে আমার মন খারাপ
ছিল।
তার কথায়, আমি একটা
প্ল্যাটফর্ম থেকে আসছি, কাজ করব। সেই সুযোগ নাটকে সহজেই হয়ে যায়। কিন্তু সিনেমায়
একটু কঠিন। সিনেমার প্রস্তাবে শুনতে হয়েছে, কাজের বিপরীতে কিছু চায়। সবাই না, এই
কথাগুলো কেউ কেউ বলেছেন। তাদের প্রস্তাবে মন খারাপ হতো। হয়তো তারা যথাযথ
প্রতিষ্ঠানের ছিলেন না এবং উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না।
আগামী বৃহস্পতিবার
বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ‘ফ্রিল্যান্স ধান্দাবাজ’ নামের একটি নাটক। এস আর
মজুমদারের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নিলয় আলমগীরকে।
মন্তব্য করুন


টলিউডের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলেন। অভিনেত্রীর বাড়িতে
আগুন লেগে গিয়েছিল। তবে তার ও পরিবারের কারো ক্ষতি হয়নি। এই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে
জানিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি।
অভিনেত্রী
পূজা ব্যানার্জি জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লেগে যায় তার বাড়িতে। তবে
বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন পূজা ও তার পরিবার।
তবে
একাধিক ভারতীয় প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে।
ইনস্টাগ্রাম
স্টোরিতে পূজা লিখেছেন, একটুর জন্য আজ বেঁচে গেলাম। বাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছিল। ভগবানের
অশেষ কৃপা যে আমাকে আর আমার পরিবারকে এই মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে।
টলিউডের একসময়ের ব্যস্ত
অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি অনেক দিন বড় পর্দা থেকে দূরেই ছিলেন। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি
ছবিতেও কাজ করেছেন পূজা।
মন্তব্য করুন


আগামী ঈদুল ফিতরের আগে ৬টি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন এটিএন
বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান।
১২ আগস্ট শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার ৮ নম্বর ফ্লোরে
এটিএন-বিএফডিএ অ্যাওয়ার্ড ২০২২ চুক্তি স্বাক্ষর ও মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা
দেন ড. মাহফুজুর রহমান।
চলচ্চিত্রের
সম্ভাব্য সুদিনে আসুন মিলনের বন্ধনে এক হই- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে প্রথমবারের
মতো সদস্য ও ওয়েব ফিল্ম পরিচালকদের উৎসাহ দিতে হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র
পরিচালক সমিতি। এ কাজে সংগঠনটি পাশে পেয়েছে এটিএন-কে।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ,মহাসচিব শাহীন সুমন,সাংগঠনিক
সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল,পরিচালক শাহ আলম কিরন, জাকির হোসেন রাজু, মনতাজুর রহমান আকবর,
অভিনয়শিল্পী সোহেল রানা, অরুণা বিশ্বাস, রোজিনা, নিরবসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে
সঞ্চালনা করেন, চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও ইমন।
ড.
মাহফুজুর রহমান বলেন, একটা সময় ছিল যখন ২৪ ঘণ্টা এফডিসিতে লোক সমাগম হতো। সব সময়
শিল্পীদের পদচারণায় মুখর ছিল এই প্রাঙ্গণ। কিন্তু এখন এখানে ভুতুড়ে একটা পরিবেশ। আমরা
এই অবস্থার পরিবর্তন করতে চাই। চলচ্চিত্রের অবস্থা আমরা আগের মতো ফিরিয়ে আনতে চাই।
এজন্য আগামী ঈদুল ফিতরের আগে আমি ৬টি সিনেমা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। পরিচালক সমিতির
সাথে আজ চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এর আগে আমি যতগুলো সিনেমা বানিয়েছি বেশিরভাগ সুপারহিট
হয়েছে। ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘বিদ্রোহ চারিদিকে’, ‘ভালোবাসি তোমাকে’, ‘সাবধান’
তার মধ্যে অন্যতম। এরপর সিনেমায় ধস নামা শুরু হয়। ভালো সিনেমা হওয়ার পরও দেখা যায়
সিনেমা হলে লোক হয় না। তবে গত ঈদে যে কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তাতে বোঝা
যাচ্ছে চলচ্চিত্রের অবস্থা আবার ফিরবে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী
শাহ হুমায়রা সুবাহ চলচ্চিত্রে কাজ করে এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছেন। এবার সুবাহ
পেলেন ‘এস আর নিউজ জয়িতা সম্মাননা ২০২৩’। পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত এ নায়িকা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সবার সঙ্গে পুরস্কার পাওয়ার কথা শেয়ার করেন। প্রশংসা
পেয়েছেন সিনেমাপ্রেমীদের কাছ থেকে।
শাহ
হুমায়রা সুবাহ পোস্টে লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ পুরস্কার পেতে কে না ভালোবাসে। ছোট
হোক, বড় হোক সম্মাননা অনেক সম্মানের। ধন্যবাদ এস আর নিউজ জয়িতা সম্মাননা ২০২৩।
সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য।
মন্তব্য করুন