

বিপ্লব চক্রবর্ত্তী:
প্রতিনিয়তই কেউ না কেউ চলার পথে কিংবা হঠাৎ করেই সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে দুঃচিন্তায় ভুগতে হচ্ছে দিনের পর দিন। দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি দিতেই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সকল হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল (২ ডিসেম্বর ) শনিবার কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম গত দুইবছর আগে অশোকতলার বাসিন্দা নারায়ণ চক্রবর্ত্তীর ছোট ছেলে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি জিডি মূলে উদ্ধার করে হস্তান্তর করেন।
দুই বছর পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
সদ্য স্নাতক পাশকৃত ছাত্র গোবিন্দ চক্রবর্ত্তী বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি ফেরত পেয়ে আমি প্রথমে সৃষ্টিকর্তার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শিক্ষাবস্থায় টিউশনির টাকা জমিয়ে এই মোবাইলটি ক্রয় করেছিলাম। টিউশনি করিয়ে কান্দিরপাড় হয়ে বাসায় এসে দেখি আমার শখের ও কষ্টের জমানো টাকা দিয়ে কিনা মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আমি সাথে সাথে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হারানো জিডি করে আসি।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে এ এস আই মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিনেই অনেক মোবাইল হারানোর জিডি আসে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান স্যার এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমার কাছে আসা প্রতিটা জিডিই গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং প্রতিনিয়ত প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর সাকিনস্থ চাঁন্দপুর ব্রীজ সংলগ্ন মা ভ্যারাইটিজ স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচর থানার তালুকভুবন গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাফী (৩৫), কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমরাতলী গ্রামের মৃত জুলফু মিয়া এর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩২)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে রংপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মো:মিজানুর রহমান মিনু,কুমিল্লা
কুমিল্লায় কিছুতেই যেন কমছে না শীতের তীব্রতা। উত্তরের হিমেল বাতাস আর হার কাঁপানো ঠান্ডায় জনজীবন হয়ে পড়েছে স্থবির।
দুপুর গড়িয়ে গেলও সূর্যের দেখা মিলছে না, এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুরা।
এদিকে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে শীত জনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বয়স্ক রোগির সংখ্যা।
আজ কুমিল্লায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
ইচ্ছাশক্তি প্রবল থাকলে কোনও বাধাই বাধা না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শিউলি রহমান তিন্নী। তিনি বলেন আমি যে এ পর্যায়ে এসেছি, আমার পথটিও যে খুব সুন্দর ছিল তা কিন্তু নয়। আমার পথে ও কাটা ছিল বাধা ছিল। সেটাকে অতিক্রম করে এ পর্যন্ত আসা। সেটা হচ্ছে শুধু মাত্র ইচ্ছা শক্তির কারণে। এটা আমি খুব বেশি বিশ্বাস করি, আমার ভিতরে যদি ইচ্ছা থাকে এগিয়ে যাওয়ার, কোন বাঁধাই বাধা না।
মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর দক্ষিণ চর্থা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লা উপপরিচালকের কার্যালয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির চেক বিতরণ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক কার্যক্রমের প্রচারাভিযান ২০১৭ সালের সংশোধিত আইনের তথ্য বোর্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিউলি রহমান তিন্নী নারী উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে সকল নারীকে এই ম্যসেজটাই দিতে চাই, আমরা পিছিয়ে থাকব না, নিজের ইচ্ছাকে জাগ্রত করি। আমরা অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন দেখলে অবশ্যই সে স্বপ্ন সত্যি হবে। আমাদের দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের নারী। আমরা পিছিয়ে থাকব না। আপনারা এগুলেই আমরা বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে যেতে পারব।
এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক জেসমিন আরা বেগম।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার প্রোগ্রাম অফিসার সেলিনা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মিজানুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন মহিলা কল্যান সংস্থার পরিচালক নাছিমা আক্তার, নবজাগরণ নারী উন্নয়ন সমিতি সভাপতি নারী উদ্যেক্তা শামীমা সুলতানা, মুক্তা কুটির শিল্প সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি মীনা আক্তার, সেবা প্রধান মহিলা সংস্থা সভাপতি জোহরা বেগম।
আলোচনা শেষে কুমিল্লায় নিবন্ধনকৃত ৩৮টি স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির মাঝে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিউলি রহমান তিন্নী।
এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিউলি রহমান তিন্নী ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক জেসমিন আরা বেগম অফিস প্রাঙ্গণে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক কার্যক্রমের প্রচারাভিযান ২০১৭ সালের সংশোধিত আইনের তথ্য বোর্ড উদ্বোধন করেন।
এরপর শিউলি রহমান তিন্নী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কার্যালয়ে অবস্থিত ডিসপ্লে সেন্টার ও প্রদর্শনী কেন্দ্র এবং জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (কম্পিউটার, শুচিশিল্প, বিউটিফিকেশন, ব্লক বাটিক, ডেসমেকিং এন্ড টেইলারিং) পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


সুজন
মজুমদার, বরুড়া:
কুমিল্লায়
২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বরুড়া
থানার এসআই জুলহাস ও মুর্তুজার নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলা বরুড়া উপজেলা গালিমপুর ইউনিয়নের
ঘোষ্পা গ্রামের হাজী বাড়ি শামসুল হক সামু বসত ঘর তল্লাশি করে ২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার
করে। পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে দুই মাদক বিক্রেতারা
পালিয়া যায়। আসমি দুইজন হলো: উপজেলা গালিমপুর ইউনিয়নের ঘোষ্পা গ্রামের মৃত সিরাজুল
ইসলামের ছেলে সামছুল হক সামু ও মৃত হাসেম আলী ছেলে আঃ কুদ্দুস।
এই
বিষয়ে বরুড়া থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, আসামি আটক করার চেষ্টা চলছে। আসা করি অল্প
সময়ে মধ্যে আটক হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা সহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে
আনোয়ার হোসেন (৫২), কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ঘোড়াকান্দা গ্রামের, ০২ নং ওয়ার্ড এর
মোজাম্মেল হক এর ছেলে সুমন মিয়া (২৪), কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের
আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সিহাব হোসেন (১৯)।
গাইবান্ধা
জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায়
তার ছেলে লাজু মিয়া (২২) কে ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে লিবিয়াতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে
বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তার ছেলে লিবিয়ায় মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে যায়।
মানব পাচার চক্রের সদস্যরা তার ছেলেকে আটকে রেখে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবী করে। উক্ত
চক্রের দেশীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে গ্রেফতারকৃত আসামীরা। গ্রেফতারকৃত আসামীরা আবুল
কাশেমকে কুমিল্লায় এসে টাকা দেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। শেষমেষ ভিকটিম আবুল কাশেম ছেলেকে
বাচাবার আশায় উপায়ান্তর না দেখে র্যাব-১১, কুমিল্লা অফিসে এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তে
প্রাপ্ত তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকেলে কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকায় আসামীরা মুক্তিপনের টাকা নিতে আসলে কৌশলে উক্ত
আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা র্যাবের নিকট স্বীকার করে যে,
তারা সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্যমতে
জানা যায়, তারা ও তাদের সহযোগী আরো পলাতক আসামীরা মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন
স্থান হতে ভিকটিম সংগ্রহ করে তাদেরকে লিবিয়া ও ইতালী প্রেরণের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশের
বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আটক রেখে হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের পরিবারের নিকট হতে মোটা অংকের
মুক্তিপণ আদায় করেছে। মানব পাচার ও মুক্তিপণের অবৈধ অর্থ দিয়ে গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী
ও তার ছেলে পলাতক আসামী সাখাওয়াত হোসেন কুমিল্লা, গাজীপুর, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন
জেলায় অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লা সদর গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯১৩৫ পিছ ইয়াবার এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
শনিবার (১৬মে) রাতে জেলার সদর উপজেলার গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ রাকিব হোসেন (২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার গাজীপুর গ্রামের নূর আলম এর ছেলে।
র্যাব সুত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার সদর উপজেলার গাজীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে| উক্ত অভিযানে মোঃ রাকিব হোসেন নামে ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ৯১৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়|
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক সাদমান ইবনে আলম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে| র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়| মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে রবিবার সকালে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার আর্দশ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী গোলাবাড়ি বাজারে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০) বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয় মাদকের বিরুদ্ধে সমাবেশ। এ সময় যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে অবহিত ও মাদক প্রতিরোধে এলাকাবাসী সংহিত প্রকাশ করেন।
সোমবার বিকালে উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী গোলাবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার), ব্যাটালিয়ন (১০) বিজিবির অধিনায়ক মেজর মো: আরাফাত হোসেন অনি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরিজ, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম,(১০) বিজিবি সহকারী পরিচালক পারভেজ শামীম, পাঁচথুবী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: হাসান রফি রাজু, পাঁচথুবী ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বার কাবিরুল ইসলাম সহ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান বলেন, সারা বিশ্বের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ অগ্রগামী দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রায় যুব সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের মেধাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে মাদকমুক্ত যুব সমাজ চাই। মাদকমুক্ত থাকার পাশাপাশি অন্যদের মাদকমুক্ত থাকতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তবেই দেশের উন্নয়ন হবে টেকসই। উপস্থিতি জনতাকে মাদকবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান এবং সবাই মিলে মাদককে না বলুন লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, গোলাবাড়ী এলাকার মাদক ব্যবসায়ী অপরাধী যত বড় হউক না কেনো, আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত করবো। মাদক নিরসনে এই এলাকার প্রতিটি বাসিন্দা যেন ঐক্যবদ্ধ ভাবে পুলিশকে সহযোগিতা করবে। তিনি আরো বলেন ,গোলাবাড়ি এলাকায় প্রতিদিন শত শত মোটর-সাইকেল করে শহরে মাদক পরিবহন করা হয়। আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যহত রয়েছে।
উক্ত সমাবেশে পাঁচশতাধিক লোক অংশগ্রহণ করে মাদকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ও চিকিৎসাধীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সাথে মতবিনিময় করেছেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম।
আজ রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় সমন্বয়ক, আহত ও চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীরা তাদের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবী উপস্থাপন করেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের সকল কথা শুনেছি। সকল দাবীই যৌক্তিক। আমাদের এসব দাবী পূরণের তীব্র ইচ্ছা থাকলেও সক্ষমতা কম রয়েছে। দুটি হলের নাম অফিসিয়ালি পরিবর্তন করতে একটু সময়ের দরকার। আবদুল কাইয়ুমের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের সক্ষমতা সীমিত। কারণ এসব চিকিৎসা অনেক ব্যয় বহুল। তবে আমরা আহতদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার জন্য উপদেষ্টাদের কাছে তা পাঠিয়ে দেবো। সেখান থেকে তাঁরা সাহায্য করবেন বলে আমরা আশাবাদী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সকল দাবী পূরণে চেষ্টা করবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্যাহ।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় বকশিশের টাকা
ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক সহকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে আরেক সহকর্মীকে
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরবেলা
এ রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছাঃ
ফরিদা ইয়াসমিন।
দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি
হলেন- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে মোঃ
রাব্বি হোসেন (২২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়-
২০২৩ সালের ১০ মে বিভিন্ন যানবাহনের মালিক/চালকের কাছ থেকে প্রাপ্ত বকশিসের টাকা ভাগাভাগি
নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মোঃ রাব্বি হোসেন (২২) এর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে মোঃ মারুফ
হোসেন (১৯) কে এলোপাতাড়িভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঘাই মারিলে রক্তাক্ত জখম অবস্থায়
মাটিতে লুটাইয়া পড়ে। তার আত্ম চিৎকার শুনে ফিলিং স্টেশনের স্টাফরা তাঁকে উদ্ধার করে
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের মা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ঘোষগাঁও কাজী বাড়ীর মৃত মোঃ হাফিজুর
রহমানের স্ত্রী মোসাঃ মিনুয়ারা বেগম (৫০) বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা
মামলা দায়ের করলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আহসান হাবীব ২০২৩ সালের ১৩ মে আসামি
মোঃ রাব্বি হোসেনকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করিলে আসামি
রাব্বি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বিধানমতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
তৎপর আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার
বিধানমতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবীব ২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে
অভিযোগপত্র দাখিল করেন (যাহার অভিযোগপত্র নং-৪২২)। তৎপর মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৪ সালের
৪ নভেম্বর আসামি মোঃ রাব্বি হোসেন এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠন করলে রাষ্ট্রপক্ষে
১৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ
অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায়
বালক ও বালিকাদের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা এবং অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
তারুণ্যের
উৎসব -২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বুধবার সকালে কুমিল্লা ইউসুফ হাই স্কুল মাঠে অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বালক-বালিকাদের অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা ও অ্যাথলেটিকস
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল।
ক্রীড়া
পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫ এর আওতায় জেলা ক্রীড়া অফিস, কুমিল্লার
আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লার ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায়
৮০ জন বালক-বালিকা অংশগ্রহণ করেছে।
সমাপনী
ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের
উপপরিচালক মোঃ সামসুজ্জামান।
জেলা
ক্রীড়া অফিসার ও সদস্য সচিব জেলা ক্রীড়া সংস্থা জনাব সুমন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার জনাব রিক্তা বড়ুয়া, কুমিল্লা ইউসুফ
হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র বীর, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির
সদস্য কাজী গোলাম কিবরিয়া।
জেলা
ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান, তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, বালক- বালিকাদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার
জন্য আজকের এ আয়োজন। এ প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিভাবান বালক- বালিকা অ্যাথলেটরা জাতীয়
পর্যায়ে ক্রীড়া পরিদপ্তর আয়োজিত অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। এছাড়া
এ প্রতিযোগিতা হতে বাছাইকৃত প্রতিভাবান ২০
জন বালক ও ২০ জন বালিকা খেলোয়াড়দের নিয়ে জেলা
ক্রীড়া অফিসের
আয়োজনে
অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
এ অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ২১ টি সেশনে
বিভক্ত করে অ্যথলেটিকস প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন