

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ নেতা মো: আব্দুল বাতেনকে (৬০) আটক করেছে র্যাব-২।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের ইস্যু করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো: আব্দুল বাতেন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ জঙ্গি নেতা এবং দাওয়াতি ও অর্থ বিভাগের সক্রিয় সদস্য। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র জঙ্গিবাদী বই প্রচার ও তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করে আসছিলেন। তিনি হিযবুত তাহারীর বাংলাদেশ শাখার আমিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং বিভিন্ন মসজিদে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দাওয়াতি কাজ করতেন। আসামি বাতেন বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে গত পাঁচ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানা ও হাজারীবাগ থানায় একটি করে এবং মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় দুটিসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বন্যার্তদের সহায়তায় জন্য বিএনপি নগদ
আড়াই কোটি টাকাসহ ১০ কোটি টাকার ত্রাণ দিয়েছে বলে জানিয়েছে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য
অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর
নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির ত্রাণ
তহবিলে দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ ব্যাপক সাড়া দিয়েছে। গত ৫ দিনে নগদ আড়াই
কোটি টাকাসহ প্রায় ১০ কোটির ত্রাণ সংগ্রহ করে সরবরাহ করা হয়েছে বন্যাকবলিত এলাকায়।
বন্যার পানি ইতিমধ্যে কমতে শুরু করেছে। ফলে এসব এলাকায় রোগবালাই বেড়ে যাবে। সেজন্য
আমাদের চিকিৎসকগণ এবং বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানিগুলো ওইসব এলাকায় ওষুধ বিতরণের কার্যক্রম
শুরু হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যায় উপদ্রুত মানুষদের সাহায্যার্থে শুকনো খাবার,
শিশুদের কাপড়, মানুষের ব্যবহৃত কাপড়, মোমবাতি, দিয়াশালাই, বিশুদ্ধ পানি দেশের সর্বস্তরের
জনগণ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। রিকশাচালক, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ
সর্বস্তরের মানুষ বিএনপির ত্রাণ তহবিলে সহায়তা দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র রমজান উপলক্ষে অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম
উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।
আজ শনিবার পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা
জানান।
বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস রমজান আজ
আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে;
সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়।
ধনী-গরিব সবার মাঝে
পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগবিলাস,
হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছৃঙ্খলতা ও সংঘাত পরিহার এবং জীবনের সর্বস্তরে পরিমিতিবোধ,
ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। সিয়াম পালনের
পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে
রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক
অনাবিল শান্তি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারো
নেই।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন
পুলিশের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
(অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মব জাস্টিসের ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কাল দেখলাম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হত্যা হয়েছে। তারা তো সবচেয়ে শিক্ষিত, তাদের সচেতনতা আসতে
হবে। একজন অন্যায় করলে তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার
কারও নেই। একজন অন্যায় করলে আইনের হাতে তাকে তুলে দেন। নিরপরাধ লোক যেন কোনো অবস্থায়
হেনস্তা না হয় জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দায়ের করা মামলাগুলোয়
বিপুল সংখ্যক আসামি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, এখন পুলিশ মামলা করছে না, করছে সাধারণ জনগণ। আগে পুলিশ মামলা দিতো,
এই সময়ে কোনো পুলিশ একটা মামলা দিয়েছে? আগে পুলিশ ১০ জনের নাম দিয়ে ১০০ জনের নাম দিতো
অজ্ঞাত। আজ পর্যন্ত কিন্তু পুলিশ (মামলা) দিচ্ছে না। এটা কিন্তু সাধারণ পাবলিকরা দিচ্ছে।
মিডিয়াতেও বলছি, পেপারে দিয়েছি যে সাধারণ লোক যেন হেনস্তা না হয়। তদন্ত ছাড়া কাউকে
এরেস্ট করা হবে না। ডিবিকে আজকেই নির্দেশনা দিয়েছি। পরিচয় তারা নিজেরা দেবে, তারপর
ধরবে। এখানে ধরার কথা শুধু অপরাধীদের সাধারণ মানুষদেরকে তো ধরবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে
পুরোনো রূপে মানবিক পুলিশ হতে উজ্জীবিত করে কীভাবে তাদের পুরোনো গৌরব ফিরে পাওয়া যায়
এবং জনবান্ধব পুলিশ যেন বাস্তবে হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। থানা পর্যায়ে লোকজনকে অনেক
সময় বিভিন্ন কাজের জন্য গিয়ে তাদের যে সমস্যা সেটা সমাধান করতে পারে না, সবসময় সমাধান
সম্ভবও নয়। কিন্তু তারপরেও কীভাবে সমাধান করা যায় এটা বলা হয়েছে। প্রধানত আলোচনা হয়েছে
তাদের যে পুরোনো ফর্মে যেন পুলিশ যতো তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে পারে। তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ
হতে পারে। জনগণের একটা আশা, তারা যেন জনবান্ধব পুলিশ হতে পারে। সবার একটা আশা জনবান্ধব
পুলিশ। ট্রাফিকে যে একটা সমস্যা হচ্ছে, এই ট্রাফিকটা কীভাবে উন্নত করা যায়, চাঁদাবাজি
কীভাবে বন্ধ করা যায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। চাঁদাবাজিটা যদি বন্ধ হয় জিনিসপত্রের দামটা
একটু সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এই চাঁদাবাজি যেন না হয়, প্লাস এই ঘুষ এবং দুর্নীতিতে
আমাদের সমাজটাকে গ্রাস করে নিছে। এটাকে কীভাবে বন্ধ করা যায় এগুলো সম্পর্কে তাদের সঙ্গে
আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভোটের আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশ আসছে কমনওয়েলথের প্রি অ্যাসেসমেন্ট দল । আর এরপরেই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষকও পাঠাতে পারে কমনওয়েলথ।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এ সপ্তাহের শুরুতে কমনওয়েলথের এই চিঠি পেয়ে সিইসি জবাবও দিয়েছেন ।
সংস্থাটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করে। এ নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কমনওয়েলথের একটা প্রি অ্যাসেসমেন্ট টিম পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন তাদের পরিচালক (ইলেকশন মনিটরিং), একটা বার্তাও পাঠানো হয়।
আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমনওয়েলথ ছোট পরিসরের পর্যবেক্ষক দলও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসবে বলে আশা করেন সিইসি।
তিনি বলেন, প্রি অ্যাসেসমেন্ট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনের সময়ও তাদের একটা দল আসবে আশা করছি আমরা।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদন চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।ঢাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনের কাছে আবেদন আহ্বানের বিষয়টি অবহিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সংবাদ মাধ্যমের জন্য আবেদন জানানোর আহ্বান করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
পল্লবীতে মঙ্গলবার (১৯ মে) সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায়
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা
দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার
(২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের
বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরও
পড়ুনবড় বোনের পিছে পিছে বের হওয়াই কাল হলো রামিসারধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু রামিসাকে,
মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন
শিশু
রামিসা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটন প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১৯
মে) রাতে পল্লবী থানায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা
বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন)
এস এন নজরুল ইসলাম।
সংবাদ
সম্মেলনে জানানো হয়, পাশের ফ্ল্যাটের বাথরুমে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়ে থাকতে পারে।
যার আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মরদেহ লুকাতে মাথা কেটে ফেলা হয়। এছাড়াও শরীরের
অন্য অংশগুলোও টুকরা করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার কারণে
সেটি সম্ভব হয়নি।
নৃশংস
এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা
থেকে এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭
নম্বর লেনের বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
কসবা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছররা বন্দুকের গুলিতে
কলেজছা্ত্রসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ বিএসএফের হেফাজতে রয়েছে। মরদেহ
দুটি দেশে ফিরিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তৎপরতা শুরু করেছে।
নিহতরা
হলেন কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর বাতানবাড়ি এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে মো.
মোরছালিন (২০)। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। মারা যাওয়া অপরজন
একই ইউনিয়নের মানিক্য মুড়ি গ্রামের নবীর হোসেন।
শুক্রবার
(০৯ মে) বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে শুক্রবার
রাত সোয়া ১১টার দিকে কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তের ভারত অংশে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে কসবার প্রায় ১৫
বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহযোগিতায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সীমান্ত
পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার এলাকায় প্রবেশ করে।
পরে
ভারত থেকে চোরাই মালামাল নিয়ে ফেরার পথে বিএসএফের ৫৯ ব্যাটালিয়ানের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের
টহল দল তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের ধস্তাধস্তি
ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়।
একপর্যায়ে
বিএসএফ সদস্যরা ছররা বন্দুক থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে কসবা উপজেলার ধজনগর গ্রামের
মো. মুরসালিন (২০) গুরুতর আহত হন। পরে ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু
হয়। আহত অপরজন একই ইউনিয়নের মানিক্য মুড়ি গ্রামের নবীর হোসেনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা
যায়।
বিজিবি
জানায়, আহত দুজনকে ভারতের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে
বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। ঘটনার পর ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক
বিএসএফ কমান্ডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে
কাজ করছেন। একইসঙ্গে বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানো এবং ফ্ল্যাগ মিটিং আয়োজনের প্রক্রিয়া
চলমান রয়েছে।
বিজিবির
৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম বলেন, বিএসএফের
গুলিতে দুজন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। হাসপাতালে ময়নাতদন্ত
শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ
অব্যাহত রয়েছে।
কসবা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, নিহত মুরসালিন
কলেজছাত্র। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয়
ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বিজিবি।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতারকৃত জিহাদ হাওলাদারের ১২ দিনের পুলিশি (সিআইডি) রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত আদালত।
শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরের দিকে জিহাদকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজিএম) বিচারক শুভঙ্কর বিশ্বাসের এজলাসে তোলা হয়।সিআইডির পক্ষ থেকে ১৪ দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। পরে আদালত ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে নৃশংস হত্যার অভিযোগে জিহাদের নামে রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। তাকে ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী ৩৬৪, ৩০২, ২০১ ও ১২০বি -এ চার ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে আর প্রতিটিই জামিন-অযোগ্য ধারা।
চার ধারার মামলাগুলো হলো ৩৬৪-হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ। ৩০২- অপরাধমূলক নরহত্যা। ২০১-তথ্য লোপাট, অর্থাৎ অস্ত্র ও মরদেহ পরিকল্পনা করে সরিয়ে ফেলা। ১২০বি-অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে)।
অর্থাৎ এ ধরনের মামলায় সর্বোচ্চ রায় হিসেবে বিচারক আমৃত্যু যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড দিতে পারেন। রাজ্য পুলিশ জিহাদকে একজন ‘দক্ষ কসাই’ হিসেবে বিচারকের সামনে পেশ করে।
পুলিশের এখন মূল উদ্দেশ্য, মরদেহের অংশ উদ্ধার করা অথবা দেহাংশ সরাতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বা ট্রলি কোথায়, তা জানা। সে কারণে পুলিশ জিহাদের রিমান্ড চায়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বনগাঁও অঞ্চলের গোপাল নগরে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জিহাদ হাওলাদার। তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্ত জিহাদ বাংলাদেশি এবং একজন ‘দক্ষ কসাই’। অবৈধভাবে মুম্বাইয়ে বাস করছিলেন তিনি। জেরায় জানিয়েছেন, তার নাম জিহাদ হাওলাদার, বাবা জয়নাল হাওলাদার খুলনার বাসিন্দা। দুই মাস আগে তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আখতারুজ্জামান শাহীন।
পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতিগত প্রমাণে যে ইঙ্গিত মিলেছে তাতে বোঝা যায়, এমপিকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং তারপরে তার মরদেহকে টুকরো টুকরো করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১২ মে বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগরের মন্ডল পাড়ায় গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে ওঠেন এমপি আনার। এরপর ১৩ মে পৌঁছে যান নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসে। পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, ১৩ তারিখ রাতেই তাকে হত্যা করা হয়। মরদেহ বাক্সবন্দি করে ১৪, ১৫ ও ১৬ মে প্রতিদিন একজন করে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান।
মন্তব্য করুন


অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে। সরকার এ সমস্যা সমাধানের
চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় নিবে। সরকার চেষ্টা করছে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাতে। এ জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি, কয়লা আমদানি করা হচ্ছে। চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণ সভার জন্য প্রায় পাঁচ কোটি টাকা খরচ হবে। ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । ১৪ সেপ্টেম্বর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানে সব শহীদ পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই ও বিদেশি অতিথিরাও আসবেন।
তথ্য উপদেষ্টা বিষয়টি ঠিক করবেন বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আগামী শুক্রবার কক্সবাজারে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করবেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হবে।
চার দিনের সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশ আসবেন।
মন্তব্য করুন