

শিক্ষার্থীদের
মূল্যবান সময় সাশ্রয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
(এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
২০২৭
সালের এসএসসি পরীক্ষা আগামী ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেন।
শিক্ষামন্ত্রী
জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি।
অন্যদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৩ জুলাই। ইতোমধ্যে
পরীক্ষার রুটিন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।
সেশনজট
নিরসন ও সময় সাশ্রয় বিষয়ে ড. মিলন বলেন, বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি
এবং ফল প্রকাশের অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তিনি
আরো বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা থাকলেও
সেশনজটের কারণে তা ২০ বছর পর্যন্ত গড়িয়ে যাচ্ছে। আমরা এই গ্যাপটি (ব্যবধান) কমিয়ে আনতে
চাই। আমাদের টার্গেট হলো ডিসেম্বরকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করা, যাতে জানুয়ারি থেকে
নতুন সেশন শুরু হতে পারে।’
বিদেশে
উচ্চশিক্ষার আবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল সেমিস্টার ধরার সুবিধার্থে
এইচএসসি পরীক্ষা জুন-জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি
বলেন, এছাড়া ফলাফল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করার
বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে
প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের তাগিদ দেওয়া হবে।
কোচিং
সেন্টার বন্ধের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরো কার্যকর করতে
হবে। যখন আমরা পরীক্ষা ও ভর্তির মধ্যবর্তী গ্যাপ কমিয়ে আনব। পাশাপাশি ইন-হাউস টিচিং
শক্তিশালী করব, তখন কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে।’
তিনি
আরো জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থীদের রিডিং হ্যাবিট বা পড়ার
অভ্যাস বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। সংবাদ
সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পর গিরগিটির মতো ভুয়া সমন্বয়ক
তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়ক
মো: সারজিস আলম।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার
দিকে মাদারীপুর পৌরসভার হলরুমে মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের
সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো: সারজিস আলম বলেছেন, এসব
ভুয়া সমন্বয়কদের আলাদা করতে হবে। তাদের মধ্যে সুবিধাবাদী চরিত্রটা পূর্বেও ছিল এখনও
আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এদেরকে আলাদা করা না হলে সমন্বয়কের নাম ভাঙিয়ে আমাদের ইমেজকে
খেয়ে ফেলবে। দেশের অনেকে জেলায় এমনটা হচ্ছে।
ভুয়া সমন্বয়কদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মো:
সারজিস আলম বলেন, ছাত্রদের মধ্যে কেউ যদি ভবিষ্যতে ফ্যাস্টিস হওয়ার চিন্তা করেন কিংবা
ক্ষমতার অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তাদেরকে বহিষ্কার করে আইনের মাধ্যমে ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা কেউ আলাদা হবেন না। সবাই একত্রে থাকবেন।
তা না হলে পরিণতি খারাপের দিকে যাবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
কামরাঙ্গীরচরে মুজিবরের ঘাট এলাকার একটি
বাসার ছাদে ফানুস ওড়ানোর
সময় ৩ জন দগ্ধ
হয়েছেন। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দিনরাত
সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা
ঘটে। তারা হলেন- মো.
সিয়াম (১৬), মো. রাকিব
(১৮) ও মো. রায়হান
(১৬)।
পরে
দগ্ধ অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে
তাদের ৩ জনকে শেখ
হাসিনা জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক ও সার্জারি ইনস্টিটিউটের
জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধ
সিয়ামের বাবা স্বপন জানান,
নতুন বছর উপলক্ষে বাসার
ছাদে ফানুসে আগুন দেওয়ার সময়
ছেলে সিয়াম ও আমার ২
ভাই আগুনে দগ্ধ হয়। বর্তমানে
তিনজন চিকিৎসাধীন।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো: বাচ্চু মিয়া
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, তাদের মধ্যে সিয়ামের শরীরে বেশি অংশ পুড়ে
গেছে ও বাকি ২জনের
শরীরের সামান্য কিছু অংশ পুড়েছে।
তাদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল ২ জুন থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম টিকিট বিক্রির বিষয়টি ঘোষণা করেছেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ জুনকে ঈদের দিন ধরে আগামী ২ জুন আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এবার দুই সময়ে ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে। পশ্চিমাঞ্চলের আসন বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে। আর পূর্বাঞ্চলের আসন বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়। বরাবরের মতো এবারও শতভাগ আসন অনলাইনে বিক্রি করা হবে। ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ৫ দিনের ট্রেনের আসন বিক্রি করা হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের নেয়া কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়, এবার ঢাকা থেকে বহির্গামী ট্রেনের মোট আসনসংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি, যা শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। রোববার থেকে যাত্রা শুরুর ১০ দিন আগের আন্তঃনগর ট্রেনের আসন অগ্রিম হিসেবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় বিক্রি করা হবে।
যেভাবে টিকিট কাটবেন
অনলাইনের চাপ কমাতে এবার দুই শিফটে টিকিট বিক্রি করা হবে। এবার পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে, আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে।
রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই যাত্রীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা শুধু লগইন করেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। পরে ওয়েবসাইটের উপরের দিকে রেজিস্ট্রেশন ট্যাব ক্লিক করতে হবে। এতে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এ পেজে ব্যক্তিগত তথ্যাদি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি চলে আসবে। সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সব তথ্য ঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। এখানে ইউজার অটো লগইন হয়ে যাবে।
টিকিট কেনার পদ্ধতি
প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। অটো লগইন না হয়ে থাকলে প্যানেলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড পূরণ করে লগইন বাটনে ক্লিক করতে হবে। লগইনের পর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন, শ্রেণি পূরণ করে ফাইন্ড টিকিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের নাম, সিট অ্যাভেইলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) ও ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে।
ট্রেন অনুযায়ী ভিউ সিটস বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকাসাপেক্ষে পছন্দের আসন সিলেক্ট করে কন্টিনিউ পারচেজে ক্লিক করতে হবে। ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে। পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলে টিকিটের কপি চলে যাবে। ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট ইনফরমেশন দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
কোন তারিখে ট্রেনের কোন টিকিট
২ জুন দেয়া হবে ১২ জুনের টিকিট, ৩ জুন দেয়া হবে ১৩ জুনের, ৪ জুন ১৪ জুনের, ৫ জুন ১৫ জুনের এবং ৬ জুন ১৬ জুনের টিকিট দেয়া হবে। ফিরতি টিকিট দেয়া হবে ১০ জুন থেকে। ১০ জুন দেয়া হবে ২০ জুনের টিকিট, ১১ জুন ২১ জুনের, ১২ জুন ২২ জুনের, ১৩ জুন ২৩ জুনের এবং ১৪ জুন ২৪ জুনের টিকিট দেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্ট দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি জানিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
জানান, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসের টেলিফোন কল পেয়েছি। বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের
মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের
প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।
এছাড়াও নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের হিন্দু
সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন।
ফোনে ড. ইউনূস নরেন্দ্র মোদিকে জানান,
অন্তর্বর্তী সরকার হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার বিষয়টিকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
কথোপকথনে ড. ইউনূস ও মোদি অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এর আগে ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের
অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে
চিন্তিত। ভারত সর্বদা বাংলাদেশের অগ্রগতির শুভাকাঙ্ক্ষী। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে পরিস্থিতি
শিগগিরই স্বাভাবিক হবে। আমরা চাই হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক।
মন্তব্য করুন


এ বছর বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘গাছ লাগিয়ে যত্ন করি সুস্থ প্রজন্মের দেশ গড়ি’। বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৩ এ ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির বৃক্ষসহ সৌন্দর্য্যবর্ধক বিভিন্ন প্রকার গাছের চারা রোপণ করা হবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৩-এর উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মঈনুল রোড এলাকায় একটি গাছের চারা রোপণ করে ভিডিও টেলি কনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
ঢাকা সেনানিবাসসহ দেশের সকল সেনানিবাস, সকল ডিওএইচএস ও জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে এই চারা রোপণ অভিযান চলছে। এ সময় সেনাসদর ও ঢাকা অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সব সেনানিবাস, স্বর্ণদ্বীপসহ সকল প্রশিক্ষণ এলাকা, ফায়ারিং রেঞ্জ, ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
এ বছর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার ১৭৩টি গাছের চারা রোপণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি
আজ (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে ৪০৩ ব্যাটেল গ্রুপ কর্তৃক
স্থাপিত আর্মি ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি গৌরীপুর আর্মি ক্যাম্পে
কর্তব্যরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের প্রয়োজনীয়
দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় সেনাবাহিনী প্রধানকে ময়মনসিংহের ভালুকা ত্রিশাল
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত করা
হয়। পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম, আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ৮৪১টি পূজা মন্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, থানাসমূহে পুলিশ
সদস্যদের বর্তমান পরিস্থিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও
বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ইতালির
পালেরমো শহরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিনকে (৩৮) ১৪ বছরের
কারাদণ্ড ও ১ লাখ ইউরো জরিমানা করেছে আদালত। তবে রায় ঘোষণার আগেই তিনি দেশত্যাগ করে
বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
অভিযোগ
অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জুন পালেরমোর ভিয়া রিফেরদিকো এলাকার একটি দোকানে মরক্কান বংশোদ্ভূত,
ইতালিতে জন্মগ্রহণকারী ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী
পরিবারকে জানালে তারা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। এরপর দীর্ঘ তদন্ত শুরু হয়।
তদন্ত
শেষে ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি আদালত আলাউদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের কারাদণ্ড
এবং অর্থদণ্ড প্রদান করে। তবে তার আগেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান বলে জানা গেছে।
স্থানীয়
সূত্র ও ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বিচার চলাকালীন সময়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি
ও একটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইউরো সংগ্রহ করেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের
১১ জানুয়ারি তিনি তার বড় ভাইয়ের সহায়তায় বাংলাদেশে পালিয়ে যান।
এদিকে,
এই ঘটনার পর দোকানের সাবেক কর্মচারী সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে হয়রানির অভিযোগ
উঠেছে। তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে এবং তার
বাবাকে দুই দিন আটক রাখা হয়েছে।
ঘটনাটি
প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই এ ধরনের অপরাধে
দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করে অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি
জানিয়েছেন।
তবে
এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত ও খোঁজ অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশে সবাইকে
ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, এই নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব সব মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে
আবদ্ধ করা। গত ০৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের
মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছি। এই নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব সব
মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ করা।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র
বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশের সূচনা
করেছি। এই নতুন দেশে আমাদের দায়িত্ব সব মানুষকে একটি বৃহত্তর পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ
করা। পরিবারে মতভেদ থাকবে, বাকবিতণ্ডা হবে,কিন্তু আমরা কেউ কারও শত্রু হবো না। কাউকে তার মতের জন্য শত্রু মনে করব না। কাউকে ধর্মের
কারণে শত্রু মনে করব না। আমরা সবাই সমান। কেউ কারো ওপরে না এবং কেউ কারো নিচে না এই
ধারণা আমরা জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। বৈষম্যহীন, শোষণহীন, কল্যাণময় এবং মুক্ত
বাতাসের রাষ্ট্রের যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন, আমি তাদের
সেই স্বপ্ন পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা এখন থেকেই বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়তে চাই যেন এই
দেশে জনগণই সত্যিকার অর্থে সব ক্ষমতার উৎস হয়। বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি মানবিকও
কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে সমাদৃত হয়। আমরা সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখব।
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা, বিশ্বাসও সহযোগিতা। জলবায়ু
সংকট মোকাবিলায় এবং বৈশ্বিক শান্তি ও অর্থনীতি সুসংহত করণে আমাদের একত্রে কাজ করতে
হবে। তাই, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
তরুণদের সৃজনশীলতার বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ
করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও যেন
মেধার ভিত্তিতে নিজ নিজ সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশ গঠনে অবদান রাখতে পারে আমাদের
সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে
শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের
আগে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ইউনূসের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিন বাহিনী প্রধান।
মন্তব্য করুন