

ডেস্ক রিপোর্টঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে নতুন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৯৮ জন। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৭ জন এবং শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৮৮০ জনে।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মৃতদের মধ্যে ৪ জন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা, একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা এবং অন্যজন চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৭ জনে।
মন্তব্য করুন


এবারের নির্বাচনকে দেশের জন্য কিছু করার জীবনের শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এ সময় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনুষ্ঠিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যের শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘জাতিকে সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চায় ইসি। সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার বিকল্প নেই।’
জানা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অংশীজনদের পরামর্শ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এবং নারী নেত্রীদের সঙ্গে আজ সংলাপে বসছে ইসি।
সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত আছেন।
এরপর জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও বসবে ইসি। ইতোমধ্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সংলাপে উঠে আসা মতামত তার কমিশন বাস্তবায়ন করবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোটের সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে সংলাপ শুরুর দিন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অর্ধেকেরও বেশি সুশীল ও বুদ্ধিজীবী অংশ নেয়নি।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে, সারা বিশ্বের কাছে এটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর তিনি এক ভাষণে এ কথা বলেন।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫–এ স্বাক্ষর করেন তারা। এর আগে বিকাল চারটা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতে শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত হয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে আগেই জানিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা এখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করবে না।
মন্তব্য করুন


ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের বাসা থেকে আড়াই কোটি টাকা জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
তিনি জানান, সাবেক এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের একটি অনুসন্ধান চলমান ছিল। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা সংস্থা এবং যৌথবাহিনীর সহায়তায় তার ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ওই পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি।
দুদকের হেফাজতে থাকা উদ্ধারকৃত টাকা ও জব্দকৃত আলামত আদালতে উপস্থাপনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে, সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে থাকা অ্যাকাউন্ট এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টও স্থগিত করা হয়েছে।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে। দুদকের গোয়েন্দা সেল গোপন অনুসন্ধান চালিয়ে তার নামে অবৈধ সম্পদের আমলযোগ্য তথ্য পায়।
এর আগে, গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান সাইফুল আলমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ রাফায় পাল্টাপাল্টি গোলাগুলিতে এক ইসরায়েলি সেনা আহতের ঘটনায় গাজায় শক্তিশালী হামলার নির্দেশ দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।
এদিকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডস।
সেইসঙ্গে নিখোঁজ এক জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছে হামাস। এক বিবৃতিতে তাঁরা সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বড়সড় কোনও উস্কানি দেওয়া হলে গাজায় মৃতদেহ উদ্ধারের কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বাকী ১৩ জন জিম্মির মরদেহ উদ্ধার বিলম্বিত হবে।
গাজার চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার উত্তর গাজা শহরের সাবরা পাড়ায় একটি আবাসিক ভবনে চালানো ইসরায়েলি হামলায় ৪ জন নিহত হন। অন্যদিকে দক্ষিণ খান ইউনিসে আরো ৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালের পাশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। গাজার আকাশে ইসরায়েলের বড় ধরনের কার্যক্রম চলছে; সেখানে ড্রোন উড়ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা এই হামলাকে 'বিশাল' বলে জানিয়েছেন। এই হামলা নিরীহ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
এদিকে ইসরায়েলের এই হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখনও টিকে আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স । তিনি বলেন, “তার মানে এই নয় যে এখানে-ওখানে ছোটখাটো সংঘর্ষ হবে না।আমরা জানি গাজায় হামাস বা অন্য কেউ একজন (ইসরায়েলি) সৈন্যর ওপর হামলা করেছে। আমরা আশা করি ইসরায়েল জবাব দেবে, তবুও আমি মনে করি শান্তি স্থিতিশীল থাকবে।”
অন্যদিকে রাফাহতে সংঘটিত ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে হামাস। হামাস এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সর্বশেষ এই হামলাকে যুদ্ধবিরতির “স্পষ্ট লঙ্ঘন” বলে অভিহিত করে আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানিয়েছে এবং বলেছে, তারা চুক্তি মেনে চলছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে টোল পরিশোধের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় ঢাকা-কুয়াকাটা রুটের ব্যাপারী পরিবহনের একটি বাস। এতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
প্রাইভেটকারের ভেতরে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহতদের দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হলেও পথেই আরও চারজনের মৃত্যু হয়। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানি জানান, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সরকারি যত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে সেগুলোর ওপর মূল্যায়ন করতে হবে। কী ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, প্রশিক্ষণের ধরন-মান ইত্যাদির মানদণ্ড নির্ধারণ করে ক্যাটাগরিভিত্তিক প্রতিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে র্যাংকিং করতে হবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে জাতীয় প্রশিক্ষণ কাউন্সিলের নবম সভায় এই কথা বলেন তিনি।
সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ক্যাডার কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছয় মাস থেকে কমিয়ে চার মাস করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন মাস প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে এবং এক মাস মাঠ পর্যায়ে ওরিয়েন্টেশন ও গ্রাম সংযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, কর্মকর্তাদের মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সে ভর্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৪৭ বছর করা হবে। পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নকালে প্রতি বছর তত্ত্বাবধায়কের অগ্রগতিমূলক প্রত্যয়ন মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে, অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বেতন বন্ধ রাখা হবে।
সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি স্বাধীন ইউনিট গঠন করতে হবে। তারা সব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ওপর পদ্ধতিগতভাবে, স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করবে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক দর্শন জানতে হবে। সেগুলো সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না দেখতে হবে। সরকারি কর্মকর্তারা যারা বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন তাদের তথ্য সেখানে থাকবে।
সভায় সঞ্জীবনী প্রশিক্ষণের নাম পরিবর্তন করে ‘দক্ষতা নবায়ন প্রশিক্ষণ’ করার সিদ্ধান্ত হয়। এ প্রশিক্ষণ হালনাগাদকৃত কারিকুলামে মাঠ পর্যায়ে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা আংশিক বৃত্তিপ্রাপ্ত হলেও প্রেষণ অনুমোদন করা যাবে।
কর্মচারীদের সততা ও নৈতিকতা বিকাশ এবং দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব তৈরিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে সদ্গুণ, নৈতিকতা, আচরণবিজ্ঞান ও আচরণবিধি অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।
পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক মূল্যায়ন এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে গবেষণা, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে একটি নির্বাহী কমিটি (ইসিএনটিসি) গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


রোহিঙ্গা পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল সংকটে পরিণত হয়েছে। চীনের পক্ষে একা এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এমনটা জানান তিনি।
‘বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: এগিয়ে যাওয়ার পথ’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে সাবেক রাষ্ট্রদূতদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ফরমার অ্যাম্বাসেডরস (এওএফএ)। এতে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন আলোচনার প্রশ্নোত্তর পর্বে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান বক্তা ইয়াও ওয়েন বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান খুঁজতে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চীনকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়ই অনুরোধ করেছে। রোহিঙ্গার পাইলট প্রত্যাবাসনেও আমরা চেষ্টা করেছি।
তবে বিষয়টি একা চীনের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একা এই সমস্যার সমাধান চীনের সক্ষমতার বাইরে। এটি অত্যন্ত জটিল সংকট। এর সঙ্গে অনেক স্টেকহোল্ডাররা জড়িত। আমরা যখন ২০২৩ সালে প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করেছি, অন্যান্য প্রতিবন্ধকতাগুলো আমাদের প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করেছে। কিছু দেশ ও সংস্থা প্রত্যাবাসন হোক, এটা চায় না।
ইয়াও ওয়েন বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব স্টেকহোল্ডারদের ভূমিকা রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে চীন তার ভূমিকা পালন করবে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চীনের ২৬টি টেক্সটাইল কোম্পানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ওয়্যারহাউজ ফ্যাসিলিটির আওতায় চীনের তুলা আমদানি করবে না ওয়াশিংটন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে হোয়াইট হাউস এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চীনের উইঘুর সংখ্যালঘুদের দিয়ে জোর করে পণ্য তৈরি করায় চীন। ওই সব পণ্য নিজেদের সরবরাহ চেইন থেকে সরাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে চীনের টেলিকম সরঞ্জাম ও বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
সিএনএনের প্রতিবেদেন বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট এনটিটি লিস্টে এবার চীনের ২৬টি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে এসব কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের এ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করবে। ২০২১ সালে উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট এনটিটি লিস্ট পাস করে যুক্তরাষ্ট্র।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে নতুন ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৯৮ জন। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৭ জন এবং শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৮৮০ জনে।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মৃতদের মধ্যে ৪ জন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা, একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা এবং অন্যজন চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৭ জনে।
মন্তব্য করুন


অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘জুলাই গণহত্যার বিচারে আমরা কি প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি এমন অনেক প্রশ্ন আসছে। আমরা বলতে চাই, আমরা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি না। আমরা বিচার করতে চাচ্ছি। কেন বিচার করতে চাচ্ছি? আমরা আগামী প্রজন্মকে ইতিহাসের একটি দায় থেকে মুক্ত করতে চাচ্ছি।’
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপের আয়োজন ‘ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ’ এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। শনিবার শেষ দিনের প্রথম পর্বে ‘গুম-খুন থেকে জুলাই গণহত্যা: বিচারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে সঞ্চালক ছিলেন সাংবাদিক মনির হায়দার।
সংলাপে অংশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বর্তমান সময়ে এসে কেউ জমি দখলে ব্যস্ত, কেউ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত, কেউ পদ-পদবী দখলে ব্যস্ত, কেউ নিজস্ব লোক পুনর্বাসনে ব্যস্ত, কিন্তু খুনিদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য, খুনিদের বিচারের জন্য আমাদের উপর যে পরিমাণ চাপ প্রয়োজন ছিল সেদিকে আপনারা ফোকাস করেন নি।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যত বেশি চাপে রাখবেন, আমরা তত বেশি এই বিষয়টাকে (বিচার) সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দৃঢ় চেষ্ট থাকবো। আপনারা যত বেশি অতন্দ্র প্রহরীর মত দায়িত্ব পালন করবেন, আমরা রাষ্ট্রকে এবং জনগণের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ততবেশি এজেন্ডা ভিত্তিক সাহসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবো।’
দেশে ঐক্যের প্রয়োজন উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘ঐক্য ছাড়া সংস্কার সম্ভব নয়। সংস্কার ছাড়া যৌক্তিক কোন বাংলাদেশ আপনাদের উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। ঐক্য ছাড়া, সংস্কার ছাড়া এই বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে করাটা কঠিন এবং দুরুহ।’
বিচারের চ্যালেঞ্জ বিষয়ে আলোচনা কম হওয়ায় কিছুটা হতাশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিলো চ্যালেঞ্জের জায়গাটা কি সেটা আমাদের বলবেন। আমরা সেটায় যেন যৌক্তিক সমাধানের জায়গায় যেতে পারি, সেটা সুনির্দিষ্টভাবে আমরা পাইনি।’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে চ্যালেঞ্জের প্রধান জায়গাটা হলো, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে যে চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে আমরা রাস্তায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিলাম, সেই লক্ষ্য, সেই ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা, সেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত মিলিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করার যে ঐক্য, সেই ঐক্যটাতে যে ফাটল ধরেছে, সেই ফাটলটাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।’
বিভিন্ন মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পার্সোনাল গ্রাস এক্সপোজ করার জন্য মামলা দিয়েছেন, আসামির খাতায় নাম দিয়েছেন, এই মামলাগুলোর পরিণতি কি হবে এবং এটার সাথে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের যে মামলা তার কোনো কনফ্লিক্ট হবে কি-না প্রশ্ন এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের আইনিভাবে, স্পষ্টভাবে বলতে চাই, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, সেই ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৯৭৩ এর ১৯ নম্বর আইন। সে আইনে মানবতাবিরোধী আইনের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা, নির্যাতন, গুমসহ অনেকগুলো অপরাধের কথা বলা হয়েছে, যে অপরাধগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সিভিলিয়ান পপুলেশনের উপর ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তার বিচার হবে। সেটি একটা দুইটা স্পেসিফিক ঘটনার দরকার নেই। ইন জেনারেল সেটার বিচার হবে। ঐ আইনেই বলা আছে, ডমেস্টিক অন্যান্য আইনে যাই বলা থাকুক না কেন, ঐটার বিচার ওখানে হবে। অর্ডিনারি গুমের বিচার, খুনের বিচার, নির্যাতনের বিচার, নিপীড়নের বিচার, এইগুলো অর্ডিনারি কোর্টে হতে কোন বাধা নেই এবং সেটাও চলবে।’
মন্তব্য করুন