

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এখন সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠক ঘন ঘন হয়। ক্রয় কমিটির মিটিং করে অত্যাবশ্যকীয় জিনিস বা জরুরি বিষয় দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সরকার মোটামুটি কর্মব্যস্ত এটা তার একটা প্রমাণ। এত ঘন ঘন মিটিং আমি আগে দেখিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজারে আলুর দাম বেড়েছে, তবে অন্য কিছু পণ্যের দাম কমেছে। দাম বাড়ানোর বিষয়টি সবাই বলে, কিন্তু দাম কমানোর বিষয়ে অনেকেই কথা বলে না। বাজারের পরিস্থিতি এমন যে, এক পণ্যের দাম বাড়বে, অন্যটির দাম কমবে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি বলেন, দ্রুত প্রসেস করে যে পণ্যগুলো কিনতে হবে, সেগুলো অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। আজকে বিভিন্ন ধরনের সার, এলএনজি, মসুর ডাল এবং সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা আরো বলেন, কিছু মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে, যা গতকাল বাণিজ্য উপদেষ্টা পরিষ্কার করেছেন। ৩০-৪০ বছরে সয়াবিন তেলের দাম এতটা বেড়েছে, যা আগে কখনো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যবই মুদ্রণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেনারেল এডুকেশন ও মাদরাসার বইয়ের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করা হয়েছে। জানুয়ারির মধ্যে এসব বই মুদ্রণ করা হবে, তবে সব বই জানুয়ারির মধ্যে প্রস্তুত হবে না।
শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারি পাঠ্যবই পাবে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আজ যেগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর জন্য কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রেসগুলো খুব ব্যস্ত রয়েছে এবং তারা চেষ্টা করছে দ্রুত কাজ শেষ করতে।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাজারে আমাদের পদক্ষেপের কিছু প্রভাব অবশ্যই পড়ছে, তবে আপনি শুধু আলুর দাম বাড়ছে বলছেন, কিন্তু অন্যান্য পণ্যের দাম সাশ্রয়ী হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে এক হাজার টাকা নিয়ে গেলে কিছু পণ্যের দাম বেশি হবে, আবার কিছু পণ্যের দাম কম হবে। সব পণ্যের দাম কমানো খুবই কঠিন।
মন্তব্য করুন


গত বছরে (২০২৪ সালে) বাংলাদেশে মোট ৬,৩৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮,৫৪৩ জন নিহত এবং ১২,৬০৮ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। সংগঠনটি প্রতিবছরের মতো গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত ১০ বছরে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ১৫ লাখ থেকে বেড়ে ৬০ লাখে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং ছোট যানবাহন রাস্তায় প্রবাহিত হচ্ছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব যানবাহন অবাধে চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির হার ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনার কিছু কারণ তুলে ধরেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো বেপরোয়া গতি ও বিপদজনক ওভারটেকিং, সড়কের নির্মাণ ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা। এছাড়া পরিবহন মালিকদের বেপরোয়া মনোভাব, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে গাড়ি চালানো, অরক্ষিত রেলক্রসিং এবং রোড ডিভাইডারের পর্যাপ্ত উচ্চতা না থাকা এর অন্যতম কারণ।
এই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, মানুষের জীবন রক্ষায় সরকারের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়া, দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করা, সড়ক নিরাপত্তায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক নিরাপত্তা উইং চালু করা।
এছাড়া সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে এরই মধ্যে প্রণীত সুপারিশমালার বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। দেশে সড়ক-মহাসড়কে রোড সাইন, রোড মার্কিং (ট্রাফিক চিহ্ন) স্থাপন, জেব্রা ক্রসিং আঁকা ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণপরিবহন চালকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা, সড়ক পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করার পাশাপাশি গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতি আধুনিকায়ন করার সুপারিশও করা হয়েছে।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক সহায়তার জন্য তহবিলের আবেদন সময়সীমা ৬ মাস বৃদ্ধি করা, স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানসম্মত নতুন বাস সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, পরিবহন সেক্টরে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না। এসব দুর্ঘটনা কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড, এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকার, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমাজ উন্নয়ন কর্মী আবদুল্লাহ আল জহির স্বপন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্য মো. জিয়াউল হক চৌধুরী প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হারিয়ে গেলে এখন থেকে আর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে না। নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে জিডি করার এই বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এতে নাগরিকদের ভোগান্তি আরো কমবে বলে প্রত্যাশা করছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এ ছাড়া এনআইডি সেবা কিভাবে আরো সহজ করা যায়, তা নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
গত এক বছরে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে ঝুলে থাকা প্রায় সাড়ে ৯ লাখ এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে আয়োজিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, কোস্ট গার্ড অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো ব্যক্তি, দল বা রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে জড়িত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দুর্নীতিকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘দুর্নীতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের আস্থা ধ্বংস করে।’
তিনি জানান, অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ জন সদস্যসহ সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যে ১০০টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


স্মার্ট লাইসেন্সিং অ্যাপ চালু করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার (৮ মে) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এ অ্যাপ উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামকে দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার উদ্বোধন করা হয় স্মার্ট লাইসেন্সিং পোর্টাল। এ পোর্টালের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে যেসব লাইসেন্স প্রদান করা হয় সেগুলো আরও সহজে এবং কম সময়ে পাওয়া যাবে। ঘরে বসেই লাইসেন্স আবেদন, নবায়ন ও বিভিন্ন ধরনের ফি দিতে পারবেন সেবাগ্রহীতারা।
এছাড়া লাইসেন্স গ্রহীতারা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে এবং পরে সরাসরি এসএমএসের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাবেন। ফলে সেবাগ্রহীতার ভোগান্তি হবে কম এবং দালালদের দৌরাত্ম্য কমবে। এছাড়া গ্রাহক নিজেই নিজের লাইসেন্সের কপি অনলাইন থেকে প্রিন্ট দিয়ে নিতে পারবেন।
মতবিনিময় সভায় স্মার্ট চট্টগ্রাম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১-কে সামনে রেখে চট্টগ্রামকে দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে স্মার্ট চট্টগ্রাম বাস্তবায়ন সেল গঠন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ফোকাল পারসন নিযুক্তি, ওয়াবসাইটে স্মার্ট চট্টগ্রাম ডেডিকেটেড কর্নার সংযোজন, স্মার্ট চট্টগ্রাম বেস্ট আইডিয়া অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা, আইডিয়াসমূহের উপর বুটক্যাম্প আয়োজন, আইডিয়া শোকেসিং ও স্মার্ট বাংলাদেশ উৎসব আয়োজন, বিশেষজ্ঞ প্যানেল তৈরি, স্মার্ট চট্টগ্রাম ২০৪১ এর রোডম্যাপ তৈরি অন্যতম।
মন্তব্য করুন


আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিজের কাজে ফিরে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বর্ষসেরা দেশ নির্বাচন করেছে ‘দ্য ইকোনমিস্ট’। ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক এই গণমাধ্যম। এই উপলক্ষে সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়।
নির্বাচন আয়োজনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আসলে আমার চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমাকে জোর করে এ কাজে আনা হয়েছে। আমি আমার পূর্বের কাজ উপভোগ করছিলাম, তাই প্যারিসে ছিলাম। সেখান থেকে অন্য কিছু করার জন্য আমাকে টেনে আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার নিয়মিত কাজে ফিরে যেতে পারলে খুশি হব। যা আমি সারা জীবন ধরে করেছি এবং তরুণরা এটিকে ভালোবাসে। সুতরাং আমি আমার সেই দলে বা কার্যক্রমে ফিরে যাব, যা আমি সারা বিশ্বে তৈরি করেছি।
নির্বাচনের পর নিজের কাজে ফিরে যাব : প্রধান উপদেষ্টা ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন / সমবায়ী শিক্ষা প্রবর্তনের প্রস্তাব ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকারে বর্তমান বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও কথা হয়। জঙ্গিবাদের ঝুঁকি সংক্রান্ত এক প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না; এটি আমি আশ্বস্ত করছি। তরুণরা ধর্ম নিয়ে নিরপেক্ষ। তারা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চায়। এই তরুণরা পুরো বিশ্ব পরিবর্তন করতে পারে। এটি শুধু এক দেশ বা আরেকটি দেশ পরিবর্তনের বিষয় নয়। বাংলাদেশ যা করেছে তা একটি উদাহরণ, যে তরুণরা কত শক্তিশালী। আমাদের উচিত তাদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া, বিশেষ করে তরুণীদের ওপর। তারা বাংলাদেশের অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের উচিত তরুণ-তরুণীদের ওপর মনোযোগ দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। তাদের সুযোগ এসেছে এবং সক্ষমতা রয়েছে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তিন তরুণ আমার ক্যাবিনেটে আছেন। তারা দুর্দান্ত কাজ করছে এবং সক্ষম। এই তরুণরা গত শতাব্দীর তরুণ নয়; তারা এই শতাব্দীর তরুণ। তারা অন্যান্যদের মতোই সক্ষম।
প্রসঙ্গত, বর্ষসেরা দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ঘোষণার কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ বলেছে, সেরা দেশ বেছে নেওয়া হয় আগের ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে এমন দেশকে। তারা আরও উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশে সবচেয়ে ধনী, সুখী বা নৈতিকভাবে শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে বিবেচিত না হলেও, তা নির্বাচিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য উন্নতির ভিত্তিতে।
এবারের সেরা দেশ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত তালিকায় ছিল পাঁচটি দেশ। বাংলাদেশ ছাড়াও সিরিয়া, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পোল্যান্ড ছিল এই তালিকায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকেই বেছে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সম্পর্কে ‘ইকোনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দেশের সাম্প্রতিক বিজয় দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখানে ছাত্রদের নেতৃত্বে একটি স্বৈরশাসককে উৎখাত করা হয়েছে। আগস্টে ছাত্ররা রাজপথে আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে, যিনি ১৫ বছর ধরে দেশটি শাসন করছিলেন। এর আগে তিনি এক সময় দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তার শাসনামলে দমনপীড়ন, নির্বাচন কারচুপি এবং বিরোধীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল।
প্রতিবেদনটি আরও বলেছে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের সময় সাধারণত সহিংসতার ঘটনা ঘটে। তবে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সেখানে একটি অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেটি ছাত্র, সেনাবাহিনী, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের সমর্থন পেয়েছে। এই সরকার শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করেছে। ২০২৫ সালে এই সরকারকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, এটি নিশ্চিত করতে হবে যে দেশের আদালত নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে এবং বিরোধী দলগুলোকে সংগঠিত হওয়ার সময় দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে বাস্তবায়ন কঠিন হবে, কিন্তু তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন


কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির মুখে সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে কর্মচারীরা স্মারকলিপি দিতে গেলে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
সম্প্রতি সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর থেকেই এটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবারও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অধ্যাদেশকে কালো আইন উল্লেখ করে তারা এটি বাতিলে স্লোগান দেন। এসময় অধ্যাদেশটি জারির আগেও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কর্মপরিবেশের কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি মন্তব্য করে ঐক্য ফোরাম নেতারা বলেন, এই আইনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।
আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা না থাকায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তারা জানান, কর্মচারীদের সঙ্গে এ ধরনের বিমাতাসুলভ আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এসময় ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন ঐক্য ফোরামের কো চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম এবং বাদিউল কবীর।
পরে অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা জানায়, অধ্যাদেশটির সার্বিক দিক পরিচালনার জন্য সচিবদের একটি কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


সীমান্ত হত্যা কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তিনি বলেন, যারা ভারতীয় সীমান্তে অনুপ্রবেশ করেন, তাদের নিয়ম মেনে গ্রেফতার করে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এ পদ্ধতি কতদিন চলবে?
শনিবার (১ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার বিজিবি ব্যাটালিয়নের প্রশিক্ষণ মাঠে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উখিয়া ব্যাটালিয়নসহ (৬৪ বিজিবি) চারটি ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে সীমান্ত হত্যাসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত হত্যা নিয়ে আলোচনা ছিল সম্মেলনের শীর্ষ এজেন্ডায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যা থেকে বিএসএফ সদর দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব স্থানে বিজিবির পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনের পর এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। সীমান্ত রেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি। তবে জোরালো প্রতিবাদ জানানোর পর আমরা কিছু ছবি পেয়েছি। সেখানে দেখা গেছে, ১৫-২০ জনের একটি দল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। বিএসএফ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত হয়।
বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, সংঘাতের সময় বিএসএফ রাবার বুলেট ব্যবহার করে। এতে ওই যুবকের পেটে গুলি লাগে। দুর্বল স্থানে রাবার বুলেটও প্রাণঘাতী হতে পারে। আহত যুবককে বিএসএফ হাসপাতালে নিয়ে অপারেশন করিয়েছিল, কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
তিনি পরিষ্কার বার্তা দিয়ে বলেন, আমরা বলেছি, সীমান্ত হত্যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি আমরা এটা মেনে নেই, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ম মেনে গ্রেফতার করে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া কতদিন চলবে?
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অন্য কোনো কারণেই হত্যা কোনো সমাধান হতে পারে না। যদি আরও কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটে, আমরা আরও কঠোর পদক্ষেপ নেব। এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করতে চাই।
তিনি বলেন, আমাদের চেষ্টা অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা। বিজিবি, প্রশাসন এবং স্থানীয়রা এ ব্যাপারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তারপরও কিছু ব্যক্তি সীমান্ত অতিক্রম করতে চেষ্টা করে। আমরা দুইভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাব: বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা এবং মানবাধিকার সংগঠনের মাধ্যমে। তৃতীয়ত, কেউ যেন সীমান্ত অতিক্রম না করে, সেদিকেও নজর রাখা হবে।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আরও বলেন, এ ঘটনায় একজন বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত বিএসএফ সদস্যের রক্তাক্ত অবস্থার ছবিও আমরা পেয়েছি। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রমাণ চাওয়া হচ্ছে যে, ঘটনাটি সত্যিই ওই স্থানে ঘটেছে কি না।
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি আছে কি না জানতে চাইলে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, মিয়ানমার সীমান্তে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। যদি কোনো ঝুঁকি থাকে, আমরা বিজিবি সদা প্রস্তুত রয়েছি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারত নসিহত করছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ভারতের এই অযাচিত নসিহত অগ্রহণযোগ্য। আমরা বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এর জন্য প্রতিবেশীদের থেকে কোনো নসিহত গ্রহণের প্রয়োজন নেই।
বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে বসে আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য দিতেন। এখন তিনি সংবাদমাধ্যমেও বক্তব্য দিচ্ছেন। তার বক্তব্যে যথেষ্ট উসকানি আছে।
আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে তিনি পাশের দেশে বসে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করবেন—এটাতে তো আমরা আপত্তি জানাবই। আমরা তো তাকে ফেরত চাইবই। কিন্তু ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না। তার বক্তব্য বন্ধ করছে না। উল্টো সর্বশেষ তারা কিছু নসিহত করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কেমন হবে এটা নিয়ে আমরা প্রতিবেশীদের উপদেশ চাই না। এই সরকার অত্যন্ত ভালো পরিবেশে একটি নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, যা গত ১৫ বছর ছিল না। এখন ভারত এটা নিয়ে আমাদের উপদেশ দিচ্ছে, এটাকে আমি অগ্রহণযোগ্য মনে করি। কারণ গত প্রহসনের নির্বাচনগুলোতে তারা কোনো শব্দ করেনি।
এখন আমরা যখন একটি ভালো নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি, তখন তারা নসিহত করছে। এটা অগ্রহণযোগ্য।
সম্প্রতি ভারতের সেভেন সিস্টারস নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর মন্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ কোনো সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। আমরা কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদীকে আমাদের ভূমিতে আমরা আশ্রয় দেব না। একজন রাজনৈতিক নেতা বলতে পারেন। কিন্তু এদেশের কোনো সরকারই এটাকে সমর্থন করবে না।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নরেন্দ্র মোদির মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ভারত সব সময় মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের ভূমিকাকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
মন্তব্য করুন


সদ্যঃ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন সব পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান তিনি।
প্রেসসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন ও নিরাপত্তার প্রস্তুতি কিভাবে হবে, সেটি নিয়ে সভা হয়েছে। বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ সংসদ ভবনে আনা হবে। আনার সময় পুরো রাস্তার দুই পাশে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আনা হবে মরদেহ। জানাজা, দাফন সব পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা, বিএনপি নেতাসহ কূটনীতিকরা থাকবেন। সংসদ, বাংলাদেশের দূতাবাস, বিএনপির পার্টি অফিসে শোক বই খোলা হবে। জানাজা, দাফন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। ১০ হাজারের বেশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য থাকবেন। কিছু জায়গায় সেনাবাহিনী থাকবে।’
মন্তব্য করুন


দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) একযোগে বদলি করেছে সরকার। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হয়ে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন; অন্যথায় তিনি ৩০ নভেম্বর বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তার দপ্তর/ কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় ১৬৬ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তার আগে দুপুরে একযোগে ৬৪ জেলার এসপি পরিবর্তন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন