

ট্রলি ব্যাগে করে গাঁজা পরিবহনকালে ১৩ কেজি গাঁজাসহ একলাস মীর (৪২) নামে ১ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ট্রলি ব্যাগে করে অভিনব কায়দায় গাঁজা পরিবহন করা হচ্ছিল। এ সময় ১৩ কেজি গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত একলাস মীর ১ জন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেফতারকৃত একলাস মীরের বিরুদ্ধে ১টি মাদক মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


‘তোমাদের আরিফ ভাইয়া’ মিরপুরের কিশোর গ্যাং এর এই গ্রুপের প্রধান মো. আরিফ মিয়া (২৩) সহ তার সহযোগী ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।
২৫ সেপ্টেম্বর সোমবার মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন তাদের গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃত আরও ৩ সদস্য হলো: মো. আলম (১৯), মো. রমজান (১৯) এবং হৃদয় (২০)।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন,গতকাল ২৪ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে মিরপুর জার্মান টেকনিক্যালের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আরিফ মিরপুরের চিহ্নিত কিশোর গ্যাং প্রধান এবং তার দলের নাম ‘তোমাদের আরিফ ভাইয়া’। দলবল নিয়ে বিভিন্ন স্থানে মারামারি করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করাই তাদের কাজ। ১০-১২ জন সদস্য রয়েছে তার গ্রুপে। তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে মেসেজের মাধ্যমে। গ্রুপের কোন সদস্য কোথাও আক্রান্ত হলে বাকিরা ছুরি, লাঠি নিয়ে হামলা করেন সেখানে । এই গ্যাং পরিচালনা করেন আরিফ নিজেই। গ্যাংয়ের প্রধান হিসেবে তিনি নিজে গলায় ‘তোমাদের আরিফ ভাইয়া’ নামে ট্যাটুও করেছেন। গতকাল রাতে তারা ছুরি, চাকু সঙ্গে দলবল নিয়ে আরেকজনকে মারতে যাচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুর মডেল থানার জার্মান ট্যাকনিক্যালের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে তিনটি চাকু উদ্ধার করা হয় বলে জানান মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান
যুদ্ধ ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এখানে কোন ধরনের
সমস্যা নেই। কৃষকরা ভালোভাবে ধান কাটতে পারবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে বিরল উপজেলার মোকলেছপুর ইউনিয়নের ঢেলপীর ব্লকে বোরো ব্রি
ধান-৮৮ কাটার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
কৃষি
উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যখন আমাদের সাড়ে ৭ কোটি
মানুষ ছিল; সেই সময়ে কৃষিজমির সংখ্যা বেশি ছিল। কিন্তু এখন লোকসংখ্যা ১৮ কোটি, ফলে
কৃষি জমি কমে গেছে। উন্নত জাত এবং কৃষকদের কঠোর ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের কারনে
ধানের উৎপাদন ভালো।
কৃষি
জমির ব্যাপারে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, নতুনভাবে আইন করা হবে। ভূমি ব্যবহার নীতিমালা, কৃষি
জমি সুরক্ষা আইন নতুনভাবে করার চিন্তা-ভাবনা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই তা করা হবে। ভাটা
যেন না চলে; সেজন্য আমরা নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করছি।
এ
সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) তরিকুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার
শহীদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ
আলীসহ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে ৯৮ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
০৩ সেপ্টেম্বর রোববার বেলা ১১টায় উপজেলার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোল প্লাজার সামনে থেকে আটক করা হয় তাদের।
আটককৃতরা হলো: হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী (আলা বক্সপুর) এলাকার মো. সেলিম মিয়ার ছেলে মো. মাজহারুল ইসলাম ইমন (২৩), একই উপজেলার আহম্মদপুর (গন্ধবপুর) এলাকার শাহানুর রহমানের ছেলে মো. মশিউর আলম (২২), আহম্মদপুর (গন্ধবপুর) এলাকার আব্দুল আহাদের ছেলে স্বপন মিয়া (২৭) ও খরশপুর (সোয়াবই) এলাকার জোনাব আলীর ছেলে মো. মাজহারুল ইসলাম রাব্বি (২০)।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহাম্মেদ জানান, রোববার সকালে উপজেলার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোল প্লাজার সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে টোল প্লাজার সামনে থেকে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয় তাদের। পরে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল তল্লাশি করে ৯৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাগর উত্তাল ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র প্রভাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র শক্তি।
ফলে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস জানিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
এটি দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
মন্তব্য করুন


বিয়ের ওপর আরোপিত
ট্যাক্স বাতিল এবং কাবিননামায় ‘কুমারী’ শব্দ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন,
বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি)
বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ
নজরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা কিছু শব্দ নিয়ে অনেক আপত্তি শুনেছি, বিয়ের কাবিননামায়
এখন থেকে শুধু অবিবাহিত শব্দ থাকবে। এছাড়া বিয়ের ক্ষেত্রে ট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও মেলেনি নিখোঁজ ৫ জনের সন্ধান। তাদের উদ্ধারে চলমান রয়েছে ফায়ার সার্ভিস, বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ ও নৌ পুলিশের অভিযান।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ) নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক ওবায়দুল করিম খান জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান মিলেছে। সেটি চেইনের মাধ্যমে ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, এই ঘটনায় এখনো ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে দুজন শিশু ও তিনজন নারী। দুর্ঘটনার পর গতকাল (শনিবার) রাত ১২টা পর্যন্ত ৮ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। রাতে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয় বৃষ্টির কারণে। ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আবারও উদ্ধার অভিযানে নামেন।
দুর্ঘটনার পর পর উদ্ধারাভিযানের তদারকি করছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আউয়ালসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
শনিবার (৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যায় একটি পিকনিকের ট্রলার।
এ দুর্ঘটনায় ৩৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন পাঁচজন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বরুড়া থানাধীন চাঞ্চল্যকর আব্দুস সাত্তার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৫ আসামীকে কুমিল্লা
জেলাধীন দাউদকান্দি এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ও র্যাব-০২,
সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর যৌথ আভিযানিক দল।
গত
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন জালগাঁও গ্রামের ভিকটিম আব্দুস
সাত্তার (৫৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে
এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় যে, কুমিল্লা
জেলার বরুড়া থানার জালগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুস সাত্তার (৫৫) এর সাথে গ্রেফতারকৃত
আসামীদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতে থাকে। এরই জের ধরে গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ
ভিকটিম তার নিজ জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে গ্রেফতারকৃত আসামীরা ও সাথে থাকা অন্য পলাতক
আসামীরা লাঠিশোঠা দিয়ে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করে। এর ফলে
ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় অন্যান্য আসামীরা তাদের সাথে থাকা লাঠি দিয়ে ভিকটিমকে
এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে আহত করে। ভিকটিম বাঁচার আশায় সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়
নিকটবর্তী একটি কচু ক্ষেতের জলার মধ্যে উপস্থিত হলে গ্রেফতারকৃত আসামী ইমন, রাজ্জাক
ও আজাদ তাদের সাথে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ভিকটিমের বাম পা ভেঙে দেয় এবং চাকু দিয়ে আঘাত করে
ভিকটিমের দুই পায়ের হাটুর নিচে ছিদ্র করে ফেলে। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত জেনে আসামীরা
দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী সহ অন্যান্য লোকজন ভিকটিমকে
ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে সিএনজি যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী রোশন আরা বেগম (৪০) বাদী হয়ে
কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত
ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে
র্যাব-১১, কুমিল্লা ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা মাঠ পর্যায়ে ছায়াতদন্ত
শুরু করে। ছায়া তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা
ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮/০৯/২০২৩ ইং তারিখ
সকালে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার টোল প্লাজা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে এই হত্যা মামলার ০৪ নং আসামী ইমন @ রিমন (২০), পিতা-মোঃ বাবুল, ০৬
নং আসামী আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), পিতা-মৃত আবুল হাসেম, ০৭ নং আসামী সেকান্দার আলী (৬০),
পিতা-মৃত কলিম উদ্দিন, ০৮ নং আসামী জয়নাল (৪৬), পিতা-মৃত আব্দুল গনি ও ০৯ নং আসামী
আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল গনি, সর্ব সাং- জালগাঁও, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা’কে
গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বুধবার ২৯ মে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ ।
এ দিনটি উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য
মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস- ২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত
জানাই।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায়
বাংলাদেশ সোচ্চার ও জোরালো ভূমিকা পালন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে
শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। অর্পিত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা,
দক্ষতা ও মানবিক আচরণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখেছে। আগামী দিনগুলোতেও আমাদের শান্তিরক্ষীরা সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে
দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার এই ধারা অব্যাহত
রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি একইসাথে এ দিনটি উপলক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ
ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সব শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারী
বীর শান্তিরক্ষী সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এ আদর্শে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের
সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আনুগত্য, সাহসিকতা এবং অসামান্য অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা
একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানও নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
যাত্রাবাড়ি এলাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ,
কবি নজরুল কলেজ এবং ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থীর মধ্যে হামলা, মারধর ও
সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেন,
‘ভাঙচুরসহ হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং
আগামীতে এ ধরনের ঘটনাকে কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না। সংঘর্ষ এড়াতে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কোনোভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ না হয়,
সেজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করে যাচ্ছিল। কিন্তু কোনোভাবেই সংঘর্ষ এড়ানো
যায়নি।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি
এসব কথা বলেন।
এ
সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, সামাজিকমাধ্যমে
বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা দেখেছি,
তিনজন নিহত হওয়ার একটি খবর রটেছিল। তবে এখন পর্যন্ত কারও নিহত হওয়ার কোনো
সংবাদ আমরা পাইনি। নানা মাধ্যমে চেষ্টা করেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠিত কোনো
গণমাধ্যমেও এ ধরনের খবর আমরা পাইনি।
তিনি
বলেন, তবে
অনেকেই আহত হয়েছেন, হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন। এটি আমরা জানতে পেরেছি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে তিনি
উল্লেখ করেন।
উপদেষ্টা
বলেন, আমরা
বারবার আহ্বান জানাচ্ছি ছাত্ররা যেন কোনো প্রকার উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য সহকারে
তাদের যেকোন সমস্যা কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে পারে। কিংবা প্রয়োজন হলে
সরকারও এর মধ্যে অংশীভূত হতে পারে।
মাহবুবুর রহমান কলেজের হামলার ঘটনা নিয়ে কাজ করার সময় জানতে পারলাম যে ৬ দিন
আগ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সঠিক
চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে এই ঘটনা শুরু হয়,
অভিযোগ ছিল ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে। কিন্তু এখানে সোরহাওয়ার্দী কলেজ
কীভাবে এলো সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এক
প্রশ্নের উত্তরে আসিফ মাহমুদ বলেন,
বিগত দিনগুলোতে পুলিশ যেকোন সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য রাবার বুলেট বা গুলি ছুড়তো।
এটা কোনো আন্তর্জাতিক প্রাকটিস না। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
অপর
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,
কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এ বিষয়ে অনেক ধরনের
তথ্য আসছে। জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানাতে পারবো কারা এর
পেছনে জড়িত আছে।
দেশে অস্থিরতা তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে যড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকার সফলভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাক, এটা তো অনেকে চাচ্ছে না, বিশেষ করে বিগত দিনের ফ্যাসিস্ট সরকার নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, সরকারের
কার্যক্রম নস্যাত করতে এবং সারাদেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
এসব করা হচ্ছে।’ তবে
যারা দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে এসব করছে তাদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে
বলে তিনি জানান।
পরিকল্পিত
যড়যন্ত্র ও অপপ্রচার রুখে দিতে বিল্পবী চেতনার রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণের কাছে
আহবান থাকবে যেহেতু আমরা একটা অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে আছি। সকলের ভেতরে
বিপ্লবী চেতনা আছে, উত্তেজনা
আছে সেটা যেন আমরা ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করি।'
তিনি
আরো বলেন, 'আমরা
সচেতনতা সবদিক থেকে তৈরি করি এবং রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এখানে অনেক
ভূমিকা নেওয়ার আছে। গণঅভ্যুত্থানে যেমন আমাদের মধ্যে ঐক্য ছিল- আমরা মনে করি
বর্তমান পরিস্থিতিতেও সকলের ঐক্যের ভিত্তিতে এসব রুখে দিতে হবে। মিথ্যা
প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে রাজধানীতে জড়ো করা
হয়েছিল। যে সংগঠনের ব্যানারে সাধারণ মানুষ ঢাকায় আনা হয়েছিল, সেই সংগঠনের
প্রধানকে পুলিশ ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির
সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন,প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি মূল তিনটি বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। সেগুলো হলো সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন।
এর
আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিএনপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার
বাসভবন যমুনায় প্রবেশ করে। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন
খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাউদ্দিন আহমেদ।
দলের
স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা বলেছি, এই তিনটি বিষয়ের একটার
সঙ্গে আরেকটার কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা সংস্কার চলমান বিষয়। এটা চলতে থাকবে। আমরা আশা
করেছি এই সরকার একটা ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটা সংস্কার প্রস্তাব দেবে। সেটা চলমান থাকবে।
ভবিষ্যতে যদি জনগণ আমাদের ক্ষমতায় বসায়, আমরা সেই সংস্কার চলমান রাখব এবং বাস্তবায়নের
প্রচেষ্টা নেব।
বিএনপির
নেতাদের মামলার বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা বলেছি, দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান থেকে শুরু করে আমরা এবং তৃণমূলের
নেতাকর্মীরা সবচেয়ে বেশি বিক্ষুব্ধ। আমরা সেই স্বৈরাচারী সরকারের কর্তাব্যক্তিদের,
যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।
বিচারব্যবস্থা
নিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য আমরা স্বাধীন বিচারব্যবস্থা চাই, যারা এই বিচার সম্পন্ন করবে।
আমরা বলেছি, যেসব বিচার সম্পন্ন না হবে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়, তাহলে তাদের বিচারের
আওতায় এনে স্বাধীন বিচারব্যস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।
বিএনপি
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অবিলম্বে শেষ করে দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বলেও জানান খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি
বলেন, আমাদের আলোচনা বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। আমরা যা অনুমান করেছিলাম তার
ওপর ভিত্তি করে একটা লিখিত বক্তব্য নিয়ে এসেছিলাম। সেটা প্রধান উপদেষ্টাকে দিয়েছি।
সেই ভিত্তিতে আলোচনা করেছি।
মন্তব্য করুন