

শাহানাজ পারভিন চৌধুরী
পরিচালক, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ
আজ ২১ মার্চ। বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস।পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও ভালোবাসার একটি শব্দ হচ্ছে মা। মায়ের কাছে একটি সন্তান যেমন তার জগৎ তেমনি সন্তানের কাছে তার মা-ই সব। আর এজন্য মা এবং সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটি সবচেয়ে মধুর ও মমতাময়। একটি সন্তান যখন ঠিক মতো খেতে পারে না কথা বলতে পারে না এমন কি নিজের কাজ নিজেও করতে পারে না তখন তাকে আগলে রাখেন মা। তার পরম মমতার চাদরের উষ্ণতায় তাকে বড় করে তোলে। সন্তানের সব আবদার মা হাসি মুখে মেনে নেয়। সেই ভালোবাসা মাখা মা ডাক মায়ের কাছে যেন মধুর থেকেও মধুর হয়ে যায়। এই ভাবেই মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক সুন্দর আর ভালোবাসা পূর্ণ হয়ে ওঠে। ডাউন সিনড্রোম শিশুরা সময়ের সাথে সাথে বয়সে বড় হলেও তাদের হৃদয় থাকে শিশুদের মতো কোমল। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা মা-বাবা,আত্মীয়-স্বজন,প্রতিবেশী সকলের কাছ থেকে সব সময় শুধু একটা জিনিস ই চায় আর তা হলো - ভালোবাসা ।
প্রতি বছরের মতো ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ- দেশব্যাপী ডাউন সিনড্রোম কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় এ বিশেষ দিবসটি উদযাপন করছে। এ বছর জাতীয়ভাবে ১১তম ও আন্তর্জাতিকভাবে ১৯তম বারের মতো বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘ সারাবিশ্বে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি উদযাপন করে আসছে। এরই মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা সমাজে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে একীভূত সমাজ গঠনে কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আশা রাখি।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমাকে প্রায়শই মায়েদের কাছ থেকে একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- ‘আপা, আমি আমার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্ন কিভাবে করবো? এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার আজকে এই প্রবন্ধটি লেখা। যাতে করে মায়েরা তাদের শিশুকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারেন।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্নে পিতামাতার ভূমিকা মুখ্য। কারণ শিশু স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় বাবা-মার সাথেই বেশি সময় অতিবাহিত করে থাকে।
আমি আমার সন্তান রাফানকে যেভাবে গড়ে তুলেছি তাই আজকে আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। নিম্নে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুকে বাবা-মা কিভাবে লালনপালন করবে তার একটি বয়সভিত্তিক সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হলো। উপস্থাপনাটি কোন গবেষণা বা প্রমিত মানদন্ডের ভিত্তিতে প্রণীত হয়নি। তাই এটি স্থান, কাল, পাত্রভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
৬-১২ সপ্তাহ
কিছুর প্রয়োজন হলে কান্না করা, শিশুর মাথা স্থির রাখা ও কোন জিনিসের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা এই বয়সে শিশুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ অন্যদের থেকে তুলনামূলক দেরিতে হওয়ায় মা-বাবাকে অল্প বয়স থেকেই ঘাড়, মেরুদণ্ড, শরীরের পেশীসমূহে দিনে দুইবার করে ম্যাসাজ করতে হবে। শিশুর সামনে ঝুনঝুনি বা হালকা রকমারি আলোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে করে তার দৃষ্টির স্থিরতা আসে।
৩ মাস
বিভিন্ন ধরণের কু-ধ্বনি উচ্চারণ করা, মাকে চিনতে পারা, তার গলার আওয়াজ শুনে খোঁজা ও কিছুক্ষণ মাথা সোজা রাখা এই বয়সে সাধারণ শিশুদের বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে মা শিশুকে কোলে নিয়ে আধবোলে কথা বলা, তালি বা শব্দের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা ও নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ- এই বয়সে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত করতে হবে।
৬ মাস
আধবুলি (বা…বা, দাদা….দা, মা…মা, মা…ম) করা, আশেপাশের শব্দে মাথা ঘোরানো, ঠেকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসা, চিত ও উপুড় হতে পারা এই সময়ের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এই সময়ে বাবা-মা শিশুকে নরম বালিশে শোয়ানো ও নরম কিছু দিয়ে ঠেকা দেওয়ার মাধ্যমে বসানোর চেষ্টা করতে পারে।
৯ মাস
কিছু না ধরে বসা ও হামাগুড়ি দেওয়া এই বয়সে শিশুর মধ্যে না দেখলে বাবা-মা শিশুর চারপাশে বালিশ দিয়ে বসানোর চেষ্টা করবে এবং নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ করাবে।
১২ মাস
সব শেষ/আরো দাও বলতে পারে, দাঁড়ানোর চেষ্টা করা এবং আসবাবপত্র ধরে হাঁটা এই বয়স থেকেই একজন সাধারণ শিশু শুরু করে। কিন্তু এই বৈশিষ্ট্যগুলো একজন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর মধ্যে না দেখা দিলে শিশুকে একটি ওয়াকার কিনে দিতে হবে এবং সাথে সাথে পেশীর ব্যায়ামগুলো চলমান রাখতে হবে।
১৮ মাস
কুকুরকে কুকুল, দুই শব্দে কথা বলা, গ্লাস ধরে পানি পান করা এবং হাঁটা এ বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর বিকাশ ধীরে হয়। তাই বাবা-মা শিশু কিছু না ধরতে পারলে শিশুর আঙ্গুল ও কব্জির সংযোগস্থলে নিয়মিত দুইবেলা ম্যাসাজ করবে এবং ওয়াকারের মাধ্যমে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে। এই বয়সেও সে এক শব্দের কথা না বললে, মা শিশুকে নিয়ে আয়নার সামনে বসে ধীর লয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করবে।
২ বছর
সীমিত বহুবচনের ব্যবহার, কি/কোথায় জাতীয় প্রশ্ন ও এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, দৌঁড়াতে পারা, কিছু চাওয়া, পায়জামা ধরণের জামাকাপড় খুলে ফেলা এই বৈশিষ্ট্যগুলো দুই বছর বয়সে স্বাভাবিক। অন্যথায় বাবা-মা শিশুকে কোন কিছুতে দড়ি বেঁধে দিয়ে বা আসবাবপত্র ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরেধীরে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে।
৩ বছর
প্রায় ৮০০০ শব্দ বলতে পারে, স্মৃতি হতে ৫ পর্যন্ত সংখ্যা, মৌলিক রংয়ের নাম, ক্রিয়ার অতীতকালের রূপ, তিন শব্দ বিশিষ্ট বাক্য যেমন, আমি ভাত খাই, বাবা কই যাও?, হাত তুলে কাঁধের উপর থেকে কিছু ছোঁড়া, কিছু সরিয়ে রাখা এই বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে তিন বছর বয়সে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নাও পরিলক্ষিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাবা-মা পরিচিত জিনিসপত্রের নাম বলা, শিশু যে শব্দগুলো বলে তা পুনরাবৃত্তি করা, বিভিন্ন রংয়ের সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪ বছর
নিজের নাম ও বয়স বলা, বস্তুর ব্যবহার সম্পর্কে জানা, সাইকেলে প্যাডেলিং করা, বই বা ম্যাগাজিন দেখে ছবির নাম বলা এই বয়সে শিশুদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে বাবা-মা উক্ত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু যদি এগুলো না করতে পারে তাহলে তাকে নিয়মিত বিভিন্ন রঙিন বই বা ছবিযুক্ত ম্যাগাজিন নিয়ে নিয়ম করে সকাল ও সন্ধ্যা দুইবেলা পড়ার টেবিলে বসাতে হবে। এর মাধ্যমে শিশুর যেমন বসার অভ্যাস তৈরি হবে তেমনি সে পড়ালেখার প্রতিও আগ্রহী হবে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা শিশুকে লিখানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরে ধীরে তাকে প্রি-স্কুলিংয়ের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
৫ বছর
১৫০০-২০০০ শব্দ বলতে পারা, শব্দের অনিয়মিত বহুবচনের ব্যবহার, বিভিন্ন জটিল বাক্য যেমন, আমরা নানা বাড়িতে এত সুন্দর ঘুরেছি যে খুব মজা হয়েছিলো, জামাকাপড়ের বোতাম লাগানো, কয়েকটি রংয়ের নাম বলা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারা, পা ফাঁকা করে লাফানো পাঁচ বছর বয়সী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে এ তথ্য চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে মন্ত্রণালয়গুলোকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ করা জনবলের তথ্য পাঠাতে একটি ছক করে দেওয়া হয়েছে। ছক অনুযায়ী প্রার্থীর নাম, নিয়োগপ্রাপ্ত পদ ও শ্রেণি; বাবার নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, যার মুক্তিযোদ্ধা সনদ/গেজেটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন (পিতা/মাতা/পিতামহ/মতামহ) তার নাম ও ঠিকানা; মুক্তিযোদ্ধার নাম, পিতা/মাতা/পিতামহ/মাতামহের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও গেজেট নম্বর এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার তারিখ জানাতে হবে।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে সনদ দেওয়া হয়েছে। সেই সনদ দিয়ে অনেকে চাকরি নিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার পদক্ষেপ নিয়েছে।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের
উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্ব আজ পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার
(২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা উপদেষ্টাগণের মধ্যে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয়, বিভাগের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করেছেন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস ছয়টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ সামলাবেন। পুনর্বণ্টনের পর তিনি
মন্ত্রপরিষদ বিভাগ; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; খাদ্য
মন্ত্রণালয়; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও
পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে তার অধীনে এই
ছয় মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছিল।
উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন
আহমেদ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। নতুন
করে তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সামলাবেন।
উপদেষ্টা হাসান আরিফ আগে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
নতুন করে তাকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে
ছিলেন। এখন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ও সামলাবেন।
উপদেষ্টা শারমীন এস
মুরশিদ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। নতুন করে মহিলা ও শিশু
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
গত ৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ উপদেষ্টা শপথ
নেন। এরপর দুই উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা ও বিধান রঞ্জন রায় গত ১১ আগস্ট
এবং ফারুক-ই-আজম গত ১৩ আগস্ট উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন।
এরপর গত আগস্ট ১৬ শপথ নেন নতুন চার উপদেষ্টা-ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আলী
ইমাম মজুমদার, ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের
তদন্তে জাতিসংঘকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক
আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তার্ক।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার
(৩০ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র
রাভিনা শামদাসানি।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের এই মুখপাত্র
জানান, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন সত্য অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনুসের কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন ফলকার তার্ক। গত ১ জুলাই থেকে
১৫ আগস্টের ঘটনাগুলোর তদন্তে জাতিসংঘকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জন্য আগামী সপ্তাহের কোনো একসময় বাংলাদেশে জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল আসার কথা রয়েছে। দলটিকে পূর্ণ সহযোগিতার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের জন্য সংশোধিত নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার জারি করা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নীতিমালায় বলা হয়েছে,বিদেশি পর্যবেক্ষক বা গণমাধ্যমকর্মীদের যোগ্যতা, করণীয়, ভিসা প্রক্রিয়া এসব বিষয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে ।
নীতিমালা অনুযায়ী, কেবলমাত্র অভিজ্ঞরাই নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবেন। পর্যবেক্ষক সংস্থার নির্বাচনী কাজ, সুশাসন, গণতন্ত্র, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সম্পর্কিত কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে এবং তার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। পর্যবেক্ষকদের বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন মেনে চলতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ কিংবা জাল-জালিয়াতি বা অসততাজনিত কোনো অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হওয়ার অযোগ্য হবেন।
পর্যবেক্ষকদের অভিজ্ঞতার সনদসহ সিভি, মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের কপি, ইসি নির্ধারিত ঘোষণাপত্র সইসহ জমা দিতে হবে। কভার লেটারসহ আবেদনপত্র, যেখানে নামের তালিকা থাকতে হবে। দোভাষী নিলে তার জন্য সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
এছাড়া আবেদনপত্র বাছাইয়ের পর ইসি তা অনাপত্তি পত্রের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে পাঠাবে। যার অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের মতামত বা অনাপত্তির বিষয় ৭ দিনের মধ্যে সরাসরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইসিতে পাঠাবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনাপত্তি মিললে নির্বাচন কমিশন বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক কার্ড দেবে।
নীতিমালায় পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, ভোটের দিন থেকে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ই-মেইল বা ডাকযোগে নির্বাচনী প্রতিবেদন পাঠাবে। এক্ষেত্রে প্রতিবেদনে ভোটের আগে, ভোটের দিন ও ভোটের পরের পরিস্থিতির প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। পর্যবেক্ষণ হতে হবে পক্ষপাতহীন, ফলপ্রসূ ও সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন। ভোটগণনা ও ফলাফল একত্রীকরণের সময় থাকার জন্য প্রতিটি সংস্থা থেকে একজন মনোনয়ন দেয়া যাবে।
বিদেশি গণমাধ্যমকেও পর্যবেক্ষকদের সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। বিদেশি গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের ইংরেজি ‘জে’ক্যাটাগরির ভিসা দেয়া হবে। আর পর্যবেক্ষকরা পাবেন ‘টি’ ক্যাটাগরির ভিসা।
নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, বিদেশি পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করলে, পক্ষপাতমূলক আচরণ করলে, পর্যবেক্ষক বা বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীর কার্ড বাতিল করা যাবে। এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষক বা গণমাধ্যমকর্মীকে ভোটকেন্দ্র বা পুরো আসন থেকে বহিষ্কার করতে পারবে।
পর্যবেক্ষকরা অস্থায়ীভাবে শুল্ক অব্যাহতি সুবিধা নিয়ে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ আমদানি বা আনতে পারবেন। এজন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। শুল্ক অব্যাহতির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। নির্বাচনের পর তারা তাদের যন্ত্রপাতি বা উপকরণ নিয়ে যেতে পারবেন।
বিদেশি গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়ার জন্য এবং সম্প্রচার করার জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন একটি মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করবে। পর্যবেক্ষকদের সহায়তার জন্য এয়ারপোর্টে হেল্প ডেস্ক থাকবে। মিডিয়া সেন্টারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের পর্যবেক্ষক কার্ড, গাড়ির স্টিকার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেয়া হবে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সংবিধান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, নির্বাচনী আচরণবিধি, নির্বাচনী বিশেষ কর্মকর্তা আইন, স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক নীতিমালা ও সংসদীয় আসনের সীমানা পুননির্ধারণ আইন মেনে চলতে হবে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহে জলাতঙ্ক রোগে
আক্রান্ত একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে ৪০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশুও
রয়েছে।
এ
ঘটনায় ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।
এ ঘটনাটি বুধবার (৯
আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোহাইলকান্দি ও জামতলা
এলাকায় ঘটে।
নগরীর সূর্যকান্ত এস কে
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রজ্ঞানন্দ নাথ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নগরীর সূর্যকান্ত এস কে
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রজ্ঞানন্দ নাথ বলেন, নগরীর গোইলকান্দি ও জামতলা
এলাকায় ৪০ জন কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে তাদের।
এছাড়াও সম্প্রতি ময়মনসিংহে আক্রমণ বেড়েছে কুকুর, বিড়াল ও শিয়ালের। ফলে প্রতিদিন
গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন আক্রান্ত ব্যক্তিকে দিতে হচ্ছে চিকিৎসা। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু
নেই। ঘটনার সাথে সাথে আক্রান্ত স্থান ভালো ভাবে কাপড় ধোঁয়ার সাবান দিয়ে ধুঁয়ে নিতে
হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সিটি
করপোরেশনের (মসিক) মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু জানান, কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে
উচ্চ আদালতের। তবে সম্প্রতি নগরীতে বেড়েছে কুকুরের উপদ্রব। খুব দ্রুতই নেওয়া হবে প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে বুধবার(১৫নভেম্বর) বিকেলে বৈঠকে বসবে নির্বাচন
কমিশন (ইসি)। বিকেল ৫টায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
গত ৯ নভেম্বর
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার
অনুমতি নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সিইসি কাজী হাবিবুল
আউয়াল বলেছিলেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। দ্রুত সংসদ নির্বাচনের
তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ইস্যুতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন সিইসি।
একাদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর
সংসদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের
পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। গত ১ নভেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
সময় গণনা শুরু হয়েছে।তাই পরবর্তী সংসদের জন্য ভোটগ্রহণ করতে হবে তার আগের ৯০ দিনের
মধ্যে। ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিশেষ অভিযান চালিয়ে একাধিক
ডাকাতি মামলার আসামি কুখ্যাত ডাকাত সর্দার বাবুল খাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) ভোরে
উপজেলার বৈরাগীরগাঁও গ্রাম থেকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, বৈরাগীরগাঁও
গ্রামের আসন খার ছেলে ডাকাত সর্দার বাবুল খাঁ (৪৫)।
সিলেট জেলা পুলিশের
সহকারী মিডিয়া কর্মকর্তা মো. সম্রাট তালুকদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ
তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়েছে, বিশ্বনাথ থানায় একটি হত্যা মামলাসহ পাঁচটি ডাকাতি মামলা রয়েছে আসামির
বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


১ম
রোজার ইফতার আপনজনের সঙ্গে করতে অফিস শেষে ছুটে চলে মানুষ। তাই ঢাকায়
দেখা দেয় ভয়াবহ যানজট। এ অবস্থায় মানুষের
নির্বিঘ্নে ঘরে পৌঁছাতে অফিস শেষে রাস্তায় নেমে পড়েন খোদ ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন তিনি। এ অবস্থায় ইফতারের
সময় হলে তিনি রাস্তায় ইফতার করেন।
মঙ্গলবার
(১২ মার্চ) সোনারগাঁও ক্রসিংয়ে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে তাকে ইফতার করতে দেখা যায়।
ট্রাফিক
ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, নগরবাসী কর্মস্থল থেকে নিরাপদে বাসায় ফিরে তাদের পরিবারের সঙ্গে ইফতার করতে পারেন, এজন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক সদস্যদের সঙ্গে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। সোনারগাঁও ক্রসিং ঢাকা শহরের ব্যস্ততম একটি স্থান। এখান থেকে উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম সবদিকে গাড়ি যায়। সেই হিসেবে এখানকার অবস্থা সন্তোষজনক। ইফতারের ২০ মিনিট আগে
দেখা গেছে রাস্তায় তেমন কোনো চাপ নেই।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, ডিএমপির
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মুনিবুর রহমান, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোস্তাক আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন