

পুলিশ রাজধানীর মিরপুরের কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে যাওয়ার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে । এদের মধ্যে চারজনের বয়স কম হওয়ায় পরিবারের থেকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আর বাকি দুইজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. আলামিন ও আতিকুর রহমান।
এছাড়া চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কাফরুল থানা পুলিশ জানায়, গত বুধবার মিরপুরের কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে প্রায় ৪০ মিনিট ট্রেন চলা বন্ধ ছিল। বিষয়টি সমাধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে ডিএমপির কাফরুল ও মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। এদের মধ্যে চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ডিএমটিসিএল থেকে অনুরোধ করা হচ্ছিল - মেট্রোরেলের রুট অ্যালাইনমেন্ট ও পার্শ্ববর্তী এলাকার এক কিলোমিটারের মধ্যে ঘুড়ি, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ইত্যাদি বা অনুরূপ কোনো বস্তু না ওড়ানোর । পরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনস্বার্থে বিশেষভাবে ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।
ডিএমপির কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুকুল আলম এ বিষয়ে জানান, আটক দুজনকে ডিএমপি অধ্যাদেশে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পাবনায় কারাগারে থাকা কয়েদিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
তারা হলেন—জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তৌফিক ইমাম খান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু, গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোতাহার হোসেন মুতাই এবং আসাদুজ্জামান সুইট। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলা ও হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামি।
এ ঘটনায় শাস্তিস্বরূপ পাঁচ আসামিকে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) অন্য জেলার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।
পাবনা জেলার জেল সুপার মো. ওমর ফারুক বলেন, কয়েকদিন ধরেই কারাগারে থাকা অন্য সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছিলেন তারা। সবশেষ ৩ মার্চ বিকেলে এই পাঁচ কয়েদি কারাগারের অন্য কয়েদিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তাদের গায়ে হাত তোলেন।
এ ঘটনার পরে শাস্তিস্বরূপ কয়েদি তৌফিক ইমাম, শেখ লালু ও আসাদুজ্জামান সুইটকে রাজশাহী এবং মুতাই ও অন্যজনকে নওগাঁ জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
পাবনা
জেলার জেল সুপার আরো বলেন, বিগত সময়ে তারা বাইরে যেমন বেপরোয়াভাবে কথাবার্তা বলেছেন
ও চলেছেন, কারাগারেও তেমনই চলছিলেন। ফলে ঝামেলাটা বাঁধে। অন্য কয়েদিদের সঙ্গে অশোভন
আচরণ ও কারাগারে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ৪ মার্চ বিকেলে তাদের রাজশাহী ও নওগাঁ কারাগারে
স্থানান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে ৬৫৩ জন বিচারিক হাকিমকে ১ জানুয়ারি প্রশিক্ষণ দেবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠিয়েছেন ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালাম।
প্রশিক্ষণ নিয়ে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী অপরাধসমূহ আমলে নেওয়া ও তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের নিমিত্তে সারাদেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ৬৫৩ জন প্রথম শ্রেণির বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের ১ জানুয়ারি ১০টা থেকে দিনব্যাপী আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রিফিং/প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।
ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে বিজ্ঞ বিচারিক হাকিমদের নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে সকাল ৯টায় নিবন্ধন সম্পন্ন করে দিনব্যাপী ব্রিফিং/প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৮ মে ২০২৪) নারায়ণগঞ্জ জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের
বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা আসামী আবুল হোসেন (৩০)কে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানায়
দায়েরকৃত একটি হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
উক্ত আসামী দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল এবং বিজ্ঞ আদালতের রায় ঘোষনার পর যাবজ্জীবন
সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামী আবুল হোসেন (৩০) পলাতক ছিল।
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১
একটি গোয়েন্দা দল জোর তৎপরতা শুরু করে। এক পর্যায়ে র্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল গোপন
তথ্যের মাধ্যমে মামলার আসামীর আবুল হোসেন এর অবস্থান শনাক্ত করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী
বৃদ্ধি করে তার ধারাবাহিকতায় একটি অভিযানে সোমবার ৩ জুন ২০২৪ নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার
থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ওসমান আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা এবং
সে পেশায় রিক্সাচালক ছিল। গত ২৮ নভেম্বর ২০০৮ ইং তারিখে গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামী ও
তার সহযোগী আসামীরা রিক্সাচালক ওসমান এর জবাই করা মরদেহ ঈদ বারদী এলাকার বিলের মধ্যে
একটি পুকুরের পাশে জঙ্গলে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে উক্ত স্থান হতে তার মরদেহ উদ্ধার করা
হয়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন
যেটি পরে এই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামী আবুল হোসেন (৩০) এর বিরুদ্ধে হত্যা মামলার
৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০ ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিজ্ঞ আদালত
২৮মে ২০২৪ তারিখে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা গাজীপুরের গাছা থানার মামলায় ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (১৭ মে) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন কোনো সাক্ষী না আসায় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এদিন রফিকুল আদালতে হাজিরা দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে বেঞ্চ সহকারী শামীম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২১ সালের ৮ এপ্রিল রফিকুলের বিরুদ্ধে গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন র্যাব-১ এর নায়েব সুবেদার আব্দুল খালেক। ২০২১ সালের ৩০ জুন মাদানীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন র্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলাম মাদানী ইউটিউব এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছেন। দেশের সাধারণ মানুষ এসব বক্তব্যের কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বিভ্রান্ত হয়ে তারা দেশের সম্পত্তির ক্ষতি করছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসার সাবেক পিয়ন মো. জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে তার স্ত্রী কামরুন
নাহার ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে। সব ব্যাংকগুলোয় পাঠানো নির্দেশনায় তাদের অ্যাকাউন্ট খোলার ফরমসহ যাবতীয় তথ্য
পাঁচ দিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স
ইউনিট (বিএফআইইউ) এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠায়।
বিএফআইইউ-এর নির্দেশনায় জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব খোলার ফরমসহ
যাবতীয় তথ্য পাঁচদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ও তাদের
মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব থাকলে সেসব হিসাবের লেনদেন মানিলন্ডারিং
প্রতিরোধ আইন, ২০১২–এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশনা
দেওয়া হলো।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে টানা দুই মেয়াদের
পাশাপাশি গত মেয়াদেও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীকালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
ওঠায় তাকে ওই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি তারপরও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত
সহকারী পরিচয় বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করেছেন।
এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিশেষ
বিজ্ঞপ্তিতে জাহাঙ্গীরের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। বলা হয়, তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের সম্পর্ক নেই।
সাম্প্রতিক হওয়া চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল (রোববার) সংবাদ
সম্মেলন করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে, এখন
৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। বাস্তব কথা। কী করে বানাল এত টাকা?
জানতে পেরেছি, পরেই ব্যবস্থা নিয়েছি। ’
প্রধানমন্ত্রীর বাসার সাবেক পিয়ন ও আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীরের গ্রামের বাড়ি
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়ায়। এলাকায় তিনি ‘পানি জাহাঙ্গীর’ নামে পরিচিত। তিনি
এর আগে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।
গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর চাটখিল ও সোনাইমুড়ী আসনে স্বতন্ত্র
হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার
করেন। নির্বাচনী হলফনামায় তার মালিকানাধীন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও নোয়াখালী নিজ এলাকায়
বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ বিপুল সম্পদের তথ্য উঠে আসে।
গত বছরের ৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করে জাহাঙ্গীর আলম থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. জাহাঙ্গীর আলম, পিতা: মৃত রহমত উল্যাহ, রহমত উল্যাহ কেরানীর বাড়ি, গ্রাম: নাহারখিল, ইউনিয়ন: খিলপাড়া, উপজেলা: চাটখিল, জেলা: নোয়াখালী- নিজেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে বেড়াচ্ছেন। তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নিন।
মন্তব্য করুন


কলকাতা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলার আরেক আসামিকে নেপাল থেকে গ্রেফতার করেছে ।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, কলকাতা সিআইডি হত্যা মামলাটি তদন্ত করেছে। তাদের কাছে দুজন আসামি আছেন। একজনকে তারা নেপাল থেকে নিয়েছে। আরেকজনকে আগেই গ্রেফতার করেছে।
তবে নেপাল থেকে সিআইডি কোন আসামিকে গ্রেফতার করেছে তার নাম জানাননি ডিএমপি কমিশনার।
সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত দুই দেশ মিলিয়ে মোট পাঁচজন আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন বাংলাদেশে। বাকি দুজন কলকাতায়।
বাংলাদেশে গ্রেফতার আসামিরা হলেন আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল
ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান। ভারতে
গ্রেফতার হয়েছেন জিহাদ হাওলাদার। নেপালে আটক ছিলেন সিয়াম হোসেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


শপথ নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ২৩ বিচারপতি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
রাষ্ট্রপতির নিয়োগের পর গত মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৯৮ অনুচ্ছেদ-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত (ক)-(ব) ক্রমিকে উল্লেখকৃত ২৩ জন ব্যক্তিকে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে অনধিক দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগদান করেছেন।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, মো. মনসুর আলম, সৈয়দ জাহেদ মনসুর, কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, মো. যাবিদ হোসেন, মুবিনা আসাফ, কাজী ওয়ালিউল ইসলাম, আইনুন নাহার সিদ্দিকা, মো. আবদুল মান্নান, তামান্না রহমান, মো. শফিউল আলম মাহমুদ, মো. হামিদুর রহমান, নাসরিন আক্তার, সাথিকা হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন, মো. তৌফিক ইনাম, ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন, শেখ তাহসিন আলী, ফয়েজ আহমেদ, মো. সগীর হোসেন, শিকদার মাহমুদুর রাজী ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


নওগাঁর সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশ থেকে গত ২৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ১০টার দিকে তাবাসসুম আক্তার রিংকু (২২) নামে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃত তাবাসুম আক্তার রিংকু জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালি ইউনিয়নের পুন্ডুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে আর তিনি স্থানীয় রায়কালী টেকনিক্যাল বিএম কলেজের এইচএসসি ভোকেশনাল ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন।
এ ঘটনার পর দিন ২৯ নভেম্বর ( বুধবার ) দুপুরে নিহতের মা শাহিনা বেগম বাদী হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
শনিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি ) ফয়সাল বিন আহসান বলেন,এ ঘটনার চারদিন পর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার মাটিয়াকুরি গ্রামের আলাউদ্দীনের ছেলে নাঈম হোসেন ও তার বাবা আলাউদ্দীন আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ।
গ্রেপ্তারের আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত রিংকু ও নাঈমের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্ক পরিবারে বাধা হয়ে দাঁড়ালে গত ২৭ সোমবার নভেম্বর সকালে তারা কোর্ট ম্যারেজ করে বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি অটোরিকশা করে রাজশাহী কোর্টের উদ্দেশে রওনা হয়। একসময় দুজনের মধ্যে নওগাঁ কোর্টে অথবা রাজশাহীতে কোর্ট ম্যারেজ করা নিয়ে তর্কবিতর্ক আর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সদর উপজেলার চকগৌড়ি মেইন রাস্তায় অটোরিকশা থেকে রিংকু পড়ে যায়।
এতে মাথা ও হাত পায়ে গুরুতর যখম হলে তাকে বাঁচানোর জন্য তার প্রেমিক নাঈম দ্রুত মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তার অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। নাঈম ভয় পেয়ে তার বাবা আলাউদ্দীনের সঙ্গে আলোচনা করলে তার বাবা রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। এরপর নাঈম দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর নাঈম ও তার বাবা ভয় পেয়ে রিংকুর মরদেহ রাতের আঁধারে তিলকপুর ইউনিয়ন এর নারায়ণপুর গ্রামের তুলশীগঙ্গা নদীর বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান বলেন, এ ঘটনায় দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাবা ও ছেলেকে আটক করা হয়েছে।
আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন । পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সেনাসদর মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতায় ঢাকাসহ সারাদেশে মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও হত্যার ঘটনা আগের চেয়ে কমেছে ।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। হটস্পটগুলো সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
সারাদেশে মব জাস্টিসের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু মব জাস্টিস নয়, চাঁদাবাজি, চুরি, রাহাজানি ও হত্যা আগের চাইতে কমেছে। গত দুই মাস আগে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল ২৫০টি, কিন্তু বর্তমানে কমে ১২০টিতে নেমেছে। চুরি ৮৫০টির মতো হতো, বর্তমানে ৬০০টির নিচে নেমে এসেছে। হত্যা সাড়ে তিনশো ছিল, বর্তমানে ১২০-তে নেমেছে। সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকার মোহাম্মদপুর ও বনানীতে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য এবং কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। আর যারা অবসরপ্রাপ্ত সদস্য তাদের দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে। কোনো অন্যায়কে সেনাবাহিনী কখনো প্রশ্রয় দেয় না। সেনাবাহিনী সবসময় সততার সঙ্গে আছে এবং থাকবে। জনগণের আস্থার জায়গায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পাশে পাবেন।
সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী কোনো চ্যালেঞ্জ ফেস করছে না। তবে আমরা দীর্ঘ ছয় মাস বাইরে নিয়োজিত রয়েছি। অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।
তিনি বলেন, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ১৭২টি অবৈধ অস্ত্র এবং ৫২৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।
এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে (মূলত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকায়) ৮৮টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে উদ্ভুত ৩০বার মূল সড়ক অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। কারখানাগুলোকে চালু রাখার জন্য মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, বিজিএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের ২ হাজার ৯৭টি পোশাক কারখানার মধ্যে গুটিকয়েক (বেক্সিমকো গ্রুপ, সাউদার্ন ডিজাইনার'স লিমিটেড, স্বাধীন গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং সেলফ ইননোভেটিভ ফ্যাশন লিমিটেড) ছাড়া সকল কারখানাই চালু রয়েছে।
শিল্পাঞ্চল ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গত এক মাসে ৪২টি বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৪টি, সরকারি সংস্থা/অফিস সংক্রান্ত তিনটি, রাজনৈতিক কোন্দল ৯টি এবং অন্যান্য ঘটনা ছিল ১৬টি।
বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইজতেমা ময়দানে তুরাগ নদীর ওপর ৫টি ব্রিজ স্থাপন, বোম ডিসপোজাল দলসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল মোতায়েন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনাসদস্য যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর সংস্কার কর্মকাণ্ড যেমন- অ্যান্টি পলিঘিনি অপারেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচালিত খাল পুনরুদ্ধার অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছে।
সেনাসদরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন সময় যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসার জন্য সেনাবাহিনী আজ পর্যন্ত তিন হাজার ৮৫৯ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে, যার মধ্যে ৪১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদানসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে এ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করে কর্মধারা অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন