

৭ জুন বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজার এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: নেত্রকোনার বারহাট্টা এলাকার মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে আওলাদ হোসেন,সুনামগঞ্জের আলীনগরের শিশু মিয়ার ছেলে হারিছ মিয়া,সুনামগঞ্জের দিরাই ভাটিপাড়ার সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. সৈয়ব আলী, একই এলাকার বাদশা মিয়া, দিরাই মধুপুর গ্রামের সুনাই মিয়ার ছেলে সাধু মিয়া, সুনামগঞ্জ দিরাই ভাটিপাড়ার মফিজ মিয়ার ছেলে সায়েদ নুর, দিরাই ভাটিপাড়ার মৃত সজিব আলীর ছেলে রশিদ মিয়া, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাবনগাওয়ের মৃত ওয়াহাব আলীর ছেলে শাহীন মিয়া, একই উপজেলার মুরাদপুরের হারুন মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, সুনামগঞ্জের দিরাই পাতাইয়া কাইম গ্রামের জসিম মিয়ার ছেলে একলিম মিয়া, একই উপজেলার গছিয়া গ্রামের বারিক উল্লাহর ছেলে সিজিল মিয়া ও সিলেট নগরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামবাগিচার আব্দুর রহিমের স্ত্রী আমিনা বেগম, শান্তিগঞ্জ তলের বনত গ্রামের মৃত আমান উল্লাহ তালুকদারের ছেলে আওলাদ হোসেন তালুকদার ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি সামসুদ্দোহা জানান, একটি বড় ট্রাক ও একটি ডিআই ট্রাকের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। আহতদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ওয়াকফ এর প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন
আহমেদ।
বাংলাদেশ
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মে ) সকালে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানান।
তিনি
আরো জানান, বাংলাদেশ ওয়াকফের প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
সঙ্গে দেখা করেছেন। এ সময় তাঁরা ওয়াকফ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
এ
সময়ে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন এবং
ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রবাসীরা যেন বিমান বন্দরে অতিথির মত সম্মান ও
সেবা পায় সরকার তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসী কর্মীদের জন্য একটি ডেডিকেটেড লাউঞ্জ (প্রবাসী লাউঞ্জ)
উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আপনাদের যে প্রাপ্য সম্মান, সেটি যেন জাতি দিতে পারে। সেই সম্মান দেয়ার জন্য
আজকের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রবাসী লাউঞ্জ উদ্ধোধন করা হলো। আশা করি, আরো বহু রকমের
পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে করে আপনারা এখানে এসে মনে করতে পারেন যে, আপনারা শান্তিতে
আছেন, বাড়িতে আছেন, সবাই আপনাদের দেখভাল করছে, আপনাদের সেবা-শুশ্রুষা করছে৷ অর্থাৎ
আপনি এখানে মেহমানের মতো থাকবেন। আপনি সম্মান
নিয়ে থাকবেন। আপনার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়ার জন্য এই প্রচেষ্টা। আজকে যেটা শুরু করলাম
বহুভাবে একে কাজ লাগানো যাবে। আপনাদের দিয়ে তো দেশ চলে। আপনাদের তো মাথার ওপর রাখার
কথা। অপরাধী করে রাখবে কেনো? ভাবখানা এই যে, তোমরা নিজদের টাকা রোজগার করতেছ, তোমাদের
ব্যাপার! আমাদের কী তাতে?'
তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা টাকা যেটা
রোজগার করছে, সেটা তো বাংলাদেশেই আসছে, বাংলাদেশের জন্য রোজগার করছে। প্রবাসীরা কষ্ট
করে টাকা রোজগার করে আনছেন। আর এই কষ্টার্জিত টাকা আরকজনে বিদেশে পাচার করছে। এটা হলো
আমাদের দুর্ভাগ্য। সেখান থেকে আমাদের ফিরে আসতে হবে, আমাদের দেশের টাকা যেন দেশে থাকে,
দেশের কাজে লাগে। আমাদের প্রবাসী কর্মীরা দেশ গড়ার কারিগর। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে
তারা বড় ভূমিকা পালন করেছে। আমরা তাদের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, এই লাউঞ্জ
তাদের ভ্রমণকে সহজ করবে। আমরা সরকারে আসার তিন মাসের মাথায় এসে প্রবাসীদের জন্য নতুন
যাত্রা শুরু করতে পারলাম। প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নাম উল্লেখ করে তিনি
বলেন, আমরা দুজনেই বিদেশে আসা-যাওয়ার পথে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি। বিমানবন্দর আমাদের
সবাইকে ব্যবহার করতে হয়। আমাকেও প্রায় আসা-যাওয়া করতে হয়। মনে খুব কষ্ট হয় যখন দেখি
প্রবাসীদের যাওয়া আসায় কত কষ্ট হচ্ছে। প্রবাসীদের জন্য এখন ই-পাসপোর্ট দিতে হবে। ছাপা
পাসপোর্ট দরকার নেই। পাসপোর্ট আপনার ফোনে চলে আসবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। অফিসে যেন
যেতে না হয়। আমার এখন আর সরকারি অফিসে যেতে চাই না। বাড়িতে যেন সেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে
এটিই প্রথম প্রবাসী লাউঞ্জ। এখানে বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মীদের বিশ্রামের জন্য জায়গা
এবং সুলভ মূল্যে খাবার পাওয়া যাবে। সুলভ মূল্যে খাবার পরিবেশনের জন্য এতে ভর্তুকি দেবে
সরকার।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আইন ও প্রবাসী কল্যাণ
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, বিমান বন্দরে
প্রবাসীদের দেখভাল এবং তাদের সহায়তা করার জন্য ১০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইওএম
এই কর্মীদের স্পন্সর করেছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আইওএম মিশনের ডেপুটি
চিফ ফাতিমা নুসরাত গাজালি জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তার জন্য
লাউঞ্জটি স্পন্সর করেছে।
মন্তব্য করুন


আগামী এক সপ্তাহের
মধ্যে ভোজ্যতেলসহ রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে বলে আশা প্রকাশ
করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
শনিবার (১ মার্চ)
সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সভা করে জাতীয়
চাঁদ দেখা কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম উপদেষ্টা।
সভা থেকে চাঁদ দেখার
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, রমজান আসলে আমাদের দেশে
পণ্যের দাম বাড়ে। এটা একটা কমন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সরকার এবার সচেতন
রয়েছে। যাতে করে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ে। সেজন্য বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো
হয়েছে।
তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন মালয়েশিয়া-সৌদি আরবসহ বিভিন্ন
দেশে রমজানে পণ্যের ওপর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় দেয়। অথচ আমাদের দেশে
উল্টো।
সরকার এবার সচেতন আছে
জানিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, বেশকিছু পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো হয়েছে। আমাগী এক
সপ্তাহের মধ্যে ভোজ্যতেলসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামও সহনীয় হবে। ব্যবসায়ী ভাইদের
প্রতি আহ্বান আপনারা নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখুন।
মন্তব্য করুন


নিজের হাতে থাকা ২৫ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের
জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১২) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে ব্রিফ
করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী।
জনপ্রশাসন সচিব জানান, সব মন্ত্রণালয়ের
কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ জন্য সাত দিন সময় দিয়ে এখন
থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। গত কয়েক বছর যারা পদোন্নতি থেকে
বঞ্চিত হয়েছেন, তাদের দাবিগুলো শুনে শিগগিরই সিদ্ধান্ত হবে। মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরগুলোকে
দ্রুত ফাংশনাল করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
জনপ্রশাসন সচিব বলেন, যেসব মন্ত্রণালয়ে
আগে মন্ত্রী ছিলেন সেসব মন্ত্রণালয়ের কাজ যাতে স্থবির হয়ে না যায়, সচিবরা সেসব কাজ
নিজ উদ্যোগে যাতে শুরু করেন তা নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, সার, বিদ্যুৎ, কৃষি, জ্বালানি,
বন্দর, খাদ্যসহ জরুরি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে সাত দিনের মধ্যে তালিকা করে কাজ শুরু করতে
হবে এবং তালিকাগুলো প্রধান উপদেষ্টাকে দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকে থেকে আমাদের কাজ হবে একটাই, সেটা হচ্ছে দেশ গঠন, রাষ্ট্র
পুনর্গঠন। এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই। আমরা শুধু স্বপ্ন দেখতে চাই
না। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার
হবে।’
আজ
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের
খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী
যখন খোর্দ্দ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে পাশেই তৈরি সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন, সেসময় খালের
দু’পাশে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা তুমুল স্লোগান ও করতালি
দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে
এগিয়ে যাবে। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের
ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’
খাল
খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনঃখননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা
করি, কী প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞা? সেটা হচ্ছে-
দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরীফে বলে দিয়েছেন, যে জাতি নিজেদেরকে সাহায্য
করে, আমি তাকে সাহায্য করি। এই খাল (খোর্দ্দ খাল) যদি খনন না করি কৃষক ভাইয়েরা কি পানি
পাবে? পাবে না। কাজেই খাল খনন করলে কৃষক ভাইয়েরা পানি পাবে। ঠিক একইভাবে আমরা যদি কাজ
করি, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসাথে
কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত
করতে সক্ষম হবো।’
বিএনপি
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আমরা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামীতে সকল প্রতিশ্রুতি
আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করব।’
বিএনপির
শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা
বিএনপি করি, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার
নেতৃত্বে আমরা দল করেছি, আমরা সকলে বলি- জনগণই হচ্ছে আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।
আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, আপনাদের সমর্থন
যতক্ষণ থাকবে, আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবে।’
দেশকে
সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আজকে এই খাল কাটা অনুষ্ঠানে আসুন আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক- ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার
আগে বাংলাদেশ।’
এ
সময় তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা আছেন নাকি আমার সঙ্গে দেশ
গড়ার কাজে?’ এমন প্রশ্ন শুনে জনগণ হাত নেড়ে সমর্থন জানিয়ে বলেন, আছি আছি। এ কথা শুনে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ।
এর
আগে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ
খাল’ পুনঃখনন স্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন
করেন প্রধানমন্ত্রী।
ফলক
উন্মোচনের পরে খালের তীরে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খালের তীরে
বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।
এই
সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোমিনুল
হক, জেলা সদস্য সচিব সলিম উল্যা সেলিম, শাহরাস্তি উপজেলা সভাপতি আয়াত আলী ভূঁইয়া, সহসভাপতি
আবু ইউসুফ রুপম উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৮
সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খোর্দ্দ খাল খনন করেছিলেন। ৪৮ বছর পর সেই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রয়াত জিয়াউর
রহমানের ছেলে তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


জাকার্তার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আসিয়ান ৪৩তম সম্মেলন ও ১৮তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দিবেন ।আজ সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বঙ্গভবনের প্রেস উইং।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, তার সহধর্মিণী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানা এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট নং বিজি- ৫৮৪ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কূটনৈতিক কোরের ডিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, পররাষ্ট্র সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবসহ (সংযুক্ত) ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতি জাকার্তা কনভেনশন সেন্টারে (জেসিসি) ৫-৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ৪৩তম আসিয়ান (দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলির সংস্থা) শীর্ষ সম্মেলনে এবং ১৮তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দেবেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি, ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী, আইওরা (IORA) মহাসচিব এবং আরও কয়েকজন রাষ্ট্রীয় নেতার সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
মন্তব্য করুন


দেশবাসীর
উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা
চলছে, সতর্ক থাকুন।’
তিনি
বলেন, ‘আজকে যারা দেশে এই অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক
থাকতে হবে। কারণ, দেশে এই মুহূর্তে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড
বাধাগ্রস্ত হবে। দেশের মানুষ বিপদে পড়বে।’
আজ
শনিবার ( ২৩ মে ) দুপুরে ত্রিশালের বৈলর এলাকার ‘ধরার খাল’
পুনঃখননের পর উপস্থিত নেতা-কর্মীসহ গ্রামবাসীদের এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা
বলেন।
পল্লবীতে
শিশু রামিসা হত্যার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে এই অত্যন্ত দুঃখজনক,
হৃদয় বিদারক একটি ঘটনা ঘটছে। এই ছোট্ট বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। প্রথম থেকে
আমরা বলে এসেছি যে, আইনের দৃষ্টিতে কোন ব্যক্তি যদি অপরাধ করে তাকে শাস্তি পেতে হবে।
আইনের শাসন আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। তবে সব কিছু নিয়ম কানুন মেনেই করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘যে কোন অন্যায়কারীকে শাস্তি দিতে হলে, তার বিচার করতে হলে সরকারের কতগুলা নিয়ম
কানুন আছে। অথচ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে কিছু সংখ্যক মানুষ একটা ঘোলাটে
পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করছে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিচ্ছে, যান বাহন চলাচল বন্ধ
করে দিচ্ছে, এখানে আগুন ধরাচ্ছে, ওখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। এই কাজগুলো যারা করে
তারা আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ক্ষমতায়
ছিল সেই সময় আমরা দেখেছি দেশে কয়েকটি দুঃখজনক এরকম অন্যায় ঘটেছে, সেই অন্যায় যখন ঘটেছে
আমি নিজে সেই সকল বাচ্চার মায়েদের সাথে কথা বলেছিলাম, আমাদের দলের আইনজীবী, আমাদের
দলের চিকিৎসকরা গিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে, আইনজীবীরা গিয়ে সেই আইনি সহায়তা করেছিল। আজকে
যেই ব্যক্তিরা হৈচৈ করছে, রাস্তা অবরোধ করছে, বড় বড় কথা বলছে, সেদিন কিন্তু তাদেরকে
আমরা মাঠে দেখিনি, সেদিন কিন্তু আমরা দেখিনি তারা অবরোধ করেছে।’
তিনি
প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাহলে কি আমরা ধরে নেব ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ
যেহেতু বিএনপিকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করতে ক্ষমতা দিয়েছে সেই জন্যই কোনো মহলের মনে জ্বালা
হচ্ছে এবং এই জ্বালার কারণেই তারা এসব ষড়যন্ত্র করছে?’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে। গত ৫ আগস্ট যাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ এই দেশ থেকে বিতাড়িত
করে দিয়েছিল, এখন যারা অরাজগতা সৃষ্টি করতে চাইছে তাদের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। যেভাবে
‘৯৬ সালে করেছিল, যেইভাবে ’৮৬ সালে করেছিল,
তাদের সাথে নতুন কয়েকটি লেজও গজিয়েছে। সুন্দর
ছোট ছোট লেজেও গজিয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা এই দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। যেই স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের
ভোটের অধিকার, মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, খেটে খাওয়া মানুষ, গ্রামে বাস
করা মানুষের সকল প্রকার উন্নয়ন বন্ধ করে দিয়েছিল সেই স্বৈরাচারকে এই বাংলাদেশের মানুষ
ছাত্র-জনতা রাজপথে একত্রিত হয়ে তাদেরকে এই দেশ থেকে বের করে দিয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের মানুষ দেশ গঠন করতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ তার ভাগ্যের পরিবর্তন
করতে চায়। ভাগ্যের পরিবর্তন যদি করতে হয় আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয়
করে তুলতে হবে, আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে ব্যবহার করতে হবে, তাহলেই
আমরা এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।’
জনগণের
ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা রুখতে হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলে, ‘আজকে সময় এসেছে
মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করার। অন্যদিকে যারা ন্যায় বিচারকে, সঠিক বিচারকে,
বাধাগ্রস্ত করার জন্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, মানুষের জন্য গৃহীত কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্তের
জন্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষকে সজাগ থাকতে হবে।’
তিনি
বলেন, ‘মনে রাখতে হবে এদেশের মালিক জনগণ। কিছু সংখ্যক মানুষ দেশে বিভ্রান্তি ছড়াবে
আর তারা সফল হয়ে যাবে,মানুষের ভাগ্যে নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে এই কাজ আর হতে দেওয়া যাবে
না। যারা জনগণের সাথে থাকবে জনগণের পাশে থাকবে, জনগণের জন্য কাজ করবে বাংলাদেশের জনগণ
তাদেরকেই সাথে নিয়ে এই দেশকে রক্ষা করবে যে কোন ষড়যন্ত্রের হাত থেকে।’
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমার ঘর আমাকেই দেখতে হবে। আমাদের দেশ আমাদেরকেই দেখতে হবে। আমাদের দেশের স্বাধীনতা,
আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব, আমাদের দেশের মানুষের স্বার্থ আমরাই দেখব এবং যে কোন ষড়যন্ত্র
প্রতিহত করব আমরা ইনশল্লাহ।’
ময়মনসিংহ-৭
আসনে সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী
আসাদুল হাবিব দুলুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এর
আগে প্রধানমন্ত্রী খাল পূনঃখনন স্থলে এসেই ফলক উন্মোচন করেন। এরপর তিনি নিজে খালের
কাছে গিয়ে কোদাল দিয়ে ‘ধরার খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। তিনি
খালের পাশে একটি তাল গাছের চারাও রোপণ করেন।
মন্তব্য করুন


আগামী বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার নির্ধারিত কর্মসূচি
অনুযায়ী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে স্থানীয় সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে জাতিসংঘ
সচিবালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। একই দিন
তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ
আল-সাবাহর সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা ২৫ সেপ্টেম্বর
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা
এবং ২৬ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয়
কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন, জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার
তুর্ক, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি
জেনারেল এবং এলডিসি, এলএলডিসি এবং সিআইডিএসের উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা, জাতিসংঘের
শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাপরিচালক
গিলবার্ট এফ হাউংবো, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, ইউএনডিপি প্রশাসক
আচিম স্টেইনার এবং ইউএসএআইডি প্রশাসক সামান্থা পাওয়ার নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ড. ইউনূসের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
ইউএনজিএর ৭৯তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য
প্রধান উপদেষ্টা এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট
সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
অবতরণ করে।
এর আগে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ
সময়) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল এ. চুলিক এবং অ্যান্ড্রু হেরাপের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত সে
দেশের একটি প্রতিনিধিদল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার
(১৭ এপ্রিল) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই সমর্থনের কথা জানান।
এ সময় তারা আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন প্রতিনিধি
দলটি।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা
বাংলাদেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
এবং এ ইস্যুতে অগ্রগতির জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ
জানান।
মিয়ানমার সরকার ১
লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করাকে
একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
যুক্তরাষ্ট্রের উপসহকারী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল এ. চুলিক বলেন, আপনার দৃষ্টিভঙ্গি প্রশংসনীয় যে আপনি রোহিঙ্গা
সংকটকে আলাদাভাবে না দেখে মিয়ানমারকে একটি সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা
আঞ্চলিক সহযোগিতা, সংযুক্ততা ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রধান
উপদেষ্টার দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ
ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং পুরো দ্বিপাক্ষিক
ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি
পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য পুনরায় চালু করায় এবং পাল্টা শুল্ক
আরোপের ক্ষেত্রে ৯০ দিনের বিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ
জানান। তিনি বলেন, আমরা তার বাণিজ্য কর্মসূচিকে সমর্থন করার কাজ অব্যাহত রেখেছি।
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র মিশনের প্রধান ট্রেসি অ্যান
জ্যাকবসন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন