হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন’ শীর্ষক একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। হাওর বা জলাধারের পানি দূষণ করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে খসড়ায়। অপরাধীর সহায়তাকারীও পাবেন একই শাস্তি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য হাওর ও জলাভূমিসহ সব প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর ১৬৮৩/২০১৪-তে দেওয়া আদেশে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী এ আইনের খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। খসড়াটি তারা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

খসড়ার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেশ কিছু মতামত এসেছে। যা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হবে। তারপর এটি মন্ত্রিসভায় উঠবে।

আরও পড়ুন >> পানিশূন্য তিস্তাপাড়ে কর্মহীন হাজারো জেলে-মাঝির দুর্দিন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, আইসিটি) গাজী মিজানুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করে কমিটি করা হয়েছিল। এরপর সবার সমন্বয়ে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় তার স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে পরবর্তী যা যা প্রক্রিয়া আছে সেগুলো শেষ করবে।

তিনি বলেন, মূলত হাইকোর্টে একটি মামলার রায়ের আলোকে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল আইন করার জন্য। সে আলোকে মন্ত্রণালয় আমাদের চিঠি দিয়েছিল। এরপর খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে।‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে হাওরাঞ্চল যেভাবে আছে সেটাকে রক্ষা করতে হবে, সুরক্ষিত করতে হবে। হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় সেই আলোকেই আইনটি হচ্ছে’— বলেন গাজী মিজানুর রহমান।

‘বিশ্ব জলাভূমি দিবসের স্লোগান হচ্ছে, যেসব জলাভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো পুনরুদ্ধার করতে হবে। এছাড়া বর্তমানে যেগুলো আছে সেগুলো বজায় রাখতেই হবে। সে আলোকে আইনের খসড়ায় আমরা সব বিষয় নিয়ে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি গেজেটের মাধ্যমে। আইন না থাকায় অনেক বিষয়ে সমাধানে আসা যাচ্ছিল না। বর্তমানে মৎস্য সম্পদ থেকে শুরু করে কৃষি সম্পদসহ অনেক কিছু মিলিয়ে হাওরাঞ্চল বিশাল সম্ভাবনাময়। কিন্তু আইন না থাকায় কিছু কাজ জোরালোভাবে করা যাচ্ছিল না। আইনটি পাস হলে হাওরাঞ্চল আরও সুরক্ষিত হবে বলে আমরা আশা করছি।’

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মেহরুবা ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর খসড়াটি তৈরি করেছে। খসড়ার বিষয়ে আমরা স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিলাম। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত আমরা সময় দিয়েছিলাম। কিছু মতামত এসেছে। আমরা সেগুলো কম্পাইল করছি।’

আরও পড়ুন >> আশীর্বাদের তিস্তা এখন অভিশাপ

যেসব মতামত এসেছে সেগুলো নিয়ে বৈঠক হবে। বৈঠকে স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে এসব মতামত নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে— যোগ করেন তিনি।

কী আছে আইনের খসড়ায়

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমির জরিপ, তালিকা প্রস্তুত, সীমানা চিহ্নিতকরণ ও জলাভূমি এলাকার মানচিত্র প্রস্তুত করা।  

(খ) হাওর ও জলাভূমি এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল, জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষার জন্য অভয়াশ্রম বা স্থায়ী অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা; সংরক্ষিত জলাভূমি এলাকা ঘোষণা এবং হাওর ও জলাভূমি সংস্কার, খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার।(গ) হাওর ও জলাভূমির পানির অন্তঃপ্রবাহ বা আন্তঃপ্রবাহ বা বহিঃপ্রবাহ অব্যাহত রাখার জন্য খনন বা পুনঃখনন।

(ঘ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত রাখা এবং হাওর ও জলাভূমির টেকসই ব্যবহার।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র উন্নত করার জন্য হাওর ও জলাভূমির যে কোন ধরনের পরিবর্তন।

(চ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষা করে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন।

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে নিম্নবর্ণিত কাজ থেকে বিরত থাকা বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমি থেকে এমনভাবে পানি প্রত্যাহার যার ফলে হাওর ও জলাভূমি শুকিয়ে যায় বা হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র বা জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(খ) পানিধারক স্তরের নিরাপদ সীমা ব্যাহত হয় এমনভাবে পানি উত্তোলন/আহরণ।

(গ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এমন কোনো কাজ।

(ঘ) হাওর ও জলাভূমির যে কোনো ধরনের পরিবর্তন যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোন অবকাঠামো নির্মাণ যা পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে এবং যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(চ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোনো দ্রব্য, পয়ঃ বা গৃহস্থালি বর্জ্য নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ছ) শিল্প কারখানার অপরিশোধিত তরল বা কঠিন বর্জ্য হাওর ও জলাভূমিতে নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(জ) অভয়াশ্রম হিসাবে ঘোষিত হাওর ও জলাভূমি এলাকায় পানি বা শব্দ দূষণ সৃষ্টিকারী যান্ত্রিক জলযান চালানো।

আরও পড়ুন >> টাঙ্গুয়ার হাওর : স্বর্গীয় জলজ সৌন্দর্যের আধার

(ঝ) অনুমোদিত বালুমহাল বা পাথরমহাল ব্যতীত হাওর ও জলাভূমি থেকে বালু বা পাথর উত্তোলন।

(ঞ) হাওর ও জলাভূমির অবৈধ দখল, ভরাট বা অননুমোদিত খনন।

(ট) হাওর ও জলাভূমি থেকে অবৈধভাবে সম্পদ আহরণ।

(ঠ) হাওর ও জলাভূমির অননুমোদিত পরিবর্তন বা রূপান্তর

(ড) প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ঘোষিত জলমহাল ইজারা প্রদান।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

সবুজ পাতায় স্বপ্ন দেখছেন বাদাম চাষিরা

সবুজ পাতায় স্বপ্ন দেখছেন বাদাম চাষিরা

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনার চরাঞ্চল শুকিয়ে জেগে উঠেছে যমুনার বুকে ধূসর বালুচর। আর এই বালুচরে অধিক লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। ইতিমধ্যে বাদাম গাছের সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে পুরো বালুচর। বালি মাটির নিচে রোপন করা এ বাদামই যেন চরাঞ্চলের কৃষকদের এখন লাভবান হওয়ার স্বপ্ন।

 

গত বছর বাদামের বাম্পার ফলন হওয়ায় এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বাদাম ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখছেন যমুনা চরাঞ্চলের কৃষক। যমুনা বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ধুধু বালুচরে সারিবদ্ধ বাদাম ক্ষেত দেখে চোখ জুড়ে যায়। বাদাম গাছ ভাল হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখে আশার আলো জ্বলছে।

 

বাদাম চাষিরা বলেন, প্রতি বছর বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে আমরা বন্যা পরবর্তী সময়ে জেগে উঠা চরে বাদাম চাষ করি। কারণ অল্পদিনে বাদাম চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া যায়। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

 

গাবসারা চরাঞ্চলের বাদাম চাষি গফুর মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৮ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ভালো লাভবান হয়েছিলাম। বাদামের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর আমি প্রায় ১২ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছরেও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

 

সুস্বাদু, মুখরোচক ও ভিটামিন সমৃদ্ধ এই ফসল একদিকে যেমন খাদ্যে যোগান দিয়ে থাকে অন্যদিকে তেলের চাহিদা পূরণ করে। বাদাম ক্ষেত থেকে কচিপাতা কেটে কৃষকরা তাদের গরু-ছাগলের খাওয়ান। এতে গরু-ছাগল তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্যবান হয়। তাছাড়া অন্য ফসলের মতো বাদামের জমিতে তেমন একটা সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। শুধু সময়মতো বীজ বুনে বাদাম ঘরে তোলার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। বীজরোপণে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তুলে সংগ্রহ ও হাট-বাজারে বিক্রি করা হয়।

 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর যমুনা চরাঞ্চলে ১ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চরাঞ্চলের বাদাম চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বাদামের বীজ বিতরণ করেছি। বাদামের ফলন ভালো করার জন্য  আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

কুমিল্লার ১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত আড়াই শ গ্রাম।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।

সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।

বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।

এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।


বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

লিওনেল মেসি ও বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস এই পানীয়টি বাজারে আনছে। এ বছরের মার্চে নিজের সামাজিক মাধ্যমে সর্বপ্রথম এই সম্পর্কিত ঘোষণা দেন মেসি। তিনি নিজেই জানান যে তিনি এই নিয়ে খুবই উৎসাহিত। মেসির এই পানীয়টি বাজারের অনান্য পানীয় থেকে আলাদা এবং সম্পূর্ণভাবে নন অ্যালকোহলিক হতে যাচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) মেসি নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে তার আসন্ন এই হাইড্রেশন ড্রিংকস সম্পর্কে আপডেট প্রকাশ করেন। তিনি জানান সর্বপ্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতে ড্রিংকসটি জুনের ১৪ তারিখ থেকে পাওয়া যাবে। ইন্সটাগ্রামে দেওয়া ভিডিওতে দেখা যায় মেসি ও তার স্ত্রী অ্যান্তোনেলা রোকুজ্জো ড্রিংকস প্রস্তুতকরা ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখছেন।

মেসি ভিডিওর ক্যাপশনে লেখন, ‘আমরা নিজেদের হাইড্রেশন ড্রিংকটি বাজারে আনার জন্য কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ, হাইড্রেশন সবার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু ঠিকঠাকভাবে হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। যেখানে আমাদের কাজটি এগিয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে মাত্রই ফিরলাম। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের হাইড্রেশন পানীয়টি কীভাবে তৈরি হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে জেনেছি।’

তবে মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডসের সাথে তৈরি করা পানীয় বাদেও মেসির আরো অনেক ব্যবসা ও পার্টনারশিপ রয়েছে যেখান থেকে বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বছরে বড় ধরনের অর্থ আয় করেন। ফোর্বসের মতে মেসির বর্তমান আর্থিক ভ্যালু প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মতো। অ্যাডিডাস, পেপসিকো, বাডউইসার ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা পান বিশ্বের সেরা এই ফুটবলার।

ফুটবলে সবচেয়ে বিখ্যাত খেলোয়াড়ের নাম বলতে বলা হলে প্রথমেই থাকবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিওনেল মেসির নাম। ফুটবলে প্রায় ২০ বছর ধরে রাজত্ব করা এই আর্জেন্টাইন ফুটবল যে যা যা পাওয়ার সবই পেয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ে ফুটবলকে পূর্ণতা দেওয়া মেসির হয়তো আর ফুটবল থেকে চাওয়ার কিছু নেই। তাই এবার ফুটবলের বাইরে ব্যবসার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই মহাতারকা।

ফুটবলের বাইরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত আছেন আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। যার মধ্যে রয়েছে হাইড্রেশন পানীয় তৈরির ব্যবসাও। মেসির নিজের ভাষ্যমতেই তিনি যে পানীয়টি বাজারজাত করতে যাচ্ছেন তা পানীয়র বাজারকে পুরোপুরি বদলে দিবে। মেসি ভক্তরাও অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে পানীয়টির জন্য। তাদেরও জানার আগ্রহ কবে থেকে পানীয়টি তারা বাজারে পাবে?

অবশ্য জুনে মেসির নন অ্যালকোহলিক হাইড্রেশন ড্রিংক বাজারে আসলেও পানীয়টির নাম এখনো ঠিক করা হয়নি।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

সাবেক প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার

সাবেক প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার

প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার। ঘটনাটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের তাঝৌ এলাকার।

কয়েকদিন আগে প্রেমিকার সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর প্রেমিকার মন গলাতে তার অফিসের সামনে হাঁটু গেড়ে পার করেছেন ২১ ঘণ্টা।

ওই ব্যক্তি তার প্রেমিকার অফিসের সামনে ২৮ মার্চ দুপুর ১টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত টানা হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ফুলের একটি তোড়া। এর মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে, আবহাওয়াও ছিল ঠান্ডা—এসব কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি ওই ব্যক্তির চেষ্টার কাছে।

হাঁটু গেড়ে বসে থাকায়  ওই ব্যক্তির চারপাশে ধীরে ধীরে জমতে থাকে স্থানীয় লোকজন। তারা অনেক চেষ্টা করেও ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে সেখান থেকে সরাতে পারে নাই। কিন্তু লোকজন জমলেও কোথাও দেখা যায়নি ওই ব্যক্তির প্রেমিকাকে। একপর্যায়ে পুলিশ আসে ওই ব্যক্তিকে বোঝানোর জন্য। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।  কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে’ ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ছাড়েন।

সূত্র: এনডিটিভি

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

গত ৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।

মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।


শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।

হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।

গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।

কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।

২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।

সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের

মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

 গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।

 মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।

 কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।

 বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।

 পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।

 কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।


২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

 ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

৬৫ কোটি আলোকবর্ষ পথ পেরিয়ে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সেই রহস্যময় বার্তা বয়ে নিয়ে এসেছে। সেই তরঙ্গের মধ্যে দিয়ে একটি রহস্যময় সঙ্কেত এসে পৌঁছেছে পৃথিবীতে।

সেই সঙ্কেতের রহস্যভেদ করতে দিনরাত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।মহাকাশে এক মৃত নক্ষত্রের সঙ্গে অজানা বস্তুর সংঘর্ষে তৈরি হওয়া মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে।

তেমনই এক মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ৬৫ কোটি আলোকবর্ষ পথ অতিক্রম করে গত বছর পৃথিবীতে এসেছে। ২০২৩ সালের মে মাসে বিজ্ঞানীরা এই তরঙ্গের হদিস পান। আর সেই তরঙ্গেই লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় সঙ্কেত।

তবে অনেক সময় তারাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিতে সৃষ্টি হয় ব্যাপক বিস্ফোরণের। বিজ্ঞানীদের ভাষায় এই বিস্ফোরণকে সুপারনোভা বলে। সেই বিস্ফোরণের ফলেও মৃত্যু হয় তারাদের।

তারাদের মৃত্যু। বিষয়টা শুনতে অবাক লাগলেও মহাকাশে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটছে। আমাদের মতো তারাদেরও জন্ম-মৃত্যু রয়েছে। মহাকাশেই তারাদের জন্ম হয়, সেখানেই মৃত্যু হয়। কিন্তু মৃত্যুর পর থেমে যায় না তারারা। কৃষ্ণগহ্বরের আক্রমণেই মৃত্যু হয় তারাদের।

নিউট্রন তারা কী? এই সব তারা পুরোটাই নিউট্রন কণা দিয়ে তৈরি হয়। এদের ভর সাধারণত সূর্যের ভরের দেড় থেকে দু’গুণ হয়। এই সব নক্ষত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র থাকে, যা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের থেকে লক্ষ কোটি গুণ বেশি হয়। এই সব বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়েই চর্চা করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সেখান থেকেই মেলে নতুন নতুন তথ্য।

বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই দুই গ্রহও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।তারাদের মৃত্যু। বিষয়টা শুনতে অবাক লাগলেও মহাকাশে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটছে। আমাদের মতো তারাদেরও জন্ম-মৃত্যু রয়েছে। মহাকাশেই তারাদের জন্ম হয়, সেখানেই মৃত্যু হয়। কিন্তু মৃত্যুর পর থেমে যায় না তারারা। কৃষ্ণগহ্বরের আক্রমণেই মৃত্যু হয় তারাদের

সম্প্রতি মহাশূন্যে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত দুই গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। জানা যায়, এই দুই গ্রহ মহাকাশে দুই মৃত নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। এই দুই গ্রহের ভর বেশ কয়েকটি বৃহস্পতি গ্রহের সম্মিলিত ভরের সমান।

তেমনই এক মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ৬৫ কোটি আলোকবর্ষ পথ অতিক্রম করে গত বছর পৃথিবীতে এসেছে। ২০২৩ সালের মে মাসে বিজ্ঞানীরা এই তরঙ্গের হদিস পান। আর সেই তরঙ্গেই লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় সঙ্কেত।

মহাবিশ্বকে গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এই সব মহাকর্ষীয় তরঙ্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতীতে এই সব মহাকর্ষীয় তরঙ্গ দ্বারা বয়ে আনা বার্তার রহস্যভেদ করা খুবই কঠিন ছিল। তাই মহাকাশে ঘটে চলা অনেক কিছুই অজানা ছিল বিজ্ঞানীদের কাছে। তবে এখন সেই সব তরঙ্গ অধ্যয়ন করে বিজ্ঞানীরা জানতে পারছেন অনেক অজানা তথ্য। মনে করা হচ্ছে, গত বছর মে মাসে আসা জিডব্লিউ২৩০৫২৯ নামক তরঙ্গ থেকে এমন কিছু জানা যাবে, যা মহাকাশের এক নতুন দরজা খুলে দেবে।

বিজ্ঞানীদের মতে, নিউট্রন তারা এবং এক অজানা বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষেই তৈরি হয়েছে জিডব্লিউ২৩০৫২৯ তরঙ্গ। ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জেস ম্যাকআইভার এই বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘‘নিউট্রন তারা এবং কম ভরের কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যে এই ধরনের সংঘর্ষের হার আমরা আগে যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে বেশি হতে পারে।’’

ম্যাকআইভার এ-ও জানান, নিউট্রন তারার সঙ্গে অজানা বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষে এমন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের উৎপত্তির মতো ঘটনা বিরল। তাই এই তরঙ্গে যে সঙ্কেতের আভাস মিলেছে তা নিয়ে উৎসাহ রয়েছে।


তেমনই এক মৃত নিউট্রন তারার সঙ্গে অজানা বস্তুর সংঘর্ষে সৃষ্টি হয়েছে জিডব্লিউ২৩০৫২৯ তরঙ্গের। তবে এই তরঙ্গের সঠিক উৎস নির্ধারণ করতেও সময় লাগে বিজ্ঞানীদের। পাঁচ দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তরঙ্গের উৎসস্থল সম্পর্কে ধারণা মেলে বিজ্ঞানীদের।

 এক নক্ষত্রের মৃত্যু এবং তা থেকে আসা অজানা সঙ্কেতই এখন মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে বিজ্ঞানীদের। কী ভাবে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সৃষ্টি হয়? অ্যালবার্ট আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, মহাকাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গ্রহ-নক্ষত্র এবং কৃষ্ণগহ্বরের মতো বিশাল বস্তুগুলি প্রায়ই নিজেদের গতি পরির্তন করে থাকে। সে সময়ই সৃষ্টি হয় মহাকর্ষীয় তরঙ্গের। এই সব তরঙ্গ আলোর গতিতে বাইরে বেরিয়ে আসে।

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা পাঠাল দূরের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত চমকে দিল বিজ্ঞানীদের

মহাকাশে এক মৃত নক্ষত্রের সঙ্গে অজানা বস্তুর সংঘর্ষে তৈরি হওয়া মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিজ্ঞানীদের মধ্যে। সেই তরঙ্গের মধ্যে দিয়ে একটি রহস্যময় সঙ্কেত এসে পৌঁছেছে পৃথিবীতে। সেই সঙ্কেতের রহস্যভেদ করতে দিনরাত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

এক নক্ষত্রের মৃত্যু এবং তা থেকে আসা অজানা সঙ্কেতই এখন মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে বিজ্ঞানীদের। ৬৫ কোটি আলোকবর্ষ পথ পেরিয়ে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সেই রহস্যময় বার্তা বয়ে নিয়ে এসেছে।

কী ভাবে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের সৃষ্টি হয়? অ্যালবার্ট আইনস্টানের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, মহাকাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গ্রহ-নক্ষত্র এবং কৃষ্ণগহ্বরের মতো বিশাল বস্তুগুলি প্রায়ই নিজেদের গতি পরির্তন করে থাকে। সে সময়ই সৃষ্টি হয় মহাকর্ষীয় তরঙ্গের। এই সব তরঙ্গ আলোর গতিতে বাইরে বেরিয়ে আসে।

মহাবিশ্বকে গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এই সব মহাকর্ষীয় তরঙ্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতীতে এই সব মহাকর্ষীয় তরঙ্গ দ্বারা বয়ে আনা বার্তার রহস্যভেদ করা খুবই কঠিন ছিল। তাই মহাকাশে ঘটে চলা অনেক কিছুই অজানা ছিল বিজ্ঞানীদের কাছে। তবে এখন সেই সব তরঙ্গ অধ্যয়ন করে বিজ্ঞানীরা জানতে পারছেন অনেক অজানা তথ্য। মনে করা হচ্ছে, গত বছর মে মাসে আসা জিডব্লিউ২৩০৫২৯ নামক তরঙ্গ থেকে এমন কিছু জানা যাবে, যা মহাকাশের এক নতুন দরজা খুলে দেবে।

বিজ্ঞানীদের মতে, নিউট্রন তারা এবং এক অজানা বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষেই তৈরি হয়েছে জিডব্লিউ২৩০৫২৯ তরঙ্গ। ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক জেস ম্যাকআইভার এই বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘‘নিউট্রন তারা এবং কম ভরের কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যে এই ধরনের সংঘর্ষের হার আমরা আগে যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে বেশি হতে পারে।’’

ম্যাকআইভার এ-ও জানান, নিউট্রন তারার সঙ্গে অজানা বস্তুর সঙ্গে সংঘর্ষে এমন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের উৎপত্তির মতো ঘটনা বিরল। তাই এই তরঙ্গে যে সঙ্কেতের আভাস মিলেছে তা নিয়ে উৎসাহ রয়েছে।

নিউট্রন তারা কী? এই সব তারা পুরোটাই নিউট্রন কণা দিয়ে তৈরি হয়। এদের ভর সাধারণত সূর্যের ভরের দেড় থেকে দু’গুণ হয়। এই সব নক্ষত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র থাকে, যা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রের থেকে লক্ষ কোটি গুণ বেশি হয়। এই সব বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়েই চর্চা করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। সেখান থেকেই মেলে নতুন নতুন তথ্য।

তেমনই এক মৃত নিউট্রন তারার সঙ্গে অজানা বস্তুর সংঘর্ষে সৃষ্টি হয়েছে জিডব্লিউ২৩০৫২৯ তরঙ্গের। তবে এই তরঙ্গের সঠিক উৎস নির্ধারণ করতেও সময় লাগে বিজ্ঞানীদের। পাঁচ দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর তরঙ্গের উৎসস্থল সম্পর্কে ধারণা মেলে বিজ্ঞানীদের।


সম্প্রতি মহাশূন্যে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত দুই গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। জানা যায়, এই দুই গ্রহ মহাকাশে দুই মৃত নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। এই দুই গ্রহের ভর বেশ কয়েকটি বৃহস্পতি গ্রহের সম্মিলিত ভরের সমান। বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই দুই গ্রহও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

 অত্যধিক গরমে তাই নাজেহাল কমবেশি সকলেই। তীব্র গরমে অস্বস্তি যেমন রয়েছে, তেমনই অনেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ডায়েরিয়া, বমি, হজমের গোলমাল তো লেগেই আছে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে আরও বেশ কিছু অসুখের। মাত্রাতিরিক্ত গরম থেকেই হানা দিচ্ছে নানা ধরনের অসুস্থতা। চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামীর কথায়, ‘‘যা গরম পড়েছে, তাতে সুস্থ থাকা সত্যিই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সুস্থ তো থাকতেই হবে। তার জন্য প্রথমেই রোদ এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই প্রখর রোদের তাপ থেকেই বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।’’ গ্রীষ্মের মরসুম শুরুর সময় থেকেই ‘হিট ওয়েভ’ সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তাপপ্রবাহ থেকে কোন রোগগুলির ঝুঁকি বা়ড়ছে? জানাচ্ছেন চিকিৎসক।

হিট পিডিমা

গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়। চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই। বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা যায়।

হিট স্ট্রোক

গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়। শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

 

হিট ক্র্যাম্প

গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড় এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।

 

হিট টিটানি

অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময় হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।

 হিট সিঙ্কোপ

মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়। এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।

  ঘামাচি

ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।

 


global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরী

তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরী

চীনের মহানগরী বেইজিং-এর ১০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রতীরবর্তী তিয়ানজিনে তৈরি হয়েছে এই লাইব্রেরি। ডাচ আর্কিটেক্ট কোম্পানি MVRDV এবং চীনের ডিজাইনার কোম্পানি TUPDI তৈরি করেছে এই লাইব্রেরি।

১৩.৫ লক্ষাধিক বইয়ের সমারোহ এবং সায়েন্স ফিকশনের মত স্থাপত্যকলার এক মূর্তিমান শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরি।

প্রায় ৩৩ হাজার ৭০০ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে চীনের তিয়ানজিনে অবস্থিত এই পাবলিক লাইব্রেরিটি । ৫তলা উঁচু এই লাইব্রেরিটিতে স্তরে স্তরে সাজানো আছে প্রায় ১৩.৫ লক্ষাধিক বই।

এই অত্যাশ্চর্য স্থাপনাটি দেখতে প্রতিদিন এখানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ভিড় করে। ২০১৭ সালে নির্মাণ হওয়া লাইব্রেরিটিতে এই কম সময়ে প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ ভ্রমণ করেছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

নায়িকা ববি অভিনীত সিনেমা ‘ময়ূরাক্ষী’ মুক্তি পাবে ঈদের পরে

নায়িকা ববি অভিনীত সিনেমা ‘ময়ূরাক্ষী’ মুক্তি পাবে ঈদের পরে

বর্তমান সময়ের চলচ্চিত্র নায়িকা হিসেবে পরিচিত ইয়ামিন হক ববি  অভিনীত সিনেমা ‘ময়ূরাক্ষী’ গতকাল (১১ জুন) সেন্সর ছাড়পত্র পায়।রাশিদ পলাশের পরিচালনায় সিনেমাটি ঈদের পরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। 

গোলাম রাব্বানীর গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপে সিনেমাটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়ামিন হক ববি ও সুদীপ বিশ্বাস দ্বীপ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, সুমিত সেনগুপ্ত, ফারজানা ছবি, সমু চৌধুরী, দীপক সুমন, সাবিনা পুঁথি, ফারুক, দীপক সুমন, মুহিন খান, মানিক শাহ, জুলফিকার চঞ্চলসহ অনেকেই। 

রাশিদ পলাশ বলেন, ‘আসছে ঈদে মুক্তির তালিকায় বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে। ঈদের পরে ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমাটি মুক্তি দিব। পোস্টার রিলিজের মাধ্যমে আজ থেকে এই ছবিটির আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।’ 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওরের পানি দূষণ করলে ৫ বছরের জেল

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন’ শীর্ষক একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। হাওর বা জলাধারের পানি দূষণ করলে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের বিধান করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে খসড়ায়। অপরাধীর সহায়তাকারীও পাবেন একই শাস্তি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য হাওর ও জলাভূমিসহ সব প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নম্বর ১৬৮৩/২০১৪-তে দেওয়া আদেশে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশনা রয়েছে। সে অনুযায়ী এ আইনের খসড়া তৈরি করেছে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর। খসড়াটি তারা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

খসড়ার বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিল পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেশ কিছু মতামত এসেছে। যা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হবে। তারপর এটি মন্ত্রিসভায় উঠবে।

আরও পড়ুন >> পানিশূন্য তিস্তাপাড়ে কর্মহীন হাজারো জেলে-মাঝির দুর্দিন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, আইসিটি) গাজী মিজানুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করে কমিটি করা হয়েছিল। এরপর সবার সমন্বয়ে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় তার স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে পরবর্তী যা যা প্রক্রিয়া আছে সেগুলো শেষ করবে।

তিনি বলেন, মূলত হাইকোর্টে একটি মামলার রায়ের আলোকে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল আইন করার জন্য। সে আলোকে মন্ত্রণালয় আমাদের চিঠি দিয়েছিল। এরপর খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে।‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে হাওরাঞ্চল যেভাবে আছে সেটাকে রক্ষা করতে হবে, সুরক্ষিত করতে হবে। হাওরাঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় সেই আলোকেই আইনটি হচ্ছে’— বলেন গাজী মিজানুর রহমান।

‘বিশ্ব জলাভূমি দিবসের স্লোগান হচ্ছে, যেসব জলাভূমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো পুনরুদ্ধার করতে হবে। এছাড়া বর্তমানে যেগুলো আছে সেগুলো বজায় রাখতেই হবে। সে আলোকে আইনের খসড়ায় আমরা সব বিষয় নিয়ে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি গেজেটের মাধ্যমে। আইন না থাকায় অনেক বিষয়ে সমাধানে আসা যাচ্ছিল না। বর্তমানে মৎস্য সম্পদ থেকে শুরু করে কৃষি সম্পদসহ অনেক কিছু মিলিয়ে হাওরাঞ্চল বিশাল সম্ভাবনাময়। কিন্তু আইন না থাকায় কিছু কাজ জোরালোভাবে করা যাচ্ছিল না। আইনটি পাস হলে হাওরাঞ্চল আরও সুরক্ষিত হবে বলে আমরা আশা করছি।’

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মেহরুবা ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর খসড়াটি তৈরি করেছে। খসড়ার বিষয়ে আমরা স্টেকহোল্ডারদের মতামত চেয়েছিলাম। এজন্য ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত আমরা সময় দিয়েছিলাম। কিছু মতামত এসেছে। আমরা সেগুলো কম্পাইল করছি।’

আরও পড়ুন >> আশীর্বাদের তিস্তা এখন অভিশাপ

যেসব মতামত এসেছে সেগুলো নিয়ে বৈঠক হবে। বৈঠকে স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে এসব মতামত নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে— যোগ করেন তিনি।

কী আছে আইনের খসড়ায়

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমির জরিপ, তালিকা প্রস্তুত, সীমানা চিহ্নিতকরণ ও জলাভূমি এলাকার মানচিত্র প্রস্তুত করা।  

(খ) হাওর ও জলাভূমি এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল, জলজ বাস্তুতন্ত্র এবং পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষার জন্য অভয়াশ্রম বা স্থায়ী অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা; সংরক্ষিত জলাভূমি এলাকা ঘোষণা এবং হাওর ও জলাভূমি সংস্কার, খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার।(গ) হাওর ও জলাভূমির পানির অন্তঃপ্রবাহ বা আন্তঃপ্রবাহ বা বহিঃপ্রবাহ অব্যাহত রাখার জন্য খনন বা পুনঃখনন।

(ঘ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত রাখা এবং হাওর ও জলাভূমির টেকসই ব্যবহার।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র উন্নত করার জন্য হাওর ও জলাভূমির যে কোন ধরনের পরিবর্তন।

(চ) হাওর ও জলাভূমির উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ পরিবেশ, প্রতিবেশ রক্ষা করে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন।

হাওর ও জলাভূমি সুরক্ষা বলতে নিম্নবর্ণিত কাজ থেকে বিরত থাকা বোঝাবে-

(ক) হাওর ও জলাভূমি থেকে এমনভাবে পানি প্রত্যাহার যার ফলে হাওর ও জলাভূমি শুকিয়ে যায় বা হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, বাস্তুতন্ত্র বা জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(খ) পানিধারক স্তরের নিরাপদ সীমা ব্যাহত হয় এমনভাবে পানি উত্তোলন/আহরণ।

(গ) পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে এমন কোনো কাজ।

(ঘ) হাওর ও জলাভূমির যে কোনো ধরনের পরিবর্তন যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ঙ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোন অবকাঠামো নির্মাণ যা পানির স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে এবং যার ফলে হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(চ) হাওর ও জলাভূমিতে এমন কোনো দ্রব্য, পয়ঃ বা গৃহস্থালি বর্জ্য নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(ছ) শিল্প কারখানার অপরিশোধিত তরল বা কঠিন বর্জ্য হাওর ও জলাভূমিতে নিক্ষেপ বা মিশ্রণ বা নিঃসরণ যার ফলে পানি দূষিত হয় বা হাওর ও জলাভূমির পরিবেশ, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল এবং জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

(জ) অভয়াশ্রম হিসাবে ঘোষিত হাওর ও জলাভূমি এলাকায় পানি বা শব্দ দূষণ সৃষ্টিকারী যান্ত্রিক জলযান চালানো।

আরও পড়ুন >> টাঙ্গুয়ার হাওর : স্বর্গীয় জলজ সৌন্দর্যের আধার

(ঝ) অনুমোদিত বালুমহাল বা পাথরমহাল ব্যতীত হাওর ও জলাভূমি থেকে বালু বা পাথর উত্তোলন।

(ঞ) হাওর ও জলাভূমির অবৈধ দখল, ভরাট বা অননুমোদিত খনন।

(ট) হাওর ও জলাভূমি থেকে অবৈধভাবে সম্পদ আহরণ।

(ঠ) হাওর ও জলাভূমির অননুমোদিত পরিবর্তন বা রূপান্তর

(ড) প্রাকৃতিক ভারসাম্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ঘোষিত জলমহাল ইজারা প্রদান।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যালয়ে ভর্তিতে ৫ শতাংশ কোটার আদেশ বাতিল

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ উপদেষ্টাদের মধ্যে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন

কুমিল্লায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ক্রমেই যাচ্ছে অবনতির দিকে

বন্যাদুর্গত তিন জেলায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ উদ্ধার করেছে কুমিল্লা সেনাবাহিনী

ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ

নতুন ‘রাজনৈতিক দল’ গঠন করছেন শিক্ষার্থীরা

দুধ খাওয়ার সময় চার তলা থেকে পড়ে দোতলার কার্নিশে আটকে গেল সন্তান

১০

ফুটবলে তারকা মেসি ‘হালাল’পানীয়টি বাজারে আনছেন, বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস

১১

চট্টগ্রাম থেকে ১৪ মে হজ ফ্লাইট শুরু

১২

রাত ১১টার পর চা-পানের দোকান বন্ধের নির্দেশ- ডিএমপি কমিশনার

১৩

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৪

ভূমিকম্প একদিনে ২০০টির বেশি- ক্ষতিগ্রস্ত তাইওয়ান

১৫

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৪৬১৯৯

১৬

আকাশে ‘হিরের আংটি’ বিজ্ঞানীদের নজরে কি ঘটলো !

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

মৃত্যুর আগে শেষ বার্তা দিলেন মহাকাশের নক্ষত্র, রহস্যময় সঙ্কেত!

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০