

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট নিরসন, সময় অপচয়রোধ ও অতিরিক্ত খরচ রোধে চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার প্রসন্নকাপ গ্রামের মাঠে রাইসপ্লান্টারের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপন করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবু তাহের, এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি, ওসি এম আব্দুল হালিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওসমান গণি।
আয়োজকরা জানায়, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় প্রসন্নকাপ গ্রামের ৮০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হবে। এই পদ্ধতিতে বীজতলা ও ধানের চারা রোপণে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষিতে খুলছে এক নতুন দুয়ার।
তাছাড়া প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে জমি ও সময় অপচয়রোধে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যুগোপযোগী পদ্ধতি হচ্ছে সমলয় চাষ। স্বল্প জমিতে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে লাগানো যায় ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করলে সময় কম লাগবে।' এতে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিক সংকট দূর হবে। কৃষকরা আরও বেশী লাভবান হবেন।
এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফারুকুল ইসলাম,শম্ভু নাথ,অমল সরকার,প্রসন্নকাপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিবাস চন্দ্র গোপ,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, সাধারন সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ,ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান বাহাদুর সহ এলাকার কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনের ট্রিপ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। স্পেশাল ট্রেনটি দিনে ২ বারের পরিবর্তে ৪ বার যাতায়াতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ প্রস্তাবনা গৃহীত হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
তারা বলছেন, বিদ্যমান জনবল এবং লজিস্টিকস ব্যবহার করেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার স্পেশালকে নিয়মিত করা ও ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।
তাই রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেন্ডেন্টের প্রস্তাবটি রেলভবন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিপুল যাত্রীচাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে।
গত ১১ ডিসেম্বর রেলওয়ে মহাপরিচালককে চিঠি দেন পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। ওই চিঠিতে বলা হয়, যাত্রী চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ট্রেন স্থায়ীভাবে পরিচালনার জন্য কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকার সামাজিক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি আরও এক জোড়া ট্রেন যোগ করে এখন দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার প্রস্তাব করা হলো।
নতুন প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রথম ট্রেন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছাড়বে সকাল সাড়ে ৬টায়। কক্সবাজারে পৌঁছাবে সকাল ১০টায়। ওই ট্রেন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার রেলস্টেশন ছেড়ে যাবে। চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর সোয়া ২টায়। চট্টগ্রাম থেকে দুপুর পৌনে তিনটায় ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ফের ছেড়ে যাবে। ওই ট্রেন কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে। কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টায় আবার ছাড়বে। সেটি চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছাবে রাত সাড়ে ১০টায়।
জানা যায়, ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ২০২৩ সালের নভেম্বরে উদ্বোধনের পর প্রথম এই রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় ২০২৩ এর ১ ডিসেম্বর। বিপুল যাত্রীচাহিদা থাকলেও এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি নিয়মিত ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
এর বড় কারণ হচ্ছে, বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যমান ব্যবস্থায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ফলে এই রুটে স্বাভাবিক সময়েই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন অনেকটা ‘সোনার হরিণ’পাওয়ার সমান।
এমন বাস্তবতায় ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গত ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ঈদের দিন বাদ দিয়ে সেটি চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ১৭ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই ট্রেন ফের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ট্রেনটি এখনও চলছে।
রেলওয়ের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম) এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, কক্সবাজার রুটে ট্রেনের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিন ও কোচসংকটের কারণে নতুন ট্রেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এখন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত যে বিশেষ ট্রেন চলছে, তা দিয়ে দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেন বাড়লে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মন্তব্য করুন


যারা নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের তথ্যে কোনো ভুল বা কারো কোনো দাবি আপত্তি থাকলে আগামী ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ সংক্রান্ত আবেদন নেবেন।
ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন সহায়তা শাখা-২’র সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী।
গত ২ জানুয়ারি হালনাগাদ করা ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর ভুল-ভ্রান্তি বা কারো কোনো দাবি আপত্তি থাকলে আবেদন করতে হবে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে। ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দাবি আপত্তিগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। আর ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানায়, হালনাগাদের আগে ভোটার ছিল ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। নতুন করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৫২ জন। এ হিসেবে ভোটার সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৫১২ জন। ভোটার বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, দাবি আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই সময়ের মধ্যে কারো কোনো দাবি বা আপত্তি থাকলে তা জানাতে পারবেন। ১৭ জানুয়ারি দাবি আপত্তি জানানোর শেষ সময়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপক্ষো করেই জমি তৈরি করে বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা। কৃষকদের আশা, আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার তারা বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবেন। গেল বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় কচুয়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইরি-বোরো ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ফলে উপজেলার গ্রামাঞ্চল কিংবা পৌরসভার আবাদী ও অনাবাদী জমিতে ব্যাপকহারে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে শ্যালো মেশিন কিংবা পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি দিয়ে ধান রোপণের জন্য জমি উপযোগী করে তুলছেন বেশিরভাগ কৃষক। অধিকাংশ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা ও বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমি।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে দেখা যায় ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পালাখাল, সাচার, বিতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পুরোদমে বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গেলো বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় এবারও দাম ভালো পাওয়ার আশায় আছেন চাষিরা।
পালাখাল গ্রামের ধান চাষী ফজল হক ও ফজলু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ধানের দাম বাজার বেশি থাকায় বোরো রোপণ করছি অধিকাংশ জমিতে। আরও অনেক জমিতে রোপণ করা বাকি আছে। বাজারের ধানের দাম বেশি। তাই বোরো ধান চাষ বেশি আবাদ করবেন বলে জানান তারা।
দোয়াটি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা অনেক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন করেছি, বাকী জমি গুলোতে পর্যায়ক্রমে রোপন করা হবে। আশা করছি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের ফলন ভালো হলে দাম পাওয়া যাবে।
এব্যাপারে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বোরো চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তবে এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রোপণ হতে পারে বলেও জানান তিনি। তাছাড়া বোরো আবাদে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃ-ত্যু হয়েছে। শিশু দুইটির নাম পিঙ্কি দাস ও উর্মিলা মারাক।
রোববার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে ত্রিপুরার পশ্চিম জেলার শ্রীনগর থানার অন্তর্গত নাগিছড়া কালীদাসপাড়া এলাকায়।
জানা যায়, রোববার দুপুরে পিঙ্কি ও উর্মিলা আরেক শিশুর সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর ওই শিশু পুকুর থেকে ডাঙায় উঠে আসে। কিন্তু পিঙ্কি ও উর্মিলা পানিতে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে শ্রীনগর থানায় পুলিশ ও আনন্দনগর ফায়ারসার্ভিসের কর্মীরা ঘটনা স্থলে পৌঁছে শিশু দুটির নিথর দেহ উদ্ধার করে। পরে তাদের আনন্দনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পিঙ্কি দাস কালীদাসপাড়ার শঙ্কর দাসের মেয়ে, বয়স ৯ বছর। উর্মিলা মারাকের বয়স ১০, বাবার নাম রাজেন মারাক।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন বিইআরসি কার্যালয়ে নতুন এই দাম ঘোষণা করেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন জানান, প্রতি কেজি এলপিজির দাম হবে ১০৭ টাকা ১ পয়সা। সে অনুসারে দাম বাড়বে সাড়ে ৫ থেকে ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের।
নতুন সমন্বিত দাম অনুসারে, যানবাহনে ব্যবহৃত প্রতি লিটার সিএনজির দাম হবে ৫৮ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগে ছিল ৫২ টাকা ১৭ পয়সা।
সেপ্টেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৮৪ টাকা। গত মাসে এটা ১৪১ টাকা বেড়েছিল।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। ঘোষিত নতুন দাম কার্যকর হবে রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। নতুন বছরের এমন নতুন বই পেয়ে আনন্দ উল্লাসিত তারা। মাদ্রাসার ১ম শ্রেনী থেকে নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব বই বিতরণ করা হয়।
এদিকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জানান, বছরের প্রথমে বই পেয়ে আমরা আনন্দিত। এজন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. সাদেকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও আরবী প্রভাষক নেয়ামত উল্যাহর পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ উল্যাহ,মঈনুল হাসান,সহকারী মৌলভী আব্দুল কুদ্দুস খান সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস ও জমঈয়তে শুব্বানে আহলে হাদীস।
তাদের যৌথ উদ্যোগে দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামিআ দারুত তাওহীদ একাডেমী মাদ্রাসা মাঠে সকালে এলাকার গরীব ও অসহায় শীতার্ত পরিবার এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শীত নিবারণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি শায়েখ আকরামুজ্জামান,সেক্রেটারী হাজী মো. দুলাল মিয়া, সহ-সেক্রেটারী আব্দুল মালেক মিয়াজী সহ আরো অনেকে।
এসময় জামিআ দারুত তাওহীদ মাদ্রাসার সহ-সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মজুল হক, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক রিয়াদ হোসেন, সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, ওমর ফারুক, ফরিদ হোসেন, সমাজেসবক শাহ জালাল মিয়া, হাজী আব্দুল জাব্বার, মতিন মিয়া সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


যে সকল ব্যক্তি নিরক্ষর, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ছবির নিচে টিপসই (আঙুলের ছাপ) প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিস্টেম ম্যানেজারকে নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
ইসির এনআইডি মহাপরিচালক মো. মাহবুব আলম তালুকদার নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে এনআইডি পরিচালককেও (অপারেশনস) পাঠিয়েছেন।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো উপজেলায় বদলি জনিত কারণে পদ ফাঁকা হলে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিকল্প কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। অর্থাৎ পদ ফাঁকা রাখা যাবে না।
এছাড়া নতুন ভোটার নিবন্ধনে ডাকঘর এন্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যা নিরসন করা, নতুন ভোটার শনাক্তকারীর এনআইডি ডাটাবেজে রাখা ও তদন্ত দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
অন্যদিকে নিরক্ষর ভোটারের এনআইডিতে ছবির নিচে আঙুলের ছাপ, ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদনকারীর সশরীরে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, বিদেশে অবস্থিত মিশন হতে সংগৃহীত জন্ম সনদে মুদ্রণজনিত ত্রুটি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জাানায়, নিরক্ষর ব্যক্তিদের এনআইডিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা দীর্ঘ দিনের। অনেকে আবেদনে স্বাক্ষর না পারলেও কোনো একটা স্বাক্ষর করে দেন৷ কিন্তু পরবর্তীতে সেটা আর মেলে না৷ আবার যারা স্বাক্ষর করেন না, তাদের জন্যও কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই এখন থেকে এনআইডিতে ছবির নিচে নিরক্ষরদের আঙুলের ছাপ প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাঁচাইয়া গ্রামে অবস্থিত আল বারাকা আইয়িাল একাডেমীতে ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকালে একাডেমী মাঠে স্থানীয় অভিভাবক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সাথে এ সভা করা হয়। কুরআন তেলওয়োতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আল বারাকা আইয়িাল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব আবুল বারাকাত বাবুল।
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আজিজের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৎস্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. মো: আবুল হাসানাত।
এসময় বক্তারা বলেন, দ্বীন ও আধুনিক শিক্ষা গ্রহনের লক্ষে এ একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাশাপাশি একঝাঁক তরুন মেধাবী শিক্ষকদের দিয়ে পাঠদান ও নৈতিক মানোন্নয়নে বিশেষ কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে। এজন্য সকলের সার্বিক বুদ্ধি পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন একাডেমীর কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মেঘদাইর ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল,নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান,প্রভাষক আব্দুর রহিম,একাডেমীর পরিচালক সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর সহ আরো অনেকে।
অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সেলিম মিয়া। এসময় স্থানীয় অভিভাবক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ দরবার শরীফের আওতাধীন জামেয়া আহমাদিয়া সফিবাদ মাদরাসা ও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
নতুন বছরের শুরুতে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব বই বিতরণ করেন সফিবাদ দরবার শরীফের পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম।
এদিকে সফিবাদ দরবার শরীফের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিরাজাম মুনিরা ফাউন্ডেশন ও একদল তরুন দক্ষ শিক্ষকদের সঠিক পাঠদানের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষা অর্জনে পড়াশুনা করে যাচ্ছে।
এসময় সিংআড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনি মাষ্টার সহ মাদ্রাসার শিক্ষক সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাও প্রদান করা হয়। মাদ্রাসার সফলতা ও শিক্ষার মান অগ্রগতি কামনায় সকলের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম। তাছাড়া বছরের শুরুতে মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন