

ক্ষমতায় গেলে বিএনপি মানুষের ভোটের অধিকার ও বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার যুবদলের এক সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। বিএনপি মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে কাজ করছে। আগামীর নীতি জনগণের উন্নয়নের রাজনীতি। ভোটের অধিকার ও বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে বিএনপি। জনগণই বিএনপির একমাত্র শক্তি।’
বিএনপি কর্মমুখী শিক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সকল কাজ করবে বিএনপি। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করবে সরকার। বিএনপি সরকারে এলে কর্মক্ষম জনগণকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করে কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এমনকি বিভিন্ন ভাষায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের বিদেশে কাজ করার সক্ষমতা তৈরিতে কাজ করবে বিএনপি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে সারা দেশে হেলথ কেয়ার চালু করা হবে। এখানে বেশির ভাগ কর্মী হবে নারী। সরকার গঠন করলে শহীদ জিয়াউর রহমানের খালখনন কর্মসূচি আবারও শুরু করবে বিএনপি।’
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে শুধু অতীতের সাফল্যই নয়—ভবিষ্যতের পথও নির্ধারণ করবে জনগণের আস্থা। আমি যুবদলের প্রতি আহ্বান জানাই, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন, তাদের আস্থার প্রতিদান দিন। কারণ যে নেতৃত্ব জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে, সেই-ই প্রকৃত নেতা। আর জনগণের সহায়তা ছাড়া নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব নয়।’
মন্তব্য করুন


ভোটের মাঠে যাদের তিনটা ভোটও নেই, তারাই বড় গলায় নির্বাচন হতে না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, আমি হিসেব করছিলাম নির্বাচনের আর ২৩ দিন বাকি। এখন অনেকেই বলছে- নির্বাচন হবে কিনা, বাধা দেব, করতে দেব না। খবর নিয়ে দেখেন তাদের তিনটা ভোটও নেই।
ওরা আবার বড় গলায় বলে নির্বাচন হতে দেব না। হোক নির্বাচন, দেখা যাক কে কতটা ভোট পায়, যোগ করেন মির্জা ফখরুল।
আজ মঙ্গলবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমরা নির্বাচন চাই। আমরা যাব জনগণের কাছে। জনগণ যদি আমাদেরকে গ্রহণ করে আমরা আছি। জনগণ যদি বাদ দিয়ে দেয় দেবো, আমরা বিরোধী দলে থাকবো তাই না? তবে আগে থেকে এত গলাবাজি কেন?
এ সময় একটি দল নির্বাচন ঘিরে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, সংস্কারের কথা বলে প্রচারণায় নেমেছেন প্রধান উপদেষ্টা। বিএনপি সংস্কার ও হ্যাঁ ভোটের পক্ষে। কিন্তু অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি দল।
পরিকল্পিতভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচারণা হচ্ছে দাবি করে মহাসচিব বলেন, বিএনপি তো এখন ওদের সবচেয়ে বড়ো শত্রু। অতীতে বাংলাদেশকে যারা স্বীকার করে নাই, তারাই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে।
তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের এই পরীক্ষাটা খুব কঠিন পরীক্ষা। এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে যে এই দেশ কি লিবারেল ডেমোক্রেসির হাতে থাকবে নাকি আপনার সব উগ্রবাদী রাষ্ট্রবিরোধী লোকদের মধ্যে থাকবে। আমাদেরকে অবশ্যই সেই উদারপন্থী রাস্তা বেছে নিতে হবে। গণতন্ত্রের রাস্তা বেছে নিতে হবে। মানুষের কল্যাণের রাস্তা বেছে নিতে হবে।’
‘সে কারণেই আমাদের ৩১ দফা আমাদের চেয়ারম্যান যে আট দফা দিয়েছেন। আবার নতুন করে ফ্যামিলি কার্ড। ফার্মারস কার্ড। এই বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদেরকে নির্বাচনে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে হবে,’ বলেন বিএনপি মহাসচিব।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আরও অনেকেই।
মন্তব্য করুন


পিআর বা সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ভোট ব্যবস্থা শেখ হাসিনার মতো আরেকটি ফ্যাসিস্ট বা দুর্বল সরকার তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি আশঙ্কা করছেন, এমন হলে দেশ স্থায়ীভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বিএনপি নেতা।
যারা কম জনপ্রিয় তাদের জন্য পিআর লাভজনক জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পিআর চাওয়ার একটি উদ্দেশ্য হলো—বেশি সিট পাওয়া। আরেকটি হচ্ছে, দেশে অনৈক্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা। যাতে মেজোরিটি পার্টি ক্ষমতায় না আসতে পারে।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, কোন পদ্ধতি ভোট হবে- তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধানে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কথা বলা রয়েছে। তা জানতে জামায়াতকে সংবিধান খুলে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের অসাংবিধানিক, অরাজনৈতিক, অবৈধ কোনো আবদার মেনে জাতিকে বিপদে ফেলা যাবে না। এই সরকার সাংবিধানিক সরকার। তাই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আইনানুগভাবে সরকারকে চলতে হবে।
মন্তব্য করুন


‘দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কেউ কিছু করলে সংগঠন দায় নেবে না’ বলে জানিয়েছেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দুপুরে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এ কথা বলেন তিনি।
দলীয় সহকর্মীদের উদ্দেশে ওই স্ট্যাটাসে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি, সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কেউ কিছু করলে সংগঠন তার কোনো দায় নেবে না এবং এ বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে কাউকে কোনো ছাড়ও দেয়া হবে না- ব্যক্তি তিনি যেই হোন না কেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতএব, সবাইকে দলীয় শৃঙ্খলা, সিদ্ধান্ত ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্য বজায় রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। এর কোনো ভিন্নতা যেখানেই ঘটুক, সংগঠন অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবে।’
মন্তব্য করুন


আগামী নভেম্বরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বড় জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গেও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে। তবে জোট হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তিনি জানান, চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই ২০০ আসনে বিএনপির একক প্রার্থীকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হবে, যাতে তারা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে পারেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের অনেক বিষয়ে বিএনপি সম্মত ছিল। তবে ২০/১ উপধারায় বলা হয়েছিল, জোটবদ্ধ হলে দলগুলো অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে।
বিএনপি সেটিতেই আশ্বস্ত ছিল, কিন্তু যেভাবে আরপিও পাস হয়েছে, তাতে ছোট দলগুলো জোটে যুক্ত হতে নিরুৎসাহিত হবে। এতে ছোট দলের নেতারা সুযোগ হারাবেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের আরপিও একতরফাভাবে কেন পাস করা হলো?
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি বহুদলীয় ও শক্তিশালী সংসদ দেখতে চায়। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আরো জানান, এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে দলটি চিঠি দেবে। ধারণা করা হচ্ছে, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর গুলশান-২ অ্যাভিনিউ রোডের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে থাকবেন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তৎকালীন সরকার তাঁর স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই বাড়ি বরাদ্দ দেয়। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার এই বাড়ির নামজারি সম্পন্ন করে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র খালেদা জিয়ার হাতে হস্তান্তর করে। এর পাশের বাড়ি ফিরোজায় থাকেন খালেদা জিয়া।
গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ-এর কাছে ভাড়া দেওয়া ছিল।
জানা গেছে, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো এ বছরের শুরুর দিকে বাড়িটি ছেড়ে দিয়েছে। এখন নতুন করে বাড়ির ভেতরে-বাইরে রং করাসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে দেশে তিনটি শক্তি প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, প্রভাব বিস্তার করা শক্তিগুলোর মধ্যে দুটি আঞ্চলিক এবং একটি বিশ্বমোড়ল শক্তি। তাদের স্বার্থ আলাদা হলেও, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশের স্বার্থ। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
মঙ্গলবার এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই বিদেশি শক্তিগুলো এই অঞ্চলে নিজেদের স্বার্থরক্ষায় একটি মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণি তৈরি করেছে। আজও সেই ধারা চলছে, শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চলছে।’
শহিদ আবরার ফাহাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আবরার এদেশের মানুষের জন্য জীবন দিয়েছে। আমাদের সকলকে সবার বক্তব্যে, সোশ্যাল মিডিয়ার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যেমন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়িগুলো নির্মাণ করেছি শহিদ আবরারের মতো শহিদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ হঠাৎ করে আসেনি। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৪ বছরের সংগ্রামে ছাত্র-জনতার আন্দোলন, রাজনীতি ও ত্যাগের ফসলই মুক্তিযুদ্ধ। আজ আমরা ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানেও সেই রক্তের উত্তরাধিকার বহন করছি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি আধিপত্যবাদ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সেই বিদেশি শক্তির কুশীলব হিসেবে কাজ করছে। আবরার ফাহাদ ছিলেন সেই আধিপত্যবাদের শিকার, কেবল ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


জুলাই অভ্যুত্থানের পর পালিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থ কাদেরকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।
২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪-এর আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন।
বার্ধক্যজনিত একাধিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। কলকাতার নিউ টাউনের বাড়িতেই চলছিল অক্সিজেন।
পলাতক এ নেতার বিশ্বস্ত সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।
প্রায় অচেতন অবস্থায় তাকে কলকাতার বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরেই তাকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে।
চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। তবে অবস্থা বেশ সংকটজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বিএনপি সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদসহ মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাবনা তুলে দেয়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে সূচনা থেকে তফসিল পর্যন্ত মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায়, ভবিষ্যতে যেন একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেসব বিষয় মাথায় রেখে প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিচার বিভাগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করেছি। উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাহী, বিচার বিভাগ এবং আইন বিভাগসহ সব ক্ষেত্রেই এমন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে।"
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশন এ প্রস্তাবনাগুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার বিষয়টি দেখবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, বিএনপির জমা দেওয়া প্রস্তাবনা এখনো পড়ে দেখা হয়নি। তবে সবার সঙ্গে আলোচনা করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতকারীরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ওপর বর্বরোচিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা সেই অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লুটতে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এসব দুষ্কৃতকারীকে কঠোর হাতে দমন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশে যাতে আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে না পারে, সে জন্য দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল-মতনির্বিশেষে সবা শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে দেশ আবারও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে।
বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে হামলাকারী দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান।
তিনি আহত পুলিশ সদস্যদের আশু সুস্থতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। নির্বাচনে তিনি ঢাকার একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রোববার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ৩০০ আসন ধরে এগোচ্ছি। প্রার্থীর তালিকা এই মাসেই দিতে পারি।
এনসিপি দ্রুত নির্বাচন চায় জানিয়ে তিনি বলেন, যদিও আমরা নতুন রাজনৈতিক দল। এই এক বছরে আমাদের অনেক কিছু কাঁধে নিতে হয়েছে। আমরা দল গঠনে সেই সময় পাইনি। কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি কম থাকুক, বেশি থাকুক সেই জন্য আমরা কখনো নির্বাচন পেছানোর কথা ভাবি না।
নাহিদ বলেন, দ্রুত নির্বাচন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন প্রয়োজন, দেশের স্থিতিশীলতার জন্য। ফলে ফেব্রুয়ারিকে ধরে আমরা আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেবো।
এনসিপি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমস্ত পরিকল্পনা নয়। আমরা নতুন গঠিত হয়েছি। আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছি। এই নির্বাচন আমাদের সামনে একটা প্রথম চ্যালেঞ্জ, প্রথম টেস্ট হবে আমরা এটাতে অংশগ্রহণ করবো। ভালো করি, মন্দ করি এটা জনগণ বিবেচনা করবে।
মন্তব্য করুন


যেকোনো মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘ষড়যন্ত্র থেমে নেই। দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই তাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই যেকোনো মূল্যে নির্বাচন হতে হবে।’
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর যে দুষ্কৃতকারীদের হামলা হয়েছে, গুলিবিদ্ধ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন তিনি, এই হামলার পেছনে কারো কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না ভেবে দেখতে হবে।’
এ সময় তিনি কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে বিএনপির এক কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।’
অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘অতীতে আওয়ামী স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালিত করেছে, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালিত করব না। আমরা তার পরিবর্তন আনব, কল্যাণ করব। সে জন্য এই দেশ গড়ার পরিকল্পনা আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করব।’
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের কাছে আমাদের যেতে হবে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনারা মানুষের সঙ্গে মেশেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের বসে থাকলে চলবে না।’
বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের এখন বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রত্যেকটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। বিএনপির একজন নেতা হিসেবে, একজন কর্মী হিসেবে আমাদের পরিকল্পনাগুলো জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে। শুধু জনগণের দোরগোড়ায় নিলে হবে না, এই কাজের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে।’
মন্তব্য করুন