

রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, রাজনীতির ওপর জনগণের আস্থা কম, এটা সত্য। এই আস্থা ফেরাতে হবে রাজনীতিবিদদেরই। এটা করতে হবে জবাবদিহির মাধ্যমে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে ‘জাতীয় নির্বাচন-২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সংলাপে তিনি এসব বলেন।
আমীর খসরু বলেন, আগামীর বাংলাদেশে যারা জবাবদিহি ও জন-আকাঙ্ক্ষার বিষয়কে ধারণ করতে পারবেন না, তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ থাকবে না। জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারলে সংস্কার স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সুশীল সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কাজ করতে না দিলে স্বৈরাচারের জন্ম হয়। কোনো সরকার একা কোনো সমাধান দিতে পারে না। বাস্তবায়নে অংশীদারির বিষয় আছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও এনজিও সবাইকে নিয়েই সমস্যার সমাধান করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যাচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে, কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জেলার বিভিন্ন স্তরের আইনজীবীরা অংশ নেন। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইন-আদালতের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মো. মকদুম সাব্বির মৃদুল সহ সিনিয়র আইনজীবীরা।
মন্তব্য করুন


সংস্কার না করে বিএনপি নির্বাচন চায়- এমন ধারণা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সবসময়ই প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে। শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি যেটা মনে করি- আজ অত্যন্ত জরুরি একটা আলোচনা হচ্ছে যা ভীষণ জরুরি। সে আলোচনাটা যদি আমি অংশগ্রহণ করতে পারতাম পুরো সময় এবং সবার বক্তব্য শুনতে পারতাম তাহলে আমি সবচেয়ে উপকৃত হতাম। দুর্ভাগ্য আমার, যে আমি পুরো সময়টা হয়তো থাকতে পারব না। তারপরেও আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজকে যে তারা আজকে একটা অত্যন্ত এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সংলাপের আয়োজন করেছেন আমি সেজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, যারা আজকে এখানে উপস্থিত আছেন আমাদের দেশের জাতির অত্যন্ত বরেণ্য নেতৃবর্গ আমাদের বুদ্ধিজীবীবৃন্দ এবং আজকের এই সভায় উপস্থিত আমাদের ভাই ও বোনেরা সবচেয়ে বড় যেটা আমাদের যারা এই জুলাইয়ের যে অভ্যুত্থান সেই অভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছেন তারা এখানে অনেকে আছেন। যারা শহিদ হয়েছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনরা এখানে আছেন তাদের সবাইকে আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম। বিষয়টা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে আমি আসলে এত স্বল্প সময়ের মধ্যে এটা আমার কথাগুলো বলা সেই সঙ্গে অন্যদের কথাগুলো শোনা এটা বোধ হয় আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না সেজন্য আমার নিজেরই আমি অত্যন্ত দুঃখিত বোধ করছি।
এই বিএনপি নেতা বলেন, বাংলাদেশ একটা অত্যন্ত সবচেয়ে জটিল একটা রাজনৈতিক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়টার মধ্যে আমাদের যে কাজটা আমাদের ওপর পড়েছে সে কাজটা হচ্ছে যে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আমরা যেন আমাদের স্বপ্নের মত করে দেখতে পারি সেই বিষয়টাকে কতটা স্থির করা যায় নির্ধারণ করা যায়। আজকে যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছে আমি খুব সংক্ষেপে চলে আসছি সামনের দিকেই এসছি যে আপনার ঐক্য- এরা যেটা নির্ধারণ করেছেন সংস্কার ও নির্বাচন। আজকে ৫৩ বছর পরে এটা আমাদের দুর্ভাগ্য জাতিগতভাবে যে ৫৩ বছর পরে আজকে আমাদেরকে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে। আমাদের খুব ভালো হতো যদি আমরা প্রথম থেকেই এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে একটা জায়গায় এসে পৌঁছাতে পারতাম। আমরা এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০১২ সাল থেকে আমি আমাদের দল থেকে বলতে পারি মনে করেন যে রাজনৈতিক নেতৃবর্গ আছেন আমরা কিন্তু সংগ্রাম শুরু করেছি- তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নিয়েছি। সেই সময়ে আমাদের অনেক রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে অনেক রাজনৈতিক নেতাদেরকে পঙ্গু করা হয়েছে; কারাগারে দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ বছরগুলো ধরে আমরা যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছিলাম আমরা কিন্তু সেই লড়াইটা করছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমার দলের কথা আমি বলতে পারি যেটা আমার বলা উচিত বলে আমি মনে করি সেটা হচ্ছে আমাদের দলেই আমার ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা রয়েছে; আমাদের ৭০০ এর ওপরে নেতাকর্মীকে গুম করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আয়না ঘরের কথা আপনারা সবাই জানেন- ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদেরকে। এই একটা অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা কিন্তু কখনো থেমে থাকিনি। আজকে যে কথাটা হচ্ছে সোচ্চার হাওয়া সেই সোচ্চার আমরা প্রথম থেকে থাকার চেষ্টা করেছি। তখন আমরা অনেককে আমাদের সঙ্গে পাইনি এখন আমরা তাদেরকে সামনে দেখছি আমাদের খুব ভালো লাগছে আমরা আরও বেশি অনুপ্রাণিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, সংস্কার ব্যাপারটা আমরা অত্যন্ত আন্তরিক আপনাদের অনেকেরই জানা থাকে যদি যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন যে ২০১৬ সালে আমাদের দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনি ভিশন ২০৩০ একটা আপনার আমরা একটা ডকুমেন্ট বের করেছিলাম যেখানে রাজনৈতিক সংস্কারের কথা খুব পরিষ্কার করে উল্লেখ করা ছিল এবং যে বিষয়গুলো আমরা পরিবর্তন আনতে চাই সেই বিষয়গুলোর কথা আমরা উল্লেখ করেছিলাম। সেখানেই আজকে যে বিষয়গুলো একদম সামনে এসছে যে আপনার প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের যে ক্ষমতা তার ভারসাম্য রক্ষা করা এক ব্যক্তি যেন দুবারের বেশি আসতে না পারেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সে বিষয়টাকে নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে আপনার যে দুই কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট এটা কিন্তু তখনই অর্থাৎ ২০১৬ সালেই আমরা কিন্তু এই বক্তব্যটা নিয়ে এসেছিলাম। আমরা এটা আলোচনার জন্য দিয়েছিলাম জনগণের সামনে পেশ করেছিলাম। পরবর্তীতে ২০২২ সালে আমরা আমি তখন জেলে চলে গেলাম আমরা বেশ অনেকেই জেলে গেলাম; সেটা আপনাদের মনে থাকার কথা গোলাপবাগে একটা জনসভার মধ্য দিয়ে আমরা প্রথমে ১০ দফা এবং পরে সব রাজনৈতিক দলগুলো আপনারা সেটাকে সমর্থন করেন। পরে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছিলাম তারা আমরা কিন্তু একসঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমরা ৩১ দফা আমরা একটা কর্মসূচি সংস্কারের আমরা নির্ধারণ করি। এখানে মান্না আছেন, জুনায়েদ সাকি আছেন, আমার অন্যান্য রাজনৈতিক বন্ধুরা আছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই দীর্ঘ দুই বছর আমরা আলোচনা করেছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের যারা প্রখ্যাত এই বিষয়গুলোতে আপনার বিশেষজ্ঞ তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বারবার বসেছি ড. আলী রীয়াজ আছেন তার সঙ্গে কথা হয়েছে অনেকের সঙ্গেই তখন আমরা এই কথাগুলো বলেছি আলোচনা করে নির্ধারণ করেছি সুতরাং সংস্কার পক্ষে আমরা কিন্তু প্রথম থেকে দুর্ভাগ্য আমাদের যে এখন কিছু কিছু বক্তব্য আসছে যে বিএনপি সংস্কার চায় না নির্বাচন চায় এ কথাটা সঠিক নয়। আমরা বারবার করে বলছি যে আমরা প্রয়োজনীয় সংস্কারটাকে শেষ অর্থাৎ নূন্যতম যে সংস্কার প্রয়োজন একটা নির্বাচন করার জন্যগ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য সেই সংস্কারটুকু করে আমরা নির্বাচনে যেতে চাই। আমরা নির্বাচনের কথা বলছি কেন একথা ড. রীয়াজ বলেছেন সবাই বলছেন আর এটা বাস্তব যে গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন হচ্ছে প্রধান ফটক প্রধান দরজা যেহেতু ডেমোক্রেসি। আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের প্রধান সমস্যাটা কোথায় আমাদের প্রধান সমস্যা যে এই দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাই হয়নি এখানে সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। একটা যে কথাটা বারবার এসেছে যে এখানে একটা ডেমোক্রেটিক কালচার যদি না থাকে তাহলে আপনি সেই ডেমোক্রেসিকে বারবার বলতে হচ্ছে আমাদেরকে এই এটা করতে হবে এটা করতে হবে এটা ডেমোক্রেসি এটা এভাবে যেতে হবে এই জিনিসগুলো কিন্তু আপনার একটা চর্চা ছাড়া বারবার প্র্যাকটিস করা ছাড়া কিন্তু সেটা গড়ে উঠবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, ইম্পোজ করে কোনো কিছু করা সম্ভব হবে না। যেমন আমি বলি কেয়ারটেকার গভর্মেন্ট সিস্টেম আপনার আমরা তিনটা ইলেকশন করেছি। এই তিনটা ইলেকশন প্রত্যেকটি ইলেকশন কিন্তু একটা আরেটার চেয়ে ভালো হয়েছে এবং গ্রহণযোগ্য হয়েছে। অর্থাৎ কেয়ারটেকার সিস্টেম আপনার মানুষ করেছে এবং তারা সেটাকে অত্যন্ত জরুরি মনে করেছে এটা মানুষের কাছে একইভাবে আমরা যদি প্রেসিডেনশিয়াল ফর্ম অব গভর্মেন্টে চলে যেতাম অন্য কিছু দিতাম সেটা ওই মুহূর্তে কিন্তু জনগণ সেভাবে গ্রহণ করতো না আমার কাছে মনে হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি, তিনি এখনো জটিল অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড়ের বিষয়ে রিজভী বলেন, হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় হলে চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে, হাসপাতালের সামনে ভিড় না করতে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করবেন।
দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের যোগাযোগ হচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সার্বিক শারীরিক খোঁজ-খবর মেডিকেল বোর্ডই দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার পরই তারা নির্বাচন চায়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনগণ চায় স্থানীয় সরকার সচল হোক, এবং আমরাও চাই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। তিনি বলেন, ‘রিফর্ম ছাড়া কোনো নির্বাচন নয় ‘নো ইলেকশন উইথআউট রিফর্মস।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই ক্ষেত্রে সব সংস্কার সুপারিশ নয়, শুধু নির্বাচন সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ অতি জরুরি, সেগুলোই সংস্কার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘অন্তত নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান ও অর্গান জড়িত, সেগুলোর সংস্কার করে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ করতে যে সময়টুকু প্রয়োজন, সেটা করে নির্বাচন দিন।’
জামায়াত ৩০০ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানায় দলটি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২৩ দফা দাবি জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সেই সময় দিতে জামায়াত প্রস্তুত।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে বলেছি। বাংলাদেশের জন্য এটি প্রয়োজন, সংসদ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজন। প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।’
জামায়াতের এই নেতা আরও জানান, নিবন্ধনের বিষয় আদালতে পেন্ডিং আছে, এবং তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করেন। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন বিধি কঠোর, তা বাতিল করা উচিত। সবার রাজনীতি করার অধিকার আছে।’
সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষেও মত দেয় জামায়াত। তবে এই ক্ষেত্রে বিএনপির মন্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি জামায়াত সেক্রেটারি। উল্লেখ্য, বিএনপি স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে।
এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক।’
মন্তব্য করুন


বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামো ও অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন দরকার। যেটা রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এটি সংস্কার করতে হবে। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, গেলো ১৫ বছরে দেশের মানুষের সব স্বপ্নকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও রাজনীতির কাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের পুনর্গঠনে সব সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সবাই মিলে সহযোগিতা করছে বলেই সরকার চলছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিলম্ব না করে অতিদ্রুত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে হবে। যৌক্তিক কারণে নির্বাচন চায় বিএনপি। অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন, যা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্পের ট্যারিফ আমাদের খুব বিপদে ফেলতে যাচ্ছে। এখান থেকে উত্তরণে বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা জরুরি।
মন্তব্য করুন


মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। ইতোমধ্যে তার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন ৬ চিকিৎসকসহ মোট ১৪ জন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চিকিৎসকসহ ওই ১৪ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
তালিকায় অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে থাকবেন তার পুত্রবধূ সায়দা শামীলা রহমান। পাশাপাশি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী মো. আব্দুল হাই মল্লিক ও চেয়ারপারসনের সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মো. মাসুদুর রহমানও লন্ডন সফরে থাকবেন।
এছাড়াও বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন ৬ চিকিৎসক। তারা হলেন- ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ডা. মোহাম্মদ আনামুল হক চৌধুরী, ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. নূরউদ্দিন আহমদ, ডা. জাফর ইকবাল ও ডা. মোহাম্মদ আল মামুন।
এদিকে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের হাসান শাহরিয়ার ইকবাল ও সৈয়দ সামিন মাহফুজ বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে লন্ডনে যাবেন। এছাড়াও গৃহপরিচারিকা হিসেবে ফাতেমা বেগম ও রূপা শিকদারকেও সফরসঙ্গী হিসেবে তালিকায় রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে অথবা শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে লন্ডনে নেয়া হবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্যতম এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের এক নেতাকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২৮ মিনিটে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, আটক ওই যুবলীগ নেতার নাম মিজানুর রহমান। তার বাড়ি সিলেটে। জ্যাকসন হাইটস থেকে নিউইয়র্ক পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তাকে হাতকড়াও পরানো হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনাটি নিজে ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।
পোস্টে তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর আমাদের দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে।’
তিনি লিখেছেন, ‘এটি ব্যক্তি আখতার হোসেনের ওপর আক্রমণ নয়, তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে করা হয়েছে। কারণ তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন সেই দলকে, যে দল ফ্যাসিবাদের কাঠামো ভেঙে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করছে।’
হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আখতার বলেছেন, আমরা সেই প্রজন্ম যারা হাসিনার গুলির সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়নি। অতএব, কারও ভাঙা ডিমে আমাদের কিছু যায়-আসে না।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হামলার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। আওয়ামী লীগ জন্মগত এবং প্রকৃতিগতভাবে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তারা যে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি ওপর হামলে পড়বে এইটাতে আমরা আর অবাক হই না।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিচারের আহ্বান জানিয়ে এনসিপির সদস্য সচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেটি খুব সামান্য অগ্রসর হয়েছে। আওয়ামী লীগের যেসব সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছে, তারা বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহ্বান রাখব, আওয়ামী লীগের যেসব লোকজন দেশে এবং দেশের বাইরে হামলা করছে তাদের অতিদ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় নিয়ে আসবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘খুব শিগগির’ দেশে ফিরছেন—এমন বার্তা দিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নেতাকর্মীদের সেই দিনটির জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা যেদিন আসবেন, যেদিন দেশে পা রাখবেন, সেদিন যেন সমগ্র বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে। এই কথাটা আপনাদের মনে রাখতে হবে…পারবেন তো। ইনশাআল্লাহ্, আমরা সেদিন গোটা বাংলাদেশের চেহারা বদলে দিতে চাই।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিসেম্বর বিজয়ের মাস উপলক্ষে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক ইউনিটগুলোর হাজারের বেশি নেতা অংশ নিচ্ছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশকে একটা মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের নেতার (তারেক রহমানের) যে চিন্তা-ভাবনা সেটি বাস্তবায়িত করার জন্য আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে পুরোপুরিভাবে জয়লাভ করতে হবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, অনেক বাধা-বিপত্তি আসবে। বিএনপির বিরুদ্ধে প্রচারণা চলছে, সেটি চলতে থাকবে। সবকিছু কাটিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি কোনোদিন পরাজিত হয়নি, পরাজিত হবে না। বিএনপি এদেশের জনগণের দল, মুক্তিযুদ্ধের দল। বিএনপিকে সাফল্য দেবে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্য ও জাতীয়তাবাদী দর্শন, অন্য কিছু সফলতা দেবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির সুযোগ এসেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ গঠনের সুযোগ এসেছে, যা বাংলাদেশকে নতুন দিগন্তের দিকে নিয়ে যাবে। এর নেতৃত্বে থাকবেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, দেশকে পেছনে টেনে নেওয়ার শক্তির বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকর্মীদের লড়াই করতে হবে। নেতাকর্মীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তিকে জয়যুক্ত করতে হবে। এ লড়াইয়ে নেতাকর্মীদের শক্তিশালী মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে।
আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগ আমলের নির্বাচন নয় মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ নির্বাচনে বিজয়ী হতে হলে জনগণের ভালোবাসা আদায় করতে হবে। মানুষের মন জয় করে তাদের ভোটকেন্দ্রে নিতে হবে, বিএনপির পক্ষে ভোট দেওয়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, প্রতিবিপ্লব শক্তি ক্রমাগত উঁকি-ঝুঁকি মারছে, কিন্তু আমরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছি এবং সেটা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে দ্রোহের গ্রাফিতির প্রকাশনা উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী আরও বলেন, দেশে গণতন্ত্রের বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ভারত এটাকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতীয় মিডিয়া শেখ হাসিনার পক্ষ নিয়ে যেভাবে কথা বলছে, তা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের ভাষা হতে পারে না।
তিনি বলেন, বিপ্লব ও গণতন্ত্রের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। কারণ প্রতিবিপ্লব শক্তি সবসময় উঁকিঝুঁকি মারছে এবং সেটাকে কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, এখন সরকারের সমালোচনা করলে গুম হতে হবে—এমন ভয় থেকে মানুষ মুক্তি পেয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সমালোচনা করবো সফলতার জন্য, কিন্তু এই সরকারকে ব্যর্থ হতে দেব না।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং টিউলিপ সিদ্দিকসহ তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে মোট ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা) সহ ৯টি প্রকল্পে এসব দুর্নীতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া আটটি প্রকল্পে ২১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে ৫৯ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে কমিশন সভায় প্রকল্পগুলোর দুর্নীতি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এর আগে ১৫ ডিসেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পাঁচ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাহেদুল আজম তমাল।
এছাড়া ৩ সেপ্টেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। রিটে দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন