

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনা সুবিধা দেওয়ায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ১৬০টি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে।
আজ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় জাতীয়তাবাদী রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশাচালক শ্রমিক দল এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতকে নানা সুবিধা দিয়েছেন। এই সুযোগে ভারত সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত।”
তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা উন্নয়নকাজ নিতে হলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করতে হয়। কিন্তু ভারত তা না মেনে একতরফাভাবে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে।
রিজভী বলেন, “৪ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ভারত ৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। শেখ হাসিনা এই বেআইনি কার্যক্রম ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেননি। বরং ভারতের প্রতি নতজানু থেকে সীমান্তরক্ষীদের প্রতিরোধ করার সুযোগ দেননি।”
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা সবসময় দাবি করেন, তাঁকে নাকি কেনা যায় না। কিন্তু ভারত তাঁকে সবার আগে কিনেছে। আর সেই কারণেই তিনি নিজের দেশের স্বাধীনতা ও গৌরবকে পদদলিত করে ভারতের অন্যায্য কার্যক্রমে সুযোগ করে দিয়েছেন।”
দোয়া মাহফিলে রিজভী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশাচালকদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। আহতদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও তাদের মেয়ে জাইমা রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইক আইডি ব্যবহার করে একটি দুর্বৃত্তচক্র পরিকল্পিতভাবে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
রিজভী জানান, একটি দুর্বৃত্তচক্র পরিকল্পিতভাবে ডা. জোবাইদা রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইক আইডি ব্যবহার করে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এআই পদ্ধতি অবলম্বন করে তা করা হচ্ছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানান, ডা. জোবাইদা রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কোনো আইডি নেই।
তিনি আরও জানান, জিয়া পরিবারের নামে একটি মহল নীল নকশা তৈরি করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবো। এসব ব্যাধি বন্ধের ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
বিএনপির এই নেতা বলেন, এ সমস্ত অপকর্মের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে মিথ্যার কোনো স্থান নেই, তাই প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে মিথ্যার সংস্কৃতি প্রসারিত করার চেষ্টা করা হলেও তা জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়।
মন্তব্য করুন


পিআর একটি সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে মানুষ বিভ্রান্তিতে ভুগবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বারিধারায় জামিয়া মাদানিয়া মাদ্রাসায় ক্যান্সার আক্রান্ত হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় রিজভী বলেন, একটি ইসলামী দল পিআর-এর জন্য তুমুল আন্দোলনের কথা বলেছে। এটা একটি সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান, যা কারও জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে না। পরাজিত শক্তির সঙ্গে আঁতাতের রাজনীতি কারও জন্য মঙ্গল হবে না। বরং এতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
২০১৩ সালের ‘শাপলা চত্বর’ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শাপলা হত্যাকাণ্ডের সময় হেফাজতের নেতাকর্মীদের রক্ত নিয়ে তামাশা করেছিল শেখ হাসিনা। অপপ্রচার, গণহত্যা দিয়ে মুসলমানদের দমন করা যাবে না।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে মাওলানা ফারুকীর প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতার বার্তাও পৌঁছে দেন সংগঠনটির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা আশরাফ উদ্দিন বকুল, আবুল কাশেম, মোস্তফা-ই-জামান সেলিম, সদস্য-সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, জাতীয় প্রেসক্লাবের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব, রুবেল আমিন ও শাহাদত হোসেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ফ্যাসিবাদী সরকারের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার হয়ে দেশের বাইরে ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-৩ আসনের সাবেক সাংসদ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। সব মামলা থেকে বেকসুর খালাস পেয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির এই নেতা।
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দেশে ফেরেন তিনি। এ সময় দলমত নির্বিশেষে তাকে স্বাগত জানাতে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র-জনতা, আলেম-ওলামা, মাওলানা, শিক্ষক, পেশাজীবী, সচেতন নাগরিকসহ সব ধর্ম শ্রেণি-পেশার লক্ষাধিক মানুষের ঢল নামে।
জানা গেছে, আজ শনিবার সৌদি আরব থেকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা। এ সময় ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিমানবন্দরে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন মুরাদনগরে এই নেতাকে। এ সময় বিমানবন্দর এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
কায়কোবাদ বিমানবন্দরে অবতরণের পর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাকে স্বাগত জানাতে মুরাদনগর উপজেলা থেকে চারশ বাস ও দুই সহস্রাধিক মাইক্রোবাসযোগে কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় আসেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। নির্বাচনে তিনি ঢাকার একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রোববার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ৩০০ আসন ধরে এগোচ্ছি। প্রার্থীর তালিকা এই মাসেই দিতে পারি।
এনসিপি দ্রুত নির্বাচন চায় জানিয়ে তিনি বলেন, যদিও আমরা নতুন রাজনৈতিক দল। এই এক বছরে আমাদের অনেক কিছু কাঁধে নিতে হয়েছে। আমরা দল গঠনে সেই সময় পাইনি। কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি কম থাকুক, বেশি থাকুক সেই জন্য আমরা কখনো নির্বাচন পেছানোর কথা ভাবি না।
নাহিদ বলেন, দ্রুত নির্বাচন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন প্রয়োজন, দেশের স্থিতিশীলতার জন্য। ফলে ফেব্রুয়ারিকে ধরে আমরা আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেবো।
এনসিপি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমস্ত পরিকল্পনা নয়। আমরা নতুন গঠিত হয়েছি। আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছি। এই নির্বাচন আমাদের সামনে একটা প্রথম চ্যালেঞ্জ, প্রথম টেস্ট হবে আমরা এটাতে অংশগ্রহণ করবো। ভালো করি, মন্দ করি এটা জনগণ বিবেচনা করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। সময়মতো দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় তিনি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানায়। লন্ডনের বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া নির্বাচন নিয়ে সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান আমীর খসরু।
এর আগে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো ডায়াস ফেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির তিন সদস্যদের প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
বৈঠকে দু’দেশের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমান, বিএনপি ও ১২ দলীয় জোট উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়েনুল আবদিন ফারুক।
রোববার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশ এলডিপির প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলেও জানান ফারুক। তিনি বলেন, “আমরা রাস্তায় ছিলাম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা। মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তারেক রহমান, বিএনপি, ১২ দলীয় জোট।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনার প্রতি আমাদের অগাধ বিশ্বাস আছে। সেই বিশ্বাস রাখতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন।”
তিনি আরও বলেন, “আউয়াল কমিশনের মতো নির্বাচন কমিশন চাই না, যে কমিশন ঘুম থেকে উঠে ফল ঘোষণা করে। আমরা এমন নির্বাচন চাই, যেখানে দিনের ভোট দিনে হবে, রাতে নয়।”
ফারুক বলেন, “আমরা মনে করি, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ঘোলাটে করার জন্য আরেকটা প্রতিক্রিয়াশীল চক্র চেষ্টা করছে। এর একটি ইঙ্গিত হচ্ছে বঙ্গভবনের সামনে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা।”
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “আপনি বহু মায়ের বুক খালি করেছেন। সেজন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিদায় নিয়েছেন। ২০৪০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকে বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য বানানোর চক্রান্ত করছেন। বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষের খুনিকে ভারতের মোদী সরকার কীভাবে আশ্রয় দিতে পারে, সে প্রশ্ন বাংলাদেশের মানুষের।”
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সচিবালয়ের ভেতরে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে, যারা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। এ কারণেই কি তাদের সরানো হচ্ছে না?
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র, সংস্কার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ ধরনের প্রশ্ন তোলেন।
মির্জা আব্বাস দাবি করেন, সচিবালয়ের ভেতরে চারজন ও বাইরে একজনসহ মোট পাঁচজন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্য প্রধান উপদেষ্টাকে সঠিক পথে চলতে দেবে না। এ কারণে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগকে যারা পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। বিএনপিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল। যদি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ আবারও ভারতীয় আধিপত্যের কবলে পড়বে।"
তিনি আরও যোগ করেন, মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "বিপরীত শক্তি আমাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কিছু ইউটিউবার দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চাইছে।"
মির্জা আব্বাস বলেন, "বিএনপি সংস্কার ও নির্বাচন—দুটিই চায়। তবে অপ্রয়োজনীয় সংস্কার থেকে দূরে থাকতে হবে, যা বিপদ ডেকে আনতে পারে। নির্বাচন নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয়।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "প্রশাসনে বিএনপির কোনো লোক নেই। বরং আওয়ামী লীগের দালালরাই সেখানে সুবিধা পাচ্ছে। এনসিপিও তাদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছে।" কয়েকজন সচিবের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের দালালদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।"
শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, "আপনার আশেপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা আছে। তারা আপনাকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে। সাবধান থাকুন।"
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খুব বকবক করছেন, বেশি কথা বলছেন, মনে হচ্ছে বিএনপির জন্য উনার খুব মায়াকান্না। বিএনপির ভাবনায় উনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। মুরগির বাচ্চার জন্য চিল যেমন মায়াকান্না করে ওবায়দুল কাদেরের কান্নাও সে রকম।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে 'দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল, সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েলসহ সব রাজবন্দির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে' এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) মাঝে মাঝে আওয়াজ দেন বিএনপি নাকি দুর্বল হয়ে গেছে, বিএনপি ক্লান্ত, হতাশ, বিদেশ চলে যাচ্ছে। তারা যে ভেতর থেকে ধ্বসে গেছে, ভেঙে গেছে- এটা চাপা দেওয়ার জন্যই তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, জনগণের সঙ্গে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করা। জনগণের মালিকানা ছিনিয়ে নেওয়া। এ কারণে তাদের (আওয়ামী লীগ) জনসমর্থন নেই। কয়েকজন সুবিধাবাদী লোক, কয়েকজন ঋণ খেলাপি, কয়েকজন বাজার সিন্ডিকেটের লোক আওয়ামী লীগকে ঘিরে আছে। এরা তো গণশত্রু, যারা বাজার সিন্ডিকেট করে দ্রব্যের দাম বাড়ায়, যারা ব্যাংক লুটপাট করে টাকা বিদেশে পাচার করে। তাদের সঙ্গে তো দেশের জনগণ থাকে না। এই সরকারের সঙ্গে জনগণের সমর্থন নাই। জনগণের সমর্থন পাবে না বলে তারা এখন ফাঁকা বুলি মারে।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সরকার আবার একটি ডামি নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজন যাতে না দাঁড়ায় সেজন্য কেন্দ্র থেকে নিষেধ করেছে। তারপরও মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজনরা দাঁড়িয়েছে এবং তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর তো ২০ থেকে ২৫ জন আত্মীয়-স্বজন আছেন। তারা যদি ভোটে দাঁড়াতে পারেন তাহলে আমরা বাদ যাব কেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম নোমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ অর্থ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


জনগণকে শক্তিশালী হতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিককে শক্তিশালী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু।
তিনি বলেন, আমরা চাই আগামীর বাংলাদেশে পরিবর্তন আনতে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কমিয়ে জনগণের ক্ষমতা বাড়াতে চাই। রাষ্ট্র বেশি শক্তিশালী হওয়া ভালো না, জনগণকে শক্তিশালী হতে হবে। প্রত্যেকটি নাগরিককে শক্তিশালী হতে হবে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের সিমেন্ট হোস্টেলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি নাগরিক হিসেবে নারীদের আরো বেশি অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
বিএনপি সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায় বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সকলের জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড—সেটা চাকরি-বাকরি হোক, লেখাপড়া হোক, ব্যবসা হোক, বাণিজ্য হোক, রাজনীতি হোক।
এসময় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বেশি করে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
পার্বত্য অঞ্চলের ভাষা রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, এটা কিন্তু নষ্ট হতে দেবেন না। এটা বিশ্বের সব দেশে আছে। আপনার সংস্কৃতি আপনাকে রক্ষা করতে হবে। আপনার সংস্কৃতি বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি অংশ।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকার দেশটাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করেছি। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভোটের আস্থা অর্জন করতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, আমরা দেশের জন্য কী করতে চাই তা জনগণকে জানানো এবং জনগণের আস্থা ধরে রাখা।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকাল ১০টা থেকে মিশনপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ হোসিয়ারি মিলনায়তনে দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, কিছু সংখ্যক লোক নিজেদের স্বার্থে আমাদের অর্জনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তাই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের আমাদের দলের ৩১ দফার বাস্তবায়নের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে। আমরা তাদের কায়দায় জবাব দেবো না।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন কঠিন হবে। শুধু একটি নির্বাচনই নয়, পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিতে হবে। এখন কথায় চিড়া ভিজবে না। জনগণকে জানাতে হবে এবং তাদের বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে। বিগত ১৫ বছরে নির্যাতনের শিকার হয়েও জনগণের পক্ষে কথা বলা বন্ধ করেনি বিএনপি। তাই ব্যক্তি স্বার্থের জন্য কাউকে সুযোগ দেওয়া যাবে না।
তারেক রহমান বলেন, আমরা ব্যক্তি স্বার্থে রাজনীতি করছি না। জনগণ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে, আপনাদেরও জনগণের দিকে তাকাতে হবে। অনেক সময় দলের মধ্যে কিছু দুষ্টু থাকে, তাদের টাইট করে রাখতে হবে। আমাদের ৩১ দফা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে হবে। জনগণের আস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব আপনার, আমাদের।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন, বিএনপি নেতা মাহমুদা হাবিবা, মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ এবং মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন