জানুয়ারিতে সম্পন্ন হবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের যাবতীয় কার্যক্রম

জানুয়ারিতে সম্পন্ন হবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের যাবতীয় কার্যক্রম
ছবি: সংগৃহীত



আগামী জানুয়ারিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে সব নির্বাচনী উপকরণ ক্রয় ও মাঠ পর্যায়ে বিতরণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।


জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপে এমন কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর তার দুই মাস আগে ঘোষণা হবে সংসদ নির্বাচনের তফসিল। আর নির্বাচনের সেই কর্মপরিকল্পনা লিপিবদ্ধ করে একটি সময়সীমা করেছে নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।


রোডম্যাপে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মধ্যে প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোটের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করা হবে। পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চলতি বছরের ২২ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্ত করে ১৫ নভেম্বর নিবন্ধন সনদ দেওয়া দেওয়া হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের অনুমতি প্রদানে যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করা হবে একই সময়ের মধ্যে।


নির্বাচনী তথ্য প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, টিঅ্যান্ডটি, বিটিআরসিসহ বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সঙ্গে সভা আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।


এদিকে আগামীকাল থেকে শুরু হবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, যা শেষ হবে ভোটের কয়েকদিন আগে। নির্বাচনী ম্যানুয়াল, নির্দেশিকা, পোস্টার ইত্যাদি মুদ্রণ ১৫ সেপ্টেম্বর মধ্যে, নির্বাচনের সকল প্রকার মালামাল সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


এছাড়া ব্যবহার উপযোগী স্বচ্ছ ব্যালট চূড়ান্ত করা হবে ৩০ নভেম্বর মধ্যে, ১৫ নভেম্বর চূড়ান্ত করা হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাজেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুকূলে অর্থ বরাদ্দের জন্য বৈঠক ১৬ নভেম্বর থেকে ২০ নভেম্বর। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত শেষ হবে ৩০ সেপ্টেম্বরে মধ্যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম সভা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর। আবার নির্বাচনের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ৩১ অক্টোবর হবে। একই সময়ের মধ্যে ৩১ আইসিটি সংক্রান্ত সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে।


রোডম্যাপে মোট ২৪ ধরনের কার্যাবলি ও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এক-এগার সরকারের সময়কার এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন প্রথমবারের মতো রোডম্যাপ ঘোষণা করে। এরপর প্রতিটি কমিশন সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে আসছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ভারতে তাপপ্রবাহ: হিটস্ট্রোকে ৩৩ জনের মৃত্যু

ভারতে তাপপ্রবাহ: হিটস্ট্রোকে ৩৩ জনের মৃত্যু
তাপপ্রবাহের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চলতি বছর তীব্র তাপপ্রবাহে ভারতের বিহার, উত্তর প্রদেশ ও ওড়িশায় নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকে তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, শনিবার (১ জুন) অঞ্চলগুলোয় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে।

চলতি বছর প্রচণ্ড গ্রীষ্ম দেখছে ভারত। চলতি সপ্তাহে রাজধানী দিল্লির কিছু অংশে তাপমাত্রা ৫২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যায়।

তবে কয়েকদিনের মধ্যে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে গরম কমে আসতে পারে। এছাড়া চলমান তাপপ্রবাহ আরও দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এ সময় স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে ৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার বিহারে মারা গেছেন ১৪ জন। এর মধ্যে নির্বাচনী কাজে যুক্ত ১০ জন রয়েছেন। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম তথা শেষ ধাপে শনিবার বিহারের কিছু অংশে ভোট হচ্ছে। মে মাসের শুরু থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তাপপ্রবাহ শুরু হয়। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে তাপপ্রবাহ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান


ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, যুদ্ধ থামাতে শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথেই এগোতে চায় ইরান। বিরোধ মেটাতে তারা কূটনৈতিক সমাধানকেই সবচেয়ে কার্যকর বলে মনে করে।

ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এক ফোনালাপে পেজেশকিয়ান এ মন্তব্য করেন। বিবিসিও এ খবর প্রকাশ করেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হুমকি, চাপ বা সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে এতে তাদের সমস্যাই আরও বাড়বে এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইউরোপের উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালা মেনে চলতে উৎসাহিত করা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সকলে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সকলে
ছবি: সংগৃহীত

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিরাও সাজা থেকে খালাস পেয়েছেন।


বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদসহ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি সর্বসম্মতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন।


রায়ে আদালত বলেছেন, প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এ মামলা করা হয়েছিল।


এর আগে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ মামলার আপিল শুনানি শেষ হয়। রায় দেওয়ার জন্য আজকের দিন ঠিক করেন সর্বোচ্চ আদালত।



এ মামলায় ১০ বছরের সাজা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার। একই সাজা হয় দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানেরও। রায়ে সব আসামির খালাসের প্রত্যাশা করেন দলটির আইনজীবীরা।


তারা জানান, জিয়া পরিবারকে হেনস্তা করতেই বিচারের নামে প্রহসন করেছে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। 


আর রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে বলেন, ধারণার ভিত্তিতে কাউকে সাজা দেওয়া ঠিক হয়নি। আর দুদকের অবস্থান ছিল, মামলার নথিপত্র, সাক্ষ্যপ্রমাণে কোথাও বেগম জিয়াসহ আসামিদের দুর্নীতি অনিয়ম কিংবা বিশ্বাসভঙ্গের প্রমাণ মেলেনি।


 মঙ্গলবার খালাস চেয়ে শুনানি করেন এ মামলার আরেক আসামি কাজী সলিমুল হকের আইনজীবী। এরমধ্য দিয়ে শেষ হয় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার আপিল শুনানি।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা চলাকালীন, খালেদা জিয়া এবং তার পরিবার ও দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম অভিযোগ ছিল, তার নেতৃত্বে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। আদালতে এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর মামলা নিয়ে দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনা শুরু হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪৯ : প্রেস সচিব

ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪৯ : প্রেস সচিব
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভের সময় দেশের বিভিন্নস্থানে দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

   

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সচিব শফিকুল আলম এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।


বিবৃতিতে তিনি বলেন, সোমবার বিভিন্ন শহরে গাজাবিরোধী বিক্ষোভের সময় সংঘটিত হিংস্র ও অবৈধ ঘটনার ওপর বাংলাদেশ পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। এই হামলা এবং ভাঙচুর কাজ জন নিরাপত্তা এবং আইনের শাসনের প্রতি অপমানজনক।


এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্তত ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরো তদন্ত চলছে এবং এই নিন্দনীয় কাজের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মামলা দায়ের করা চলছে।

তিনি আরো বলেন, যারা বিচারের আওতায় আসবে তাদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ প্রচেষ্টায়, পুলিশ গত রাতে অপরাধীদের লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছিল।


এ ছাড়া আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আরো ব্যক্তি জড়িত শনাক্ত করার জন্য বিক্ষোভের সময় তোলা ভিডিও ফুটেজ কঠোরভাবে পর্যালোচনা করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সহিংসতা ও ধ্বংসের জন্য দায়ী তাদের গ্রেপ্তার না করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা এমন কাউকে অনুরোধ করছি যে তথ্য নিয়ে তদন্ত করতে সাহায্য করতে পারে। আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে, যারা আমাদের সমাজের শান্তি ও স্থায়িত্বকে দুর্বল করতে চায় তাদের জবাবদিহি করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

আমরা বিদেশে বন্ধু চাই, প্রভু নয়: ডা. শফিকুর রহমান

আমরা বিদেশে বন্ধু চাই, প্রভু নয়: ডা. শফিকুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা বিদেশে বন্ধু চাই, প্রভু নয়। এই বন্ধুত্ব হবে সমতার ভিত্তিতে। কেউ আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকাবে, তা আমরা হতে দেব না। বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে সসম্মানে থাকবে। দেশের বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না।’


শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) নাটোরের নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারি কলেজ মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে সাম্যের বাংলাদেশ। তবে এ জন্য লড়াই করতে হবে। তাহলেই আমরা সত্যিকারের স্বাধীন দেশের গর্বিত নাগরিক হতে পারব। এই লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, পরামর্শ এবং ইতিবাচক সমালোচনা প্রত্যাশা করে।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সম্মানের সঙ্গে কাজ করতে পারবে। নারীদের যথাযথ মর্যাদায় দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।’


শিক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা এমনভাবে শিক্ষিত হবে, যেন তাদের চাকরির জন্য কারও কাছে ধরনা দিতে না হয়। বরং শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার আগেই তারা কাজ পেয়ে যাবে। এই দায়িত্ব জামায়াতে ইসলামী পালন করবে। আমরা এমন শিক্ষা চাই, যা সন্তানদের মধ্যে দেশাত্মবোধ, মমত্ববোধ এবং মানবিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটাবে।’


জেলার বঞ্চনার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘নাটোরের কোনও অপরাধ না থাকলেও এখানে মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট নেই। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, অন্তত একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে এ জেলার বঞ্চনার অবসান করা হোক। ভবিষ্যতে জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে নাটোরের জন্য কোনও দাবি পাঠাতে হবে না। আমি নিজেই এসব দাবি পূরণ করব।’


জেলা জামায়াতের আমির ড. মীর নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কর্মী সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।


নাটোরের এই কর্মী সম্মেলনে জামায়াতের সাম্যের স্বপ্ন ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের আহ্বান নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

মা হওয়ার পর প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করি

মা হওয়ার পর প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করি

মডেল ও অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া। পিয়া জান্নাতুল নামেই বেশি পরিচিত। এখন তার বড় পরিচয় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। উচ্চ আদালতে আইন পেশায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এ আইনজীবী-অভিনেত্রী ২০১৪ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ফারুক হাসান সামীরকে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ছেলে সন্তানের মা হন পিয়া জান্নাতুল। এখন তার জীবনের বড় অংশই জুড়ে রয়েছে আদরের সন্তান।

মা দিবস নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে ঢাকা পোস্টের সঙ্গে কথা বলেন এ আইনজীবী মা। তার ভাষায়, ‘মা হওয়ার পর দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। সন্তানকে নিয়ে এখন প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করি। আর ভাবি আমি কত ভাগ্যবান।’

পিয়া জান্নাতুল বলেন, বছরের একটি দিন মায়ের জন্য পালন করা হয়। মা নয় মাস সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন। নয় মাস পর যখন সন্তানের জন্ম হয় তখন থেকে মা যত দিন বেঁচে থাকেন তত দিন সন্তানের জন্য দায়িত্ব পালন করে যান। আমার মাও এরকম করেছেন। এই তো কয়েক দিন আগে আমার মা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আচ্ছা আমি কি ভালো মা? এই প্রশ্ন শুনে প্রথমে হকচকিয়ে গিয়েছিলাম। তাকে বললাম, তুমি চমৎকার এবং সবচেয়ে ভালো মা। প্রত্যেক মা সেরা মা। কারণ, প্রত্যেক মা তার সর্বোচ্চ দিয়ে সন্তানের জন্য করে থাকেন। এখন আমার একটা সন্তান আছে। এখন আমি অনুভব করি, আমার কাছে পৃথিবীর সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার সন্তান। জগতের সবকিছুর চেয়ে আমি আমার সন্তানের ভালো চাই।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর
ছবি: সংগৃহীত



আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 


রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।


উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের সময় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলাকারী ব্যক্তি বা গ্রুপকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।


তিনি বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব সংস্থার সমন্বয়ে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসিদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদারে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে প্রায় দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ১৩০টি ভেন্যুতে ২৮টি ব্যাচে এই প্রশিক্ষণ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে শেষ হবে। একইভাবে ৫ লাখ ৮৫ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্যকেও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার জন অস্ত্রসহ এবং ৪ লাখ ৫০ হাজার জন নিরস্ত্রভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। আনসার ব্যাটালিয়নের ৩ হাজার ১৫৭ জন সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন। বিজিবির ১১০০ প্লাটুনে ৩৩ হাজার সদস্য নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন, যাদের প্রশিক্ষণ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। এছাড়া প্রায় ৮০ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যও মোতায়েন করা হবে।


তিনি বলেন, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের এবার যতটা সম্ভব দায়িত্ব না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


উপদেষ্টা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি এখন শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে। আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল অনেক কমে এসেছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি নেয়া হয়েছে শুধু বাহক নয়, গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) খুঁজছেন-এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, কে কি চায় এটা তার ব্যক্তিগত প্রশ্ন। এসময় আপনি সেফ এক্সিট চান কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছেলে-মেয়ে সবাই দেশে। আমি একা বিদেশে গিয়ে কী করবো।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি
ছবি: সংগৃহীত



ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ইসি সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। এখন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো কাজ বাকি নেই।


এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের সব প্রস্তুতি শেষ। তবে কিছু আসনে এখনও ব্যালট পাঠানো হয়নি, কয়েকদিনের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে।’


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এতো বড় পরিসরে ডেপ্লয়মেন্ট এর আগে কখনো দেখা যায়নি।  এখন পর্যন্ত ভোট ঘিরে বড় কোনো সমস্যাও দেখা যায়নি।


ভোটার উপস্থিতি নিয়ে ইসি আনোয়ারুল বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটের হার ৫৫ শতাংশের কম বা বেশি হতে পারে।


নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১১৬টি সংসদীয় আসনে ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে। অবশিষ্ট সব আসনে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যালট পেপার পৌঁছানো হবে।


ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশে শেষ মুহূর্তে কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় কিছু আসনে ব্যালট পুনর্মুদ্রণ করতে হয়েছে। এ কারণেই ব্যালট পেপার পাঠাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব আসনে ব্যালট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তিনি জানান, নির্বাচনের আগে ও পরে মোট সাত দিন সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে, আট দিন আনসার বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। পুলিশ ইতোমধ্যে মাঠে আছে এবং সেনাবাহিনীও আংশিকভাবে মোতায়েন আছে।


এছাড়া নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে ১ হাজার ৫০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হচ্ছে, যারা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন তারা। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদেরও ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন মাঠে থাকার কথা আছে।


ইসি সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।


ভোটার সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে কম ভোটার আছে ঝালকাঠি-১ আসনে— ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সবচেয়ে বেশি ভোটার আছে গাজীপুর-২ আসনে— ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।


ইসির কর্মকর্তারা জানান, ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৩৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে।


নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি— ২৮৮ জন। নিবন্ধিত ৯টি রাজনৈতিক দল কোনো প্রার্থী দেয়নি।  এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আড়াই শতাধিক বলে জানিয়েছে ইসি।


সারাদেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। 


ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি, ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর সবচেয়ে কম প্রার্থী আছেন পিরোজপুর-১ আসনে— মাত্র ২ জন।


নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।


পর্যবেক্ষক প্রসঙ্গে ইসি জানায়, ৮১টি দেশি নিবন্ধিত সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জন কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং ৪৭ হাজার ৪৫৭ জন স্থানীয়ভাবে পর্যবেক্ষণে থাকবেন। এছাড়া প্রায় ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষকও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।


পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোটদানে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।  এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার ৭ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ জন এবং দেশের অভ্যন্তরে আইসিপিভি ভোটার ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৩৮ জন।  ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন প্রবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে ইসি জানিয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত



বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অধ্যাদেশ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-২০২৫ (আরপিও বা রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপলস অর্ডার অর্ডিন্যান্স) আইন পাসের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।


বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ দুটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।


এদিন বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এসব তথ্য জানান।


এ দুটি আইন ছাড়াও আরও তিনটি আইনের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। আইন তিনটি হলো- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন।


এ আইন তিনটি সম্পর্কে আরও কিছুটা আলোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০