

ডেস্ক রিপোর্ট:
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকায় চার প্লাটুন এবং চট্টগ্রামে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজধানীর শাহবাগ, মৎস্যভবন এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র এবং চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে সনাতনী জাগরণ মঞ্চের ভক্তরা জড়ো হন। পরে তারা শাহবাগে গিয়ে জড়ো হলে সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আজ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহন করা প্রিজনভ্যান আদালত প্রাঙ্গণে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখে তার ভক্তরা।
অন্যদিকে, গতকাল যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকায় চার প্লাটুন এবং চট্টগ্রামে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজধানীর শাহবাগ, মৎস্যভবন এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র এবং চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে সনাতনী জাগরণ মঞ্চের ভক্তরা জড়ো হন। পরে তারা শাহবাগে গিয়ে জড়ো হলে সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আজ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহন করা প্রিজনভ্যান আদালত প্রাঙ্গণে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখে তার ভক্তরা।
অন্যদিকে, গতকাল যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকায় চার প্লাটুন এবং চট্টগ্রামে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজধানীর শাহবাগ, মৎস্যভবন এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় চার প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র এবং চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে সনাতনী জাগরণ মঞ্চের ভক্তরা জড়ো হন। পরে তারা শাহবাগে গিয়ে জড়ো হলে সেখান থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আজ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে বহন করা প্রিজনভ্যান আদালত প্রাঙ্গণে আড়াই ঘণ্টা আটকে রাখে তার ভক্তরা।
অন্যদিকে, গতকাল যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা এলাকায় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভারতে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তিনি অবিলম্বে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি জানান।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নাম উল্লেখ না করে বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, “চট্টগ্রামে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে, এ হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে। এই ঘটনার মাধ্যমে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, এবং তাকে পিটিয়ে হত্যা করা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। যারা এটি করেছে, তারা যেই হোক না কেন, তাদের শাস্তি পেতেই হবে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ইউনূস সরকার যদি এ সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
শেখ হাসিনা আরও বলেন, “বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাধারণ মানুষের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই।”
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নাম উল্লেখ না করে শেখ হাসিনা বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে। চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”
“আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরও হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে হয়রানি চলছেই। আমি এসব নৈরাজ্যবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,” বলে বিবৃতিতে জানান শেখ হাসিনা।
মন্তব্য করুন


মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা সেনানিবাসে ‘Go Green Initiative’ (গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ)-এর ব্যানারে আয়োজন করা হয়েছে এক ব্যতিক্রমী বর্ণাঢ্য সাইকেল র্যালি। পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করতেই এই আয়োজন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনানিবাসের সকল ব্রিগেড কমান্ডারগণ, স্টেশন কমান্ডার, কমান্ড্যান্টবৃন্দ, প্রায় ৫০০ বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্য এবং ২৫ জন শিশু কিশোর অংশগ্রহণে এ সাইকেল র্যালির উদ্বোধন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি।
উদ্বোধন শেষে মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, পরিবেশবান্ধব একটি আবাসিক ও কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে কুমিল্লা সেনানিবাস-এ ‘Go Green Initiative’ নামে একটি সমন্বিত প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ চলাচলে জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত যানবাহনের ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২৬ মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আয়োজিত সাইকেল র্যালিতে অংশ নেন সেনানিবাসের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা। পরিবেশবান্ধব, সহজপ্রাপ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত বাহন হিসেবে সাইকেলের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করে তোলাই ছিল এই র্যালির মূল উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১০০টি সাইকেল এবং ‘আনন্দ পরিবহন’ নামে দুইটি ব্যাটারিচালিত গাড়ি সংযোজনের মাধ্যমে ‘Go Green Initiative’-এর যাত্রা শুরু হয়। ইতোমধ্যে এই উদ্যোগ জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এছাড়াও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সেনানিবাসের বিভিন্ন স্থাপনার ছাদ ও অনাবাদি ভূমি ব্যবহার করে ৩.৮ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সোলার পাওয়ার প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ‘Go Green Initiative’ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ তিনজন। তদন্তে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যায় নির্দেশনা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
এটি জুলাই গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন, যেখানে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে। সোমবারই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দেবে প্রসিকিউশন পক্ষ।
এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দিয়েছিলেন। ওই দিন অতিরিক্ত প্রধান প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আদালতে শুনানিতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সংঘাতের আশঙ্কা নেই। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে এবং তাদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, "দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছে। এখনও বিভিন্ন থানা থেকে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধারের কাজ চলছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজাউন নবী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মুশফেকুর রহমান, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম সফল করতে মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনই হলো প্রকৃত সরকার।" তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের আরও মনোযোগী হতে হবে।
সভায় তিনি আরও জানান, পুলিশের যেসব সদস্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িত, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি, নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশও প্রদান করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। প্রথমবারের মতো এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল, আগের চেয়ে বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি।
তিনি বলেন, এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনা সদস্যদের রেখে বাকি সব সেনা সদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।
তিনি আরো বলেন, যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনা সদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনা সদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, মাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।
মন্তব্য করুন


গণভোটে ‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদশ গড়ার দরজা খুলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পাওয়া রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারের সুযোগকে লুফে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান জাতির ইতিহাসের এক অসাধারণ অর্জন। এটি অপ্রত্যাশিতভাবে জাতির জীবনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা এর মধ্যে বেশকিছু সংস্কার করেছি।’
গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছি। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।’
জাতীয় নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস যোগ করেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়নমুক্ত হবে বাংলাদেশ।’
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস জানান, ২০২৫ সালে জুলাই মাসের সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে। ২৮ জুলাই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজ জানান, জুলাই সনদের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এটির ভাষা এবং পটভূমি পর্যালোচনার জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
পরে ৪ আগস্ট থেকে সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দলসমূহের সঙ্গে কমিশনের আলোচনা শুরু হয়। মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত খসড়া প্রস্তুত করা হয় এবং ১১ সেপ্টেম্বর খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়। পরে ১৪ অক্টোবর দলসমূহের কাছে চূড়ান্ত অনুলিপি পাঠানো হয়; ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে আলাপ চলতে থাকে। বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে সনদে স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এখন সেই সনদের ওপর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নিয়ে কোনো জটিলতা নেই। নির্বাচনের সময় নিয়ে কোনো সমস্যা আমরা দেখছি না। কেউ যদি সমস্যা দেখে থাকেন, তাহলে সেটা তিনি ভুল দেখছেন বলে মন্তব্য করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
লন্ডনের ডোরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার (১৩ জুন) শুরু হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ড. খলিলুর রহমান জানান, আজ নির্বাচন নিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। এখন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কমিশনার খুব শিগগিরই একটি সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করবেন।
সংস্কার ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘সংস্কার ও বিচার অনেকটাই অগ্রগতি হয়েছে। আমরা মোটামুটি আত্মবিশ্বাসী যে নির্বাচনের আগেই এটি সম্পূর্ণ করতে পারবো।’
তিনি আরও যোগ করেন, সার্বিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে এবং সরকার এ বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


যতদিন দায়িত্বে আছেন ততদিন সারের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের গত এক বছরের অর্জন ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
কৃষি উপদেষ্টা বলেন, সার নিয়ে একটি নীতিমালা ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। এটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের জন্য জাতীয় কমিটিতে যাবে। জাতীয় কমিটির প্রধান শিল্প উপদেষ্টা। উনি বাইরে আছেন, আগামী সপ্তাহে আমরা মিটিং করে অনুমোদনটা দিয়ে দেবো। নীতিমালায় আমরা সারের ডিলারের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছি।
তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ানো হয়নি। সার পাচার হয়। সারের পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সার উৎপাদনে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কথা বলেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, পেট্রোবাংলা যদি গ্যাসের দাম বাড়ায়, তারপর যে সার উৎপাদন হবে, সেক্ষেত্রেও দাম বাড়বে না। অন্তত আমি যতদিন আছি স্যারের দাম বাড়বে না।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন পাচ্ছে তিনটি নতুন রাজনৈতিক দল। গণবিজ্ঞপ্তি জারির পর দলগুলোর বিষয়ে কোনো দাবি আপত্তি না থাকলে এ দলগুলো ইসির চূড়ান্ত নিবন্ধন পাবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এরপর দাবি-আপত্তি এলে তা নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়া হবে।’
ইসির নিবন্ধন পেতে ১৪৩ টি দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২২ দলের মাঠ মাঠ পর্যায়ে তদন্ত পাঠায় নির্বাচন কমিশন।
এরপর মাঠ পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
তবে এনসিপি প্রতীক জটিলতা ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগের কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে জাতীয় লীগসহ ১০ দলের অধিকতর যাচাইয়ের জন্য আবার তদন্ত করে সংস্থাটি। এরপর অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই শেষে কয়েক দফা বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
পুনরায় মাঠপর্যায়ের তদন্তে যে ১০টি দলকে পাঠানো হবে সেগুলো হলো— আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।
আইন অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে ইচ্ছুক দলের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি, এক তৃতীয় জেলা ও ১০০টি উপজেলা কমিটি এবং প্রতিটি কমিটিতে ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়।
মন্তব্য করুন