দায়িত্ব নিয়েই বাইডেনের ৭৮ নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন ট্রাম্প

দায়িত্ব নিয়েই বাইডেনের ৭৮ নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্যাপিটল ওয়ান অ্যারেনায় শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শপথ গ্রহণের পর তার প্রথম ভাষণে তিনি জানান, বাইডেন আমলের সব নির্বাহী আদেশ দ্রুত বাতিল করা হবে। শপথের অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে শুরু করেন তিনি।


জানা গেছে, শপথ নেওয়ার পরপরই ট্রাম্প ওভাল অফিসে গিয়ে একাধিক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাইডেনের শাসনামলের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন। এর মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের আদেশও রয়েছে।


ট্রাম্প আদেশে স্বাক্ষর করার পর সেটি জনসাধারণকে দেখান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা ছাড়ার আগে রেকর্ডসংখ্যক ব্যক্তিকে ক্ষমা করেছেন। ট্রাম্প প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, এমন আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত নেন বাইডেন।


ট্রাম্প তার ভাষণে বলেন, "যে ক্ষমাগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও দ্রুত বাতিল করা হবে।"


অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে একটি নির্বাহী আদেশেও স্বাক্ষর করেন।


যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস ট্রাম্পকে শপথ পাঠ করান। এ সময় বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তার স্ত্রী জিল বাইডেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


২০১৭ সালে ন্যাশনাল মলে বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রথমবার শপথ নিয়েছিলেন। তবে এবার তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে শপথ অনুষ্ঠান ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে একই কারণে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ক্যাপিটল ভবনের ভেতরে শপথ নিয়েছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

সরকার ইতোমধ্যে অনেক ভালো কাজ করেছে: মির্জা ফখরুল

সরকার ইতোমধ্যে অনেক ভালো কাজ করেছে: মির্জা  ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কাজ শুরু করেছে, নিঃসন্দেহে তারা ইতোমধ্যে অনেক ভালো কাজ করেছে। আমাদেরকে পথ দেখাচ্ছেন। 


শনিবার (২১ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকের আগে ও পরের ঘটনার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা আশ্বস্ত হচ্ছি যে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে। তার মাধ্যমে আমাদের আশাগুলো কিছুটা হলেও পূরণ করার সুযোগ হবে। আশা করব, আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো, ফ্যাসিবাদবিরোধী আমরা সবাই একজোট হয়ে একসঙ্গে তাদেরকে সহযোগিতা করব। আমাদের যে লক্ষ্য, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় পৌঁছাতে পারব।


মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে বেশ কয়েকটি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি হচ্ছে, একটা গুরুত্বপূর্ণ দল (এনসিপি) সম্ভবত কাল (রবিবার) নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে যাবে। আমরা তাদেরকে স্বাগত জানিয়েছি। তাদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমরা প্রত্যাশা করি, এই তরুণেরা, এই নবীনেরা যারা বিগত আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়েছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই নেতৃত্ব নিঃসন্দেহে কাঙ্ক্ষিত সেই লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে।’ 


সংস্কার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান জানিয়ে দলের মির্জা ফখরুল বলেন, কতগুলো বিষয়ে একমত হয়েছি, কতগুলো বিষয়ে একমত হচ্ছি না। যতগুলো বিষয়ে একমত হওয়া যাবে, সেগুলো আমরা বাস্তবায়ন করব। যেগুলোতে একমত হবে না, নির্বাচনের পরে সেগুলো নিয়ে সংসদে আলোচনা করব, ওই বিষয়গুলো আমরা একমত হব।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

গোপালগঞ্জে কারফিউয়ের সময় বাড়লো

গোপালগঞ্জে কারফিউয়ের সময় বাড়লো
ছবি: সংগৃহীত



গোপালগঞ্জে চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত কারফিউ অব্যাহত থাকবে।


আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এ তথ্য জানান।


তিনি জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ বন্ধ থাকবে। দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারফিউ চলবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিলো জাপান

বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিলো জাপান
ইউনূসের ছবি ১৭

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন জানিয়ে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তার উদ্দেশ্যে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি।

বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে জাপানি রাষ্ট্রদূত এই কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত কিমিনোরি অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক— এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে কাজ করবে। তিনি বলেন, “আমরা এই তিনটি স্তম্ভের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।”

তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্বাচনি ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রমে জাপানের ‘দৃঢ় সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক ইউনূস উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এই সম্পর্ক সবসময়ই শক্তিশালী ছিল।”

সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে আরও জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয়।”

জাপানি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ থেকে কোনো জাপানি কোম্পানি চলে যায়নি। তারা এখানে থাকতে আগ্রহী।”

তিনি নিক্কেইয়ের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সম্মেলনে অধ্যাপক ইউনূস জাপানের শীর্ষ কোম্পানির প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন এবং তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাতে পারবেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার পদক্ষেপের প্রশংসা করে জাপানি রাষ্ট্রদূত বলেন, টোকিও এই বৈঠককে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।

অধ্যাপক ইউনূস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিসংঘের গ্যারান্টিযুক্ত একটি নিরাপদ এলাকা তৈরির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যেখানে সংঘাত শেষ হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত জনগণের পুনর্বাসন হতে পারে এবং তারা তাদের বাড়িতে ফিরতে পারবে।

সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

হাসিনা-রেহানাসহ পরিবারের বিরুদ্ধে ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

হাসিনা-রেহানাসহ পরিবারের বিরুদ্ধে ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
শেখ হাসিনার ছবি 20

ডেস্ক রিপোর্ট:

শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং টিউলিপ সিদ্দিকসহ তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে মোট ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা) সহ ৯টি প্রকল্পে এসব দুর্নীতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া আটটি প্রকল্পে ২১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে ৫৯ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে কমিশন সভায় প্রকল্পগুলোর দুর্নীতি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

এর আগে ১৫ ডিসেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পাঁচ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাহেদুল আজম তমাল।

এছাড়া ৩ সেপ্টেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। রিটে দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছিল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

সারজিসের হুঁশিয়ারি: গাফিলতি হলে স্থান থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের

সারজিসের হুঁশিয়ারি: গাফিলতি হলে স্থান থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের
সারজিসরে ছবি 28

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, "আমরা অন্তবর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, যদি আপনাদের দায়িত্বে সামান্যতম গড়িমসি হয়, তাহলে এই বাংলাদেশে আপনাদের মুখ দেখানোর কোনো জায়গা থাকবে না।"

তিনি বলেন, "জুলাই-আগস্টে হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত, তাদের বিচার করা অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। যদি তারা এটি করতে না পারে, তাহলে এটি তাদের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হবে।"

আজ শুক্রবার দুপুরে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আরও বলেন, "এই হত্যাকাণ্ডের বিচার করা, খুনী হাসিনার বিচার করা, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা যারা এই হত্যাযজ্ঞের সাথে সরাসরি জড়িত, যারা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে, খুনী হাসিনার সরবরাহ করা অস্ত্র দিয়ে আমাদের ভাইবোনদের হত্যা করেছে, তাদের বিচার করা অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, যদি আপনাদের দায়িত্ব থেকে বিন্দুমাত্র গড়িমসি করেন, তাহলে এই বাংলাদেশে আপনাদের মুখ দেখানোর আর কোনো জায়গা থাকবে না।"

তিনি আরো বলেন, "আমাদের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আগামীর প্রজন্ম- আপনাদের শুধু একটি অনুরোধ করতে চাই, আমরা দলকানা হবো না, কোনো গোষ্ঠীর পূজা করবো না। আমরা কাউকে ছেড়ে কথা বলব না।"

ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বলেন, "বিভিন্ন মহলের প্রোপাগান্ডার সেলগুলো বক্তব্যের খণ্ডাংশ নিয়ে ঘটনাগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে কি না, তা আমাদের খেয়াল করতে হবে। এই অভ্যুত্থানের সাথে সম্পর্কিত মানুষগুলোকে বিভিন্নভাবে গুজবের মাধ্যমে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে কি না, এই বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করার মনোভাব আমাদের মধ্যে থাকতে হবে।"

শহীদ পরিবারগুলোকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, "এটা শুধুমাত্র শুরু, অল্প কিছু টাকা দিয়ে মানুষ হারানোর শোক পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা কথা দিতে চাই, এই জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন যতদিন থাকবে এবং আপনারা যতদিন থাকবেন, আপনাদের জন্য জীবনের বিনিময়েও কাজ করে যাবো।"

শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের ৫৮ জনকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম, আশশেফা খাতুন, পুলিশ সুপার টিএম মোশাররফ হোসেন, খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নেতা মো. ওয়াহিদুজ্জামান প্রমুখ।

এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

ভারতে হাসিনার সঙ্গে গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন যারা

ভারতে হাসিনার সঙ্গে গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন যারা
ছবি: সংগৃহীত



ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতের রাজধানী দিল্লিকে তাদের প্রধান রণকৌশল প্রণয়নের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। সেখান থেকেই তারা দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার মাধ্যমে সরকার পতনের নীলনকশা তৈরি করেছে। এরই অংশ হিসেবে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও এমপিদের নিয়ে গোপন বৈঠক করেছেন হাসিনা।


দিল্লিতে শেখ হাসিনার গোপন আস্তানা থেকেই চলছে নাশকতার গোপন প্রস্তুতি। তবে আন্দোলন পরিচালনার কৌশল নিয়ে মা শেখ হাসিনা এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের মধ্যে গত ৪ নভেম্বর কথাকাটাকাটি হয়। পুতুল মাকে এই মুহূর্তে চুপ থাকার অনুরোধ করলে তিনি ক্ষেপে যান বলে হাসিনার ওপর নজরদারিতে নিয়োজিত ঢাকার নিরাপত্তা বাহিনী সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।


নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, দিল্লির অভিজাত লুটিয়েন্স বাংলো জোনে ভারত সরকারের দেওয়া সুরক্ষিত একটি বাড়িতে শেখ হাসিনা বর্তমানে অবস্থান করছেন। তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ এশিয়া চ্যাপ্টারের প্রধানের পদ হারানোর পর থেকে সার্বক্ষণিক তার সঙ্গেই থাকছেন। বাসভবনটিকে কার্যত একটি ‘ওয়ার রুম’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।


এখানে নিয়মিত শারীরিক চেকআপের জন্য চিকিৎসক ও নার্স এবং বড় কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া ওই বাসায় থাকছেন ভারতে দায়িত্ব পালন করা সাবেক একজন হাইকমিশনার। পাশাপাশি ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের পছন্দ করা একজন আইনজীবী আইনি ও গণমাধ্যমের বিষয়গুলো দেখভাল করছেন। দিল্লি প্রেস ক্লাবের একজন সাংবাদিকও সহযোগিতা করছেন। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের প্রশ্নের উত্তরগুলো তারা দেখভাল করেন বলে জানা গেছে।


সূত্র জানায়, ড. ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে পরিকল্পনা কীভাবে সাজানো যায় এবং দ্রুত সফলতা পাওয়া যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ নিয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল মাকে এ ধরনের তৎপরতা বন্ধ রাখার কথা বললে হাসিনা রেগে যান।


গত ১১ অক্টোবর শেখ হাসিনার দিল্লির বাসায় সাবেক সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা এবং সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের গোপন বৈঠক হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী পলাতক শেখ হাসিনার দিল্লির গোপন বাসভবনে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


বৈঠকে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন—ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আকবর হোসেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া সাভার এলাকার সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও এমপি মহিউদ্দিন বাচ্চু, কক্সবাজারের সাবেক এমপি ও হুইপ সাইমুম সরোয়ার কমল, ফরিদপুরের সাজেদা চৌধুরীর ছেলে আয়মন আকবর চৌধুরী বাবলু এবং টাঙ্গাইলের সাবেক এমপি ছোট মনির বৈঠকে অংশ নেন।


বৈঠকে প্রধানত তিনটি বিষয়ে আলোচনা করা হয়—প্রথমত, সম্প্রতি ‘গুম প্রসিকিউশন চার্জে’ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ।


দ্বিতীয়ত, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন জোরদার করা।


তৃতীয়ত, দলকে সংগঠিত করা এবং তৃণমূলপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করাসহ ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা এবং চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ বিভাগীয় শহর এলাকায় সাংগঠনিক তৎপরতার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


বৈঠকে যারা ছিলেন, তাদের নিয়েই পুতুল মায়ের কাছে প্রশ্ন তোলেন। পুতুলের বিশ্লেষণ হচ্ছে, ওই লোকগুলোর কারণেই হাসিনার এই পরিণতি হয়েছে। আর হাসিনার বক্তব্য হচ্ছে, এদের দিয়েই পরিস্থিতি পাল্টাতে হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

প্রধান উপদেষ্টা-তারেক রহমানের বৈঠক দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বয়ে আনবে: রিজভী

প্রধান উপদেষ্টা-তারেক রহমানের বৈঠক দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বয়ে আনবে: রিজভী
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, গোটা জাতি আজ লন্ডনের দিকে তাকিয়ে।  বিশ্বাস করি এটি হবে ঐতিহাসিক বৈঠক এবং এ বৈঠকের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে।  


বুধবার (১১ জুন) দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। 


তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে ডিসেম্বরে নির্বাচনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে বিএনপি। যৌক্তিক সময়েই নির্বাচন হবে বলে জাতি প্রত্যাশা করে। আলোচনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনসহ সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।


প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের প্রতি ভয়ংকর বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে তারা হিংস্র হয়ে উঠেছে। বিদেশী তকমা দিয়ে প্রতিদিন পুশইন হচ্ছে। পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া লাগানোর প্রচেষ্টা। সীমান্ত এলাকায় পুশইনের হিড়িক লেগেছে। বাংলাদেশ কি বর্জ্য ফেলার স্থান, প্রশ্ন রাখেন তিনি।


দেশের লোককে বিদেশী বানিয়ে ভারত বাংলাদেশে পুশইন করতে চাইলে প্রতিবাদের পাশাপাশি প্রতিরোধ করবে বাংলাদেশ। ভারতকে মনে রাখতে হবে অত্যাচার-নিপীড়ন করে শেখ হাসিনাও টিকে থাকতে পারেনি।


সম্প্রতি করোনা প্রকোপ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভারতে এরই মধ্যে ৭ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে একজন মারাও গেছে। এ বিষয়ে সরকারকে দ্রুত করনীয় নির্ধারণ করে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। সুরক্ষার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন রিজভী। 


‘পাশাপাশি ডেঙ্গুও মারাত্মক রূপ নিয়েছে, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। এর জন্য সরকারের সঙ্গে জনগণকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বা জানান।’


ঈদযাত্রা ঘিরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫৭ জন মৃত্যুর সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য এই দুর্ঘটনা বেড়েছে। এছাড়াও ঈদে সমাজবিরোধীদের দৌরাত্মও ছিল। ফ্যাসিবাদমুক্ত নির্ভয়ে ঈদ উদযাপন আনন্দের ছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতির অবনতি দেখা গেছে। প্রশাসন আরও তৎপর হলে তা কমানো সম্ভব হতো।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন বাংলাদেশে উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা সহ বিভিন্ন বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তাদের দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, "আমরা একটি জাতি হিসেবে আপনাদের সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে সহায়তা করতে প্রস্তুত।"


প্রধান উপদেষ্টা চলমান সংস্কার উদ্যোগ, জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন।


জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ঐকমত্যের প্রত্যাশা করছেন।


তিনি বলেন, "এ পর্যন্ত আমি কোনো ভিন্ন মত শুনিনি।" জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে তোলার রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে ‘কঠিন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হবে ‘ঐক্য’।


প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, "সরকার শুধু একটি সুবিধাদাতা ভূমিকা পালন করবে। আমার কাজ হচ্ছে ঐকমত্য গড়ে তোলা। আমি কোনো ধারনা চাপিয়ে দিচ্ছি না।"


তিনি বলেন, একবার রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে একমত হলে, সরকার তাদের তা স্বাক্ষর করার অনুরোধ করবে, যাতে একটি ‘জুলাই চার্টার’ গড়ে তোলা যায়।


ড. ইউনূস আরও বলেন, "আমরা জানি না বিষয়বস্তুতে অনেক কিছু থাকবে, নাকি কিছু বিষয় থাকবে," মার্কিন কূটনীতিককে তিনি বলেন।


এসময় রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন কয়েকজন সাংবাদিক গ্রেফতার এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কিছু রিপোর্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


প্রধান উপদেষ্টা তখন বলেন, তার সরকার দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এবং রাষ্ট্রদূত ট্র্যাসি এন জ্যাকবসন বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অগ্রগতি এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে। এই ধারণা থেকেই সার্ক সৃষ্টি হয়েছিল এবং আমরা এর উদ্ভাবক।


তিনি সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার সাম্প্রতিক উদ্যোগ এবং এটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো একটি প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।


ড. ইউনূস রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাবাসনের জন্য এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে একটি নিরাপদ অঞ্চল তৈরির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন।


প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের তুলা আমদানির শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং তিনি দেশটিকে আরও বেশি পোশাক এবং টেক্সটাইল পণ্য আমদানির আহ্বান জানান, যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলার বৃহত্তর আমদানির সুযোগ সৃষ্টি করবে।


এসময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি-বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

নির্বাচন কমিশন কোন চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

নির্বাচন কমিশন কোন চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না: প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ছবি: সংগৃহীত



ভোটের দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন কমিশন কোন চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। বুধবার আগারগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইন্সটিউটে (ইটিআিই) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কারো অন্যায় চাপে ইসি নতি স্বীকার করবে না আমাদের একটাই মেসেজ আপনাদের কাছে বলতে চাই। কোন প্রেসারের কাছে নতি স্বীকার করবেন না, কোন চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না এবং সম্পূর্ণভাবে নিজের সিদ্ধান্তে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন।


সুষ্ঠু ভোটের দায়িত্ব পালনে সবাইকে ইসি পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি মাঠ পযায়ে কর্মকর্তাদের কাজের সমন্বয়ে ভালো ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি।


সিইসি জানান, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতায় থাকব। এবং নির্বাচন কমিশনও কিন্তু কারো কোনো অন্যায় চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। সুতরাং আমরা আপনাদেরকে অন্যায় কোন আদেশ দিব না। অন্যায় কোন হুকুম দিব না। আইন অনুযায়ী আমাদের নির্দেশনা যাবে বা আপনারা সেটা সেভাবে পালন করবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০

৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন: প্রধান উপদেষ্টা

৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। বিগত ১৬ বছরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, কোটা পদ্ধতি ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির হাতিয়ার।


আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি দেয়া বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গুলিবিদ্ধ আহদের চিকিৎসা নিতে দেয়া হয়নি এবং তৎকালীন সরকার হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহদের চিকিৎসা দেয়া না হয়।


জুলাই আগস্ট আন্দোলনে আহত নিহতদের স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, শহীদ পরিবার এবং আহতদের আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের বিদেশে চিকিৎসা করানো হয়েছে।


তিনি বলেন, ৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা, গণজাগরণের উপাখ্যান এবং ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন। আজ আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। যাদের কারণে আত্মত্যাগের কারণে আমরা আমরা পেয়েছি স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭১ সালে সাম্য সামাজিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এদেশের জনগণ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো। লাখো প্রাণের বিনিময়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দি পরেও এদেশের মানুষ সুবিচার ও গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে, বৈষম্যের শিকার হয়েছে।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ২০২৪ সালের উত্তাল জুলাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের এক সংকটময় অধ্যায়। ১৬ বছরের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এদেশের এই বিপুল সংখ্যক তরুণরা ১৬ বছর ধরে ক্রমাগত হতাশায় নিমজ্জিত ছিল। ভালো ফলাফল করেও চাকরির জন্য ক্ষমতাসীনদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছে। চাকরিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর তদবীর বাণিজ্য। যে তরুণ ঘুষ দিতে পারেনি এলাকার মাফিয়াদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে পারেনি, তার চাকরি হয়নি।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি, যেটা মূলত ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আরেকটা হাতিয়ার। এর বিরুদ্ধে তরুণ সমাজ দীর্ঘদিন প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলেও ফ্যাসিবাদী শাসকের টনক নড়েনি। দীর্ঘদিন এই সেক্টরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণী তৈরি করা হয়েছিল। যারা আর্থিক বা অন্য সুবিধার বিনিময়ে স্বৈরাচারের পক্ষে কথা বলবে-কাজ করবে। স্বৈরাচারের পক্ষের সঙ্গি হলেই তার চাকরি হবে।


এসময় প্রধানউপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত

১০

বৈধ-অবৈধ সকল প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে : ইসি সচিব

১১

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে

১২

যে কৌশলে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে আটক করে

১৩

বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই বিএনপি এগিয়ে যাবে : রুহুল কবির রিজভী

১৪

সরকার একটি ভালো নির্বাচন উপহার দেবে: প্রেস সচিব

১৫

বেগম খালেদা জিয়ার শোক বইতে রাজনাথ সিংয়ের স্বাক্ষর

১৬

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন

১৭

তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানালেন পাকিস্তানের স্পিকার

১৮

তারেক রহমানকে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে নিরাপত্তায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২০