

স্পোর্টস ডেস্ক:
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরের দুই টেস্টের জন্য যে দল ঘোষণা করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পরই হইচই শুরু হয়ে যায়। কারণ দল থেকে ছিটকে পড়েছেন বাবর আজম। তাকে বিশ্রামের কথা বলে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। আর বন্ধুর খারাপ সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন ফখর জামান। আর তাতেই বাঁহাতি ওপেনারের ওপর চটে লাল পাক ক্রিকেট বোর্ড।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে সংঘাতটা লেগেই গেল। গতকাল রোববার পাক বোর্ডের তরফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি দুই টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করা হয়। সেখানেই পাকিস্তানের নয়া নির্বাচক কমিটি ক্রিকেটারদের স্পষ্ট বার্তা দেয়— হয় পারফরম্যান্স কর, নয় সরে দাঁড়াও। বোর্ডের এই অবস্থানের জেরে দল থেকে ছাঁটাই হন বাবর আজম। দলে নেই শাহিন আফ্রিদি ও নাসিম শাহ।
পাক বোর্ডের তরফে মুলতান ও রাওয়ালপিন্ডিতে পরের দুই টেস্টের জন্য যে দল ঘোষণা করা হয়, তা প্রকাশ্যে আসার পরই জানা যায়, দল থেকে বাদ দেওয়া হয় তিন তারকা ক্রিকেটারকে। এর মধ্যে নাম রয়েছে গত এক দশকে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর আজমের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখর জামানের লিখেছেন—খারাপ সময়ে যখন বিরাট কোহলির গড় অত্যন্ত কম ছিল। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রান পায়নি, তখন ভারতীয় বোর্ড কোহলির পাশে দাঁড়িয়েছিল। অথছ বাবর আজমের খারাপ সময় তার পাশে দাঁড়াল না পাকিস্তান বোর্ড— এটা অত্যন্ত খারাপ একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করে বলেন, ক্রিকেটারদের ছোট না করে বোর্ডের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।
ফখর জামানের ওপর ক্ষুব্ধ পাকিস্তান বোর্ড। যদিও তার পোস্টের পরই পাক ক্রিকেট বোর্ডের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ফখর জামানের পোস্টে বোর্ড একদমই খুশি নয়। যারা এ বিষয়ে দায়িত্বে রয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
পাক বোর্ডসূত্রে জানা গেছে, নতুন যে নির্বাচক কমিটি হয়েছে, তার অন্যতম সদস্য সাবেক অধিনায়ক আজহার আলি। তিনি বাবর আজমের সঙ্গে শনিবারই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। এ ছাড়া আরেক নতুন নির্বাচক আকিব জাভেদ জানিয়েছেন— এ মুহূর্তে ক্রিকেটারদের ফর্মের দিকে আমাদের নজর রাখতে হচ্ছে। বাবর-শাহিনদের বোঝানো হয়েছে, ওদের আত্মবিশ্বাস ফেরার জন্য এবং ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য এই দুই টেস্টে বিশ্রাম প্রয়োজন। আর আমাদের এই সিরিজে যেভাবেই হোক ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


হংকংয়ের বিপক্ষে শমিত, জায়ান ও ফাহামিদুলসহ তারা চারজনই ম্যাচের শুরু থেকে খেলতে চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। শুরুবার (১০ অক্টোবর) হংকংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন তিনি।
তবে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে হংকংয়ের কাছে হারের পর বিষণ্ন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। অ্যাওয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন সবাই। আগামী ১৪ অক্টোবরের হংকংয়ের সঙ্গে খেলবে বাংলাদেশ।
জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি, শমিত, ফাহামিদুল, জায়ান একসঙ্গে ওয়ার্ম-আপ করি। সে সময় ওদের বলেছি, আমরা যখন নামবো তখন ম্যাচের গতিপথ বদলাতে হবে। আমাদের চার জনের ইমপ্যাক্ট ভালো ছিল। চার জনই শুরুর একাদশে খেলতে চাই। সব মিলিয়ে আমরা ভালো খেলেছি।’
তবে কে খেলবেন তা কোচ ঠিক করবেন। জামাল তেমনটি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন না খেলি সেটা তো ভুল, এটা আমি বলবো। আমি সব ম্যাচ খেলতে চাই। কিন্তু দিনশেষে কারা খেলবে এটা কোচের সিদ্ধান্ত। আমি চাই খেলতে।’
বাংলাদেশ দলের শেষ মুহূর্তে গোল হজম নিয়ে জামাল বলেন, ‘এই দলের একটা হিস্টরি আছে, আমরা শেষ মুহূর্তে গোল হজম করি। এই ম্যাচের আগে আমরা আলাপ করেছি, আমাদের ফুল ম্যাচ ফোকাসড থাকতে হবে। সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি, আমরা যদি জিততে চাই বা পয়েন্ট নিতে চাই, আমাদের পুরো ম্যাচে মনোযোগী থাকতে হবে। কিন্তু আমরা পারিনি।’
সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে জামাল বলেন, হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইতিবাচক কিছু করতে চান। ‘তাদের তিন পয়েন্ট দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি। আরও তিন পয়েন্ট... ইনশাআল্লাহ আমরা কিছু দিতে পারবো।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পাকিস্তানের যুবাদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথম সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে সমান ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল ভারত। আগামী ৮ ডিসেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের আসরে আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার লড়াই আজিজুল হাকিম তামিমের দলের।
শুক্রবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুতেই অর্ধেক কাজ করে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। দুই পেসার ইকবাল হোসেন ইমন ও মারুফ মৃধা অগ্নিঝরা বোলিংয়ে মোট ৬ উইকেট তুলে নেন পাকিস্তানের।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ৩৭ ওভারে মাত্র ১১৬ রান করে। জবাব দিতে নেমে ২২.১ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ বলে ৩২ রান করেন ফারহান ইউসুফ। ৬৫ বলে ২৮ রান করেন মোহাম্মদ রিয়াজুল্লাহ। ৪১ বলে ১৮ রান করেন অধিনায়ক সাদ বাইগ। ৩০ বলে ১০ রান নেন হারুন আরশাদ। বাকিরা ছিলেন এক অংকে আটকা।
জবাব দিতে নেমে দলীয় ২৮ রানে দুই ওপেনার কালাম সিদ্দিকি (১৪ বলে ০) ও জাওয়াদ আবরারকে (২৫ বলে ১৭) হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে আজিজুল হাকিম ও শিহাব জেমসের ৫৭ রানের জুটিতে জয়ের সুবাস পায় যুব টাইগাররা। ৩৬ বলে ২৬ রান করে শিহাব জেমস আউট হয়ে গেলে রিজান হোসেনকে নিয়ে ম্যাচ জেতান আজিজুল হাকিম।
৪২ বলে ৬১ রানের হার না মানা অনবদ্য ইনিংস খেলেন অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। তার সঙ্গে রিজান অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।
মন্তব্য করুন


মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রাজত্ব করার পর ইন্টার মায়ামি সমর্থকদের জন্য এলো আরও এক দারুণ খবর। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সার্জিও রেগুইলনের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরেই জানা গেল, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটিতেই থাকছেন উরুগুইয়ান তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ।
ইন্টার মায়ামির দুই স্তম্ভ জর্দি আলবা ও সার্জিও বুসকেটসের বিদায়ের ঘোষণার পর সুয়ারেজের ভবিষ্যৎ নিয়েও গুঞ্জন ডালপালা মেলেছিল। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকায় ধারণা করা হচ্ছিল, ৩৮ বছর বয়সী এই গোলমেশিন হয়তো নিজ দেশে ফিরে যাবেন। তবে নতুন চুক্তির মাধ্যমে সেই সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপাতত মায়ামিতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইন্টার মায়ামির সাফল্যের পেছনে গত মৌসুমে সুয়ারেজের ভূমিকা ছিল অনবদ্য। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৫০টি ম্যাচ, যার ৪৭টিতেই ছিলেন শুরুর একাদশে। গোল করেছেন ১৭টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৭টি। যদিও এর আগের মৌসুমে ৪৩ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে ক্লাবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা (প্রথম ছিলেন লিওনেল মেসি) ছিলেন তিনি।
মৌসুমের শেষভাগে নিষেধাজ্ঞার কারণে কয়েকটি ম্যাচ বেঞ্চে কাটালেও সেমিফাইনালে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে নিজের প্রভাব বজায় রাখেন তিনি। ইনজুরির কারণে ভ্যাঙ্কুভারের বিপক্ষে ফাইনাল মিস করলেও পুরো মৌসুম জুড়ে তার পারফরম্যান্স ছিল অনবদ্য।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল জার্মানির অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার টিমো ভার্নার ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিতে পারেন। তবে সুয়ারেজের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করার পর আপাতত চেজ স্টেডিয়ামে ভার্নারের আগমনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রিয় ‘মেসি-সুয়ারেজ’ জুটিকে আরও কিছুদিন একসঙ্গে মাঠ মাতাতে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন মায়ামি সমর্থকরা, যা ক্লাবটির জন্য বড় এক স্বস্তির খবর।
মন্তব্য করুন


স্প্যানিশ ফুটবলের নতুন প্রজন্মের আলোচিত নাম লামিনে ইয়ামাল। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন এই প্রতিভাবান তরুণ। শিশুকালে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির সংস্পর্শ পেয়েছিলেন তিনি। এখন নিয়মিত মাঠে মুগ্ধতা ছড়িয়ে বার্সেলোনার হয়ে একের পর এক ট্রফি জিতে নিচ্ছেন নিজের অর্জনের ঝুলিতে।
অনেকে মেসি পরবর্তী যুগে শূন্যস্থান পূরণ হিসেবে এই স্প্যানিশ তারকাকে দেখে থাকেন। তবে মেসি নয়, ইয়ামাল নিজের আইডল মনে করেন সাবেক বার্সা তারকা ব্রাজিলিয়ান সেনসেইশন নেইমারকে। সম্প্রতি সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল নিজের আদর্শ, ভবিষ্যৎ এবং বার্সেলোনার জীবন নিয়ে কথা বলেছেন।
নিজের ফুটবল আদর্শ প্রসঙ্গে ইয়ামাল বলেন, ‘আমি ৫ বছর বয়সে তাকে (নেইমার) সান্তোসে (ব্রাজিলিয়ান ক্লাব) দেখেছিলাম। পরে যখন বয়স সাত হয়, তাকে বার্সেলোনায় ক্যাম্প ন্যু’র একজন সদস্য হিসেবে পাই। তার সরাসরি সাক্ষাৎ পাওয়াটা ছিল অবিশ্বাস্য কিছু। এটি সত্য যে, সেখানে থাকা (লিওনেল) মেসিও একজন দুর্দান্ত ফুটবলার, তবে সে (নেইমার) সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। নেইমার সবসময়ই আমার আদর্শ (আইডল) ছিলেন, তিনি একজন তারকা এবং ফুটবল কিংবদন্তি।’
বার্সেলোনাতে দীর্ঘ সময় খেলার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন এই স্প্যানিশ তরুণ তারকা। ইয়ামাল বলেন, ‘আমি জানি না কখন কী (চুক্তি স্বাক্ষরের সময়) হবে, তবে বিশ্বাস করি সেটি শিগগিররই হবে। সবমিলে বার্সা ক্লাব আমার জীবন, আমি আশা করব যতটা সম্ভব বেশি সময় ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিতে যাব। আমি স্প্যানিশ লিগে খেলতে চাই, বার্সার হয়ে খেলতে চাই এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী।’
মন্তব্য করুন


এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ, সম্ভাবনা নেই ভারতেরও। স্রেফ নিয়মরক্ষার হলেও আদতে এটি বাংলাদেশ-ভারত মর্যাদার লড়াই। এ কারণেই ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৮ নভেম্বরের ম্যাচটি ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আবারও উন্মাদনা শুরু হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টা থেকে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ছয় ক্যাটাগরির টিকিট পাওয়ার কথা ইভেন্ট টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম Quicket–এ। কিন্তু টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বলেছেন, ‘মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে। অর্ধেকের বেশি পেমেন্টও হয়ে গেছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিট অবিক্রিত নেই আর এখন শুধু রেড বক্স, হসপিটালিটি বক্সের টিকিট রয়েছে।’
সবশেষ সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ৪০০ টাকা থাকলেও ভারত ম্যাচের উন্মাদনায় বাফুফে সেটা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করে। ক্লাব হাউস ২ ও ভিআইপি বক্স ৩-এর একেকটা টিকিটের দাম ৩ হাজার টাকা করে। ভিআইপি বক্স ২-এ বসে খেলা দেখতে চাইলে লাগবে ৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া ক্লাব হাউস ১ ও রেড বক্সের দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা।
দাম বৃদ্ধি করলেও সমর্থকদের চাহিদা কমেনি। টিকিট ছাড়ার পরপরই সংগ্রহ করেছেন সমর্থকরা। কিন্তু মুহূ্তেই টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। Quicket–এর ওয়েবসাইটে SOLD OUT লেখা দেখে কেউ কেউ টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
ভারত ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। সেই টিকিট ছেড়েছে ফেডারেশন প্রায় এক সপ্তাহ। ওই টিকিট বিক্রি খুব ধীর। সেটাও দ্রুত শেষ হওয়ার আশা করছেন গাউস, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিট শেষ। হামজাও আজ আসছে। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবে।’
১০ জুন বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়ে বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। টিকিফাই প্লাটফর্মে টিকিট সংগ্রহে অনেক ভোগান্তি হয়েছিল। এরপর অক্টোবর উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার করে। ৯ অক্টোবর ঢাকার ঐ ম্যাচের টিকিট ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়।
অক্টোবর উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বর উইন্ডোতেও কুইকেটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। টিকিট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট করছেন দর্শকরা। এরপরও বাফুফে চার মাস পেরিয়ে গেলেও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
দুর্দান্ত ফর্ম থাকার পরও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হয়নি শাহিন আফ্রিদির। অথচ ওয়ানডে সিরিজে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭ উইকেট শিকার করেন তিনি। পাকিস্তানের সিরিজ জয়ে তার আগুনে বোলিংয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তবু কেন পাকিস্তানের টেস্ট দলে জায়গা হলো না আফ্রিদির? পাকিস্তানের ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তান জানিয়েছে, মূলত নির্বাচকদের সঙ্গে বিবাদের জেরেই এমনটা হয়েছে।
ওয়ানডে সিরিজের পর নির্বাচকরা তাকে একটি চারদিনের ম্যাচে অংশ নিতে বলেছিলেন। তবে আফ্রিদি সে ‘আদেশ’ না মানার কারণেই নাকি তাকে টেস্ট দলে রাখা হয়নি। তবে একইভাবে বাবর আজমও চারদিনের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও তাকে ঠিকই দলে রাখা হয়েছে।
টিম ম্যানেজমেন্ট চাইলে টেস্ট সিরিজের জন্য দলের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন আফ্রিদি। তবে এক্ষেত্রে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে কোনো ইতিবাচক সিগন্যাল দেয়নি।
এদিকে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টে একজন বাঁহাতি পেসারের অভাব বোধ করছে পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির পাশাপাশি আরেক বাঁহাতি পেসার মীর হামজাকেও স্কোয়াডে রাখেননি নির্বাচকরা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
চলতি মৌসুমের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফর্ম করে চলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির ইংলিশ ফুটবলার ফিল ফোডেন। তার পুরস্কারও এবার পেলেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। ইংল্যান্ডের ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফডব্লিউএ) বিচারে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন তিনি। মেয়েদের বিভাগে এই পুরস্কার জিতেছেন সিটিরই জ্যামাইকান ফরোয়ার্ড খাদিজা শ।
আজ শুক্রবার এই দুজন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এটি নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নারী-পুরুষ দুই বিভাগেই বর্ষসেরা পুরস্কার উঠল সিটির ঘরে। ২০১৯ সালে ছেলেদের বিভাগে পুরস্কার জিতেছিলেন রাহিম স্টার্লিং। মেয়েদের বিভাগে জিতেছিলেন নিকিতা প্যারিস।
২০২৩-২৪ মৌসুমে সিটির হয়ে আক্রমণভাগে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের নাম হয়ে উঠছেন ফোডেন। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এরই মধ্যে করেছেন ২৪ গোল। এছাড়া সতীর্থদের দিয়ে আরও ১০টি গোল করিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
৪২ শতাংশ ভোট পেয়ে বর্ষসেরা হয়েছেন ফোডেন। পরের স্থানগুলোতে আছেন ফোডেনের ক্লাব সতীর্থ রদ্রি ও আর্সেনালের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস। গত বছর এই পুরস্কার জিতেছিলেন সিটির ফরোয়ার্ড আর্লিং হল্যান্ড।
মেয়েদের বিভাগে খাদিজা পেয়েছেন ৫৩ শতাংশ ভোট। চলতি মৌসুমে উইমেনস সুপার লিগে এখনো পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার ওপরেই আছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
মন্তব্য করুন


রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে চলেছে সাফল্যের পথে। তবে ফুটবল মাঠের পাশাপাশি এবার ভিনিসিয়ুসের নজর ব্যবসায়িক দিকেও। পর্তুগালের একটি দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ক্লাব কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ইএসপিএন জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনায় বৈচিত্র্য আনার জন্য এবং অবসরের পরের জীবনকে মাথায় রেখে ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে থাকা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে একটি কিনতে আগ্রহী তিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, ক্লাব কেনার জন্য ভিনিসিয়ুসের পাশে রয়েছে একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপে-এর সাংবাদিক রবার্তো আন্তোলিন প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন যে, ভিনিসিয়ুস ইতোমধ্যে ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন।
যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ঠিক কোন ক্লাবটি কিনতে আগ্রহী ভিনিসিয়ুস, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ভিনিসিয়ুস আলভেরকা ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
লিসবনের কাছাকাছি অবস্থিত এই ক্লাবটি বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা আনুমানিক ১ কোটি ইউরো দিয়ে ক্লাবটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২০২৪ সালে ভিনিসিয়ুসের আয় হবে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৪ কোটি ডলার আসবে তার বেতন থেকে এবং বাকি ১.৫ কোটি ডলার আসবে স্পনসরশিপ থেকে।
ভিনিসিয়ুসের স্পনসরদের মধ্যে গ্যাটোরেড, পেপসি, ইউনিলিভার এবং নাইকির মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া, ব্রাজিলে ভিনিসিয়ুসের একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলো ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ক্রিকেটে শেষ হলো চন্ডিকা হাথুরুসিংহে অধ্যায়। শ্রীলঙ্কান কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই হেড কোচকে অব্যাহতির কথা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। সেই সঙ্গে তাকে শোকজও করা হয়েছে। নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল সিমন্সের নাম।
হাথুরুকে বাংলাদেশের হেড কোচ হিসেবে রাখবেন না ফারুক আহমেদ, এমন গুঞ্জন ছিল দুই মাস আগ থেকেই। অবশেষে গতকাল সোমবার বিপিএল প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগ মুহূর্তে অথবা আগেরদিন রাতেই বিসিবিপ্রধানের ফোনে কোচ পদ থেকে অব্যাহতির বিষয়ে জানতে পারেন হাথুরুসিংহে। যদিও সেটা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল না।
মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতির ঘোষণা দেন ফারুক আহমেদ। তার বদলে ফিল সিমন্সের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানানো হয়।
হাথুরু দুই মেয়াদে বাংলাদেশ দলের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম মেয়াদে ২০১৪ সালের মে থেকে ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এরপর নিজ দেশ শ্রীলঙ্কার হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেন হাথুরু।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসেন হাথুরু। কিন্তু তার প্রথম মেয়াদে বাংলাদেশ ক্রিকেটের যতটুকু উন্নতি দেখা গেছে, দ্বিতীয় মেয়াদে সেটা দেখা যায়নি। এমনকি এই সময়ে বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে বিভেদ তৈরি, বিসিবির বিধি ভঙ্গ ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে অশোভন আচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাথুরুসিংহের বিরুদ্ধে।
হাথুরু এসব অপরাধ হয়তো ঢাকা পড়ে যেতো, যদি ভারত সিরিজে ভালো কিছু করতে পারতো বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে লড়াইটাও করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এমনকি যেভাবে হেরেছে, তাও ছিল দৃষ্টিকটু। এসব কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ সামনে রেখেই হাথুরুকে অব্যাহতি দিয়েছে বিসিবি।
উল্লেখ্য, হাথুরুর সঙ্গে চুক্তি ছিল ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত। কিন্তু আগেভাগেই লঙ্কান এই কোচকে বিদায় করে দিলো বিসিবি।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
সারা জীবন যে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন না এটা তিনি ভালই জানেন। সেটা চাইছেনও না। তাই বিরাট কোহলির ইচ্ছা, ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার আগে সব কাজ শেষ করে ফেলার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-আরসিবির একটি পডকাস্টে এমনই কথা বলেছেন কোহলি। বেশ কিছু দিন পর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের মুখে আবার অবসরের কথা শোনা গেল।
রানের প্রতি কোহলির খিদে এখনও আগের মতোই আছে। এ বারের আইপিএলে শতরান করেছেন। মোট আটটি শতরান হয়ে গিয়েছে আইপিএলে। ১৩টি ম্যাচে ৬৬১ রান করে কমলা টুপির দৌড়ে রয়েছেন।
আরসিবির একটি ভিডিওতে কোহলি বলেছেন, ‘কোনও কাজ অসমাপ্ত রেখে যেতে চাই না। আমি চাই না কোনও আক্ষেপ রাখতে। আমি নিশ্চিত যে সেটা হয়তো থাকবেও না। তবে এক বার আমার কাজ শেষ হয়ে গেলেই চলে যাব। তারপর অনেক দিন আমাকে দেখতে পাবেন না।’
কোহলির সংযোজন, ‘যতদিন খেলছি তত দিন নিজের সেরাটা দিতে চাই। এই বিষয়টাই আমাকে সর্বক্ষণ তাড়িয়ে বেড়ায়।’
২০০৮ সালে ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানোর পরেই কোহলিকে আইপিএল নিলামে কেনে আরসিবি। সেই থেকে একটি দলের হয়েই খেলে চলেছেন তিনি।
কোহলি বলেছেন, ‘ক্রীড়াবিদ হিসাবে আমাদের একটা মেয়াদ থাকে। আমি তাই পিছনের দিকে তাকাচ্ছি না। কোনও নির্দিষ্ট দিনে আমি কী করতে পারতাম সেটা ভাবতে ভাবতে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই না। কারণ সারা জীবন খেলা চালিয়ে যেতে পারব না।’
মন্তব্য করুন