

আজ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাটে চলন্ত লরি উল্টে একটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রাইভেট কারে থাকা ৪ যাত্রী অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সামনে ঢাকামুখী লেইনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ একটি কাভার্ডভ্যান উল্টে প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে যায়।
সে সময় ভেতর থেকে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার শোনতে পেয়ে, স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লরি উল্টে প্রাইভেট কারের ওপর চাপা পড়েছিল।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১১টার দিকে লরি সরিয়ে প্রাইভেট কারে থাকা চালকসহ ৪ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তারা সামান্য আহত হয়েছেন। চালককে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বারো আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় প্রাইভেট কারে থাকা চার যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেছেন। দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কার ও লরি জব্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে
বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় উপস্থিত হন দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের
নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। আর স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার
জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এলডিপির
চেয়ারম্যান অলি আহমদ সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির নেতারা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার
জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বেগম খালেদা জিয়া।
তাই তার আগে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। সাক্ষাতের সময়ে দেশের
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী দিনের বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া কয়েকদিন
আগে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করে গেছেন। এই বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে
আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া তিনি কত মাস পর আবার দেশে ফিরবেন সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়, কারণ
তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, ফলে তারা যাত্রা দীর্ঘ হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে সবার
কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয় রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,
এটা মূলত ম্যাডাম চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। সবকিছু
ঠিক থাকলে আগামী ৭ জানুয়ারি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। ‘এটা তো
স্বাভাবিক বিষয়, ম্যাডামের সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবেই।
মন্তব্য করুন


আজ (৬ মে) থেকে সারা দেশে টানা সাত-আট দিন বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর। কোথাও কোথাও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া
অধিদপ্তর।
পরবর্তী
পাঁচ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতে বলা হয়েছে,
এ সময়ও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। সে হিসেবে আগামী এক সপ্তাহ টানা
বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওবিদ
মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টি, কোথাও কোথাও
বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস রয়েছে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
এ
সময়ের শুরুতে দিনের তাপমাত্রা কমতে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা
অপরিবর্তীত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিল্ডিংয়ের ছাদে গাঁজা গাছ চাষ করার অভিযোগে বাড়ির কেয়ারটেকারকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
গ্রেফতার সিরাজুল ইসলাম (৪০) ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মংগলকান্দি ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের মন কাজী বাড়ির মৃত মহরম আলীর ছেলে।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের আলাউদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, বাড়ির মালিক আলাউদ্দিন দীর্ঘ দিন ধরে বাড়িতে থাকেনা। কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলাম বাড়ির সবকিছু দেখাশুনা করত। ভবনের মালিক তার পরিবারের অনুপস্থিতিতে সে ভবনের ছাদে গাঁজা চাষ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি নোয়াখালী সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে বিল্ডিংয়েল কেয়ারটেকার সিরাজুল ইসলামের দখলীয় বিল্ডিং দ্বিতীয় তলার ছাদে একটি গাঁজা গাছ যার দৈর্ঘ্য ৩' (তিন) ফুট, যার ওজন শাখা প্রশাখা ও মূলসহ ২৭০ (দুইশর সত্তর) গ্রাম উদ্ধার করে আসামি সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশে দুই জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) পরিবর্তন করেছে । এর মধ্যে ময়মনসিংহের ডিসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রত্যাহার করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। আর সুনামগঞ্জের ডিসি দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরীকে বদলি করে ময়মনসিংহে পাঠানো হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ডিসি করা হয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরীকে।
গতকাল শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত জারি করা প্রজ্ঞাপনে আভাস মিলেছে, ডিসি-এসপিদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলেই তাদের বদলি করা হতে পারে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসিদের বদলির সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন) মো. আমিন উল আহসান বলেন, যদি কোনো ডিসির বিরুদ্ধে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন, তাহলে তা নিয়ে আমরা ইসির সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ময়মনসিংহের ডিসিকে কেন প্রত্যাহার করা হয়েছে জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। এটি ইসি ও জনপ্রশাসনের সিদ্ধান্ত।
ইসি, জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের সব স্তরেই বিশেষ করে ডিসি-এসপি পদে ব্যাপক রদবদল হতে পারে। কারণ যেসব ডিসি-এসপি এক বছরের কম-বেশি সময় ধরে বর্তমান কর্মস্থলে আছেন, তাদের সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতিকদের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনে এ সুসম্পর্ক অনেকেই কাজে লাগিয়ে ভোটের ফলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাতে পারেন। তাই ইসি মনে করছে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে মাঠ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তাদের বদলি করা জরুরি।
এমন সিদ্ধান্ত থেকেই প্রথম পর্যায়ে যেসব ইউএনও তার কর্মস্থলে এক বছর ধরে আছেন, তাদের বদলি করা হবে। আর যেসব ওসি ছয় মাস ধরে একই থানায়, তাদেরও বদলির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক বছর বা তার কাছাকাছি সময় একই জেলায় আছেন—এমন ডিসিদেরও বদলির চিন্তা আছে ইসির। তবে কোনো ডিসি-এসপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে বদলি করা হবে।
এছাড়া ছয় মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় ধরে এক জেলায় আছেন—এমন এসপিদের বদলি করা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, বদলির বিষয়টি অস্বাভাবিক কিছু নয়। ডিসি-এসপিদের বদলির সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এমন কিছু আমার জানা নেই। যদি ইসি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে হতেও পারে। এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়। আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে জনপ্রশাসন সচিব ও জননিরাপত্তা সচিবকে লেখা চিঠিতে ইসি লিখেছে, পর্যায়ক্রমে সব ইউএনও এবং ওসিদের বদলি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে যেসব ইউএনওর বর্তমান কর্মস্থলে এক বছরের অধিক চাকরিকাল হয়েছে, তাদের অন্য জেলায় বদলির প্রস্তাব ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ইসিতে পাঠাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ছয় মাসের বেশি সময় ধরে এক থানার দায়িত্বে রয়েছেন—এমন ওসিদের বদলির প্রস্তাবও পাঠাতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২২ নভেম্বর ইসি মো. আলমগীর জানিয়েছিলেন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রশাসনে রদবদল হবে না। এর এক সপ্তাহ পরই গত বৃহস্পতিবার ইউএনও-ওসিদের বদলির সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে মাঠ প্রশাসনে বদলির রেওয়াজ রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকেন ডিসি-ইউএনও। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকেন ডিসি। আর সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনও। পুরো নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান জেলার এসপি এবং ওসিরা।
আরপিও অনুযায়ী নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তপশিলের পর সরকার চাইলেও বদলি করতে পারে না। বদলির জন্য কমিশনের অনুমতি লাগে। কমিশনের যদি মনে হয় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিপক্ষে, তখন তাকে বদলি করতে পারে।
তফশিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষ হবে ৪ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ আগামী ১৭ ডিসেম্বর আর প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৮ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন


প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত
আহমেদ শুক্রবার প্রথম প্রহরে (রাত ১২ টার পর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে
অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় বলেছেন, বাঙালি জাতি সত্ত্বার
একটি প্রাথমিক স্তম্ভ একুশ। ব্যক্তিগতভাবে এক আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে আমার একুশের
সঙ্গে। আমার মা একজন ভাষা সৈনিক, ভাষা কন্যা।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টার পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের
নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় দেশের ভাষা আন্দোলনে
শহীদদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়, এবং জাতির গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলনের
ঐতিহ্যকে ধরে রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতির মা বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের অবদানের জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী থাকাবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত চিত্রনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। সোমবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডেপুটি স্পিকারের প্রেসসচিব সোয়াইব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফারুক। এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ঢাকাই সিনেমার তার অভিষেক হয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সাহেব’, ‘আলোর মিছিল’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘মিয়া ভাই’সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
ফারুক ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর ফার্মগেটে আনন্দ সিনেমা হলের সামনে তিনটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দিকে জাতীয় জরুরিসেবা নম্বর ৯৯৯-এ এমন সংবাদ পাওয়া যায়। ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বোমা পাওয়ার সংবাদে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম আজম বলেন, আনন্দ সিনেমা হলের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু আছে। এমন সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়। তিনটি বোমাসদৃশ বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
ও চীন পরস্পরের মধ্যে সংযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্ম ও আঞ্চলিক বিষয়ে
সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশ তাদের
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বেইজিংয়ে
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয়
কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) মন্ত্রী লিউ হাইজিংয়ের সঙ্গে বৈঠককালে এ আলোচনা
হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষ
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে।
বিশেষ
করে সংযোগ জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক
স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক বিষয়ে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ড. খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সংযুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে প্রাণবন্ত এবং
বৈশ্বিকভাবে সম্পৃক্ত বাংলাদেশ গড়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষ ‘এক চীন নীতি’র
প্রতি নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে এবং কৌশলগত বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা
আরো গভীর করার প্রস্তুতির কথাও জানায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। গত ২১ মে এ সংক্রান্ত
গেজেট প্রকাশ করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে
বলা হয়, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৭৩ নং আইন) এর ধারা ৪-এর উপধারা
(১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
করল। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
গত
২৯ জানুয়ারি সরকার কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ‘শূন্য বর্জ্য ও শূন্য কার্বন’-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
বুধবার (১৩
নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।
একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। এ সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। এ জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ ও মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল এ গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা এ স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক ও আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক ও যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা এ গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মন্তব্য করুন