

শিক্ষকদের জন্য অন্যান্য পেশা থেকে আলাদা একটি স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) নির্ধারণের পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষক ধরে রাখতে তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।
সোমবার ময়মনসিংহ-এর অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় এক শিক্ষক মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করতে আর্থিক প্রণোদনা বাড়ানোর বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জবাবে মন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অন্যান্য পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা উচিত নয়। এ ধরনের তুলনা নানা জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন মামলা বা আন্দোলনের পরিস্থিতি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের জন্য একটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পে-স্কেল চালু করা প্রয়োজন। সেটি বেশি বা কম যাই হোক, মূল বিষয় হলো—এই কাঠামোটি যেন অন্য সব পে-স্কেল থেকে আলাদা হয়।
মন্তব্য করুন


দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) তাকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।’
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, ‘এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।
জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।
২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি শপথ পাঠ করেন।
মন্তব্য করুন


এবারের নির্বাচনকে দেশের জন্য কিছু করার জীবনের শেষ সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এ সময় সুষ্ঠু নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের অনুষ্ঠিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যের শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘জাতিকে সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চায় ইসি। সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতার বিকল্প নেই।’
জানা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অংশীজনদের পরামর্শ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এবং নারী নেত্রীদের সঙ্গে আজ সংলাপে বসছে ইসি।
সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত আছেন।
এরপর জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও বসবে ইসি। ইতোমধ্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সংলাপে উঠে আসা মতামত তার কমিশন বাস্তবায়ন করবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোটের সংলাপ শুরু করে ইসি। ওইদিন সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। তবে সংলাপ শুরুর দিন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অর্ধেকেরও বেশি সুশীল ও বুদ্ধিজীবী অংশ নেয়নি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, সীমান্তে পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং সেখানে কোনো উত্তেজনা নেই। সীমান্তে নতুন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণেরও কোনো কার্যক্রম নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার ময়মনসিংহ নগরীর সিটি করপোরেশন শহীদ সাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে সশস্ত্র বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের ময়মনসিংহ অঞ্চলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, আগামী মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ডিজি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।
এছাড়া ভারতের সঙ্গে করা কিছু অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ভারতের সঙ্গে কিছু অসম চুক্তি হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে এসব চুক্তি পুনর্বিবেচনার বিষয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। যেসব চুক্তি অসম বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “পুলিশই তদন্ত করবে। অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তের সুযোগ দেওয়া হবে না। ট্রাইব্যুনালের তদন্তও পুলিশের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। পুলিশ যেন তাদের আগের কর্মোদ্দীপনা ও দক্ষতা ফিরে পায়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।”
সারের সংকট নিয়ে আলোচনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই। তবে কেউ যদি কৃত্রিম সংকট তৈরি করার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব ডিলার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে, তাদের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। আগামী মাস থেকেই এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। কোনো অবস্থাতেই তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।”
কৃষকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার পাবেন। এ বিষয়ে কোনো শঙ্কা নেই।”
বিদেশি গণমাধ্যমের অপপ্রচারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “বিদেশি মিডিয়াগুলো অনেক সময় আমাদের দেশের বিরুদ্ধে ভুল খবর প্রচার করত। কিন্তু দেশের সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করায় এখন বিদেশি মিডিয়াগুলো আর অপপ্রচার করতে পারে না। এজন্য দেশের সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতেও সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারী ফয়সাল সম্পর্কে এখনো পুলিশের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, ফয়সালের শেষ অবস্থান নিয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তথ্য সংগ্রহে আমাদের বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। তবে তার দেশের বাইরে চলে যাওয়া নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাইনি। অনেক সময় অপরাধীদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়।
ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলামও তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেন, প্রাথমিক ধারণা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে। এখানে ব্যক্তিগত কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে হয়নি। ঘটনার শুরু থেকে আমরা মাঠে ছিলাম। সব এজেন্সি সমন্বিতভাবে কাজ করেছি। এটাকে আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে সম্ভাব্য সব দিকগুলো দেখছি।
এর আগে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-টু এর অগ্রগতি নিয়ে সর্বশেষ তথ্য জানানোর জন্য জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। রোববার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে এমনটা জানান তিনি।
সিইসি বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এগিয়ে গেছে কমিশন। দেশে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, দেশে যারা নির্বাচনের কাজে থাকেন তারা ভোট দিতে পারেন না। এবার সবার ভোটের ব্যবস্থা করা হবে। এটি একটি মাইলফলক।
তিনি বলেন, বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর আরপিও সংশোধনসহ বিভিন্ন কাজ করেছে। পোস্টাল ব্যালট আইনে থাকলেও প্রয়োগ ছিল না, এটি নিয়েও কাজ করছে ইসি।
মন্তব্য করুন


অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা জানান, আনসারদের অস্ত্রগুলো অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।
এছাড়া, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য ৪০ হাজার বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে না। যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, শুধু সেখানেই দেওয়া হবে। স্বচ্ছতার সাথে কেনা হবে এগুলো। ইসি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলোচনা করে এসব ঠিক করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উপদেষ্টা আরো জানান, চাহিদা থাকায় এক কোটি ই-পাসপোর্টের বই কেনার জন্য বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া টিকার সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে ইপিআই টিকা কেনা হবে। এ সময়, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজার আগে চাল ও গম আমদানি করা হবে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পদক বিতরণ করা হয়।
এবছর সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এরমধ্যে ছয়জনকে মরণোত্তর এই পুরস্কার দেওয়া হয়, তাদের পক্ষে পরিবারের সদস্যরা পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এবার যারা স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন তারা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।
পুরস্কারের জন্য মনোনীত একমাত্র জীবিত বিশিষ্ট ব্যক্তি বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর পুরস্কার নেবেন না বলে আগেই জানিয়েছিলেন। শতাধিক গ্রন্থের এই লেখক আজীবন কোনো পুরস্কার গ্রহণ করেননি। তার ব্যক্তিগত এই ভাবনাকে সরকার সম্মান জানায়, তবে তার পুরস্কারের একটি রেপ্লিকা জাতীয় জাদুঘরে রাখা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান। তারা উভয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। সুলিভান এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।
এছাড়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উভয় নেতা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তা সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
বিবৃতিতে জ্যাক সুলিভান একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়টি পুনরায় উল্লেখ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দেশের ভাবমূর্তি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, আসন্ন নির্বাচন জাতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে দেশের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অবস্থান। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানও এই নির্বাচনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
তিনি আরো বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক অনুশীলন নিশ্চিত করা গেলে অতীতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না। নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই সেই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না।
এ সময় তিনি স্পষ্ট করে জানান, সরকার বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ, প্রভাব কিংবা একতরফা নির্দেশনা দেওয়া হবে না।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদারি ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম সরকার। এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সরকার এবার কেজিপ্রতি ৩৯ টাকায় ধান এবং ৫০ টাকায় সিদ্ধ চাল কিনবে সরকার বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। তিনি বলেছেন, আমন সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যেহেতু নির্বাচন, তাই আগেভাগেই সংগ্রহ শেষ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সচিবালয়ে আমন সংগ্রহ অভিযান নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমন ধান বেশি পরিমাণে কেনা হবে। ধান ও চালের মধ্যে আগে সংগ্রহের ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ব্যবধান থাকতো। এবার তা হবে না, যা কৃষকদের উৎসাহিত করছে।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ৩৯ টাকা কেজিতে ধান, সিদ্ধ চাল ৫০ টাকা ও আতপ চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে কেনা হবে। সংগ্রহের ডেডলাইন আগামী ফেব্রুয়ারি। কিন্তু, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হওয়ায় এর আগেই প্রায় সবটা সংগ্রহ করা হবে।
তিনি বলেন, ৫০ হাজার টন ধান, ৫ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহের মিনিমাম টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। সব কিছু হিসাব করে ধান উৎপাদনে কিছু পরিমাণ ঘাটতি থাকে, যার কারণে আমাদের আমদানি করতে হয়।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ৫০ লাখ পরিবার থেকে ৫৫ লাখ পরিবারের কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। ৫ মাস দেয়া হত আগে, এখন সেটা ৬ মাস করা হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কমিটেড। অন্তর্বর্তী সরকার যখন দায়িত্ব হস্তান্তর করবে, তখন খাদ্য মজুদ অনেক বেশি পরিমাণে থাকবে বলে আশা করি।
মন্তব্য করুন