

স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। ক্রেতারা অভিনেত্রী সাবিলা নূর কাছ থেকে মাছ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মাছের ওপর পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো সবই করছেন সাবিলা নূর একাই। দরদাম থেকে শুরু করে সব কিছুই তিনি করছেন।
অভিনেত্রী সাবিলা নূর বাজারে মাছ বিক্রি করছেন।
তার পেছনে মূল কারণ নাটকের শুটিং। সাবিলা নূর মৎস্যকন্যা নাটকের অভিনয় করছেন মাছ বিক্রেতা হিসেবে।
৫ আগস্ট শনিবার নির্মাতা আলোক হাসানের পরিচালনায় এ নাটকের দৃশ্যধারণ হয়েছে মিরপুরের ৬ নম্বর সেক্টরের মাছ বাজারে।
সাবিলা নূর বলেন, কিছুক্ষণ পরপর মাছে পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো এ কাজগুলো করতে হয়েছে। মাছ কিনতে গিয়ে আগে, এ কাজগুলো দেখেছি। কিন্তু চরিত্রের প্রয়োজনে এবার নিজেকেই সে কাজগুলো করতে হয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতার সঙ্গে সঠিকভাবে দামদরও করতে হয়েছে। বেশ ভালো এক অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, অনেকেই বুঝতে পারেনি এটি শুটিং।
মৎস্যকন্যা নাটকে আমেনা চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন তিনি। দয়াল সাহার চিত্রনাট্যে নাটকটিতে আরও অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু, দিশা, সাজুসহ অনেকে।
নির্মাতা আলোক হাসান জানান, জীবনঘনিষ্ঠ এক ঘণ্টার এ নাটকের শুটিং শনিবার ও আজ মিরপুর মাছবাজার ও উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে চলবে। এ নাটকে দর্শকরা নতুন এক সাবিলাকে খুঁজে পাবেন।
মন্তব্য করুন


ছোট
পর্দার অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সোমবার
(১১/১২/২৩) সকালে সিঁড়ি থেকে নামার সময় পড়ে গিয়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান অভিনেত্রী
ঊর্মিলা, সঙ্গে সঙ্গে তাকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়।
হাসপাতালের
হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস অফিসার সি এফ জামান জানান, বর্তমানে চিকিৎসকের
পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ঊর্মিলা। ১২ ঘণ্টা যাওয়ার পর বলা যাবে কবে বা কখন বাসায় ফিরতে পারবেন
ঊর্মিলা। সিটি স্ক্যানও করা হয়েছে, সেটার রিপোর্ট পাওয়ার পর বোঝা যাবে তার আঘাত কতটা
গুরুতর।
এ
বছরের মার্চেও হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন হাসপাতালে ছিলেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা।
মন্তব্য করুন


বলিউড
অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডিক্রুজ বিয়ের আগেই মা হলেন।
১
আগস্ট বৃহস্পতিবার পুত্র সন্তানের জন্ম দেন এই অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডিক্রুজ ।
ইনস্টাগ্রাম পুত্রের ছবি পোস্ট করে এসব তথ্য জানান অভিনেত্রী ইলিয়ানা।
তার পোস্ট
করা ছবিতে দেখা যায়, সদ্যোজাত শিশুটি ঘুমিয়ে আছে। তার ওপর লেখা, কোয়া ফিনিক্স
ডলান। ২০২৩ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছে। এ ছবির ক্যাপশনে ইলিয়ানা ডিক্রুজ
লিখেছেন, আমাদের প্রিয় পুত্রকে পৃথিবীতে স্বাগত জানাতে পেরে কতটা আনন্দিত, তা
ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। পূর্ণতায় হৃদয় ভরে গেছে।
তবে ইলিয়ানা
ডিক্রুজ এখনো অবিবাহিত। বিয়ের আগে মা হতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল
নেট দুনিয়ায়। অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। অনেকে কটাক্ষ করতেও
ছাড়েননি এই অভিনেত্রীকে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন,তোমার সন্তানের বাবা কে? বিষয়টি
নিয়ে জোর সমালোচনা চললেও এখনো মুখ খুলেননি ইলিয়ানা ডিক্রুজ।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ
সদস্য শামীম ওসমান এর ‘খেলা
হবে’ স্লোগানের জন্য বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশেও বেশ আলোচিত। এবার এই স্লোগান
নিয়ে সিনেমা বানাতে যাচ্ছেন ‘ন ডরাই’য়ের
পরিচালক তানিম রহমান অংশু। এ সিনেমায় অভিনয়
করবেন চিত্রনায়িকা পরীমণি ও শবনম ইয়াসমিন
বুবলী।
এ
ছাড়াও সিনেমায় অভিনয় করবেন মুশফিকুর রহমান,আবুল কালাম আজাদ শহিদুল আলম
সাচ্চুসহ অনেকে।
টিএম
ফিল্মস সিনেমাটি প্রযোজনা করতে যাচ্ছে। গত
২ আগস্ট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির পেজে জানানো হয়,
তানিম রহমান অংশু একটি সিনেমা
বানাবেন।
অক্টোবরে
সিনেমাটির শুটিং হওয়ার কথা আছে ভারতে।
এ কারণে টিএম ফিল্মসের পক্ষে
ফারজানা মুন্নি তথ্য মন্ত্রণালয়ে ভারত
গমন ও সেখানে শুটিংয়ের
অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।
এর প্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সাইফুল
ইসলামের স্বাক্ষরে অনুমতি দেওয়া হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর তথ্যমন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত দেখা যায়। যেখানে পরিচালকসহ মোট ১২ জনকে ভারতে গিয়ে শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ২৫ দিন ভারতে শুটিং করতে হবে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। ক্রেতারা অভিনেত্রী সাবিলা নূর কাছ থেকে মাছ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মাছের ওপর পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো সবই করছেন সাবিলা নূর একাই। দরদাম থেকে শুরু করে সব কিছুই তিনি করছেন।
অভিনেত্রী সাবিলা নূর বাজারে মাছ বিক্রি করছেন।
তার পেছনে মূল কারণ নাটকের শুটিং। সাবিলা নূর মৎস্যকন্যা নাটকের অভিনয় করছেন মাছ বিক্রেতা হিসেবে।
৫ আগস্ট শনিবার নির্মাতা আলোক হাসানের পরিচালনায় এ নাটকের দৃশ্যধারণ হয়েছে মিরপুরের ৬ নম্বর সেক্টরের মাছ বাজারে।
সাবিলা নূর বলেন, কিছুক্ষণ পরপর মাছে পানি ছিটানো, মাছি তাড়ানো এ কাজগুলো করতে হয়েছে। মাছ কিনতে গিয়ে আগে, এ কাজগুলো দেখেছি। কিন্তু চরিত্রের প্রয়োজনে এবার নিজেকেই সে কাজগুলো করতে হয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতার সঙ্গে সঠিকভাবে দামদরও করতে হয়েছে। বেশ ভালো এক অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, অনেকেই বুঝতে পারেনি এটি শুটিং।
মৎস্যকন্যা নাটকে আমেনা চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর। স্বামীর অসুস্থতার কারণে সংসারের হাল ধরতে মাছ বিক্রি করেন তিনি। দয়াল সাহার চিত্রনাট্যে নাটকটিতে আরও অভিনয় করছেন ফজলুর রহমান বাবু, দিশা, সাজুসহ অনেকে।
নির্মাতা আলোক হাসান জানান, জীবনঘনিষ্ঠ এক ঘণ্টার এ নাটকের শুটিং শনিবার ও আজ মিরপুর মাছবাজার ও উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে চলবে। এ নাটকে দর্শকরা নতুন এক সাবিলাকে খুঁজে পাবেন।
মন্তব্য করুন


নুসরাত ফারিয়া দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। সম্প্রতি
‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় আইটেম গানে নেচেছেন ফারিয়া। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ‘খেলা হবে’
শিরেনামের গান নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া।
ভারতীয় বাংলা সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী নির্মাণ
করছেন ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয়’। এতে আইটেম গানে নেচেছেন নুসরাত।
৪ আগস্ট শুক্রবার গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে
প্রকাশ করেন রাজ চক্রবর্তী। সেখানে দেখা যায় লাল ঘাগরায় মেনকা সেজে ঠুমকা লাগিয়েছেন
এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন গৌরব চক্রবর্তী।
এ সিরিজে
গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, কৌশানি মুখোপাধ্যায়,
সোহিনী সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া। ধর্মগুরু হিসেবে দেখা যাচ্ছে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে।
১১
আগস্ট শুক্রবার থেকে ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে নতুন সিরিজটি।
মন্তব্য করুন