

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
৪ জুনের পর দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার জনসভা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বিজেপি তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলে কোনো দুর্নীতিবাজ কারাগারের বাইরে থাকবে না বলেও জানান তিনি।
পঞ্চম দফা ভোটের আগে রোববার (১৯ মে) পুরুলিয়ার গ্যাংগারা এলাকায় সভা ছিল মোদীর। জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর সমর্থনে প্রচার সারেন তিনি। সভার শুরু থেকে দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়িয়েছেন মোদী।
তার অভিযোগ, কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে অবৈধ টাকা উদ্ধার হয়েছে। মোদীর খোঁচা, কংগ্রেসের নেতাদের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় উদ্ধার হচ্ছে। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতেও টাকার পাহাড় উদ্ধার হচ্ছে। আমি তো জীবনে একসঙ্গে এত টাকা দেখিইনি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা নিজেরা দুর্নীতি করে হাতেনাতে ধরা পড়ছে, আর মোদীকে দুষছে।
২০১৪ ও ২০১৯ সালের ভোটপ্রচারের উদাহরণও টেনে তোপ দাগেন মোদী। বলেন, আমি তো দেশবাসীদের কাছ থেকে কিছুই লুকাই না। ২০১৪ সালে আমি বলেছিলাম, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবো। ২০১৯ সালেও বলেছিলাম এক-এক করে সব দুর্নীতিবাজদের পাকড়াও করবো।
এর পরই হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদী বলেন, চব্বিশে দাঁড়িয়ে বলছি, দুর্নীতিবাজদের কারাগারের বাইরে থাকতে দেবো না। মোদী হিসেবে আরও একটা গ্যারান্টি দিচ্ছি, ৪ জুনের পর নতুন সরকার তৈরি হতেই এরকম সব দুর্নীতিবাজদের জীবন কারাগারেই কাটবে।
মন্তব্য করুন


উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে গোলাগুলিতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ মে) মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে একটি কার রেসিং শোতে গোলাগুলিতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।
রোববার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে বাজা ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি কার-শোতে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় পৌর সরকার জানিয়েছে।
রয়টার্স বলছে, এনসেনাডা শহরের সান ভিসেন্টে এলাকায় অল-টেরেন কার রেসিং শো চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে। ৯১১ তে রিপোর্ট করা বিবরণ অনুসারে, দুপুর সোয়া দুইটার পর লম্বা বন্দুকধারী লোকেরা একটি ধূসর ভ্যান থেকে বেরিয়ে গ্যাস স্টেশনে কার রেসিং শোতে অংশগ্রহণকারীদের ওপর গুলি করতে শুরু করে।
মিউনিসিপ্যাল ও স্টেট পুলিশ, মেরিনস, ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং মেক্সিকান রেড ক্রসসহ অন্যান্য সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
মেয়র আরমান্দো আয়ালা রোবেলস বলেছেন, প্রাদেশিক অ্যাটর্নি জেনারেল রিকার্ডো ইভান কার্পিও সানচেজ গোলাগুলির ঘটনার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করেছেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হামাসের সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামো নির্মূল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখা হবে।
তিনি বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধ করার ক্ষেত্রে ইসরাইলের যে শর্ত রয়েছে সেটি পরিবর্তিত হয়নি; হামাসের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস করা, সব জিম্মিকে মুক্ত করা এবং নিশ্চিত করা যে, গাজা আবারও ইসরাইলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে শুক্রবার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ প্রস্তাবে বাইডেন বলেছেন, প্রথমে ছয় সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি হবে, এরপর ইসরাইলি বাহিনী গাজার জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাবে, গাজায় বিপুল ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে, কয়েকশো ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল, হামাস মুক্তি দেবে ইসরাইলি জিম্মিদের— যার মধ্যে থাকবে পুরুষ সেনারাও।
এরপর গাজার পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। সবশেষে দুই পক্ষের মধ্যে সব ধরনের হামলা বন্ধ অর্থাৎ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হবে। বাইডেন এটিকে ইসরাইলের প্রস্তাব হিসেবেই অভিহিত করেছেন।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তিনি আরও বলেছেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগ পর্যন্ত ইসরাইল তার শর্তে অটল থাকবে। এসব শর্ত পূরণ হওয়ার আগে ইসরাইল স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে এমন ধারণা বাস্তব হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
এদিকে বাইডেন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামাস বলেছে, তারা এতে ‘ইতিবাচক’।
এছাড়া ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোও এতে সমর্থন জানিয়েছেন। হামাসের হাতে যেসব জিম্মি রয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই শর্ত কার্যকর করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবন একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবন বহু ইতিহাসের সাক্ষী। কিন্তু সেই ভবনই আর কতদিন রক্ষা করা যাবে, তা নিয়ে এমনপিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাউস অব কমন্সে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ভবনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা গেছে। আগুন লাগলে তা নেভানোর মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটলে ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
আর তাই অবিলম্বে এই ভবনের সংস্কার প্রয়োজন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
আইনপ্রণেতাদের বক্তব্য, ভবনটির এখন যা অবস্থা তা সংস্কার করতে বহু অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু আরও সময় ব্যয় করলে খরচ বহু গুণ বেড়ে যাবে। যা করদাতাদের টাকা থেকেই নিতে হবে। এছাড়া আরও অপেক্ষা করলে ভবনটি সংস্কারের অযোগ্যও হয়ে পড়তে পারে।
এখনও পর্যন্ত যা কাজ হয়েছে তা কার্যত ধর তক্তা মার পেরেক গোছের বলে জানিয়েছে পার্লামেন্টের কমিটি। তাতেই সপ্তাহে দুই মিলিয়ন পাউন্ড করে খরচ হয়েছে।
ওয়েস্টমিনস্টার রাজপ্রাসাদটিকেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর আগেও এর সংস্কার নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কখনোই সামগ্রিক সংস্কারের ব্যবস্থা হয়নি। আলোচনাও খুব ধীর গতিতে এগিয়েছে।
২০১৮ সালে এমপিরা ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক করেছিলেন, ২০২০ সালে ভবনটি কিছুদিনের জন্য খালি করে দেওয়া হবে। সে সময় সংস্কারের কাজ করা যাবে। কিন্তু ২০২০ সালে সকলে পার্লামেন্ট ভবন ছেড়ে যেতে চাননি। ফলে সংস্কারও সম্ভব হয়নি।
যারা ভবনটি ছেড়ে যেতে চাননি, তারা বার বার বলেছেন, পার্লামেন্ট ঠিকমতো সংস্কার করতে হলে বহু বছর সময় লেগে যাবে। এতদিন ওই ভবন ছেড়ে অন্যত্র পার্লামেন্ট চালানো সম্ভব নয়।
২০১৬ সাল থেকে পার্লামেন্ট ভবনে অন্তত ৪৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে এখন ২৪ ঘণ্টা দমকলকর্মীরা ভবনটি পাহারা দেন। ১৮৩৪ সালে অগ্নিকাণ্ডেই নষ্ট হয়েছিল পুরোনো ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদ। এরপর চার্লস ব্যারি নামক এক স্থপতি নতুন ভবনটি তৈরি করেন। নিও গথিক স্থাপত্যের সেই ভবনই এখন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট।
মন্তব্য করুন


টেলিভিশনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ভাষণের পর তার এক আত্মীয়কে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলাকে দৃশ্যত রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করা হচ্ছে এবং এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আটজনকে।
হামলার শিকার ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর আত্মীয়। বুধবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেলিভিশনে ফরাসি প্রেসিডেন্টের ভাষণের পর ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর ভাতিজার সন্তানকে মারধরের অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলার শিকার ওই ব্যক্তির নাম জ্যঁ-ব্যাপটিস্ট ট্রোগনিক্স। গত সোমবার ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলীয় শহর অ্যামিয়েন্সে সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীরা তাকে মারধর করে।
বিবিসি বলছে, হামলার শিকার জ্যঁ-ব্যাপটিস্ট ট্রোগনিক্স মাথায়, বাহু ও পায়ে আঘাত পেয়েছেন। পরে তার স্ক্যান করা হয় এবং সেই রিপোর্ট তিনি এখনও হাতে পাননি। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। একইসঙ্গে ‘গণতন্ত্রে সহিংসতার কোনও স্থান নেই’ বলেও জানিয়েছেন তিনি।
অ্যামিয়েন্স শহরে জ্যঁ-ব্যাপটিস্ট ট্রোগনেক্সের পারিবারিক চকলেটের দোকানের বাইরে আক্রমণের এই ঘটনা ঘটে। মূলত এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বারবারই বিক্ষোভকারীদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ বলছে, হামলার পর তারা আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অবশ্য হামলার সময় স্থানীয়রা বাধা দিলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার কথা বলার সময় ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ বলেন, তিনি তার পরিবারের সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং ‘কাপুরুষতা, বোকামি এবং সহিংসতামূলক’ হামলার নিন্দা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বারবার এই সহিংসতার নিন্দা করেছি, যা শুধুমাত্র দেশকে সবচেয়ে খারাপ দিকে নিয়ে যেতে পারে।’
জ্যঁ-ব্যাপটিস ট্রোগনেক্সের বাবা জ্যঁ-আলেক্সান্দ্রে ট্রোগনিক্স ফরাসি মিডিয়াকে বলেছেন, হামলাকারীরা ‘সীমা অতিক্রম করেছে’ এবং ‘প্রেসিডেন্ট, তার স্ত্রী এবং আমাদের পরিবারকে’ অপমান করেছে। এছাড়া হামলায় হতবাক হওয়ার কথাও জানান তিনি।
ফ্রান্সের রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট এরিক সিওটি হামলার নিন্দা করেছেন এবং হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এক টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘গণতান্ত্রিক বিতর্ককে হ্যাঁ বলুন, সহিংসতা ও সন্ত্রাসকে না বলুন।’
ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর পরিবার ছয় প্রজন্ম ধরে অ্যামিয়েন্স শহরে জ্যঁ ট্রোগনিক্স চকলেটের দোকান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
আদানি গ্রুপের কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে বাংলাদেশ। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কমে যাওয়া। কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের বকেয়া নিয়ে মতবিরোধের মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সোমবার (২ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ বকেয়া পরিশোধে দেরি করায় আদানি পাওয়ার ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক করে দিয়েছে। সেসময় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির মুখোমুখি ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার আদানিকে আপাতত অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে বলেছে। তবে পুরোনো বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, আদানি আমাদের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় আমরা একই সঙ্গে হতবাক ও ক্ষুব্ধ হয়েছি। শীতের সময় বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকায় আমরা তাদের বলেছি, প্ল্যান্টের দুটি ইউনিট চালানোর প্রয়োজন নেই।
২০১৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে সই হওয়া ২৫ বছরের একটি চুক্তির অধীনে ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি গ্রুপের ২০০ কোটি ডলারের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট রয়েছে, প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট।
জানা যায়, নভেম্বরে প্ল্যান্টটি মাত্র ৪১ দশমিক ৮২ শতাংশ সক্ষমতায় চালু ছিল, যা এ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ১ নভেম্বর থেকে প্ল্যান্টের একটি ইউনিট বন্ধ।
বিপিডিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত শীতে বাংলাদেশ আদানি থেকে প্রতিমাসে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনেছিল। তারা আরও জানায়, আদানি পিডিবিকে জিজ্ঞেস করেছিল তারা আবার কবে থেকে স্বাভাবিক ক্রয় শুরু করবে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া হয়নি।
আদানি পাওয়ারের একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে বকেয়া পরিশোধ নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আমাদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। এটি প্ল্যান্টের কার্যক্রমকে টেকসই রাখতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বিপিডিবি ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, শিগগির সব বকেয়া পরিশোধ করা হবে। মুখপাত্রের মতে, আদানি আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে, যেমনভাবে আদানি তাদের চুক্তির দায়বদ্ধতা বজায় রেখেছে।
বিপিডিবি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত আদানির প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ডলার এবং অক্টোবরে ৯৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আদানি পাওয়ারের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ এখন প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আদালত আদানির সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিল না করলে বাংলাদেশ সরকার চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ কেনার দাম অনেকটা কমাতে চায় বলে রোববার রয়টার্সকে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বাংলাদেশের আদালত আদানি চুক্তিটি তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশ চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করছে বলে তাদের কাছে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে আদানির বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট খরচ ছিল ১৪ টাকা ৮৭ পয়সা। তুলনায় অন্যান্য ভারতীয় সরবরাহকারীর গড় ইউনিট খরচ ছিল ৯ টাকা ৫৭ পয়সা। বাংলাদেশে খুচরা বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। ফলে সরকারকে বার্ষিক ৩২০ বিলিয়ন টাকা (২.৭ বিলিয়ন ডলার) বিদ্যুৎ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, দাম বেশি হওয়ায় সরকারকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আমরা চাই শুধু আদানির ক্ষেত্রে নয়, বিদ্যুতের দাম সামগ্রিকভাবেই গড় খুচরা মূল্যের নিচে নেমে আসুক। তবে আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয় অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট স্থানীয় সক্ষমতা রয়েছে। যদিও গ্যাস সংকট বা অন্যান্য সমস্যায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে রয়েছে অথবা সক্ষমতার চেয়ে কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তবে আদানি সরবরাহ কমিয়ে অর্ধেক করে দেওয়ার পরও কোনো সমস্যা হয়নি।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চীনের ২৬টি টেক্সটাইল কোম্পানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে ওয়্যারহাউজ ফ্যাসিলিটির আওতায় চীনের তুলা আমদানি করবে না ওয়াশিংটন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে হোয়াইট হাউস এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চীনের উইঘুর সংখ্যালঘুদের দিয়ে জোর করে পণ্য তৈরি করায় চীন। ওই সব পণ্য নিজেদের সরবরাহ চেইন থেকে সরাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে চীনের টেলিকম সরঞ্জাম ও বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
সিএনএনের প্রতিবেদেন বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট এনটিটি লিস্টে এবার চীনের ২৬টি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে এসব কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের এ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করবে। ২০২১ সালে উইঘুর ফোর্সড লেবার প্রিভেনশন অ্যাক্ট এনটিটি লিস্ট পাস করে যুক্তরাষ্ট্র।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। সেইসঙ্গে সমর্থকদের আগামী সপ্তাহে একটি সমাবেশ করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইসলামাবাদে নিজ দলের প্রাণঘাতী বিক্ষোভ মিছিলের কয়েকদিন পর এমন হুঁশিয়ারি দিলেন ইমরান।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) এক্স পোস্টে ইমরান খান সমর্থকদের ১৩ ডিসেম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অঞ্চলটি তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) শাসিত।
এক্স বার্তায় ইমরান খান ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে দমনপীড়ন এবং গত বছরের ৯ মে সহিংসতায় অন্তত ১২ জন সমর্থক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন। গ্রেপ্তার হওয়া সমস্ত রাজনৈতিক কর্মীদেরও মুক্তি দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
ইমরান বলেন, যদি এই দুটি দাবি মানা না হয়, তবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে একটি অসহযোগ আন্দোলন শুরু হবে। যে কোনো পরিণতির জন্য সরকার দায়ী থাকবে।
এদিকে পাকিস্তান সরকার ২৫ নভেম্বরের বিক্ষোভ মিছিলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা অস্বীকার করেছে, উল্টো বলেছে, ইমরান খানের সমর্থকরা গত বছরের ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
৯ মে'র ওই হামলার অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার ইমরান খানকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। গত বছরের শেষ দিক থেকে কারাগারে থাকা ৭২ বছর বয়সী সাবেক এই ক্রিকেট তারকার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলার মধ্যে এটি সর্বশেষ।
ইমরান ও তার দল বলছে, ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে সেনাবাহিনীর জেনারেলদের সঙ্গে মতবিরোধের পর রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই তাকে এসব মামলা সাজানো হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
একমাস ইরানে বন্দি থাকার পর আটক ‘ইসরাইলি’ জাহাজের ৫ ভারতীয় নাবিককে মুক্তি দিল। বৃহস্পতিবার (৯ মে) ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তারা। ইরানে ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইরান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারত।
ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এমএসসি এরিসের ৫ জন নাবিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় তারা ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ভারতের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতার জন্য আমরা ইরানের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
ভারতে ইরানের রাষ্ট্রদূত ইরাজ এলাহি জানিয়েছেন, জাহাজটিতে থাকা বাকি ভারতীয় ক্রুদের আটক করা হয়নি। তারা যে কোনো সময় দেশে ফিরে আসতে পারেন।
গত ১৩ এপ্রিল দুবাইয়ের উপকূলে একটি ইসরাইলি কার্গো জাহাজ আটক করে ইরানের ইসলামিক রেভেলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ওই জাহাজে ক্রুদের মধ্যে ১৭ জন ভারতীয় ছিলেন। তাদের সবাইকে আটক করে আইআরজিসি।
বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে বন্দি নাবিকদের মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপরতা শুরু করে ভারত। ইরানে ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আব্দুল্লাহিয়ানের সঙ্গে ফোনকলে কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার ইরানে ভারতীয় দূতাবাস জানায়, আটক ভারতীয়দের মধ্য থেকে ৫ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তারা ওইদিন সন্ধ্যায় ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। নাবিকদের উদ্ধারের বিষয়টিকে ভারতের বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, আটক হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যেই অ্যান টেসা জোসেফ নামক কেরালার এক নারী নাবিককে মুক্তি দেয় ইরান। ভারতে ফিরে টেসা জানিয়েছিলেন, বন্দি থাকলেও ভারতীয় নাবিকদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। তখনই জানা গিয়েছিল, আটক বাকি ১৬ নাবিককেও দ্রুত মুক্তি দেবে তেহরান। নাবিকদের জন্য কনসুলার অ্যাক্সেসের ব্যবস্থাও করা হয়।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিশরের রাজধানী কায়রোতে দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়েছে যুদ্ধবিরতি আলোচনা। এতে মধ্যস্থতা করছে কাতার ও মিশর কর্তৃপক্ষ। তবে হামাসের এক নেতা জানিয়েছেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বাধা দিচ্ছেন।
এছাড়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করতে ইসরাইলেও চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। চুক্তি কার্যকর ও জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে নেতানিয়াহু প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছেন তারা।
যুদ্ধবিধ্বস্ত উত্তর গাজায় এরই মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। যা পুরো যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। কারণ ইসরাইল প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহে বাধা দিচ্ছে।
গত ৭ অক্টোবরের পর ইসরাইলের হামলায় ৩৪ হাজার ৬৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭৭ হাজার ৯০৮ জন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পর বেশ কয়েকটি দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে ইসরাইলবিরোধী আন্দোলন। গত মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম এ বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে তা দেশটির অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোতে বিস্তৃত হতে শুরু করে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বের কোন কোন দেশে এ আন্দোলন চলছে।
মন্তব্য করুন


সমুদ্রের তলদেশে পড়ে থাকা বিশ্ববিখ্যাত জাহাজ টাইটানিকের নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে একটি সংস্থা। তারা জানিয়েছে, এবারের ভিডিওতে টাইটানিকের যে চিত্র ওঠে এসেছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি।
১৯১২ সালে সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কে যাওয়ার পথে বিশাল বরফ খন্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায় টাইটানিক। জাহাজডুবির ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারান। আটলান্টিক মহাসাগরের ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে এখন জাহাজটি পড়ে আছে।
দুর্ঘটনার ৭৩ বছর পর ১৯৮৫ সালে সমুদ্রের অতল গভীরে টাইটানিকের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এ জাহাজটির প্রতি মানুষের কৌতুহল আরও বেড়ে যায়।
এই কৌতুহল মেটাতেই গভীর সমুদ্রে ম্যাপিং ও স্ক্যান করে টাইটানিক জাহাজটির থ্রিডি ভিডিও ধারণা করা হয়েছে। ভিডিওটি দেখলে মনে হয় যেন, জাহাজটির আশপাশে কোনো পানি নেই। শুধুমাত্র একটি খালি জায়গায় এটি পড়ে আছে।
ভিডিও ধারণ করার কাজটি করেছে গভীর সমুদ্রের তলদেশ মাপা প্রতিষ্ঠান ম্যাগেলান লিমিটেড এবং আটলান্টিক প্রোডাকশনস। ২০২২ সালে কাজটি করা হয়।
আগে টাইটানিকের যেসব ভিডিও বা ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলো ঘোলা বা অস্পষ্ট ছিল। এছাড়া পুরো জাহাজটির চিত্রও তুলে ধরা সম্ভব হয়নি।
তবে নতুন ভিডিওতে জাহাজটির পুরো ধ্বংসাবশেষের চিত্র ওঠে এসেছে। এতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে টাইটানিকটি দুই খন্ড হয়ে পড়ে আছে। জাহাজটির বো, স্টার্ন এমনকি প্রপেলারটির নাম্বারও ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।
অবশ্য এ ভিডিও ধারণে সমুদ্রের নিচে যাননি বিশেষজ্ঞরা। তারা সমুদ্রের উপর থেকেই সাবমার্সিবল ব্যবহার করে ও ২০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ব্যয় করে জাহাজটি মাপামাপি এবং ছবি তুলেছেন।
জাহাজটির প্রত্যেকটি অ্যাঙ্গেল থেকে ৭০ হাজারের বেশি ছবি তোলা হয়েছে। এরপর সেগুলো সাজিয়ে তৈরি করা হয়েছে থ্রিডি ভিডিও।
নতুন এ ভিডিওতে জাহাজের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলোও ওঠে এসেছে। ধ্বংসাবশেষের মধ্যে মদের বোতল, মানুষের জুতাসহ বেশ কিছু জিনিস দেখা গেছে। ভিডিও দেখুন এ লিংকে
মন্তব্য করুন