সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
বিমান হামলা


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আইএসের শীর্ষ নেতা, সহযোগী এবং বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বি-৫২, এফ-১৫ এবং এ-১০ সহ একাধিক মার্কিন বিমান ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটিতে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাশার আল-আসাদ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমেই সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনামলের অবসান হলো।

২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তবে তার শাসনের এক দশক পর অর্থাৎ ২০১১ সালে সিরিয়ার জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নামলে তিনি কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধকে ঘিরে বাশার আল-আসাদের সঙ্গে পশ্চিমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তিনি ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। সম্ভবত তার আশংকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পরবর্তী টার্গেট সিরিয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরাকে তাদের বিরোধীদের কাছে অস্ত্র চোরাচালানে সহায়তার জন্য দামেস্ককে দায়ী করছিল। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০০৫ সালে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত হলে এ ঘটনার জন্য অনেকে সিরিয়া ও তার সহযোগীদেরই দায়ী করে।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে আসাদ ও তার পরিবারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের একটি সূত্র বলেছে, রাশিয়া সবসময় সিরিয়ার সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনার পুনরারম্ভের জন্য জোর দিচ্ছি।

তাসের খবরে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিদ্রোহীরা সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।

এদিকে, সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে দেশটির প্রথম উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি জানান, সোমবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছে। পলিয়ানস্কি বলেন, আসাদ সরকারের পতনের গভীরতা এবং এর প্রভাব রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কী হতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নামে মামলা

ব্যবসায়ী হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নামে মামলা
শেখ হাসিনার ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জালাল উদ্দীন নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসেনের আদালতে গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) নিহত ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীনের স্ত্রী মলি এ মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে মুগদা থানাকে নির্দেশ দেন। রোববার (২৪ নভেম্বর) আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, সাঈদ খোকন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কামরুল ইসলাম, আইন সম্পাদক কাজী নজীবুল্লাহ হিরু, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই রাজধানীর মুগদা থানাধীন মানিকনগর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ছাত্র-জনতার সঙ্গে পুলিশ, ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফুটপাতে ছানা ও মাঠা বিক্রি করার সময় জালাল উদ্দীন মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরবর্তীতে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে দাফন করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন

৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া রিকশাচালক আল আমিনকে হত্যার পর তার মরদেহ গুমের মামলায় প্রধান আসামি সাবেক রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে পঞ্চগড় জেলা কারাগার থেকে সুজনকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পঞ্চগড় থানার উপ-পরিদর্শক মানিক মিয়া সুজনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের জন্য শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক নাহিদা আকতার জুলিয়েট সুজনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার একটি মামলায় শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল থেকে সুজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পরে গত বছরের ২ ডিসেম্বর রিকশাচালক আল আমিনকে হত্যার পর মরদেহ গুমের মামলায় পঞ্চগড় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আশরাফুজ্জামান তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দেন।


আদালত সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে আল আমিন গুম হন। এ ঘটনায় আল আমিনের বাবা মনু মিয়া গত ১০ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক রেলমন্ত্রী সুজনসহ ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা ও গুমের মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।


আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদম সুফি বলেন, পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলাটি রহস্যজনক, এখনো ভিকটিমের খোঁজ পাওয়া যায়নি। রহস্য উদঘাটনের জন্যই আসামির রিমান্ড প্রয়োজন ছিল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলেন জামায়াত নেতা এটিএম আজহার
ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে সর্ব্বোচ আদালত এ রায় দেন।


মঙ্গলবার (২৭ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। 


বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি আপিল বিভাগের রায়ে খালাস পেলেন। এই রায়ের ফলে জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।


আইনজীবী শিশির মনির জানান, ‘এই রায়ের জন্য প্রথম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি। তাকে সকল অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। এটি ছিল বিচারের নামে অবিচার।’


তিনি আরো বলেন, ‘এই রায়ের ফলে সত্য বিজয় হয়েছে, মিথ্যা পরাজিত হয়েছে। এটিএম আজহারের ওপর এটি ছিল নজিরবিহীন নির্যাতনে সামিল। পৃথিবির ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা হয়ে থাকবে।’


উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন আজহারুল ইসলাম। শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।


২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ওই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ রিভিউ শুনে ফের আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়। এটাই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা, যেটি রিভিউ পর্যায়ে আসার পর ফের আপিল শুনানির অনুমতি পায়।


একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ২২ অগাস্ট মগবাজারের বাসা থেকে আজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তখন থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

২০২৫ সাল বাংলাদেশে বিচার বিভাগের জন্য ‘নবযাত্রার বছর’: আশাবাদ প্রধান বিচারপতির

২০২৫ সাল বাংলাদেশে বিচার বিভাগের জন্য ‘নবযাত্রার বছর’: আশাবাদ প্রধান বিচারপতির
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, তার ঘোষিত রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করতে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার মাধ্যমে ২০২৫ সাল বাংলাদেশে বিচার বিভাগের জন্য একটি ‘নবযাত্রার বছর’ হবে।


বুধবার (১ জানুয়ারি ২০২৫) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ গত ১১ আগস্ট শপথ গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের হারানো আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। ২১ সেপ্টেম্বর ওই রোডম্যাপ ঘোষণার মাধ্যমে বিচার বিভাগে অর্থপূর্ণ সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়।'


এ পরিকল্পনাগুলোর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে স্বাধীন কাউন্সিল গঠন, অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা প্রণয়নসহ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এছাড়া, ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ দরখাস্ত চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ার পর সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং বর্তমানে এটি পূর্ণ গতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


প্রধান বিচারপতি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন যাতে বিচার বিভাগ থেকে সকল প্রকার দুর্নীতি দূর করা যায় এবং বিচারপ্রার্থীরা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক বিচারসেবা পায়। বিশেষভাবে, সুপ্রিম কোর্টের সেবার মানোন্নয়নে প্রধান বিচারপতি ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন এবং এসব নির্দেশনার বাস্তবায়নে মনিটরিং সভা নিয়মিতভাবে আয়োজিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের অন্যান্য আদালতে সেবার মানোন্নয়নের জন্য একটি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে, যেখানে সেবাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা নিতে পারেন এবং যেকোনো অনিয়ম সম্পর্কে অবহিত করতে পারেন। অভিযোগসমূহের তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


প্রধান বিচারপতি ঘোষিত অন্যান্য পরিকল্পনাগুলোরও বাস্তবায়ন চলছে। বিশেষত, ই-জুডিসিয়ারি বাস্তবায়নে প্রধান বিচারপতি দেশের উচ্চ আদালত ও জেলা আদালতগুলোকে পুরোপুরি ই-জুডিসিয়ারির আওতায় আনতে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এছাড়া, বিচার বিভাগে মেধার চর্চা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফেলোশিপ বাস্তবায়ন করতে নীতিমালা প্রণয়ন দ্রুত চলছে এবং ২০২৫ সালের প্রথম দিকেই এটি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিচার বিভাগ জনগণের সেবার জন্য গঠন করা হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা কী এবং সেই প্রত্যাশা পূরণে বিচার বিভাগ কীভাবে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, তা জানার জন্য প্রধান বিচারপতি ২০২৫ সালে দেশের সকল বিভাগীয় শহরের আদালতগুলোতে স্টেকহোল্ডার মিটিং আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন। এই মিটিংগুলো রোডম্যাপ বাস্তবায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে বিচারসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।'


আগামী ২ জানুয়ারি থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কোম্পানি সংক্রান্ত একটি বেঞ্চে কাগজবিহীন বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে। এই বেঞ্চের জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সকল কাগজাদি অনলাইনে প্রদান করা হবে। ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বেঞ্চেও পেপার-ফ্রি কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি আশা করেন, দীর্ঘমেয়াদে দেশের জেলা আদালতগুলোতেও পেপার-ফ্রি বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।


গত ৭ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির উপস্থিতিতে এক কনফারেন্সে বিচার বিভাগের মানোন্নয়নে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত সংগ্রহ করা হয়। শিগগিরই ২০২৫ সালের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের জন্য একটি বিশদ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনামলে গুমের ঘটনায় দলটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।


সোমবার (৬ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন।


চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত ১৫ বছরে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত শেখ হাসিনা, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন।


আদেশ অনুযায়ী, যাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে তাদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ইতোমধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান গ্রেফতার হয়েছেন। তাকেও একই দিন আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন বাহিনীর মাধ্যমে বছরের পর বছর অসংখ্য মানুষকে গুম ও নির্যাতন করা হয়েছে। গুমের অপরাধকে আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব গুমের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রমোশন ও বিদেশে পাঠানোর মতো প্রলোভন দেখানো হতো।


তিনি আরও বলেন, এবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে দায়মুক্ত করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে: উপদেষ্টা

কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে, রাখা হতে পারে অপ্রদর্শিত অর্থ হিসেবে। আজ শনিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‌্যাপিড আয়োজিত বাজেট আলোচনায় এ কথা জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।


উপদেষ্টা বলেন, এই সুযোগ (কালোটাকা সাদা করার সুযোগ) খুব একটা কাজে আসে না। পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে কিনে কেউ যদি এক কোটিও দেখাতে না পারে, তাহলে এটা থাকার তো কোনো দরকার নেই। এতই যখন আলোচনা হয়েছে, তা তুলে দেয়া হোক।


এ সময় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন একটি প্রস্তুতিহীন পরিকল্পনা। তারা এর জন্য প্রস্তুত নন। এই উত্তরণ মান-সম্মানের ইস্যু নয়, বরং বাস্তবতা।


বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘এটি একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, আমরা কোনোমতেই এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুত নই।’


তবে উত্তরণ পেছানোর বিপক্ষে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন আমাদের হয়ে গেছে ২০২১ সালে। এখন আমরা প্রথম তিন বছরের পর দুই বছর এক ধরনের গ্রেস পিরিয়ডে আছি। এখন নতুন করে যদি তিন বা পাঁচ বছর চাওয়া হয়–এটা এক ধরনের আবদার হতে পারে।’


অর্থনীতিবিদরা বলেন, গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী প্রযুক্তির ব্যবহারে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান কমার শঙ্কা আছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে।


র‌্যাপিড চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হেলথে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি হয়, এডুকেশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি, স্যোশাল প্রটেকশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি–এটা হবে এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করার সবচেয়ে বড় জায়গা। এবং আগামী দিনে কৌশলে কিন্তু আমাদের সেটাই চিন্তা করতে হবে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা
ছবি: সংগৃহীত



মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৫৭ মিনিটের দিকে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।


এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। 


পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল ৬টা ৩৩ মিনটের দিকে তিনি ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।


এদিকে বিজয়ের ৫৫ বছর উদযাপনকে ঘিরে বর্ণিল আলোয় সেজেছে রাজধানী ঢাকা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই লাল-সবুজের আলোকচ্ছটায় ঝলমলিয়ে উঠেছে পুরো ঢাকা। এতে মুগ্ধ নগরবাসী।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে

মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে
ছবি: সংগৃহীত



আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্ধেক সদস্যকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


বৈঠকে জানানো হয়, সেনাসদস্যদের বিশ্রাম ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য আপাতত ৫০ শতাংশ সদস্যকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। আগামীকাল বুধবার থেকে সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। পরবর্তী পর্যায়ে বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণ শেষে তাদের পুনরায় দায়িত্বে পাঠানো হবে এবং বাকিদের পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।


সরকারের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


একটি সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের আংশিক প্রত্যাহারের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো মাঠ পর্যায়ে এর প্রতিক্রিয়া ও আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। দীর্ঘ সময় ধরে সেনাসদস্যরা মাঠে অবস্থান করায় বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিচ্ছে।


তবে সূত্রটি জানিয়েছে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালে সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করবে।


উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীকে (সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

‘জনগণের সেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই জেলা প্রশাসকদের প্রধান দায়িত্ব’

‘জনগণের সেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই জেলা প্রশাসকদের প্রধান দায়িত্ব’
ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, আইন ও নীতিমালা মেনে চললে জনগণের সেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই জেলা প্রশাসকদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আপনারা যদি আইন ও বিবেক অনুযায়ী কাজ করেন, তাহলে জনগণের প্রতিপক্ষ হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী।"


মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের পঞ্চম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অধিবেশনে আইন ও বিচার বিভাগ, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


আসিফ নজরুল বলেন, "ডিসি সম্মেলন আমার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং চ্যালেঞ্জগুলি ডিসিরা ভালোভাবে বুঝেন।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "ডিসিরা আমাদের জানিয়েছেন যে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের গ্রেপ্তারের পর তারা দ্রুত জামিন পেয়ে যাচ্ছেন, যা তাদের জন্য একটি বড় চিন্তার বিষয়। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, আদালতের কাজই হলো উপযুক্ত ক্ষেত্রে জামিন দেওয়া। তবে এ ধরনের বিষয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে।"


তিনি আরও বলেন, "আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা ডিসিদের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেছি। মামলার ক্ষেত্রে সলিসিটর উইংকে আরও কার্যকরভাবে সমন্বয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ডিসি অফিসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থান সংকুলানের সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়েছে এবং এর সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"


প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেন, "আমরা ডিসিদের অনুরোধ করেছি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার পর ছাত্ররা যে কয়েক মাস সময় পায়, সে সময়টাতে তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হোক।" তিনি আরও যোগ করেন, "ডিসিরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলেছেন, বিদেশে যেতে ইচ্ছুক সকলের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা উচিত, শুধু প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের নয়। আমরা এই পরামর্শ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি এবং শীঘ্রই এই কাজ শুরু হবে।"


তিনি আরও বলেন, "জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি নিয়োগ সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করার বিষয়েও ডিসিরা পরামর্শ দিয়েছেন। এটি আমাদের চিন্তাভাবনার সাথে মিলে গেছে।"


প্রশাসনের মেধাবী কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, "দুর্ভাগ্যবশত, অতীতের একটি ফ্যাসিস্ট সরকার এই দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জনগণের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়নের কাজে ব্যবহার করেছে। তবে আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেই দলই ক্ষমতায় আসুক, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই বিশাল সম্ভাবনাকে জনগণের সেবায় নিয়োজিত করা হোক। সংবিধানেও এটিই প্রত্যাশিত।"


তিনি আরও বলেন, "সারা দেশে অনেক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) তৈরি হয়েছে, কিন্তু সেগুলো থেকে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু টিটিসি নয়, বাংলাদেশে অনেক ভবন ও কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকলেও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। গত ছয় মাসে আমি এটি অনুভব করেছি। আমরা ভালো কিছু করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।"

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

নির্বাচনে কেউ গণ্ডগোল করলে ভোট কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ সিইসির

নির্বাচনে কেউ গণ্ডগোল করলে ভোট কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ সিইসির
ছবি: সংগৃহীত



আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেউ গণ্ডগোল করলে ভোট কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এ এম নাসির উদ্দিন। প্রয়োজনে পুরো নির্বাচনী এলাকার ভোট বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশনা দেন তিনি। শনিবার (১১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


সভায় সিইসি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং ও রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। প্রিসাইডিং অফিসাররাই কেন্দ্রের প্রধান উল্লেখ করে সিইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনের দিন আপনি হচ্ছেন আপনার কেন্দ্রের চিফ ইলেকশন কমিশনার। আইন আপনাকে পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছে। দরকার হলে কেন্দ্র বন্ধ করে দেবেন। তিনটি কেন্দ্র গোলমাল করলে তিনটিই বন্ধ করে দিন। প্রয়োজনে পুরো আসনের ভোট স্থগিত করা হবে, কিন্তু আইনের শাসন মানতে হবে।


প্রধান নির্বাচন কমিশনার আশ্বস্ত করে বলেন, ইনশাআল্লাহ, নির্বাচন কমিশন আপনাদের পাশে আছে, পুরো ফুল সাপোর্ট দেবে। তবে শর্ত একটাই আপনাদের নিরপেক্ষ থাকতে হবে। সিইসি বলেন, একটি সফল নির্বাচন করতে হলে সমন্বয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।


তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনে একটি সেন্ট্রাল ইমারজেন্সি রেসপন্স সেল গঠন করা হচ্ছে, যাতে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়।


সিইসি আরও বলেন, প্রিসাইডিং অফিসাররা মূলত শিক্ষক বা বেসামরিক কর্মকর্তা। তাদের অনেকেরই ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞতা নেই। তাই প্রশিক্ষণে জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেয়ার অনুশীলন থাকতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর মধ্যেও এ অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে, তবে তারা এখন জোরেশোরে ট্রেনিং নিচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০