

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দিন দিন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হচ্ছে নাকি শুধুই বিতর্ক? বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত, এমনকি ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ বিবেচনায় নিলে দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণের কথাই জানান দেয়। কিন্তু দুর্নীতির নানা অভিযোগ উত্থাপিত হলেও বাফুফের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরা যখন স্বপদে বহাল থাকেন তখন স্বাভাবিকভাবেই সংশ্লিষ্টদের মাঝে প্রশ্ন জাগে শীর্ষ কর্তারা প্রকৃত অর্থে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নাকি কেবলই অভিযোগ।
হিসাবের অংক আরও জটিলতর হয় যখন বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহি, নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো প্রমাণ পায় না। তখন অনেক প্রশ্নের জবাব উহ্য থেকে যায়। যদিও ভিন্ন এক দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান এখনো শেষ হয়নি।
সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল দুর্নীতির প্রমাণ পেয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে দুই বছরের জন্য ফিফা সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ ও প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা করে। তখনই বাফুফের কর্তা ব্যক্তিদের দুর্নীতির বিষয়টি আবারও সামনে চলে আসে। বিভিন্ন মহল থেকে আবারও দাবি ওঠে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের।আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমনের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১৫ মে হাইকোর্টের আদেশে আগামী চার মাসের মধ্যে দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের ফুটবল ফেডারেশনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন অসুস্থ, তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন : সুমন
একইসঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতিসহ সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন ওই দিন বলেছিলেন, ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন হচ্ছে না। ফুটবলকে বাঁচাতে হলে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ কারণে রিট দায়ের করেছি।
এর আগে গত ৩ মে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতনদের দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেছিলেন ব্যরিস্টার সুমন। তার দাবি ছিল, আবু নাঈম সোহাগ একা বাফুফেতে অনিয়ম-দুর্নীতি করেননি। তার সঙ্গে সভাপতি, সহ সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতনরা জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন : গোলাপ পচে গেছে, আ.লীগে থাকার অধিকার নেই : ব্যারিস্টার সুমন
অন্যদিকে বাফুফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দুর্নীতির অভিযোগ থেকে কাজী সালাউদ্দিনের দায়মুক্তি
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকলেও তার সত্যতা পায়নি দুদক। দীর্ঘ দুই বছরের অনুসন্ধান শেষে ২০২১ সালের মার্চ মাসে সালাউদ্দিনসহ নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনকেও অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন পাবেন ৩৫ হাজার, সোহাগ ৫ লাখ!
দুদকের তৎকালীন সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সই করা চিঠিতে ওই অভিযোগের কার্যক্রম সমাপ্তির বিষয়টি উল্লেখ করে ২০২১ সালের ১ মার্চ বাফুফেকে অবগত করে।আসামি হয়েও চার্জশিটে দায়মুক্ত বাফুফে সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন
গ্রাহকের গচ্ছিত ১১ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। মামলার পর ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর চার্জশিটও দাখিল করা হয়।
তবে অজ্ঞাত কারণে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মহিউদ্দিনকে বাদ দিয়েই চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহির বিষয়ে বলা হয়, নথিতে দায়িত্বরত অবস্থায় নির্দেশনা প্রদান করায় গ্রাহকের বন্ধকীকৃত স্বর্ণ প্রদান সংক্রান্তে আবেদনপত্রে তিনি কোনো স্বাক্ষর বা অনুমোদন করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন : সোহাগ : কম্পিটিশন ম্যানেজার থেকে ফেডারেশনের সর্বেসর্বা!
কিন্তু দায়িত্ব পালনকালে তার দায় এড়াতে পারেন কিনা সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী রেজা ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুদকের চার্জশিট দাখিলের পর এ বিষয়ে বিচারকার্য চলমান। এখন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। আদালত এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হেদায়েত কবীর, সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (স্বর্ণ বন্ধকী ঋণ বিভাগ) মো. আশফাকুজ্জামান, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের এসএস রোড শাখার ম্যানেজার মো. মাহাবুবুল হক, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ওমর ফারুক, সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) নুর মোহাম্মদ, সহকারী অফিসার (গ্রেড-১) আব্দুর রহিম ও নাহিদা আক্তার।
আরও পড়ুন : বাফুফে থেকে মুছে গেল সোহাগের নাম!
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জালিয়াতির মাধ্যমে ২ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহকের মোট ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি ১১ আনা জামানত রাখা স্বর্ণ আইন বহির্ভূতভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেন আসামিরা। টাকার অংকের যার পরিমাণ ৪০ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৮ টাকা। এছাড়া ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৬ টাকার স্বর্ণ গ্রাহককে না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক স্কুল, ঔষধ কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। ৩৩তম বিসিএসের এ কর্মকর্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান থাকায় গত ৮ জানুয়ারি থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
কয়েক দফায় চিঠি এবং কারণ দর্শানো নোটিশ দিলেও উত্তর মেলেনি। এখন ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগের গবেষণা শাখায় কর্মরত। এর আগেও একাধিক প্রতারণার অভিযোগে তাকে মাউশি অধিদপ্তর থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলার রায় চলতি মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। অন্য একটি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগ। প্রতারণার আরেকটি মামলা হয়েছে সিএমএম কোর্টে।
এদিকে, বেশ কয়েক মাস ধরে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে মোবাইল ফোন খোলা থাকলেও কল রিসিভ করেন না। না পেয়ে মাউশিতে এসে অনেকে তার খোঁজ করছেন, কিন্তু সহকর্মীরা তার কোনো সন্ধান দিতে পারছেন না।টানা পাঁচ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর গত ১০ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন মাউশি মহাপরিচালক। ৮ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে শোকজ দেওয়া হলেও সেই জবাব পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে তার ব্যক্তিগত ই-মেইল ও ঠিকানায় চিঠি দেওয়া হলেও কোনো জবাব মেলেনি। এখন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি।
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিনি টানা চার মাস ধরে অফিসে অনুপস্থিত। শোকজ করার পরও তিনি জবাব দেননি। তাই পুরো বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘লোকজনের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়েছেন— এমনটা শুনেছি। কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।’
রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে যা জানা যায়
ঢাকা পোস্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন রফিকুল ইসলাম একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ওই সময় থেকে তিনি নানা প্রতারণার জাল বিস্তার করেন। ৩৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। এরপর সরকারের ঊর্ধ্বতন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা রয়েছে— এমন ছবি দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া শুরু করেন। এমন তিন ব্যক্তির সন্ধান পেয়েছেন এ প্রতিবেদক। তাদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন রফিকুল ইসলাম। বাকিরা তার খোঁজে মাউশি, মোহাম্মদপুর ও নিজ জেলা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার কুশিল গ্রামে ধরনা দিচ্ছেন।মাউশি সূত্রে জানা যায়, এর আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়া শুরু করেন রফিকুল ইসলাম। কিন্তু কাউকে চাকরি দিতে না পারায় মাউশিতে আসতে শুরু করেন ভুক্তভোগীরা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা এসব বিষয়ে আপস-মীমাংসাও করে দেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ফের প্রতারণা শুরু করেন।
ঢাকা পোস্ট তার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করলে ভুক্তভোগীদের তিনি নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করেন। ‘ওই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বললে টাকা তো দেবই না, উল্টো তোমাকে গুম করে ফেলব— এমনও হুমকি দেন।’ ভয়ে প্রথম দিকে অনেকে তার বিরুদ্ধে কথা বললেও পরে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তারা।
তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রতন চন্দ্র একটি বেসরকারি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২০১৯ ও ২০২০ সালে তিন ধাপে তার কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নেন রফিকুল। পরে চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চান তিনি। কয়েক দফা ঘুরানোর পর টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই ব্যক্তি ২০২২ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কোর্টে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তার বাবা ও স্ত্রীকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে তেজগাঁও গোয়েন্দা অফিস।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা করার আগে রতন চন্দ্র রফিকুলের মোহাম্মদপুরের বাড়ির মালিক হারুনের মধ্যস্থতায় পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এরপর তিন বছর নানা ছলচাতুরী করে আজ পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে তারিখ দিতেন। কিন্তু ওই তারিখ অনুযায়ী বাসায় গেলে উনাকে পাওয়া যেত না। মোবাইল ফোনও রিসিভ করতেন না।
রতন চন্দ্র মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রতারণামূলক বিভিন্ন ধরনের কূট-কৌশল অবলম্বন করে হয়রানি করতেন রফিকুল ইসলাম। গত তিন বছর ধরে কোনো টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। বরং টাকা পরিশোধের অনুরোধ করলে অভিযোগকারীকে নানা রকম হুমকি-ধামকি দেন। সর্বশেষ মাউশিতে কর্মরত পটুয়াখালীর আরেক শিক্ষা কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর হালদারের (বর্তমানে বহিষ্কার) মাধ্যমে টাকা আদায়ের শেষ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। রফিকুল একজন প্রতারক বলে চন্দ্র শেখর আমাদের জানায়।
মন্তব্য করুন


পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলির পরিচালনায় সাবেক ও বর্তমান সম্পর্কের টানাপড়েনের গল্প নিয়ে তৈরি সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছেন, তেমনি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে ।
দেশের সীমা পেরিয়ে ভারতে অভিনয় ও রূপের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জয়া আহসান । উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমাও। গত ২ জুন মুক্তি পেয়েছে জয়া অভিনীত সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’।
২০১৯ সালে শুরু হয় ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার শুটিং। নির্মাণ কাজ শেষের দীর্ঘ চার বছর পর চলতি মাসে মুক্তি পায় এটি। ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার প্রচারে বর্তমানে কলকাতায় ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়া আহসান। সিনেমাটিতে জয়ার সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলির মতো গুণী তারকা শিল্পীরা।
টলি বাংলা বক্স অফিস এক টুইটে জানিয়েছে, কম সংখ্যক হল পেয়েও এ পর্যন্ত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমাটি প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকার বেশি।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৩ মিনিট থেকে সূর্যের গা থেকে একটু একটু করে খসতে শুরু করে। প্রকট হতে থাকে উজ্জ্বল কাস্তের ফলা। তার পরে একেবারে চাঁদের আড়ালে চলে যায় সূর্য। দিনের বেলা অন্ধকার নামে পৃথিবীর বুকে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু হয়েছিল ১টা ৪০ মিনিটে। পুরোপুরি ঢেকে যায় সূর্য। আর ঠিক এই মুহূর্তে স্পষ্ট ভাবে, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সূর্যের করোনা (সূর্যের পরিমণ্ডলের একেবারে বাইরের স্তর)। এ দিনের গবেষণায় বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য ছিল এই করোনা-ই। তাঁদের বিশ্বাস, সূর্যের এই অংশের কার্যকলাপ বা গতিবিধি বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং চমকপ্রদও বটে।
গত ৮ এপ্রিলের (সোমবার) পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হয়েছিল মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডা থেকে। বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন কমপক্ষে ১০ হাজার সাধারণ মানুষ। এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি এরিস-এর গবেষকেরা। তাঁরা পাড়ি দিয়েছিলেন আমেরিকার টেক্সাসের ডালাস শহরে। উদ্দেশ্য, সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা। ডালাসের ‘কটন বোল স্টেডিয়াম’-এ গ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখার জন্য উত্তেজনায় ফুটছিলেন সকলেই। গ্রহণ দেখলেন তাঁরা, জানলেন সৌরজগতের খুঁটিনাটি, বিজ্ঞানের গল্প শুনলেন বিশেষজ্ঞদের থেকে।
দীপঙ্কর বলেন, ‘‘এমন বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার। তা ছাড়া এই গবেষণার জন্যেও এটা আদর্শ সময়।’’গত বছর ২ সেপ্টেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেয় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর প্রথম সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’। এ বছর ৬ জানুয়ারি সে পৌঁছয় গন্তব্যে। বর্তমানে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এল ১ পয়েন্টকে ঘিরে থাকা হ্যালো অরবিট থেকে আদিত্য নজর রাখছে সূর্যের উপরে। এটি একটি করোনাগ্রাফি স্পেসক্রাফ্ট। পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সূর্যের পরিমণ্ডলের উপর নজরদারি চালাচ্ছে সে। আদিত্যের ৭টি প্রোব-ই নিয়মিত ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সূর্য ও তার হেলিওস্ফিয়ারকে নিয়ে।
দীপঙ্কর জানান, ঠিক এই সময়ে সূর্যগ্রহণ— এর থেকে ভাল সুযোগ হতে পারত না বিজ্ঞানীদের জন্য। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর এমন অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে উঠবে সৌর পরিবেশ বা সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ার। এই সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ারের সব চেয়ে বাইরের অংশকে বলা হয় করোনা। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময়ে করোনার ভিতরের অংশ অনেকটাই পরিষ্কার দৃশ্যমান হবে।
ডালাসের স্টেডিয়ামে উপস্থিত এরিসের দলে দীপঙ্কর ছাড়াও ছিলেন বিজ্ঞানী এস কৃষ্ণপ্রসাদ এবং বিজ্ঞানী টি এস কুমার। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ১৪ সেন্টিমিটার টেলিস্কোপ। গ্রহণকালে দূরবীক্ষণ যন্ত্রটির উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সূর্যের করোনায় তীব্র গতিতে ঘটতে থাকা পরিবর্তন। দীপঙ্কর বলেন, ‘এই ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে প্রতি সেকেন্ডে ৮টি ফ্রেম বন্দি করতে পারে।’’ দীপঙ্কর বলেন, ‘ইসরোর সৌরযান আদিত্য-এল১-এও একটি করোনাগ্রাফ যন্ত্র রয়েছে। পরবর্তী কাজ হচ্ছে, আদিত্যের করোনাগ্রাফ থেকে পাওয়া তথ্য ও আমাদের গ্রাউন্ড রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা। বিষয়টা নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজিত।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত জেলা ফেনী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লার
বুড়িচং ও চৌদ্দগ্রামে পানিতে আটকে থাকা প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে ।
সেই সাথে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী ।
সেনাবাহিনীর
এই অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার
থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তিন জেলায় এ উদ্ধার অভিযানের এ তথ্য নিশ্চিত
করে সেনাবাহিনী সূত্র আরো জানিয়েছে, কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের
জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম বন্যাদুর্গত এলাকায়
উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সেনাবাহিনী
সূত্র এটাও জানিয়েছে যে, এছাড়া প্রায় ২০ জন রোগিকে হেলিকপ্টারে করে ফেনী থেকে
কুমিল্লা সিএমএইচ হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজন প্রসূতিও
রয়েছে। তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। মা ও ছেলে দুইজনেই সুস্থ্য রয়েছেন বলে
সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় যানজট কমাতে চালু হওয়া মেট্রোরেল যাত্রীদের মাঝে ছড়িয়েছে উচ্ছ্বাস। আর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলা মেট্রোরেল মতিঝিলে বর্ধিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে র্যাপিড পাস বিক্রি। এদিকে মেট্রোরেল কেন্দ্রিক যাত্রী টানতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) চালু করেছে শাটল বাস।
উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং) থেকে দিয়াবাড়ি ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) স্টেশন পর্যন্ত বিআরটিসির পরিচালিত মেট্রোরেল শাটল বাস সার্ভিসের জন্য গত বুধবার থেকে টিকিট কাউন্টার স্থাপন হয়েছে। তবে র্যাপিড পাস বিক্রির ক্ষেত্রে যাত্রীদের থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।
ডিটিসিএ- এর ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্লানার ধ্রুব আলম বলেন, রোববার (৫ নভেম্বর) ১০০টি র্যাপিড পাস বিক্রি হয়েছে। সোমবার (৬ নভেম্বর) থেকে ২৫০টি করে বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, আজ থেকেই বিক্রি শুরু হয়েছে। মতিঝিল আর দিয়াবাড়িতে। যতক্ষণ মেট্রোরেল চলবে ততক্ষণ পর্যন্ত। মতিঝিলে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ছিল। আজ ৫০টা ৩০ মিনিটে বিক্রি হয়েছে।
র্যাপিড পাস বিক্রির লোকেশন বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সোমবার মিরপুর ১০, আগারগাঁও, মতিঝিল ও দিয়াবাড়ি।এর আগে বুধবার ডিটিসিএ-র নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন দিয়াবাড়ি মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত থেকে এটি উদ্বোধন করেন। উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং) ও দিয়াবাড়ি এমআরটি স্টেশনে দুইটি অস্থায়ী টিকিট কাউন্টারের উদ্বোধন করেন।
প্রসঙ্গত, ঢাকার উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের প্রথম মেট্রোরেল যেটা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত। এ প্রকল্প সরকার হাতে নেয় ২০১২ সালে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর এ পথের প্রথমাংশ উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চালু হলেও দ্বিতীয় অংশ আগারগাঁও থেকে মতিঝিল চলতি সালের শেষ দিকে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
আর মতিঝিল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হতে পারে ২০২৫ সালে। এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের সর্বোমোট ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগী জাইকার অর্থায়ন ১৯ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা ও সরকারি অর্থায়ন ১৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


রাজধানীতে
ছিনতাই ও অপরাধ ঠেকাতে রাস্তার পাশের চা-পান ও সিগারেটের দোকান রাত ১১টার মধ্যে
বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।
ডিএমপি
কমিশনার বলেন, রাস্তায় পুলিশের স্টিকার লেখা কোনো গাড়ি দেখলে ডিউটিরত পুলিশ অবশ্যই
যাচাই করবেন যে, সেটা আসলেই কোনো পুলিশ অফিসারের গাড়ি কি না। কারণ গাড়িতে পুলিশের
স্টিকার লাগিয়ে বা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে সন্ত্রাসীদের চলাফেরার তথ্য পাওয়া গেছে।
যদি যাচাই করে দেখা যায় সেটা পুলিশের গাড়ি নয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ডিএমপির ক্রাইম ও ট্রাফিক বিভাগ এই বিষয়টি নজর রাখবেন।
তিনি
বলেন, কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠী যেন কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে না
পারে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর থাকতে
হবে।
কমিশনার
বলেন, অন্যান্য রমজানের চেয়ে এবার রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ডিএমপির
ট্রাফিক বিভাগের সাথে ক্রাইম বিভাগও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। ট্রাফিক
নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক বিভাগের একার কাজ, এমনটা ভাবা যাবে না। ক্রাইম বিভাগের যাদের
সামনে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখা যাবে তিনি সেখানে কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দিন দিন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হচ্ছে নাকি শুধুই বিতর্ক? বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত, এমনকি ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ বিবেচনায় নিলে দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণের কথাই জানান দেয়। কিন্তু দুর্নীতির নানা অভিযোগ উত্থাপিত হলেও বাফুফের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরা যখন স্বপদে বহাল থাকেন তখন স্বাভাবিকভাবেই সংশ্লিষ্টদের মাঝে প্রশ্ন জাগে শীর্ষ কর্তারা প্রকৃত অর্থে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নাকি কেবলই অভিযোগ।
হিসাবের অংক আরও জটিলতর হয় যখন বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহি, নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো প্রমাণ পায় না। তখন অনেক প্রশ্নের জবাব উহ্য থেকে যায়। যদিও ভিন্ন এক দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান এখনো শেষ হয়নি।
সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল দুর্নীতির প্রমাণ পেয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে দুই বছরের জন্য ফিফা সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ ও প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা করে। তখনই বাফুফের কর্তা ব্যক্তিদের দুর্নীতির বিষয়টি আবারও সামনে চলে আসে। বিভিন্ন মহল থেকে আবারও দাবি ওঠে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের।আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমনের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১৫ মে হাইকোর্টের আদেশে আগামী চার মাসের মধ্যে দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের ফুটবল ফেডারেশনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন অসুস্থ, তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন : সুমন
একইসঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতিসহ সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন ওই দিন বলেছিলেন, ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন হচ্ছে না। ফুটবলকে বাঁচাতে হলে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ কারণে রিট দায়ের করেছি।
এর আগে গত ৩ মে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতনদের দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেছিলেন ব্যরিস্টার সুমন। তার দাবি ছিল, আবু নাঈম সোহাগ একা বাফুফেতে অনিয়ম-দুর্নীতি করেননি। তার সঙ্গে সভাপতি, সহ সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতনরা জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন : গোলাপ পচে গেছে, আ.লীগে থাকার অধিকার নেই : ব্যারিস্টার সুমন
অন্যদিকে বাফুফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দুর্নীতির অভিযোগ থেকে কাজী সালাউদ্দিনের দায়মুক্তি
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকলেও তার সত্যতা পায়নি দুদক। দীর্ঘ দুই বছরের অনুসন্ধান শেষে ২০২১ সালের মার্চ মাসে সালাউদ্দিনসহ নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনকেও অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন পাবেন ৩৫ হাজার, সোহাগ ৫ লাখ!
দুদকের তৎকালীন সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সই করা চিঠিতে ওই অভিযোগের কার্যক্রম সমাপ্তির বিষয়টি উল্লেখ করে ২০২১ সালের ১ মার্চ বাফুফেকে অবগত করে।আসামি হয়েও চার্জশিটে দায়মুক্ত বাফুফে সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন
গ্রাহকের গচ্ছিত ১১ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। মামলার পর ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর চার্জশিটও দাখিল করা হয়।
তবে অজ্ঞাত কারণে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মহিউদ্দিনকে বাদ দিয়েই চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহির বিষয়ে বলা হয়, নথিতে দায়িত্বরত অবস্থায় নির্দেশনা প্রদান করায় গ্রাহকের বন্ধকীকৃত স্বর্ণ প্রদান সংক্রান্তে আবেদনপত্রে তিনি কোনো স্বাক্ষর বা অনুমোদন করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন : সোহাগ : কম্পিটিশন ম্যানেজার থেকে ফেডারেশনের সর্বেসর্বা!
কিন্তু দায়িত্ব পালনকালে তার দায় এড়াতে পারেন কিনা সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী রেজা ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুদকের চার্জশিট দাখিলের পর এ বিষয়ে বিচারকার্য চলমান। এখন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। আদালত এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হেদায়েত কবীর, সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (স্বর্ণ বন্ধকী ঋণ বিভাগ) মো. আশফাকুজ্জামান, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের এসএস রোড শাখার ম্যানেজার মো. মাহাবুবুল হক, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ওমর ফারুক, সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) নুর মোহাম্মদ, সহকারী অফিসার (গ্রেড-১) আব্দুর রহিম ও নাহিদা আক্তার।
আরও পড়ুন : বাফুফে থেকে মুছে গেল সোহাগের নাম!
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জালিয়াতির মাধ্যমে ২ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহকের মোট ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি ১১ আনা জামানত রাখা স্বর্ণ আইন বহির্ভূতভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেন আসামিরা। টাকার অংকের যার পরিমাণ ৪০ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৮ টাকা। এছাড়া ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৬ টাকার স্বর্ণ গ্রাহককে না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত আড়াই শ’ গ্রাম।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।
সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।
এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
দেবিদ্ধার থানার হোসেনপুর গ্রামের মৃত অক্ষয় চন্দ্র সাহার ছেলে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল
চন্দ্র সাহা যাবজ্জীবনের সাজা থেকে রেয়াত পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
রবিবার
সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যাবজ্জীবন শাস্তি প্রাপ্ত কয়েদী বীরমুক্তিযোদ্ধা
রাখাল চন্দ্র সাহা কে ৫ বছর ৭ মাস ০২ দিন এর রেয়াত পেয়ে কারামুক্তি পায়।
উল্লেখ্য
যে, ২৮শে ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে জমি জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে জেঠাতো বোনের স্বামী
দীনেশ চন্দ্র দত্তকে খুনের অভিযোগে কারা প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিঙ্গ আদালত
২০০৩ সালের ২০ শে জানুয়ারী মৃতুদন্ডের সাজা প্রদান করেন।
মৃতুদন্ডের
সাজা প্রাপ্ত আসামী বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ
ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করলে তা না মঞ্জুর হওয়ার পর ৭ই এপ্রিল ২০০৮ সালে দিবাগত রাত ১১ টার সময় তার মৃত্যুদন্ড কার্যকরের
তারিখ নির্ধারিত হয় কিন্তু অনিবার্য কারণ বশতঃ মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয় নাই।
পরবর্তীতে
২৫ শে জুন ২০০৮ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।
২ই
জুলাই ২০২৩ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা ২৬ বছর কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত শেষে
রেয়াত পেয়ে ৭৭ বছর বয়সে তার ছেলের নিকট কারাগার থেকে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন