

প্রাথমিক স্কুল, ঔষধ কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। ৩৩তম বিসিএসের এ কর্মকর্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান থাকায় গত ৮ জানুয়ারি থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
কয়েক দফায় চিঠি এবং কারণ দর্শানো নোটিশ দিলেও উত্তর মেলেনি। এখন ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগের গবেষণা শাখায় কর্মরত। এর আগেও একাধিক প্রতারণার অভিযোগে তাকে মাউশি অধিদপ্তর থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলার রায় চলতি মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। অন্য একটি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগ। প্রতারণার আরেকটি মামলা হয়েছে সিএমএম কোর্টে।
এদিকে, বেশ কয়েক মাস ধরে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে মোবাইল ফোন খোলা থাকলেও কল রিসিভ করেন না। না পেয়ে মাউশিতে এসে অনেকে তার খোঁজ করছেন, কিন্তু সহকর্মীরা তার কোনো সন্ধান দিতে পারছেন না।টানা পাঁচ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর গত ১০ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন মাউশি মহাপরিচালক। ৮ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে শোকজ দেওয়া হলেও সেই জবাব পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে তার ব্যক্তিগত ই-মেইল ও ঠিকানায় চিঠি দেওয়া হলেও কোনো জবাব মেলেনি। এখন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি।
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিনি টানা চার মাস ধরে অফিসে অনুপস্থিত। শোকজ করার পরও তিনি জবাব দেননি। তাই পুরো বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘লোকজনের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়েছেন— এমনটা শুনেছি। কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।’
রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে যা জানা যায়
ঢাকা পোস্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন রফিকুল ইসলাম একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ওই সময় থেকে তিনি নানা প্রতারণার জাল বিস্তার করেন। ৩৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। এরপর সরকারের ঊর্ধ্বতন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা রয়েছে— এমন ছবি দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া শুরু করেন। এমন তিন ব্যক্তির সন্ধান পেয়েছেন এ প্রতিবেদক। তাদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন রফিকুল ইসলাম। বাকিরা তার খোঁজে মাউশি, মোহাম্মদপুর ও নিজ জেলা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার কুশিল গ্রামে ধরনা দিচ্ছেন।মাউশি সূত্রে জানা যায়, এর আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়া শুরু করেন রফিকুল ইসলাম। কিন্তু কাউকে চাকরি দিতে না পারায় মাউশিতে আসতে শুরু করেন ভুক্তভোগীরা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা এসব বিষয়ে আপস-মীমাংসাও করে দেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ফের প্রতারণা শুরু করেন।
ঢাকা পোস্ট তার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করলে ভুক্তভোগীদের তিনি নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করেন। ‘ওই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বললে টাকা তো দেবই না, উল্টো তোমাকে গুম করে ফেলব— এমনও হুমকি দেন।’ ভয়ে প্রথম দিকে অনেকে তার বিরুদ্ধে কথা বললেও পরে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তারা।
তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রতন চন্দ্র একটি বেসরকারি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২০১৯ ও ২০২০ সালে তিন ধাপে তার কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নেন রফিকুল। পরে চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চান তিনি। কয়েক দফা ঘুরানোর পর টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই ব্যক্তি ২০২২ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কোর্টে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তার বাবা ও স্ত্রীকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে তেজগাঁও গোয়েন্দা অফিস।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা করার আগে রতন চন্দ্র রফিকুলের মোহাম্মদপুরের বাড়ির মালিক হারুনের মধ্যস্থতায় পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এরপর তিন বছর নানা ছলচাতুরী করে আজ পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে তারিখ দিতেন। কিন্তু ওই তারিখ অনুযায়ী বাসায় গেলে উনাকে পাওয়া যেত না। মোবাইল ফোনও রিসিভ করতেন না।
রতন চন্দ্র মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রতারণামূলক বিভিন্ন ধরনের কূট-কৌশল অবলম্বন করে হয়রানি করতেন রফিকুল ইসলাম। গত তিন বছর ধরে কোনো টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। বরং টাকা পরিশোধের অনুরোধ করলে অভিযোগকারীকে নানা রকম হুমকি-ধামকি দেন। সর্বশেষ মাউশিতে কর্মরত পটুয়াখালীর আরেক শিক্ষা কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর হালদারের (বর্তমানে বহিষ্কার) মাধ্যমে টাকা আদায়ের শেষ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। রফিকুল একজন প্রতারক বলে চন্দ্র শেখর আমাদের জানায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন রাজবল্লভপুর ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন ঠাকুরপাড়া এলাকায় এজাহারনামীয় ও ওয়ারেন্টভুক্ত ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন রাজবল্লভপুর এলাকায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-০৭, তারিখ- ০৩/০৬/২০২৩ খ্রিঃ ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৪২৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০ এর এজাহারনামীয় ১ নং আসামী আবু বকর ছিদ্দিক (৩০), পিতা- আব্দুর রউফ মিস্ত্রি, সাং-রাজবল্লভপুর, চৌকিদার বাড়ী, ১২ নং গুনবতী ইউ.পি, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা-কে গ্রেফতার করে।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ঠাকুরপাড়া এলাকায় কুমিল্লার বিজ্ঞ দ্রুত বিচার আদালত স্মারক নং-২৬৭, তারিখ-৩১/০৫/২০২৩ ও সিআর নং-২৯/২৩, দ্রুত বিচার আইন এর ৪ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মোছাদ্দেক হোসেন ছোটন (৪৮), পিতা-মৃত দেলোয়ার হোসেন, সাং-বেলঘর, মিয়াবাড়ী, পোঃ মিয়াবাজার, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা-গ্রেফতার করে।
র্যাব জানান, উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কোনো শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে আনন্দের। তবে এ মুহূর্ত যদি হয় ১৩৮ বছরের এক ‘মিথ’ এর অবসান, তখন আনন্দের মাত্রা ঠিক কত হতে পারে, তা কল্পনা করাও কঠিন। এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি পরিবার। পরিবারটিতে ১৩৮ বছর পর জন্ম নিয়েছে এক কন্যাশিশু।
১৮৮৫ সালের পর দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক যুগলের ঘর আলোকিত করে পরিবারে জন্ম নিল প্রথম কোনো কন্যাশিশু। এ পরিবার তার জন্মের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল । অবাক করা এ ঘটনায় এখন পরিবারটিতে খুশির জোয়ার বইছে।
ওই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছে অড্রে। তার বাবা অ্যান্ড্রু ক্লার্ক ও মা ক্যারোলিন ক্লার্ক।
ক্যারোলিন বলেন, দশ বছর আগে যখন অ্যান্ড্রুর সঙ্গে আমার প্রেম, তখনই সে তাদের পরিবারে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কন্যাসন্তান জন্ম না নেওয়ার বিষয়টি বলেছিল। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলাম যাচাই করার জন্য। তারা জানালেন, তাদের ডিরেক্ট লাইনে দীর্ঘদিন থেকে কন্যাসন্তান নেই। ২০২১ সালে ক্যারোলিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। এর পরই এ কন্যাসন্তানের জন্ম, যা ওই পরিবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ক্যারোলিন বলেন, কন্যাসন্তান জন্মের পর পরিবারের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা চাঁদের টুকরো হাতে পেয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফী পরিচালিত 'সুড়ঙ্গ' সিনেমায় প্রথমবারের মতো তমা মীর্জা ও আফরান নিশো জুটি বেঁধেছেন। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা।
এতে আইটেম গার্ল হিসেবে নেচেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এরইমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে গানটি। ফারিয়ার এই গান নিয়ে যেন দুই বাংলায় উত্তেজনা তুঙ্গে।
গানের পাশাপাশি সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির টিজার ও ফার্স্টলুক দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তমা বলেন, 'এর আগে কোনো সিনেমার জন্য এত লম্বা সময় দেইনি। অনেক যত্ন নিয়ে সিনেমাটির শুটিং করেছি। অপেক্ষায় আছি সুড়ঙ্গ মুক্তির। '
গণমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, 'আমার ভক্ত দর্শকের জন্য সুখবর হচ্ছে, আগস্ট থেকে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করছি। তার আগে আমি তুরস্ক যাব। সেখানে ঘুরে বেড়ানো শেষে দেশে ফিরে এসে আমি নতুন সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নেব।
মন্তব্য করুন


১৯৪৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। আমেরিকায় বসবাসকারী লয়েড ওলসেন এবং ক্লারা ওলসেন, এই দম্পতির, মাইক নামের একটি মুরগি পালন করতেন।
খাওয়ার জন্য তাদের পালিত মুরগিটি জ’বাই করেছিলেন। মুরগির মাথা কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্ত মুরগির মাথা কেটে ফেলার পর সেটি মারা না গিয়ে দৌড়োতে শুরু করে।
মুরগিটিকে ধরে তিনি একটি বাক্সে রেখে দেন। তিনি মনে করেছিলেন হয়ত মুরগিটি জবাই হয়ে গেছে ।
কিন্তু তিনি যখন পরে মুরগিটিকে দেখতে আসেন, তখন দেখলেন মাইক তার কাটা মাথাটি পাখার নিচে নিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে। তিনি অবাক হলেন, এরকম অদ্ভুত কান্ড দেখে লয়েড সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি মুরগিটিকে বাচাবেন।
লয়েডের মাথায় প্রথমেই বুদ্ধি এলো মাইকের খাওয়ার ব্যবস্থা করা। মুরগিটিকে খাবার খাওয়াতে তিনি একটি চোখের ড্রপারকেই বেছে নিলেন।
ঘটনাটি ঘটার পর চারিদিকে খুব হইছই পড়ে যায় এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহরে তিনি এই মুরগিটিকে নিয়ে প্রদর্শনী করতেও শুরু করেন।
আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বেঁচে যায় ও চোখ, ঠোঁটসহ গোটা মাথাটাই কেটে ফেলেন । কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


তাইওয়ানে ২০০টিরও বেশি
ভূমিকম্প (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬ দশমিক ৩ মাত্রার
শক্তিশালী ভূমিকম্পও ছিল।
আজ (মঙ্গলবার) ভোরে
হুয়ালিয়েনের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ৩ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া একটি
হোটেল আবারও কিছুটা ঝুঁকেছে। তবে তাতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দুটি টেকটোনিক প্লেটের
সংযোগস্থলের কাছেই তাইওয়ানের অবস্থান। এ কারণেই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ।
ভূমিকম্পগুলো হুয়ালিয়েনের
বৃহত্তর গ্রামীণ পূর্ব কাউন্টিতে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল। এর আগে, গত ৩ এপ্রিল সেখানে
৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকে তাইওয়ানে
শত শত আফটারশক হয়েছে।
২০১৬ সালে তাইওয়ানের
দক্ষিণাঞ্চলে শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৯ সালে সেখানে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার
ভূমিকম্পে দুই হাজারেরও বেশি লোক নিহত হন।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৩ মিনিট থেকে সূর্যের গা থেকে একটু একটু করে খসতে শুরু করে। প্রকট হতে থাকে উজ্জ্বল কাস্তের ফলা। তার পরে একেবারে চাঁদের আড়ালে চলে যায় সূর্য। দিনের বেলা অন্ধকার নামে পৃথিবীর বুকে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু হয়েছিল ১টা ৪০ মিনিটে। পুরোপুরি ঢেকে যায় সূর্য। আর ঠিক এই মুহূর্তে স্পষ্ট ভাবে, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সূর্যের করোনা (সূর্যের পরিমণ্ডলের একেবারে বাইরের স্তর)। এ দিনের গবেষণায় বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য ছিল এই করোনা-ই। তাঁদের বিশ্বাস, সূর্যের এই অংশের কার্যকলাপ বা গতিবিধি বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং চমকপ্রদও বটে।
গত ৮ এপ্রিলের (সোমবার) পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হয়েছিল মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডা থেকে। বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন কমপক্ষে ১০ হাজার সাধারণ মানুষ। এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি এরিস-এর গবেষকেরা। তাঁরা পাড়ি দিয়েছিলেন আমেরিকার টেক্সাসের ডালাস শহরে। উদ্দেশ্য, সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা। ডালাসের ‘কটন বোল স্টেডিয়াম’-এ গ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখার জন্য উত্তেজনায় ফুটছিলেন সকলেই। গ্রহণ দেখলেন তাঁরা, জানলেন সৌরজগতের খুঁটিনাটি, বিজ্ঞানের গল্প শুনলেন বিশেষজ্ঞদের থেকে।
দীপঙ্কর বলেন, ‘‘এমন বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার। তা ছাড়া এই গবেষণার জন্যেও এটা আদর্শ সময়।’’গত বছর ২ সেপ্টেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেয় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর প্রথম সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’। এ বছর ৬ জানুয়ারি সে পৌঁছয় গন্তব্যে। বর্তমানে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এল ১ পয়েন্টকে ঘিরে থাকা হ্যালো অরবিট থেকে আদিত্য নজর রাখছে সূর্যের উপরে। এটি একটি করোনাগ্রাফি স্পেসক্রাফ্ট। পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সূর্যের পরিমণ্ডলের উপর নজরদারি চালাচ্ছে সে। আদিত্যের ৭টি প্রোব-ই নিয়মিত ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সূর্য ও তার হেলিওস্ফিয়ারকে নিয়ে।
দীপঙ্কর জানান, ঠিক এই সময়ে সূর্যগ্রহণ— এর থেকে ভাল সুযোগ হতে পারত না বিজ্ঞানীদের জন্য। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর এমন অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে উঠবে সৌর পরিবেশ বা সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ার। এই সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ারের সব চেয়ে বাইরের অংশকে বলা হয় করোনা। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময়ে করোনার ভিতরের অংশ অনেকটাই পরিষ্কার দৃশ্যমান হবে।
ডালাসের স্টেডিয়ামে উপস্থিত এরিসের দলে দীপঙ্কর ছাড়াও ছিলেন বিজ্ঞানী এস কৃষ্ণপ্রসাদ এবং বিজ্ঞানী টি এস কুমার। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ১৪ সেন্টিমিটার টেলিস্কোপ। গ্রহণকালে দূরবীক্ষণ যন্ত্রটির উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সূর্যের করোনায় তীব্র গতিতে ঘটতে থাকা পরিবর্তন। দীপঙ্কর বলেন, ‘এই ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে প্রতি সেকেন্ডে ৮টি ফ্রেম বন্দি করতে পারে।’’ দীপঙ্কর বলেন, ‘ইসরোর সৌরযান আদিত্য-এল১-এও একটি করোনাগ্রাফ যন্ত্র রয়েছে। পরবর্তী কাজ হচ্ছে, আদিত্যের করোনাগ্রাফ থেকে পাওয়া তথ্য ও আমাদের গ্রাউন্ড রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা। বিষয়টা নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজিত।’
মন্তব্য করুন


কোনো প্রাণহানী না হওয়ায় আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বড় কোনো বিপদ ছাড়াই বিদায় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর শাহ পরীর দ্বীপের মানুষরা। ঝড়ের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ বহু স্থাপনা। সেন্টমার্টিনের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মোখার প্রভাব পড়েনি। সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক হাজার ৩০০-এর বেশি পরিবার।
মোখার আঘাত পুরোটাই নিজের চোখে দেখেছেন বাংলাদেশের একমাত্র এই ব-দ্বীপের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। ঘূর্ণিঝড়ের আগের প্রস্তুতি, আঘাত হানার সময়কার বিপদ আর তারপর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব নিয়ে তিনি কথা বলেছেন ঢাকা পোস্টের সঙ্গে।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড় মোখা শুরুর আগে দ্বীপবাসীর জন্য কী কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড় যখন সৃষ্টি হয়েছে তখন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আমাদের দিকে ঘূর্ণিঝড় আসছে। আপনারা সবাই প্রস্তুতি নেন। ওই ঘোষণার পর আমাদের যে দুর্যোগ কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। আমাদের সকল মেম্বার সেখানে ছিলেন। যেহেতু শোনা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অনেক বড় আকারে আসবে, সেন্টমার্টিনকে লন্ডভন্ড করতে পারে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে। আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত, না গেলে আমরা বাঁচতে পারব না। দ্বীপ তলিয়ে গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত। তারপর আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ড মেম্বারদের দিয়ে মিটিং করিয়েছি। যখন ঘূর্ণিঝড় আরও এগিয়ে এসেছে, তখন আমরা মেম্বারদের দিয়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে বলে এসেছি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে। আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে গিয়েছি দ্বীপের প্রতিটি জায়গায়। যখন ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়ে গেল তখন আমরা এলাকাবাসীকে ফোর্স করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি।
অতীতের যে রেকর্ড, সেন্টমার্টিনের মানুষ কখনও আশ্রয় কেন্দ্রে যেত না। কিন্তু এবার সব মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গেছে। আমরা শতভাগ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পেরেছি।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড়ের পর আপনার দ্বীপে কেমন ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : মিনিমাম ৭০০ দরিদ্র পরিবারের ঘর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। আর ৩০০ পরিবারের যে সেমি পাকা ঘর ছিল, সেগুলোর টিনের চাল উড়ে গেছে। এর বাইরে গাছ পড়ে কিছু মানুষের ঘর ভেঙে গেছে, কারও পুরোটা ভেঙেছে, কারও অর্ধেক ভেঙেছে, একপাশে ভেঙেছে এমন হয়েছে। সব মিলিয়ে মিনিমাম ১৩ থেকে ১৪০০ পরিবার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। আমি আমাদের প্রশাসনকে জানিয়েছি, সেন্টমার্টিনের এবারের ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি পূরণ করতে হলে সরকারকে ভালো একটা উদ্যোগ নিতে হবে।
ঘূর্ণিঝড় শেষে আমরা যেটা দেখলাম, পুরো দ্বীপে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। কমপক্ষে ১০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০-৫০টি দোকান একেবারেই ভেঙে গেছে। অনেক টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ৮টির মতো ফিশিং ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮-৯টি কালভার্ট নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার না করলে আমাদের চলাচলে খুব অসুবিধা হবে।ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোন শ্রেণির মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : যাদের অর্থ-সম্পদ আছে তারা বিল্ডিং করেছেন, সেমি পাকা ঘর করেছেন। এদের শুধুমাত্র টিনগুলোর ক্ষতি হয়েছে। যারা গরিব মানুষ, ঘর বাঁধতে পারেনি, শুধুমাত্র বাঁশ, পাতা এবং পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছিল, তাদের ঘরগুলো একেবারে ভেঙে গেছে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপে তো উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম অংশ আছে। কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো এরিয়া নেই যেখানে ক্ষতি হয়নি, যেখানে যাবেন সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত।
ঢাকা পোস্ট : বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কী অবস্থা?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের অনেক কিছু ভেঙে গেছে। এগুলো ঠিকঠাক করতে অনেকটা সময় লাগতে পারে। আমরা তারপরও বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করতে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোনো বাঁধ আছে কিনা বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা?
মুজিবুর রহমান : আমাদের সেন্টমার্টিনে কোনো বাঁধ নেই। দ্বীপ রক্ষার স্বার্থে কোনো বেড়িবাঁধ সরকার যদি নাও করতে চায় তবে দ্বীপের চারদিকে ওয়াকিং রোড করা যেতে পারে। সেটি দিলে আমাদের দ্বীপ রক্ষা পাবে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপবাসীর ত্রাণ সহায়তা কী দিতে পারলেন?
মুজিবুর রহমান : গতকাল আমাদের জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের অনেকে এখানে এসেছিলেন। আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোস্টগার্ড এরিয়া কমান্ডার এসেছিলেন। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কোস্টগার্ড গতকাল এখানে অনেক ত্রাণ নিয়ে এসেছিল, সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে। আর আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখানে ৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে। বিজিবিও ত্রাণ দিয়েছে ৩০০ পরিবারকে।
ঢাকা পোস্ট: মোখার এই ক্ষতি কাটিয়ে দ্বীপের প্রাণ ফিরতে কতদিন সময় লাগবে?
মুজিবুর রহমান : আমাদের এলাকাটা ছোট এবং এটি পর্যটন এরিয়া। সরকার যদি মনে করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের কর্মসংস্থান করবে এবং দ্রুতই দ্বীপের প্রাণ ফিরবে তবে সেটি ২/৩ মাসের মধ্যেই সম্ভব। এটা সরকারের স্বদিচ্ছা হলেই সম্ভব।
ঢাকা পোস্ট : ঢাকা পোস্টকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুজিবুর রহমান : ঢাকা পোস্টকেও ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো।
মন্তব্য করুন