

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও বাংলাদশে ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আয়োজনে ‘১০ম এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে ২০২৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) একযোগে এর আয়োজন করা হয় ঢাকা, নোয়াখালী, নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ ও বরগুনায়।
ঢাকা ও আশপাশের জেলাসমূহের ১৬টি ফুটবল একাডেমির প্রায় ২০০ কিশোর ফুটবলারকে নিয়ে বাফুফে সংলগ্ন আর্টিফিসিয়াল টার্ফ মাঠে গ্রাসরুট ডে পালিত হয়। এই সময় খেলোয়াড়দের মাঝে টি-শার্ট ও সার্টিফিকেট অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল থমাস স্মলি, জাতীয় দলের কোচ হ্যাভিয়ের ফার্নান্দেজ ক্যাববেরা, বাফুফের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সদস্য আমের খান ও মহিদুর রহমান মিরাজ এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বান্দরবানে গতকাল গ্রাসরুটস ফুটবল ডে পালন করা যায়নি। তার পরিবর্তে ওই জেলায় আজ অনুষ্ঠানটি হবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
৩৯ বছর বয়সেও ফুটবল মাঠে রূপালী ঝলক ছড়িয়ে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সম্প্রতি নেশনস লিগে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি গোল করেছেন, যার মধ্যে একটি ছিল বাইসাইকেল কিকে। এমন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোনালদোকেও অবসর নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল ম্যাচ শেষে।
অবসর নিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেননি রোনালদো। তিনি বলেছেন, "অবসর বিষয়ে আমি এখনো কিছু ভাবি না। একদিন হঠাৎ করে বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেব।"
পোল্যান্ড ম্যাচ শেষে অবসর বিষয়ে রোনালদো জানান, "জাতীয় দলের সঙ্গে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে নেব। আমি আগে থেকে কিছু ঘোষণা করব না, একদিন হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিব।"
এখনকার সময়টা কেবল উপভোগ করতে চান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা রোনালদো। তিনি আরও বলেন, "এখন আমি শুধু খেলাটা উপভোগ করতে চাই। অবসর আসবে একদিন, হয়তো এক-দু’বছর পর। আমি জানি না। আমার বয়স দ্রুত ৪০ হতে যাচ্ছে, তাই এখন সময়টা ভালোভাবে কাটাতে চাই। যতদিন তাগিদ থাকবে, ততদিন খেলব। যেদিন অনুপ্রেরণা অনুভব করব না, সেদিন অবসর নেব।"
এখনকার মৌসুমে রোনালদো দারুণ ফর্মে আছেন। সৌদি প্রো লিগ ক্লাব আল নাসরের হয়ে ইতিমধ্যে ১০টি গোল করেছেন এবং ৩টি গোলের সহায়তা করেছেন।
পর্তুগালের জার্সিতে এবারের নেশনস লিগে ৪ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন এবং দেশের হয়ে পৌঁছে গেছেন ১৩৫ গোলের মাইলফলকে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন না তামিম ইকবাল। একসময় বোর্ডে সরাসরি কাজ করার আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
তিনি সাধারণ পরিচালক হিসেবে কাজ করতে চেয়েছিলেন, বিশেষ করে ক্রিকেট অপারেশনে মনোযোগ দিতে চেয়েছিলেন। তবে শেষমেশ তিনি সরে দাঁড়ালেন। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ৬ অক্টোবর। আর তার আগে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১ অক্টোবর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তামিম সরে দাঁড়ালেন বিসিবি নির্বাচন থেকে।
তামিম বাংলাদেশের অন্যতম সফল ক্রিকেটার। দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়কদের তালিকাতেও তার নাম থাকবে ওপরের দিকে।
সেই তামিম এবার খেলোয়াড়ি জীবনের পাট চুকিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে অবদান রাখতে চেয়েছিলেন বোর্ডে এসে। বিশেষ করে ক্রিকেট অপারেশনে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। তবে সেটা এবার আর হচ্ছে না।
এদিকে তামিম না থাকায় নির্বাচনে পরিচালক পদ নিয়ে লড়াইয়ের চিত্র অনেকটাই বদলে যাবে। অন্য প্রার্থীদের জন্য সুযোগ বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
অবশেষে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফ্রান্স ফুটবল দলের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কোচ দিদিয়ের দেশম। ২০২৬ সালের পর তিনি আর চুক্তি নবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের ফুটবল ফেডারেশন। এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দেশমের বর্তমান চুক্তি আগামী বিশ্বকাপের পর পর্যন্ত। তবে, সেটি ফ্রান্সের কোয়ালিফাই করার ওপর নির্ভর করবে।
২০১২ সালে ফ্রান্সের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশম। তার অধীনেই ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সতীর্থরা। তার আগে ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলেছিল ফ্রান্স। সাবেক অধিনায়কের নেতৃত্বে ফ্রান্স আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ২০২২ সালে। তবে, আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হারায় তারা।
মঙ্গলবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ জানায়, বুধবার এ ব্যাপারে ঘোষণা করবেন দেশম নিজেই।
তার আগে ফরাসি ফুটবল প্রধান ফিলিপে দিয়ালো রয়টার্সকে বলেছেন, বিশ্বকাপের পর আর কোচ হিসেবে থাকতে রাজি নন দেশম। ২০২৬ সালে মেয়াদের পর তিনি সরে যাবেন।
ফ্রান্সের কোচ হওয়ার আগে দেশম যেসব ক্লাবের কোচ ছিলেন, প্রতিটিতেই ট্রফি জিতেছেন তিনি। ফ্রান্সের কোচ হয়ে ২০২১ সালে নেশনস লিগও জিতেছিলেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালে ইউরো জিতেছিলেন দেশম। ওই দুই আসরে তিনি ছিলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয় দলে সাকিব আল হাসানের ফেরার ব্যাপারে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের লক্ষ্য, আগামী মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ দিয়ে সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে ফেরেননি সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট খেলতে আগ্রহী থাকলেও বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর পাকিস্তান ও ভারত সফরের পরও তিনি আর জাতীয় দলের হয়ে খেলেননি। এর আগে তার অবসর নিয়ে যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিও বাস্তবায়ন হয়নি।
বিসিবি সূত্র জানায়, এখনই সাকিবকে বিদায়ী সিরিজ দেওয়ার চিন্তা নেই বোর্ডের। বরং তাকে নিয়মিতভাবে আবার দলে ফেরাতে চায় তারা, যেন একটি সিরিজেই অধ্যায় শেষ না হয়।
গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানান, বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এ নিয়ে বোর্ড সভাপতি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা আশাবাদী, মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজেই সাকিব জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন।
সম্প্রতি বিডিক্রিকটাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব নিজেও জানান, ভালোভাবে সিরিজ খেলে অবসর নেওয়ার ইচ্ছা তার এখনো আছে। সাকিব বলেন, আমি এখনো চাই, একটি সিরিজ খেলে সুন্দরভাবে অবসর নিতে। সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগবে।
২৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিসিবির বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে সাকিবকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বোর্ড পরিচালক আমজাদ হোসেন ও আসিফ আকবর নিশ্চিত করেন, সাকিবের ফেরার ব্যাপারে সরকারকে অবহিত করা হয়েছে।
তবে বিসিবির চাওয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে—তারা সাকিবকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দলে দেখতে চায়। আসিফ আকবর বলেন, আমরা চাই সাকিব পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে আবার খেলুক। এরপর সে কতদিন খেলবে, সেটা তার নিজের সিদ্ধান্ত।
সূচি অনুযায়ী, মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর মে মাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আবারও বাংলাদেশে আসার কথা পাকিস্তান দলের।
সূত্র: বিডি ক্রিক টাইম
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে এখন নতুন ‘ডট মাস্টার’ বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন কাটার মাস্টার। এর আগে সর্বাধিক ডট বল করার রেকর্ড কিউই তারকা টিম সাউদের নামে ছিল।
মুস্তাফিজের আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে ডট বলের সংখ্যা আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ছিল ১১৩৫টি। শীর্ষে থাকা সাউদির ডট সংখ্যা ছিল ১১৩৮। তাই ফিজের প্রয়োজন ছিল মাত্র চারটি ডট।
ম্যাচের শুরুতে তিনি কিছুটা স্বাভাবিক বোলিং করতে পারলেও, ইনিংসের ১৬তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় স্পেলের পঞ্চম বল দিয়ে ১১৩৮তম ডট করে সাউদিকে ছাড়িয়ে দেন। এরপর ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলের মাধ্যমে সাউদিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে যান। পুরো ম্যাচে তিনি চার ওভারে সাতটি ডট বল দেন।
এখন পর্যন্ত ১২০ ইনিংসে ২৬১৬ বল করে মুস্তাফিজের ডট সংখ্যা ১১৪২। দুই নম্বরে নেমে যাওয়া সাউদি ১২৩ ইনিংসে ২৭৫৩ বল করে ১১৩৮টি ডট দিয়েছেন।
এর আগে গত এশিয়া কাপের হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে মুস্তাফিজ সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে ওঠেন। বর্তমানে সাকিব তিন নম্বরে অবস্থান করছেন; ১২৫ ইনিংসে ২৭২০ বলের মধ্যে তিনি ১০৭৮টি ডট দিয়েছেন।
বাংলাদেশিদের মধ্যে মুস্তাফিজ ও সাকিবের পরে অবস্থান করছেন তাসকিন আহমেদ। ৮১ ইনিংসে ১৭৫৫ বলের মধ্যে তিনি ৮৩৮টি ডট দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
একের পর এক রেকর্ড গড়েই যাচ্ছে বায়ার লেভারকুসেন। জাভি আলোনসোর অধীনে দলটি গতকাল আইনট্রাঙ্কট ফ্রাঙ্কফুর্টকে ৫-১ উড়িয়ে দেয়। ফলে বুন্দেসলিগায় ৪৮ ম্যাচ ধরে অপরাজিত দলটি। এর মাধ্যমে বেনফিকার করা ৫৯ বছরের পুরনো রেকর্ড স্পর্শ করল তারা।
ইউরোপিয়ান দল হিসেবে ৫৯ বছর আগে ৪৮ ম্যাচ ধরে অপরাজিত ছিল পর্তুগালের ক্লাবটি। লেভারকুসেন আর এক ম্যাচ জিতলেই ভেঙে যাবে সেই রেকর্ড। ইউরোপে রেকর্ড গড়তে আর এক ম্যাচ অপরাজিত থাকার দরকার তাদের।
নিজেদের পরের ম্যাচ লেভারকুসেন খেলবে রোমার বিপক্ষে। ইউরোপা লিগের ওই ম্যাচে অন্তত ড্র করতে পারলেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়বে তারা। রোমার বিপক্ষে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলের জয় পেয়েছিল জাভির শিষ্যরা।
গতকাল ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে ৫-১ গোলের জয়ে লেভারকুসেনের হয়ে গোল করেন গ্রানিত জাকা, প্যাট্রিক সিক, এক্সেকুয়েল প্যালাসিউস, জেরেমি ফ্রিমপং ও ভিক্টর বোনিফেস।
মন্তব্য করুন


মিয়ানমারে সাবিনাদের অলিম্পিক বাছাইয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই নানা সমালোচনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সর্বশেষ আজ হাইকোর্ট থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চার মাসের মধ্যে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করার।
আজ সকালে হাইকোর্ট থেকে এই নির্দেশনা আসার ঘন্টা দু’য়েকের মধ্যে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ফেডারেশনে আসেন। ভবনের নিচেই উপস্থিত সাংবাদিকরা সালাউদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে কিছুক্ষণ পর উপস্থিত সবাইকে ডেকে কথা বলবেন বলে জানান। ফেডারেশনে তার কক্ষে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদেরও তিনি বলেছিলেন মিডিয়ায় এই বিষয়ে কথা বলবেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। সাংবাদিকরা অবশ্য বাফুফে ভবনে অপেক্ষায় থাকেন দীর্ঘক্ষণ। প্রবেশের মতো সালাউদ্দিন বেরিয়ে যাওয়ার পথেও সাংবাদিকদের সামনে পড়েন। তখন পুনরায় তাকে জিঞাসা করলে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি।
সম্প্রতি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন গণমাধ্যমে কথা বলতে এসেই নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হচ্ছেন তাই এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, 'এখনো আমরা নির্দেশনার কোনো কপি পাইনি। আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবগত হওয়ার পর আপনাদেরও অবহিত করা হবে।’
আরও পড়ুন>>> দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত কাজী সালাউদ্দিন
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা তার অধীভুক্ত সংস্থাগুলোতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে না। তৃতীয় পক্ষের বড় ধরনের হস্তক্ষেপ থাকলে সেই সংস্থাকে বহিষ্কারও করে। দুদকের প্রতি হাইকোর্টের এই নির্দেশনা ফিফার আইন ও দৃষ্টিতে কেমন এ নিয়েও বাফুফে কর্তারা কিছু বলেননি।
বাফুফেতে দুর্নীতির বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে দুদক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, নির্বাহী সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেনকে চিঠি দিয়েছিল। সেই তদন্ত বেশ কিছু দিন চলার পর কাজী সালাউদ্দিনের তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি বলে চিঠি দিয়ে নিষ্পত্তিও করেছিল।
মন্তব্য করুন


কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR) ফেসবুক পেজে কিছুদিন ধরে পোস্টগুলোতে ‘অ্যাংরি’ এবং ‘হাহা’ রিঅ্যাকশনের ঢেউ বইছে। নেতিবাচক মন্তব্যও তীব্রভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে। শেষ ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ার হারিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ফেসবুক পেজ।
এই ধারাটি শুরু হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর। নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা বাঁহাতি এই টাইগার পেসারকে বাদ দেওয়ার পর কলকাতার ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে কমে ১ কোটি ৭০ লাখে নেমেছে। এর মানে, প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ফলোয়ার কমছে, যা প্রতি মিনিটে ৩৪৭ এবং প্রতি সেকেন্ডে ৫ ফলোয়ারের হার।
মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পোস্টে ২ লাখ ৩ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ‘অ্যাংরি’ এবং ৪০ হাজার ‘হাহা’। মন্তব্যের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি, যার বেশির ভাগই বিসিসিআই, আইপিএল এবং ভারতকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
মোস্তাফিজের বাদ দেওয়ার পর কলকাতার পেজে আরও ৯টি পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে বরুণ চক্রবর্তী, নিউজিল্যান্ড সিরিজ, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও অস্ট্রেলিয়ার পেসার ক্যামেরন গ্রিনের খবর ছিল। সেগুলিতেও অ্যাংরি-হাহা রিঅ্যাকশন এবং নেতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে।
মোস্তাফিজ এখন পর্যন্ত আইপিএলের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন—সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে ৬০ ম্যাচে ৬৫ উইকেট নেন, যার ইকোনমি রেট ৮.১৩। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছে। তবে এবার রাজনৈতিক কারণে মোস্তাফিজ আইপিএলে খেলতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কোনো ফরম্যাটে হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দটাই আলাদা। সেটা সিনিয়র বা জুনিয়র—যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে ভারতীয় দল কিছুতেই রান তুলতে পারছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সেজন্য বাংলাদেশ যুব দল টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।
এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই একই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে এশিয়ার সেরা দল কে হবে—বাংলাদেশ না ভারত? দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়াই শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ১৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে যারা নিশ্চিত ছিল, বাংলাদেশের বোলিং শুরু হওয়ার পর তাদের ধারণা পাল্টে যায়। শুরু থেকেই ভারতীয়দের চেপে ধরে বাংলাদেশি বোলাররা।
শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমন এবং আল ফাহাদ মিলে ভারতীয় যুবাদের চাপে ফেলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ৯২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান এবং হার্দিক রাজ কিছুটা প্রতিরোধ তৈরি করেছিল।স্পোর্টস ডেস্ক:
২৩ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু পরে বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম আসেন এবং শেষ তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।
ভারতের সামনে ছিল ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা মোটেও বড় রান নয়। কিন্তু এই রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে ভারত প্রথমেই ৪ রানে আয়ুশ মাত্রিকে হারায়। এরপর বিভাব সূর্যবংশি মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে যান। দলের রান তখন ২৪।
তারপর আন্দ্রে সিদ্ধার্থ ২০ রান করেন। ২১ রান করে আউট হন কেপি কার্তিকিয়া। নিখিল কুমার শূন্য রানে আউট হন। ৬ রানে হারভানস পাঙ্গালিয়া আউট হন। কিরণ চরমালে ১ রানে আউট হন।
৩১.৫ ওভারে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। ৬৫ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। হার্দিক রাজ ২১ বলে ২৪ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। সর্বশেষ চেতন শর্মা ১২ বলে ১০ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে কালাম সিদ্দিকীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল।
আজিজুল হাকিম এবং ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা এবং রিজান হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১৯৮ রান করে। রিজান হাসান সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন। ৪০ রান করেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। ৩৯ রান করেন ফরিদ হাসান এবং ২০ রান করেন জাওয়াদ আবরার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
৮ জুলাই ২০১৪। ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামের বাইরে দর্শকদের হইহুল্লোড় আর উচ্ছ্বাস। স্টেডিয়ামের ভেতরে ব্রাজিল-জার্মানির মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল উপলক্ষে সব আয়োজন সম্পন্ন। সেখানকার দর্শকদের আনন্দ অভিব্যক্তি দেখে রোমাঞ্চকর এক লড়াই শুরু হওয়ার প্রহর গুনছে পুরো ফুটবলবিশ্ব।
টুর্নামেন্টে তখন পর্যন্ত দুই দলই অপরাজিত। কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনজুরির স্বীকার ব্রাজিলের প্রধান তারকা নেইমার জুনিয়র হাসপাতালে। আর টানা দুই ম্যাচে হলুদকার্ড দেখে নিষিদ্ধ দলের মূল ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা।
ব্রাজিলের দুই তারকা না থাকলেও আশা করা হচ্ছিল, দুর্দান্ত এক সেমিফাইনালই দেখবে বিশ্ব। কারণ, ২০০২ বিশ্বকাপে এই জার্মানিকেই ২-০ গোলে হারিয়ে পঞ্চম শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।
খেলা শুরুর আগে মারাকানা স্টেডিয়ামের ভেতরের চিত্র।
কিন্তু কে জানতো, কিছুক্ষণ পরই লেখা শুরু হবে ব্রাজিল ফুটবলের কালো অধ্যায়। যে কালোতে ঢাকা পড়বে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ইতিহাসের আগের সব ক্ষত। ব্রাজিলিয়ানদের হতে হবে সেমির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় খলনায়ক। ঘরের মাঠে টানা ৬২ ম্যাচে অপরাজিত সেলেসাওদের হজম করতে হবে ৭-১ গোলের ন্যাক্কারজনক হার।
টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিলের সঙ্গে ফুটবল ইতিহাসের বিভীষিকাময় ঘটনাই ঘটেছিল সেদিন। ১১ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে ডানপায়ের শটে ব্রাজিলের জালে প্রথম কম্পন সৃষ্টি করেন টমাস মুলার। সেই তো শুরু। এরপর ২৯ মিনিটে ম্যাচের স্কোরলাইনের চিত্র ব্রাজিল ০-৫ জার্মানি।
গোল হজমের পর হতাশায় মুখ লুকাচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্সেলো।
মারাকানায় সেদিন ৬ মিনিটে ৪ গোল হজম করে ব্রাজিল। ২৩ মিনিটে জার্মানির মিরাস্লাভা ক্লোসা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এতে অনেক ব্রাজিল সমর্থকের অক্ষিকোটর থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করে পানির স্রোত। এরপর একের পর এক গোলে সেই পানির স্রোত বইতে শুরু করে পুরো মারাকানায়।
টনি ক্রুসের প্রথম গোল উদযাপন করছে জার্মানি।
২৪ মিনিটে গোল করেন টনি ক্রস। তার ২ মিনিট পরই নিজের দ্বিতীয় গোল করেন জার্মান মিডফিল্ডার। ২৯ মিনিটে মাঝমাঠের খেলোয়াড় সামি খাদিরার গোলে ব্যবধান ৫-০ করে বিরতিতে যায় জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ ও ৭৯ মিনিটে আরও দুটি গোল করেন জার্মান ফরোয়ার্ড আন্দ্রে হর্স্ট স্কুরেল। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ব্রাজিল ০-৭ জার্মানি। ম্যাচের শেষ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অস্কার (৭-১)।
মন্তব্য করুন