আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে অগ্রগতি

আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে অগ্রগতি
আইনজীবীর ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের হাতে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় আরও জানানো হয়, সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে গতকালই ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে আরও ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশীয় ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভসহ (ককটেল) আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।



global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

আমরা অনির্বাচিত সরকারের হাতে দেশ চালাতে দিতে পারি না: মির্জা ফখরুল

আমরা অনির্বাচিত সরকারের হাতে দেশ চালাতে দিতে পারি না: মির্জা ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এর জন্য নির্বাচন বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। দিনের পর দিন আমরা অনির্বাচিত সরকারের হাতে দেশ চালাতে দিতে পারি না। 

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাগপা আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সংস্কার নিয়ে কমিশন কাজ করছে ভালো কথা। সংস্কার নতুন কোন ধারণা নয়। সংস্কার নিয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু দেশে যে অস্থিরতা চলছে তা অনেকটা কমে যাবে যদি নির্বাচিত সরকার থাকে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে বিএনপি। আর জুলাই বিপ্লবে স্বতস্ফুর্ত অংশ নিয়েছে দলটি। আওয়ামী লীগ যতোবারই ক্ষমতায় এসেছে ততোবারই ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। গুম খুন, বিনা বিচারে হত্যা এটা আওয়ামী লীগের আমলেই হয়েছে।

বিএনপি নেতা বলেন, নিত্যপণ্যসহ সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট। কিন্তু সরকার এ নিয়ে কিছু করছে না। জনগণের সমস্যা খুঁজে বের না করে অনেকে রাজনীতিবিদদের দোষ খোঁজে বেড়াচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রতি বিএনপির সমর্থন রয়েছে। বর্তমান সরকার সফল হোক, এটাই চায় বিএনপি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

‘থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি, ফানুস বন্ধে থাকবে মোবাইল কোর্ট’

‘থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি, ফানুস বন্ধে থাকবে মোবাইল কোর্ট’
ছবি: সংগৃহীত

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।


সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ অনুযায়ী আতশবাজি, পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক মাসের কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। পুনরায় একই অপরাধ করলে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।


রোববার, জনস্বার্থ রক্ষার্থে এসব ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে রাজধানীর সব ক্লাব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এতে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।


চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণ হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া, ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

গণভবনে ‘আয়নাঘরের’ রেপ্লিকাসহ জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

গণভবনে ‘আয়নাঘরের’ রেপ্লিকাসহ জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার
ইউনূসের ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে স্মরণীয় করতে গণভবনে দ্রুত একটি জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা গণভবন পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‌“জাদুঘরে শেখ হাসিনার শাসনামলের বিভিন্ন দুঃসহ স্মৃতি এবং তাকে উৎখাতের সময় জনগণের ক্ষোভের নিদর্শনগুলো সংরক্ষিত থাকা উচিত।”

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে স্মরণীয় করতে গণভবনে দ্রুত একটি জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা গণভবন পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‌“জাদুঘরে শেখ হাসিনার শাসনামলের বিভিন্ন দুঃসহ স্মৃতি এবং তাকে উৎখাতের সময় জনগণের ক্ষোভের নিদর্শনগুলো সংরক্ষিত থাকা উচিত।”

গত ৫ আগস্ট ছাত্র ও সাধারণ জনগণের অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর লাখো জনতা গণভবনে প্রবেশ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তারা গণভবনের দেয়াল এবং বিভিন্ন কক্ষে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা ক্ষোভ প্রকাশ করে গ্রাফিতি আঁকে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “গণভবনের এই জাদুঘরে একটি 'আয়নাঘর' পুনর্নির্মাণ করা উচিত, যেখানে শেখ হাসিনার কুখ্যাত নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গোপনে বিরোধী ও ভিন্নমত পোষণকারীদের আটক করে নির্যাতন চালাতো। জাদুঘরে পরিদর্শনকারী দর্শনার্থীরা এই আয়নাঘর দেখে নির্যাতনের সেই দুঃসহ স্মৃতিগুলো স্মরণ করতে পারবে।”

অধ্যাপক ইউনূস উপদেষ্টা দলকে জাদুঘর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করতে বলেন এবং চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাদুঘরের জন্য একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব প্রস্তুত করতে নির্দেশ দেন।

উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার শাসনের ২০০৯ সাল থেকে ঘটে যাওয়া সকল অপকর্মের স্মৃতিগুলো এই জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে।” এছাড়া অন্যান্য দেশে বিপ্লব ও বিদ্রোহের স্মৃতিকে সংরক্ষণে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে জানার জন্যও বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের
জো বাইডেনের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ উপলক্ষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৭টায়) প্রথমবারের মতো বিতর্কে অংশ নিয়েছেন তারা। বিতর্কের আয়োজন করে সিএনএন ও এবিসি। সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিএনএন এর জরিপ অনুযায়ী এই বিতর্কে হেরে গেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস শুক্রবার একটি সম্পাদকীয়তে প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেনকে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর এবং নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য অন্য ডেমোক্র্যাটকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বাইডেনকে ‘একজন মহান সরকারি কর্মচারীর ছায়া’ হিসেবে বর্ণনা করে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পরিষদ বলেছে, “প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের মধ্যে বৃহস্পতিবারের বিতর্ক প্রমাণ করেছে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন- তার নিজের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি কী করবেন, তার ব্যাখা দিতে হিমশিম খেয়েছেন। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পের উসকানির জবাব দিতে। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পকে তার মিথ্যা কথা, ব্যর্থতা ও ভয়ানক সব পরিকল্পনার জন্য জবাবদিহি করাতে। একাধিকবার তিনি একটা বাক্য শেষ করতে গিয়ে সংগ্রাম করেছেন।”

বাইডেন এখন যা করতে পারেন, তা হলো, তিনি পুনরায় নির্বাচন করছেন না—এই ঘোষণা দেওয়া। দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট এক বেপরোয়া জুয়ায় লিপ্ত আছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়া ঠেকাতে ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে নিজেকে স্পষ্টবাদী, বাধ্যকারী ও উদ্যোমী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার মতো অধিকতর যোগ্য বিকল্প রয়েছেন।

ট্রাম্প ও বাইডেনের ঘাটতিগুলোর মধ্যে এর যেকোনোটি বেছে নিতে ভোটারদের বাধ্য করার মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি গ্রহণ করার কোনও কারণ দলের নেই। আমেরিকানরা যা নিজেদের চোখে দেখেছেন, বাইডেনের সেই বয়স ও দুর্বলতা তারা এড়িয়ে যাবেন বা হিসেবে নেবেন না— সরলভাবে এটা আশা করা হবে এক বড় জুয়া’, বলেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

ভ্যাটের প্রসঙ্গে যা বললেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

ভ্যাটের প্রসঙ্গে যা বললেন বাণিজ্য উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীর মধ্যে ৩৭ লাখ ভুয়া, এমন তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বশির উদ্দিন।


শনিবার রাজধানীর আগারগাঁও বিআইসিসিতে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ২০২৪-এর সিম্পোজিয়াম, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সংস্কার ও জাতীয় বাজেট নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।


বশির উদ্দিন বলেন, "সমাজে বৈষম্য তৈরি হওয়ায় আন্দোলন হয়েছে, যা দূর করা সম্ভব নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে।"


করের বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, "প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উভয় করই গুরুত্বপূর্ণ। তবে, এর যথাযথ প্রয়োগ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।"


অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও গত ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলো অনৈতিকভাবে লাভ করেছে, যা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।


একই সভায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সম্মানীয় ফেলো এবং শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ভ্যাট বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।


এ অর্থনীতিবিদ বলেন, "আমরা অবাক হয়ে দেখেছি কীভাবে অবিবেচকভাবে ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে। কর সংগ্রহ করতে হলে ক্রমান্বয়ে প্রত্যক্ষ কর প্রদানকারীর কাছে যেতে হয়, কিন্তু আমরা প্রত্যক্ষ কর আহরণে কোনো পরিকল্পনা দেখছি না। যারা কর দেয় না, তাদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেটা স্পষ্ট নয়। আমাদের এ বিষয়টি চিন্তিত করেছে। আগামী গরমে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, এই আশঙ্কা করছি।"


এছাড়া, রেকর্ড পরিমাণ আমন উৎপাদন করলেও সংগ্রহ অভিযানে সাফল্য নেই জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, "সংগ্রহ অভিযানে আগে যেমন দুর্নীতি ছিল, তা এখনো বিদ্যমান। কৃষক তার ফসলের সঠিক মূল্য পাচ্ছে না। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে।"


এ সরকার কী ধরনের অর্থনৈতিক উত্তরাধিকার রেখে যাবে, এ প্রশ্ন তুলেন দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, "সুষম, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে যে ধরনের প্রশাসনিক কাঠামো বা সংস্কার প্রয়োজন, সে ধরনের কোনো রূপরেখা আমরা দেখলাম না।"

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজনৈতিক প্রভাবের কোনো স্থান থাকবে না

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজনৈতিক প্রভাবের কোনো স্থান থাকবে না
সালেহউদ্দিনের ছবি 15

ডেস্ক রিপোর্ট:

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সংক্রান্ত ইস্যুতে রাজনীতি কোনওভাবে প্রবেশ করবে না। যারা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পণ্য সরবরাহ করবে, দ্রুত সরবরাহ করবে এবং মানসম্মত পণ্য দেবে, তাদের কাছ থেকে পণ্য কেনা হবে। সেটা ভারত বা অন্য কোনো দেশ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আগামী রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকবে।

তিনি জানান, ভারত থেকে চাল আমদানি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। তবে ভারত, মিয়ানমার এবং ভিয়েতনামের সঙ্গে আলোচনা চলছে, এবং এসব বিষয়ে রাজনীতি কোনওভাবেই সংযুক্ত হবে না।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "হ্যাঁ, দাম স্বস্তি থাকবে। খেজুরের এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) হয়ে গেছে, এবং খেজুর চলে আসবে।"

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, "যে স্থিতিশীলতা আশা করা হচ্ছে, তা পূর্ণভাবে আসেনি, তবে দাম কিছুটা কমছে। বর্তমানে চাল ও মসুর ডাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এগুলো খাদ্যদ্রব্য, এবং এর আগেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।"

তিনি বলেন, "ভবিষ্যতের দামের বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। সয়াবিন তেলের দাম অনেক বেড়ে গেছে, এ ব্যাপারে আমরা আলোচনা করছি, এবং ইতোমধ্যে কিছু সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে। আমরা সব ধরনের শুল্ক কমিয়ে দিয়েছি। তাই একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন।"

পশ্চিমবঙ্গের একজন রাজনীতিবিদ বলেছেন যে, বাংলাদেশে কিছু রপ্তানি করা হবে না। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "এটা কূটনীতিকরা দেখবেন। ভারতে যখন অতিরিক্ত চাল বা পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়, তখন তারা কোথায় বিক্রি করবে, তা তারাই ঠিক করবেন।"

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, "সাপ্লাই চেইনে অনেক বিষয় জড়িত। অনেক মানুষ যুক্ত থাকে, পরিবহন, বাজার ইত্যাদি বিষয়গুলো ঠিক না হলে তো পণ্য গুদামে পড়ে থাকবে, তবে তা তো ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে হবে।"

বাজারে পাঁচ লিটার বোতলের সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না, এমন তথ্য দেওয়া হলে তিনি বলেন, "এটা একটু সমস্যা হয়েছে। সয়াবিন তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক বেড়ে গেছে।"

সিন্ডিকেটের বিষয় নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "সিন্ডিকেট এক জায়গায় থাকে না। চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট, পরিবহণ সিন্ডিকেট, রাজনৈতিক সিন্ডিকেট—সবই রয়েছে। আমি সবসময় বলি, রাজনৈতিক সমঝোতা করা খুব কঠিন, কিন্তু চাঁদাবাজির সমঝোতা করা অনেক সহজ।"

ট্যাক্স কমানোর পরও প্রভাব পড়ছে না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "এটাই আমার জন্য চিন্তার বিষয়। আমি তো সবকিছুর ওপর শুল্ক শূন্য করে দিয়েছি, তবে তাতে সঠিক ফল পাচ্ছি না।"

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

নাগরিকদের নিরাপত্তায় অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র

নাগরিকদের নিরাপত্তায় অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর


ডেস্ক রিপোর্টঃ

বাংলাদেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া অব্যাহত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ কথা জানিয়েছে।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের কথিত 'নিষ্ক্রিয়তা'র অভিযোগের ব্যাপারটি যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে দেখছে, ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলার করা এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে পাঠানো এক ইমেইলে এক মুখপাত্র এ কথা জানান।

মুখপাত্র জানান, আমরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের উপর সহিংসতা ও তাদের প্রতি অসহিষ্ণুতার যেকোন ঘটনার নিন্দা জানাই এবং বাংলাদেশের সব নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া অব্যাহত পদক্ষেপগুলোকে স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়নের যে ঘটনাগুলো ঘটছে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ব্যাপারে জানতে চাইলে, পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন ( করার স্বাধীনতা কে ) মৌলিক স্বাধীনতা হিসেবে সমর্থন করে। আমরা নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারসহ আমাদের সকল অংশীদারদের কাছে সেই সমর্থনের কথা জানাই।

বাংলাদেশে ইসকনকে  ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন না পাওয়া প্রসঙ্গে আরেকটি প্রশ্নের উত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ও সংবিধানে ( নাগরিকদের ) যে অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে এ ইস্যুগুলো সমাধান করার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। আমরা বাংলাদেশসহ সকল দেশকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতা এবং ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার জন্য আহ্বান জানাই।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রোমোটে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরণের পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানান, আমরা বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের সাথেই আমাদের সম্পর্ককে গভীরভাবে মূল্য দিই। তাদের একে অপরের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের ব্যাপারটি আমরা বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারের উপরই ছেড়ে দিয়েছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি: সংগৃহীত




অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আয়নাঘর সারা বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যমান। এর সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।


জানা গেছে, এর আগে তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেল এবং র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ এর ভেতরের সেলগুলো পরিদর্শন করেছেন। এরপর তারা র‌্যাব সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ইন্টেলিজেন্স সেন্টারে যান।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এ ধরনের ইন্টারোগেশন সেল, টর্চার সেল সারা বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে; আজকে সেগুলো সম্পর্কে শুনলাম। আগে আমার ধারণা ছিল যে, এখানে আয়নাঘর বলতে কয়েকটি স্থানকেই বোঝায়। কিন্তু এখন জানলাম, আয়নাঘরের মতো স্থান সারা দেশজুড়ে বিদ্যমান। কেউ বলছে ৭০০, কেউ বলছে ৮০০। সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা যায়নি। কতটা জানা আছে, কতটা অজানা রয়ে গেছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এখানে যা ঘটেছে তা নৃশংস। প্রতিটি ঘটনা শুনে অবিশ্বাস্য মনে হয়। এটা কি আমাদেরই জগত, আমাদেরই সমাজ? আমরা কি এটা করলাম? যারা নিগৃহীত হয়েছে, যারা এটার শিকার হয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে আছে। তাদের মুখ থেকে শুনলাম- এটা কীভাবে হয়েছে।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত বলে একটা কথা আছে। গত সরকার সর্বক্ষেত্রে আইয়ামে জাহেলিয়াতকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। এটা (আয়নাঘর) এর একটি নমুনা।’


এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আয়নাঘর পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ‘বিশেষ’ স্থানে রাখা হতো। এ নিয়ে সুইডেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নেত্র নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এসব স্থান ‘আয়নাঘর’ নামে প্রকাশ্যে আসে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর আয়নাঘর থেকে ফিরে আসেন পরিবারের কাছে। তাদের বয়ানে উঠে এসেছে আয়নাঘরের ভয়াবহতা।


১৯ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছে। সে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়। গুম করে বন্দিদের যেখানে রাখা হতো তা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা আয়নাঘর নামে পরিচিত। কমিশনের সদস্যদের আহ্বানেই সেসব স্থাপনা পরিদর্শনে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান।


অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনকালে ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জনকে গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। অন্য আরেকটি তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৪৪ ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ৪০ জনকে। আর ৬৬ জনকে সরকারি হেফাজতে গ্রেপ্তার অবস্থায় পাওয়া গেছে।


যেসব ব্যক্তি দীর্ঘদিন গুম থাকার পর ফিরে এসেছেন, তারা গুমের ব্যাপারে মৌনতা অবলম্বন করেছেন। ধারণা করা হয়, এসব মানুষদের গুম করে রাখা হয় আয়নাঘরে। অভিযোগ রয়েছে, আয়নাঘরেই বন্দি ছিলেন- অধ্যাপক মোবাশার হাসন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান, ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়, মাইকেল চাকমা ও মীর আহমদ বিন কাসেমসহ অনেকে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

‘কমিশন সঠিকভাবে কাজ করলে জুন-জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব’

‘কমিশন সঠিকভাবে কাজ করলে জুন-জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব’
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের কিছু লোক বলছেন যে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা কঠিন। কিন্তু কেনো কঠিন হবে? নির্বাচন করতে এতো সময় কেনো লাগবে? যদি নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে জুন-জুলাই মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব।


শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজশাহীতে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আহত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহিদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া কামনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আমরা বিএনপি পরিবার।


রিজভী বলেন, নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি হলে অন্তবর্তী সরকারের বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হবে। আমাদের একটি সংবিধান আছে, তারপরও গণপরিষদ নির্বাচন কেনো? এ ধরনের কথাগুলো মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।


তিনি আরও বলেন, বিএনপি কারও কাছে মাথা নত করে না, এটাই বিএনপির অপরাধ, এটাই খালেদা জিয়ার অপরাধ। শেখ হাসিনা তার ব্যক্তিগত আক্রোশ আদালতের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে শাস্তি দিয়ে মিটিয়েছেন।


তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা একটি লুটেরা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি হবু চন্দ্র রাজা ও গবু চন্দ্র মন্ত্রীর মতো একটি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের হত্যা করে রক্তাক্ত হাত নিয়ে তিনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছেন। শহিদদের রক্তের সঙ্গে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।


বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের আগ্রহ নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা কেনো? যারা লুটেরা, যারা খুনি, তাদেরকে ভারত আশ্রয় দেয়। শেখ হাসিনার মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।


অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া আহত ও নিহত ১৫ জনকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় আমরা বিএনপি পরিবারের আহবায়ক ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এহসানুল হক সমাজী উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কোনো মহল যেন রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের এজেন্ডাকে সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।


শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজনৈতিক দল গঠন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত হওয়ায় জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে—এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের কোনো স্থান নেই।


তিনি বলেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, তাই সংস্কার ও নির্বাচন প্রক্রিয়া একই সঙ্গে চলতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি সংস্কার সনদ তৈরি করা সম্ভব, যা নির্বাচিত সরকার পরবর্তীতে বাস্তবায়ন করবে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের মূল দায়িত্ব হলো একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে দ্রুত নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা।


তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকারই জনগণের প্রত্যাশিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে। কারণ নির্বাচিত সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকারাবদ্ধ। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল গঠন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকায় জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে, যা দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য মোটেও ইতিবাচক নয়।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের স্প্রেডশিটে যে অপশন বা পছন্দগুলো দেওয়া হয়েছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, যেসব বিষয় প্রস্তাব আকারে আসার কথা ছিল, সেগুলো প্রস্তাব না রেখে শুধু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তর দিতে বলা হয়েছে। যেমন, প্রস্তাবগুলো গণপরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন চাই কি না—এ প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলতে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার যে, গণপরিষদের প্রস্তাবে আমরা একমত কি না। একইভাবে ‘গণভোট’, ‘গণপরিষদ’ এবং আইন সভা হিসেবে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন চাই কি না—এ প্রশ্নের উত্তরও ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলতে বলা হয়েছে।


তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানের ‘প্রস্তাবনা’র মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশে থাকলেও স্প্রেডশিটে তা উল্লেখ করা হয়নি। স্প্রেডশিটে প্রায় ৭০টি প্রস্তাব উল্লেখ করা হলেও মূল প্রতিবেদনে সুপারিশের সংখ্যা প্রায় ১২৩টি।


মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের মূল প্রতিবেদনে প্রায় ১৫০টি সুপারিশ তুলে ধরা হলেও স্প্রেডশিটে মাত্র ২৭টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, যার অধিকাংশই সংবিধান সংস্কারের সাথে সংশ্লিষ্ট। তিনি মনে করেন, স্প্রেডশিটের পাশাপাশি মূল সুপারিশমালার উপর মতামত সংযুক্ত করলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে।


তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের স্প্রেডশিটের অবস্থা এবং কমিশন সদস্যদের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য ও কিছু রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের মধ্যে মিল পাওয়া যায়। এতে জনমনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, এসব বিষয় যেন একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ, যা গণতন্ত্রের স্বার্থের পক্ষে কিনা তা বলা কঠিন।


সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও সালেহ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘এবার রেলের কেউ কালোবাজারিতে জড়াতে সাহস পায়নি’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এশীয় নেতাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে’

চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মির্জা আব্বাস

স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘১৫ লাখ অনলাইন আয়কর রিটার্নের ১০ লাখই শূন্য’

রিং পরানো হলো হার্টে, অবস্থার একটু উন্নতি তামিম ইকবালের

ভারত থেকে এলো আরো সাড়ে ১১ হাজার মেট্রিক টন চাল

১৩ বছর কারাদণ্ড স্বাস্থ্যের গাড়িচালক মালেকের

প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন

১০

অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে: ফখরুল

১১

ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ

১২

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

১৩

দেশে ফিরেছেন মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি ১৮ বাংলাদেশি

১৪

ঈদযাত্রায় নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া নিলে কঠোর শাস্তি: উপদেষ্টা

১৫

৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়লো গুম তদন্ত কমিশনের

১৬

পাপন ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১৭

ঢাকা ছাড়লেন আন্তোনিও গুতেরেস

১৮

বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের

১৯

চার দিনের সফরে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব

২০