

রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ৪১ হাজার পিস ইয়াবাসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে একজন রোহিঙ্গা নারীও রয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ জুলাই) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান মো. মজিবুর রহমান পাটওয়ারী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
আটকরা হলেন সাধন তনচংগ্যা (২৫), ফাতেমা (৩৫), মোছা. মমিনা বেগম (২০), ইয়াকুব আলী (৪০), নাঈম (২৪)। এই পাঁচজনকে আলাদা তিনটি অভিযানে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা মেট্রো কার্যালয় (উত্তর)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান বলেন, মাদক বহন করার সঙ্গে জড়িতরা নতুন নতুন রুট তৈরি করছে। এই রুট দিয়েই রাজধানীতে ইয়াবা নিয়ে আসছে তারা। সেই ইয়াবা দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে এই ইয়াবা পাচার হয় বেশি।
আটকদের মধ্যে দুজন নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত বাংলাদেশের আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারীও রয়েছেন। টাকার বিনিময়ে এই নারী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আসেন।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মুজিবুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, মমিনা মিয়ানমারের নাগরিক ও ফাতেমা বাংলাদেশের নাগরিক। এই দুজন কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে ঢাকায় আসছিলেন লঞ্চে করে। তারা চাঁদপুর হয়ে সদরঘাট দিয়ে ঢাকায় আসেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের সদরঘাট থেকে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
তিনি আরো বলেন, রাজধানীর গাবতলী দিয়ে বিশাল অঙ্কের মাদক উত্তরবঙ্গে যাবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে চায়ের দোকানি সেজে গাবতলীতে অবস্থান নেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সাধন তনচংগ্যাকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নারীদের পেটি কোটের মধ্যে বিশেষ কায়দায় ইয়াবাগুলো লুকানো ছিল।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, মূলত ইয়াবাগুলো যাচ্ছিলো উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও এবং রংপুরের দিকে। সেখানে এই ইয়াবা পৌঁছে দেওয়া তনচংগ্যায়ের কাজ। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে রাঙ্গামাটি দিয়ে ইয়াবা ঢাকায় নিয়ে আসতেন। তারপর উত্তরবঙ্গে পাঠাতেন অন্য লোকের মাধ্যমে।
আরেকটি ঘটনা ছিল পুরোপুরি ভ্রমণের কায়দায়। আটক ইয়াকুব আলী মোটরসাইকেলে বিভিন্ন জেলা ট্রাভেল করে এমন একটি বেশভূষা ধরে চলাফেরা করতেন। তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিতেন।
অতিরিক্ত পরিচালক বলেন, আটকের পর প্রথমে ইয়াকুব ইয়াবার কথা অস্বীকার করেন। তার বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। তিনি একজন পেশাদার ইয়াবা বিক্রেতা। ইয়াবা এনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এগুলো বিক্রি করতেন।
ডিএনসির এই কর্মকর্তা বলেন, আটকদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাদের পেছনে যারা রয়েছেন তাদেরও খুঁজে বের করতে পারলে আশা করি ইয়াবার চালানের মূল যারা তাদের খুঁজে বের করা যাবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মজিবুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। ক্যাম্প থেকে বের হয়ে আসছেন। এদের ধরা কঠিন। কারণ তারা বিভিন্ন ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে ইয়াবার চালান দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেন।
মন্তব্য করুন


বর্তমান সময়ে চলমান উত্তপ্ত
রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে ২৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড
বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৩নভেম্বর) সকালে বিজিবির জনসংযোগ
কর্মকর্তা মো.শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা এবংআশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩৩ প্লাটুন
বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আজও বিএনপি-জামায়াত
ও সমমনা দলগুলোর ডাকা ষষ্ঠ দফার অবরোধ চলছে। এই অবরোধ চলবে শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত।
অবরোধ চলাকালীন সময়ে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি জায়গায় বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


ওমানে
এসির বিষাক্ত গ্যাসে মারা যাওয়া চট্টগ্রামের চার ভাইকে বুধবার (২০ মে) নিজ গ্রামের
সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় রাঙ্গুনিয়ার হোছনাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয় তাদের জানাজা। হৃদয়বিদারক সেই জানাজায়
ইমামতি করেন বেঁচে থাকা একমাত্র ভাই এনামুল হক।
প্রবাসজীবনের
স্বপ্ন নিয়ে একে একে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলেন পাঁচ ভাইয়ের চারজন। পরিবারের স্বচ্ছলতা
ফেরাতে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেছেন তারা। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ হয়ে গেল এক
রাতের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। প্রবাস থেকে দেশে ফিরলেন চার ভাই, তবে জীবিত নয় নিথর দেহ
হয়ে।
মঙ্গলবার
(১৯ মে) রাতে বিশেষ ফ্লাইটে তাদের মরদেহ ঢাকার শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ ফ্রিজার অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া
উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ভোর
থেকে চার ভাইকে এক নজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আশপাশের হাজারো মানুষ। পাশাপাশি রাখা
চারটি লাশবাহী খাটিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। কেউ নির্বাক হয়ে তাকিয়ে
ছিলেন, কেউ আবার বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না একই পরিবারের চার ভাই একসঙ্গে চলে গেছেন।
জানাজার
আগে উপস্থিত মানুষের সামনে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন একমাত্র জীবিত ভাই এনামুল
হক। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি শুধু বলেন, “আমার ভাইদের আপনারা ক্ষমা করে দিয়েন।”
পরে সামাজিক কবরস্থানে পাশাপাশি চার ভাইকে দাফন করা হয়।
স্থানীয়দের
ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ বছর আগে পরিবারের মেজো ভাই প্রথম ওমানে যান। পরে একে একে অন্য
ভাইদেরও সেখানে নিয়ে যান। তারা মিলে গাড়ি ওয়াশিংয়ের ব্যবসা গড়ে তোলেন এবং ধীরে ধীরে
আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে ওঠেন। কয়েক বছর আগে দেশে জমি কিনে নতুন বাড়ি নির্মাণও শুরু
করেছিলেন তারা। পরিবারের দুই ভাই সম্প্রতি বিয়ে করেছিলেন, যার একজন মাত্র কয়েক মাস
আগে ওমানে গিয়েছিলেন।
রাঙ্গুনিয়া
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানান, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর আগেই জানাজা
ও দাফনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিহত
প্রত্যেক প্রবাসীর পরিবার তিন লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাবে এবং দ্রুত সেই সহায়তা পৌঁছে
দেওয়ার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সময়ে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রবাসী
কল্যাণ মন্ত্রণালয়, দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
জানা
গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে ওমানের মুলাদ্দাহ এলাকায় কেনাকাটা শেষে একটি ক্লিনিকের সামনে
গাড়ির ভেতরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চার ভাই। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির এসি থেকে নির্গত বিষাক্ত
গ্যাসে তাদের মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


মাতৃহারা দুই অবুঝ শিশু মরিয়ম-নূর যাদের জীবনের পুরো সময় কাটে তাদের তালাবদ্ধ ঘরেই। বরিশালের সে অসহায় শিশুর দায়িত্ব নিবেন এবার ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি।
এ দুই শিশু সন্তানের বাবা রনি সিকদার ফিরোজ। জীবিকার তাড়নায় সকালে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে কাজে চলে যান তিনি। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে এমনিভাবে মানুষ করছেন সন্তানদের। পেশায় রিকশা চালক হওয়ায় আর কোনো উপায়ও তার জানা নেই।
শিশু সন্তানের বাবা রনি জানান, নিজে শহরে থাকলেও গ্রামে থাকতো তার পরিবার। ২০২১ সালে তার স্ত্রী মারজান আত্মহত্যা করেন। স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় ৪ মাস ১৮ দিন কারাবন্দি ছিলেন তিনি। প্ররোচনায় সম্পৃক্ত না থাকায় তাকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়। এরপরই সন্তানদের বরিশাল শহরে নিয়ে আসেন বাবা রনি।
সন্তানদের শহরে নিয়ে আসার পর ৩ বছর বয়সী মরিয়ম আর ১৮ মাস বয়সী নূরকে এভাবেই জেলখানার তালাবদ্ধভাবে লালন পালন করছেন তিনি। বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে জীবনে দ্বিতীয় বিয়ে করারও ইচ্ছা নেই তার।
অজানা ভয়ের আশঙ্কায় ঘরে তালাবদ্ধ করে সন্তানদের রেখে গেলেও রিকশা চালনার সময় সন্তানদের কথা ভেবে সারাক্ষণই আতঙ্কে থাকতে হয় তাকে।
সকালের নাশতা খাওয়ানোর পরই শিশুদের তালাবদ্ধ করে বেরিয়ে যান কাজে। মাঝে দুপুরে এসে খাবার দিয়ে আবার রিকশা চালাতে ছোটেন তিনি। প্রতিবেশীরাও মাঝে মধ্যে জানালা দিয়ে খাবার কখনও পানি দেন। তবে এভাবে আর কত দিন জীবন কাটবে অবুঝ শিশু দুটির ?
বাচ্চাদুটির এমন খবর বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে সমাজ সেবা অধিদফতর। বরিশালের এ প্রতিষ্ঠানের প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ জানান, শিশু সুরক্ষায় পাশে আছেন প্রতিষ্ঠানটি।
অসহায় শিশুদের পাশে আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর বরাদ্দেরও। এরই মধ্যে বাবা রনি উপহার পেয়েছেন চার্জার রিকশা। এই মুহূর্তে দুই শিশু মরিয়ম ও নূরকে দেখভাল করছে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর পরিচালিত দিবাযত্ন কেন্দ্র।
এবার সেই দুই শিশুর পাশে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন পরীমনি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এরইমধ্যে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
বাবা রনির সঙ্গে কথা বলে কীভাবে তাকে সাহায্য করা যায় বলে সিদ্ধান্ত নিবেন পরী। তবে দুই শিশু সন্তানকে নিজের কাছে রাখতে চাইছেন পরী। এতে করে নিজের ছেলে রাজ্যর সঙ্গে সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারবে মরিয়ম ও নূর। এমনটাই মনে করছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় এ নায়িকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর এলাকা থেকে ১১ বছরের শিশু রিহান হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় স্কুলে যাওয়ার পথে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর এলাকা থেকে শিশু রিহান নিখোঁজ হয়। একই দিন রাতে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানাধীন খাইল্লারচর এলাকায় মেঘনা নদীতে মুমূর্ষ অবস্থায় শিশু রিহানকে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে শিশু রিহানকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মৃত্যু বরণ করে। নিহত শিশুর পরিবার সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রিহানের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারে এবং নিহত শিশুর বাবা মোঃ শাহজাহান বাদী হয়ে তিনজন আসামীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এই ঘটনার পরপরই র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ছায়াতদন্ত শুরু করে ও হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ রাতে এই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামীদেরকে গ্রেফতার করে।গেস্খফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। ইমরান (২৮), পিতা- সুজন, সাং- সুজানগর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা; ২। মোস্তফা (৩২) এবং ৩। রুবেল (২৫), উভয় পিতা- মৃত খালেক মিয়া, উভয় সাং- জগন্নাথপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
র্যাব জানান, পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টায় রিহান বাসা হতে স্কুলে যাওয়ার জন্য বের হলে বেড়াতে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ নং আসামী ইমরান অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় রিহানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অতঃপর হত্যা ও লাশ গুম এর উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভিকটিম রিহানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে নরসিংদী জেলার ভৈরব ব্রীজের উপর হতে ফেলে দেয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় প্রিয় প্রাঙ্গণ সুপ্রিম কোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক এটর্নি জেনারেল বিশিষ্ট আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফকে শেষ বিদায় জানালো তাঁর দীর্ঘ দিনের সহকর্মী, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে ধানমন্ডি ৭ নম্বর জামে মসজিদে এএফ হাসান আরিফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
শুক্রবার বিকেল ৩টায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান উপদেষ্টা হাসান আরিফ। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।
মন্তব্য করুন


মুন্সীগঞ্জের
লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ১২টি দোকান ও রেস্তোরাঁ
লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যবসায়ীরা।
সোমবার
(২৫ মে) দুপুর পৌনে ২টা এবং মঙ্গলবার (১৬ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আঘাত হানা ঝড়ে এ
ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত
ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র ২০ সেকেন্ডের ঝড়েই শিমুলিয়া ঘাটের সারি সারি রেস্তোরাঁর টিনের
চাল উড়ে যায় এবং কাঠামো ভেঙে পড়ে। এতে পুরো এলাকাজুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শিমুলিয়া
ঘাটের ‘মাওয়া কুটুমবাড়ি’ ও ‘ইলিশ বাড়ি’
রেস্তোরাঁর এক মালিক বলেন, হঠাৎ করে ঝড় এসে সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে গেছে। আমাদের রেস্তোরাঁসহ
আশপাশের সবগুলোরই একই অবস্থা। সামনে ঈদ, এই সময়ে এমন ক্ষতি সামাল দেওয়া খুবই কঠিন।
প্রতিটি দোকান মেরামতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাগবে।
এদিকে,
একই সময়ে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে লৌহজং উপজেলার কনকসার গ্রামে প্রায় ৮ মন ওজনের একটি গরু
মারা যায়। এতে স্থানীয় খামারির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
এ
বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে
শিমুলিয়া ঘাটের হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের
পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করা হবে।
মন্তব্য করুন


তিনি ৩৬টি বিভিন্ন চাকরির
পরীক্ষার প্রিলি পাস করতে পারেননি। তারপরও হার মেনে নেননি, দমেও যাননি। তার কাছে
NO মানে Next Opportunity. তিনি তার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ
ছিলেন যে অবশ্যই পারবেন, অবশ্যই সফল হবেন।
অবশেষে ৩৭ নম্বর চাকরির
পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রিলি পাস করেন। এরপর থেকে মোটামুটি সকল প্রিলি পরীক্ষায়
পাস করতে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পাস করেন। ধীরে ধীরে
আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। ৩৮তম বিসিএস এ নন-ক্যাডার তালিকায় জায়গা পান। কিন্তু দুঃখ
তখনো রয়ে গিয়েছিল কারণ ক্যাডার হতে পারেননি।
চেষ্টা অব্যহত থাকে, ৪১তম
বিসিএস শেষ বিসিএস। অবশেষে ৪১তম বিসিএস বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। হ্যাঁ,
৪১তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত পিংকি রানী মজুমদারের গল্প এটি।
পিংকি রানী মজুমদার, ৪১তম
বিসিএসে (বন) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার বাবা দুলাল চন্দ্র মজুমদার,
যিনি দীর্ঘ দিন প্রবাসে ছিলেন। মা মমতা রানী মজুমদার একজন গৃহিণী। পিংকি রানী
মজুমদার কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের জাগুরিয়া (ধলিরপাড়) গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেন। তার ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠা বরুড়া পৌরসভার অফিসপাড়ায়। স্নাতক ও
স্নাতোকত্তর পাস করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে।
পিংকি রানী মজুমদার বলেন,
সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আমি ৪১তম বিসিএস বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। এ
অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। তবে আমার এই সাফল্যে আমার বাবা-মা অনেক খুশি।
বাবা-মার সুখই আমার সুখ। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারাই আমার সফলতা। প্রথমে বলতে
চাই বিসিএস একটি ধৈর্য্যের পরীক্ষা। প্রতি বিসিএসে ক্যাডার হয় প্রায় ২ হাজারের মতো
বাকিরা ক্যাডার হয় না। তাই শুধু বিসিএসকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের
কাজ হবে না। বিকল্প পথ রাখতে হবে। যেমন- আমি চাকরির প্রস্তুতির পাশাপাশি বিকল্প
হিসেবে কুমিল্লা ল কলেজ থেকে এল এল বি সম্পন্ন করি। যাতে করে চাকরি না হলেও আমি
এডভোকেটশিপ নিতে পারি। সেই সাথে সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে। ২ দিন পড়ে ২ দিন পড়বে না এমনটা করা যাবে না। পড়াশোনার
ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। যেহেতু বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তাই দেশের
বনজ সম্পদ রক্ষা, উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে অবদান রাখতে চান।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর ইউনিয়নে খনন করা
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তরে মিলেছে জ্বালানি গ্যাস। বাংলাদেশ
পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) আশা করছে এ
থেকে দৈনিক এক কোটি (১০ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে ।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি
নিশ্চিত করে বাপেক্সের ভূ-পদার্থিক বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার ওহিদুল
ইসলাম বলেন, ওয়াছেকপুর গ্রামে খনন করা বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপে মিলেছে গ্যাসের
অস্তিত্ব। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া খননকাজের পর ডিএসটি টেস্ট শেষে এখন চলছে
সর্বনিম্ন স্তরের উৎপাদন টেস্ট। প্রাথমিকভাবে কূপটির তিনটি স্তরে পর্যাপ্ত গ্যাস
আছে। এ টেস্ট শেষে জানা যাবে এখানে মজুত থাকা মোট গ্যাসের পরিমাণ।
বাপেক্স সূত্রে আরো জানা যায়, কূপটিতে তিন হাজার ১১৩ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা
হয়, যার মধ্যে এক হাজার ৯২১ থেকে এক হাজার ৯৭৩ মিটার পর্যন্ত প্রথম স্তর, দুই
হাজার ৫৪৮ মিটার থেকে দুই হাজার ৫৮৫ মিটার পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তর এবং তিন হাজার ৮১
মিটার থেকে তিন হাজার ১০১ মিটার পর্যন্ত তৃতীয় স্তরে গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে।
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপের তিনটি স্তর থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন
ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
হাওলাদার ওহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি গ্যাস মিলতে পারে বলে
ধারণা করছি। এখন পর্যন্ত টার্গেট চারটি জোনের মধ্যে তিনটি জোন থেকে বাণিজ্যিকভাবে
গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করছি।’
বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শামসিয়া মুক্তাদির বলেন, ‘প্রাকৃতিক
গ্যাসের সন্ধানে বাপেক্স দীর্ঘদিন থেকে কাজ করে আসছে। বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) কূপটিতে
খনন কাজ শুরু এ বছরের ২৯ এপ্রিল। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায়
আমাদের খনন কাজেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। দিনশেষে আমরা সফল হতে পেরেছি।’
বেগমগঞ্জ-৪ (পশ্চিম) মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপের প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. প্রিন্স আল
হেলাল বলেন, এখান থেকে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ করার
লক্ষ্যমাত্রা ছিলো। তবে লোয়ার জোনে গ্যাসের কন্ডিশন দেখে মনে হচ্ছে, আরও ভালো কিছু
আশা করা যাবে। উৎপাদন টেস্ট শেষে মোট গ্যাসের মজুত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ড্রিলিং ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এটি খনন করতে আমাদের নানা
প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আমরা আজ আলোর মুখ দেখছি।
একসময় গ্যাসকূপ খননের কাজে বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তারা যুক্ত থাকতেন। কিন্তু এখন
তার পরিবর্তন হয়েছে। এ কূপ খননের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী
সবাই বাংলাদেশের। এটাও আমাদের জন্য অনেক আনন্দের।’
এর আগে, ১৯৭৬ সালে বেগমগঞ্জ-১ ও ১৯৭৮ সালে বেগমগঞ্জ-২ গ্যাসকূপ খনন করা হলেও সেগুলো
থেকে গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সালে বেগমগঞ্জ-৩ কূপ খনন করা হয় এবং
সেখান থেকে এখনো প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ফেনী-নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক
সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে বেগমগঞ্জ-৫ ও বেগমগঞ্জ -৬ কূপ
খননের পরিকল্পনা রয়েছে বাপেক্সের।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর
(এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ছয়জনকে ভিডিও ফুটেজ
দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজ
বুধবার (২৭ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, হত্যার ঘটনায়
সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ভিডিও ফুটেজের
মাধ্যমে এই ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর
ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জনকে আটক করেছে সিএমপি। বন্দরনগরে ককটেলসহ আওয়ামী
লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের
সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে মঙ্গলবার সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি
নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিক্ষোভকারীরা ওই আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের
পক্ষ থেকে মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে শান্ত ও সতর্ক
থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আইনজীবীকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন এবং তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া
গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে সিএমপি জানিয়েছে, চট্টগ্রামে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী হত্যার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা
হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে যৌথ বাহিনী।
মন্তব্য করুন


ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের পর গত চার দিন থেকে দেশে অনুভূত হচ্ছে শীতের প্রভাব। ক্রমেই তা তীব্র আকার ধারণ করছে। বুধবার(১৩ডিসেম্বর) থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলে মৃদু আকারে শৈত্যপ্রবাহ শুরুর আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা বজায় থাকবে। ঢাকায়ও কমবে আরও তাপমাত্রা। যার ফলে ইতোমধ্যেই মানুষের জীবনযাত্রায় ছন্দপতন শুরু হয়েছে। আরও তাপমাত্রা কমার কারণে শীতকেন্দ্রিক রোগবালাই এবং ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেছেন, বুধবার(১৩ডিসেম্বর) থেকে সারা দেশের তাপমাত্রা কমবে। বৃহস্পতিবার রাতে আরও ১ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে। তাপমাত্রা কমার এই ধারাবাহিকতা ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা এবং যশোরসহ বিভিন্ন এলাকার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যেতে পারে। ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলায় তাপমাত্রা কমতে পারে। এসব এলাকায় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকবে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেটাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি, ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে এলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়ে থাকে।
আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার(১৩ ডিসেম্বর) থেকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কোনো কোনো এলাকার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসতে পারে। ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ অবস্থা বজায় থাকতে পারে। এ সময়ে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও রাজধানী ঢাকায় তীব্র শীত অনুভূত হবে।
মন্তব্য করুন