

বগুড়ার
শিবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত
শিক্ষক, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ ৮ জন।
বুধবার
(১৩ মে) উপজেলার গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষার দিনে এ
ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে
নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন। তবে পরীক্ষার্থী সংখ্যায় কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের
নিয়ম অনুযায়ী কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে নিয়ম মেনেই ওই কেন্দ্রের বড় একটি কক্ষে
একজন পরীক্ষার্থীর জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে।
গুজিয়া
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহিনুর আলম বলেন, ‘পরীক্ষার্থী একজন
হোক বা একশ বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নিয়মের কোনো ব্যত্যয় না ঘটিয়ে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। ফলে একজন পরীক্ষার্থীর
জন্যও আমাদের পূর্ণাঙ্গভাবে কেন্দ্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
ওই
কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান, একজন
ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক, সহকারী শিক্ষক, একজন পুলিশ সদস্য এবং দুইজন
অফিস সহায়ক। বোর্ড নির্ধারিত নিয়ম মেনে একজন পরীক্ষার্থীর পেছনে প্রশাসনের এই বিপুল
আয়োজন এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা, ট্যাপান্টাডল ও মদসহ ৬ জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড
ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার
(২০ মে ) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন
ও ইসতিয়াক মাহমুদের নেতৃত্বে কুমিল্লা “খ” সার্কেলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
এ অভিযান পরিচালনা করে।
কুমিল্লা
আদর্শ সদর থানার শাসনগাছা ও আশপাশ এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৫ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম
গাঁজা, ১০ পিস ট্যাপান্টাডল এবং ১০০ মিলিলিটার মদ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে
মোট ৬ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরে
ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য সেবন এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
প্রদান করা হয়।
মাদকবিরোধী
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে আজ প্রাণোচ্ছ্বল
সময় কাটিয়েছেন।
আজ
মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সোয়া ১১টায় ভূমিসেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ করে
তিনি মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে
যান।
ডে-কেয়ার
সেন্টারজুড়ে তখন শিশুদের খেলনার টুংটাং শব্দ, কোথাও কচি কণ্ঠের হাসি আর আনন্দময় চিৎকার।
ছোট ছোট পায়ে দৌড়ঝাঁপে মুখর চার দেয়াল। এমন প্রাণচঞ্চল মুহূর্তেই সেখানে উপস্থিত হন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী ১৮ মিনিট সময়
কাটান শিশুদের সঙ্গে। এ সময় তিনি যেন ফিরে গেলেন সেই নির্ভার শৈশবে। প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে ওঠে।
প্রবেশের
পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান সরকার প্রধান তারেক রহমান। মুহূর্তেই তাকে ঘিরে ধরেন
ছোট্ট শিশুরা। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় খেলনার কাছে। কয়েকজন
নিজেদের হাতে আঁকা ছবি দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীও মন দিয়ে সেসব দেখেন,
মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসা করেন। কখনও আলতো করে হাত বুলিয়ে দেন শিশুদের মাথায়, কখনও তাদের
কথায় হেসে ওঠেন প্রাণ খুলে।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে ঘিরে থাকা ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন। শিশুদের বিভিন্ন
রকমের চকলেট, টফি ও ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন। দিয়েছেন গিফট ব্যাগও। চকলেট-টফি দিতে দিতে
শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই?
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, ‘আজকে কার জন্মদিন বলো তো? একেক জনকে বলতে শোনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সঙ্গে কেক কাটি।’
শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেক কাটেন সরকার প্রধান। এ সময়ে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে
পুরো কক্ষ। ‘শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।’
এর মধ্যে একজন শিশু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মুখে তুলে কেক খাইয়ে দেয়।
প্রধানমন্ত্রীকে
কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে
দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক
খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’
টেবিলে
রাখা পুতুল আর চকলেট, ললিপপ দেখিয়ে দিয়ে আরিবা বলে, এই যে আংকেল আমাদের গিফটও দিয়েছেন।
ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কিভাবে যত্ন নেওয়া
হয় তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী
ওই সময়ে জানতে চান, শিশুদের কি কি খাবার দেওয়া হয়। ওদের মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে
কি না তা খেয়াল রাখতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা
ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারাদেশে এ ধরনের
ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি। তিনি আরও জানান, চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে
সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যায় ৬০ জন। আজ উপস্থিত ৫৫ জন।
প্রধানমন্ত্রী
ডে কেয়ার সেন্টারটিতে আনন্দঘন অবস্থান শেষে
হাত নেড়ে ‘টা-টা’ দিয়ে শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন।
প্রধানমন্ত্রী
যখন বের হয়ে আসছিলেন তখন শিশুরা হাত নেড়ে, সালাম দিয়ে বিদায় জানান। শিশুদের নিষ্পাপ
হাসি আর ভালোবাসার ভেতর প্রধানমন্ত্রী যেন কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন দায়িত্বের
কঠিন বাস্তবতা। সেন্টারটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
'ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা' এ স্লোগানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ কুমিল্লা আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) সকালে ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুল হক চৌধুরী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক মু: রেজা হাসানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন, সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমদাদুল হক এমদু, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন।
প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লহ্মীপুর, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিজয়ী খেলোয়াড়গণ অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, শিশু-কিশোরদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে হবে। ক্ষুদে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করলে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কুমিল্লা স্টেডিয়ামের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাচ্চাদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে নতুন কুঁড়ির মতো এতো সুন্দর আয়োজন করেছেন, আর আপনারা এমন কাঁদামাখা মাঠে বাচ্চাদের খেলতে নামাচ্ছেন। এমন মাঠে হালচাষ করা যায়, খেলাধুলা নয়। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠের পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে মাঠকে খেলাধুলায় উপযোগী করার নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে খেলোয়াড়রা অংশ নেয়। উদ্বোধনের সময় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার (১ জুলাই) সকালে গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডের হলি আর্টিজানে নিহতদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ দেশে নিয়ন্ত্রণে আছে। হলি আর্টিজানের মতো হামলার সক্ষমতা এখন আর নেই জঙ্গিদের।’
তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্রান্তে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে বিগত ২০১৫-১৬ সালে বিভিন্ন জঙ্গি হামলা ঘটানো হয়। হলি আর্টিজান হামলার পর আমাদের উন্নয়ন সহযোগীরা উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে ভয়ে দেশ ছেড়ে চলে যেতে থাকে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আজ থেকে সাত বছর আগে ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই হলি আর্টিজানে বিদেশি নাগরিকদের অতর্কিতভাবে জিম্মি ও হত্যা করে জঙ্গিরা।
খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘হলি আর্টিজান হামলায় বিদেশিসহ মোট ২২ জন নিহত হন। এই ঘটনায় সিটিটিসি তদন্ত করে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। যদিও এ ঘটনার অনেক অভিযুক্ত বিভিন্ন সময় জঙ্গি হামলা করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান।
আমরা এখন অনেকটা বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। আশা করি ভবিষ্যতে জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ ধরে রাখতে পারব।
মন্তব্য করুন


আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসিফ ইমরান জিসান।
পাঁচজন আসামির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। লুত্ফুজ্জামান বাবরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
মন্তব্য করুন


বিশেষ
চাহিদাসম্পন্ন তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম উদ্ভাবিত 'স্মার্ট কার'-এ চড়ে তাকে উৎসাহ দিলেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
শনিবার (০৯ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ
করেন ওয়াকিমুল ইসলাম। এ সময় তার বানানো ছোট বাহনটি প্রধানমন্ত্রীকে দেখান। পরে প্রধানমন্ত্রীকে
নিয়ে স্মার্ট কারটি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল। ব্যাটারিচালিত বিশেষ এই যানের নাম দেওয়া
হয়েছে 'এ টু আই স্মার্ট কার'। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন
এ তথ্য জানান।
তিনি
বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই বাহন তৈরি করায় ১৭
বছরের ওই তরুণের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি কম খরচে আরও আধুনিক ও সহজে ব্যবহারযোগ্য
স্মার্ট কার তৈরির পরামর্শও দেন। পাশপাশি এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতার
আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাতকালে
তারেক রহমানকে স্মার্ট কার তৈরির পুরো গল্পটি শোনান ওয়াকিমুল ইসলাম। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন
এই তরুণ জানান, এক সময় তিনি সারাদিন বাসায় বসে থাকতেন, বাইরে বের হতে পারতেন না। কীভাবে
বাইরে একা চলাফেরা করা যায়, সেই চিন্তা থেকে কারটি বানানো শুরু করেন।
ওয়াকিমুল
ইসলাম যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়েন। বিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর
বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
ওয়াকিমুল
জানান, সহযোগিতা পেলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আরও উন্নতমানের স্মার্ট কার বানানো
সম্ভব। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়াও প্রবীণরাও সেটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ওয়াকিমুলের
সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির (বিপিকেস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক
আবদুস সাত্তার দুলাল। তিনি জানান, গাড়িটি বৈদ্যুতিক চার্জে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে
পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতি ৪৫ কিলোমিটার।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
(অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস
সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত
আহমেদ শুক্রবার প্রথম প্রহরে (রাত ১২ টার পর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে
অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় বলেছেন, বাঙালি জাতি সত্ত্বার
একটি প্রাথমিক স্তম্ভ একুশ। ব্যক্তিগতভাবে এক আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে আমার একুশের
সঙ্গে। আমার মা একজন ভাষা সৈনিক, ভাষা কন্যা।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টার পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের
নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় দেশের ভাষা আন্দোলনে
শহীদদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়, এবং জাতির গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলনের
ঐতিহ্যকে ধরে রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতির মা বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের অবদানের জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী থাকাবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
মন্তব্য করুন


হামে
আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ৩৫২ শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ
দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার
(১০ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবীর পল্লব জনস্বার্থে এ রিট দায়ের
করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
দুই মাসের কম সময়ে হাম ও উপসর্গে দেশে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৩৫০। একই সময়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে
৪৭ হাজার। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৯ হাজারের বেশি শিশু। গত ১৫ মার্চ থেকে
স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য।
স্বাস্থ্য
অধিদফতর জানিয়েছে, এরমধ্যেই চলমান টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১
কোটি ৭২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৮ শিশু হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ।
সারা দেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে এই কার্যক্রমের আওতায় টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করেছিল সরকার।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীরপ্রতীক বলেছেন, আপাতত বন্যার্ত মানুষকে বাঁচানোই আমাদের প্রধান কাজ। তাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া, ক্ষুধার অন্ন জোগানো, শিশু ও নারীসহ সবার স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেওয়া; এটায় এখন আমাদের প্রধান কাজ।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে নোয়াখালী সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক-ই-আজম এসব কথা বলেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এখানে জনসম্পৃক্ততা যেটা হয়েছে, তাদের সাথে সমন্বয় করবেন। এ সমন্বয় যেন কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন না হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীসহ সকল স্বেচ্ছাসেবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আপনাদের মধ্যে যদি মতদ্বৈততা হয়, আপনারা আলোচনার টেবিলে বসবেন। তরুণরা এই বন্যায় এগিয়ে এসেছে। আমাদের রিসোর্সেরও অভাব নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে তারাও কাজ করতে আগ্রহী। অনেক প্রতিষ্ঠান আসছে দেশের ও দেশের বাইরের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত আনোয়ার, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন আরা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) বিজয়া সেন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন