এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত



এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সংসদের অধিবেশনে ২০তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। সংসদের সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)। 


কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত প্রশ্ন রেখে বলেন, মাদরাসা শিক্ষায় বাংলাদেশের ২ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে এবং ৪০ লাখেরও বেশি প্রাথমিক স্তরে মাদরাসায় পড়ছে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে মাদরাসার স্নাতকরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাইরে কর্মসংস্থানে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ে থাকেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কর্মবাজারমুখী করতে মন্ত্রণালয় কী কার্যকর পরিকল্পনা নিয়েছে এবং কবে নাগাদ সেইগুলি আলোর মুখ দেখবে?


জবাবে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে মাদরাসার কারিকুলামে পেশাভিত্তিক ও বৃত্তিমূলক বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। মাদরাসায় ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আইটি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এরই মধ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ গঠিত একটি কমিটি মাদরাসার কারিকুলাম যুগোপযোগী করার এ কাজ শুরু করেছে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত লক্ষ্যে প্রতিটি মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড চালু করা হবে।


তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপশি মাদরাসাগুলোতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৫৪৮টি মাদরাসায় ভোকেশনাল কোর্স চালু করা হয়েছে। আরো এক হাজার মাদরাসায় পর্যায়ক্রমে কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু করা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

চেষ্টা করবো বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে: উপদেষ্টা

চেষ্টা করবো বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার একটি বড় কারণ হিসেবে চাঁদাবাজির কথা বলেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।


বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আগে যারা চাঁদাবাজি করতো তাদের পাশাপাশি রাজনীতিতে যারা জায়গা দখলের চেষ্টায় আছে তাদের লোকজন চাঁদাবাজি করছে এবং স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য চাঁদাবাজরাও সক্রিয় আছে।


নির্বাচিত সরকার আসার আগে এটির পুরোপুরি সমাধান কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি ।


অর্থ উপদেষ্টা বলেন, মূল্যস্ফীতি এখানে লিগ্যাসি প্রবলেম। গত দুই-তিন বছর ধরে মূল্যস্ফীতির এ রকম অবস্থা হয় নাই। প্রচুর আয়-উপার্জন হয়েছে, অনেকে টাকা উড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকার মেগা প্রজেক্টস (আরেকটি সমস্যা)। মেগা প্রজেক্টের সমস্যা হলো, রিটার্ন আর আউটপুট দ্রুত আসে না। ব্রিজ হলো, সরবরাহ চেইনে তো দ্রুত কোনো প্রভাব নাই। অ্যাট দ্য সেম টাইম, রেমিট্যান্স অনেকটা কমে গেলো।


এর ফলে মূল্যস্ফীতি আমরা একেবারে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি নাই, তা না। কিছুটা করেছি। খাদ্যে মূল্যস্ফীতি একটু বেড়েছে। কিন্তু নন-ফুডে আবার কিছুটা কমেছে। সামগ্রিকভাবে বেড়েছে। আমরা সরবরাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করছি যতটা সম্ভব।


সাপ্লাই চেইন ইজ ব্রোকেন। আর অনেক মিডল ম্যান। মহাস্থানগড় থেকে একটি ট্রাক ঢাকায় আসবে। পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজির কারণে ভাড়া পড়ে ১২ হাজার টাকা। চাঁদাবাজি তো কমে নাই।


চাঁদাবাজি কমানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সরকারের সুবিধা হলো, তার পলিটিক্যাল আর্মস ছিল। আমাদের তো সেরকম নাই। ইউ নো দ্য লিমিটিশেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, একজন দুজন ম্যাজিস্ট্রেট এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।


চাঁদাবাজিতে এখন তিনটি বড় দল জড়িত। এক, আগে যারা ছিল তারাও আছে… (আওয়ামী লীগের); দুই, যারা এখন পলিটিক্যালি ইমার্জিং… মাঠপর্যায়ে আছে, তারাও চাঁদাবাজি করছে। তিন, স্থানীয় জনগণ। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য ডিফিকাল্ট হয়ে যাচ্ছে।


রাজনৈতিক দলের ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলের তো ভোটের দিকে নজর থাকে। তারা ক্ষমতায় যেতে চায়। বড় রাজনৈতিক দল যাদের একেবারে মাঠ পর্যায়ে কর্মী আছে, তাদের তো নিয়ন্ত্রণ করা এখন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটু কঠিন হয়ে পড়ছে।


দ্বিতীয়ত দুর্যোগের বিষয়টিও, কুমিল্লায় যেমন বন্যা হলো, শেরপুর-ময়মনসিংহে অতিবৃষ্টি হলো। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সমস্যার সম্মুখীন তো হয়েছি। তাই এখনো মুল্যস্ফীতি অনেক বেশি।


সমস্যাটা সমাধান হবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৮ এর নিচে নিয়ে আসতে পারবো। একেবারে পাঁচ-ছয়-চারে চলে যাওয়া অসম্ভব। পাঁচ-তো আদর্শিক অবস্থান।


সিন্ডিকেট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভাঙতে চেষ্টা করছি। আমাদের এখন সরকারি কয়েকটি সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যারা কিনা পর্যাপ্ত নয়। টিসিবি কার্ড দিয়ে বা ডেপুটি কমিশনার, ইউএনও দিয়ে তো মার্কেট কনট্রোল করা যাচ্ছে না। তারা একবার গেলো, পরে চলে এলো। মূল বিষয় হচ্ছে, জনগণকে সচেতন হতে হবে।


আমি ডেটা সংগ্রহ করছি, মহাস্থানগড় থেকে শুরু করে কুমিল্লার কংশনগরে ফুলকপি কত টাকা বিক্রি হচ্ছে। ওখানে বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। ১০ টাকা না, দুই-তিন টাকায়ও পাচ্ছে। ঢাকায় ২০ টাকায় কিনছেন। আমরা ওদিকে (প্রান্তিক পর্যায়) দামটা বাড়িয়ে দিই, কৃষক তো ভুগছে।


খুবই সত্য যে, পুলিশ আগের মতো সক্রিয় না। তাদের নানা কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না, যেমন বাজারে যাও, ধরে নিয়ে আসো।


ব্যাংক নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে এই মুহূর্তে বড় ঋণ নিচ্ছে না। এর আগে কিন্তু ৬০ হাজার কোটি টাকা, ওইটার বেশিরভাগ কিন্তু সরকার নিয়েছিল। আর আমার ২২ হাজার কোটি সরকারকে দিই নাই। বেসরকারি খাতে দিয়েছি। অ্যান্ড দে আর প্রডিউসিং সামথিং। সো দ্যাট ইজ নট কমপ্লিটলি পিউর মানি ক্রিয়েশন। যেটা আমরা বলি যে, স্ট্রেলাইজেশন, আমরা টাকা ছাপাচ্ছি, কিন্তু স্ট্রেলাইজ করছি। কিছু কিছু লিকুইডিটি আবার কনট্রোল করছি।


ভ্যাট-ট্যাক্স নিয়ে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আমার আর্গুমেন্টটা হলো, বাংলাদেশ ইজ এ মোস্ট লিস্ট ট্যাক্সড কান্ট্রি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। এমনকি ভুটানের তুলনায়ও। যাস্ট রেট ইনকাম ট্যাক্স অনুযায়ী আমরা বাড়াবো না তা তো না। এখনো তো বাকি আছে, এটা তো অনলি ভ্যাট, কেবল ১২ হাজার কোটি টাকার একটা... টার্গেট তো কয়েক লাখ কোটি টাকার রেভিনিউ। তাই ভ্যাট বাড়ানোর বিষয়ে আমরা রেশনালাইজড হতে চাই। পৃথিবীর কোনো দেশে ভ্যাট দুই দশমিক চার, পাঁচ, সাত, সাত দশমিক পাঁচ এ রকমও না।


বেশিরভাগ দেশে ন্যূনতম ভ্যাট ১৫ শতাংশ। আমরা ভাবছিলাম, পাঁচ যেগুলো আছে দশ করি, সাড়ে দশ করি। অলরেডি কয়েকটা পণ্যে আছে। এজন্য আমরা কিছুটা রেশনালাইজড করতে চেয়েছি। আর আমি চেষ্টা করবো, বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে।


আয়কর নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই ট্যাক্স নেটটা (করজাল) বাড়াবো। প্রথমত, ট্যাক্স লিকেজ হয়, যারা ট্যাক্স দেওয়ার কথা, যত টাকার দেওয়ার কথা, তা দেয় না। কারণ, তারা টেবিলের নিচে সেটেল করে। এটা আমাদের কর সংগ্রহে বড় একটি দুর্বলতা। যতটা আমরা ধারণা করি, দেওয়ার কথা, তারা ততটা দেয় না। আমরা এনবিআরকে ডিজিটাইলাইজড করার চেষ্টা করছি। এবার যেমন আমরা ১২ লাখ (অনলাইনে রিটার্ন) পেয়েছি।


ব্যক্তিগত আয়করটা আমরা অনলাইন করেছি, কোম্পানিটা এখনো করা হয়নি, এটা করতে আরও সময় লাগবে। কোম্পানিরটা জটিল। এটা করলে কারও কাছে আর যেতে হচ্ছে না, তাই এখানে দুর্নীতিটা কম হবে।


আরেকটা বিষয় স্পর্শকাতর, অনেক সময় এক্সেস ট্যাক্স দেয়, রিটার্নটা পায় না। অন্য দেশে বেশি ট্যাক্স দিলে রিটার্ন আসে, বলা হয় আপনি এত টাকা বেশি দিয়েছেন। পরে এটা অ্যাডজাস্ট করা হয়।


আমাদের এখানে অথরাইজড ভ্যাটের বেলায় পায়, অন্যরা পায় না। এজন্যই তো ছোটখাটো মিষ্টির দোকান পর্যন্ত বলে, আমরা দেবো? রুটি পর্যন্ত আসার আগ পর্যন্ত আটা-ময়দায় দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমার কাছ থেকে সব আদায় করছে। সেটা হচ্ছে না, এটা একটা প্রবলেম।


অলরেডি কেবিনেটে সিদ্ধান্ত হয়েছে, করনীতি ও কর প্রশাসন আমি আলাদ করে দিচ্ছি। এনবিআর কেবল কর সংগ্রহ করবে। অ্যান্ড পলিসি ইজ ইউল বি ডান বাই ডিফারেন্ট বডি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট।


২০০৮ সালে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, করনীতি ও কর প্রশাসন আলাদা হবে। কিন্তু এটা হয়নি। কারণ, এনবিআর অফিশিয়ালস এটিকে এলাউ করেনি। বলে কি, আমরা নিজরাই পলিসি করবো।


নিজেরা যদি পলিসি করি, ওটা আমার মন মতো করে করবো। একজনের ওপর ট্যাক্স চাপাবো, এটা এডজুডিকেট আমি করবো, রাইট অর রং। সেটা তো হয় না। পলিসি যারা করবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে।


এটা করলে সুবিধা হবে কী তখন, ব্যবসায়ীরা বলছে, এনবিআরের কাছে আমার ধর্ণা দিতে হয়, টাক্স আরও কমান। এখন থেকে আপনারা আমাদের পলিসি দিয়ে দেবেন, আমার সেটি ফলো করবো। তখন কর সংগ্রহকারী আমাকে ডিসক্রিশিয়নারি কিছু করতে পারবে না। দিজ ইজ দ্য পলিসি, দিজ ইজ দ্য রেট।


অর্থ উপদেষ্টা বলেন, করদাতার সংখ্যা বাড়াবো। আর সিস্টেমটা্ও পরিবর্তন করছি। ডিজিটালাইজেশন প্লাস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ট্যাক্স কালেকশন উইল বি ডিফারেন্ট জব।


করদাতাদের থেকে নেওয়া টাকার পরিমাণ বাড়বে, ২৫-৩০ শতাংশ থেকেও বাড়ানোর চিন্তা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি ওটা চিন্তা করছি না। ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত বাড়ানোর চিন্তা করছি।


সম্পদের অসমতা নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ন্যারেটিভ হচ্ছে, আমাদের গ্রোথ অনেক হয়েছে। কিন্তু গ্রোথের সুফল তো লোকজন পায়নি। আমাদের আয়ের যে বৈষম্য... আয়ের চেয়ে বেশি খারাপ হলো সম্পদের বৈষম্য অনেক বেশি। একজনের ৫০টা ফ্ল্যাট-বাড়ি, দেশে-বিদেশে। এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।


আমরা একেবারে খুবই হাই গ্রোথ পাবো, আট থেকে নয় পাবো এটি না। আমরা প্রাক্কলন করেছি, পাঁচ দশমিক পাঁচ দুই শতাংশ পাবো। এর ফলটা যেন সবাই পায়, সমভাবে বলছি না, তবে সুফলটা যেন কাছাকাছি আকারে যায়। এটলিস্ট আশা করি, তা কৃষকের যাক, নারী কর্মীদের কাছে যাক, ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে যাক।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত



সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বা অযথা বিতর্ক নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মত ও পথের ভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ভিন্নতা যেন কখনো শত্রুতায় রূপ না নেয়।


বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি ও বর্তমান রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও এ সময় বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় নেতাদের অবদান যথাযথ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না। ঐতিহাসিক সত্য মেনে নিতে অনীহা দেখানোকে তিনি হীনমন্যতার পরিচয় হিসেবে উল্লেখ করেন।


তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে চলা সময়ের দাবি। 


শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তা যেন শত্রুতায় পরিণত না হয় এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।


বক্তব্যে তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। চলতি বছর ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের তিনি জাতির গর্ব উল্লেখ করে দেশ ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।


বাংলাদেশের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসংখ্য শহিদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা অর্জনের ৫৫ বছর পর দেশ অনেক দূর এগিয়েছে, তবে এখনো অনেক অপূর্ণতা রয়ে গেছে। একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিকল্প নেই।


দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতির মধ্য দিয়েই নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।


তিনি আরও বলেন, দেশের বৃহৎ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। অতীতে শিক্ষা খাতে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে ইতোমধ্যে সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।


নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়নের কোনো উদ্যোগই টেকসই হবে না। এ লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন খাতে পরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।


বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে উপস্থাপিত দলীয় ইশতেহার ও ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের সমর্থন নিয়েই এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব সত্ত্বেও দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি; বরং ভর্তুকির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।


সবশেষ স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের আবারও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে প্রয়াত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি এবং আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের এইসব অর্জন একসময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক স্বীকৃতি পাবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

অনেক দেশের চেয়ে কূটনীতিকদের ভালো নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ

অনেক দেশের চেয়ে কূটনীতিকদের ভালো নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ

ঢাকায় কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা অনেক ভালোভাবে এবং দক্ষতার সঙ্গে দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশে বিদেশি কূটনীতিকদের বেশ ভালো মানের নিরাপত্তা দেওয়া হয়। তাদের অব্যাহতভাবে এ মানের নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে প্রচারণার অংশ হিসেবে ঢাকায় কর্মরত কূটনীতিকদের ব্রিফ করেন শাহরিয়ার আলম। ব্রিফিংয়ে কূটনীতিকদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাতিলের প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চান সাংবাদিকরা।

আরও পড়ুন>>বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিরাপত্তায় পুলিশের পরিবর্তে থাকবে আনসার

জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, এটা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। আমাদের হাতে প্রচুর কাজ আছে। আমরা এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন বা এনগেজমেন্টে যেতে চাচ্ছি না। ইটস নট এ ইস্যু। এটা আমাদের নিয়মিত কার্যপরিধির একটা অংশ এবং সবাইকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

কূটনীতিকদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাতিল নিয়ে আর কথা বলতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, আমরা খুবই অবগত এবং এটাই আমাদের লাস্ট ওয়ার্ড। কূটনীতিকদের নিরাপত্তা পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে অনেক ভালোভাবে, দক্ষতার সঙ্গে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অব্যাহতভাবে দিয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিয়ে যাবে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিন্তু এ রিলেটেড ভুল তথ্যের ভিত্তিতে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে, সে ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছি। আমরা এ বিষয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না।

গত রোববার (১৪ মে) থে‌কে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ‌্যসহ মোট ছয় দে‌শের কূটনী‌তিক‌দের বাড়‌তি প্রটোকল সু‌বিধা‌ বা‌তি‌ল ক‌রে‌ছে সরকার।
কূটনী‌তিক‌দের বাড়‌তি প্রটোকল সু‌বিধা‌ বা‌তি‌লের বিষ‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, বর্তমানে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই কূটনীতিকদের বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার কোনও আবশ্যকতা নেই।

এদিকে, বিদেশি কূটনীতিকদের আনসার বাহিনী কীভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা (এসকর্ট) দেবে, সেটি চূড়ান্ত হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বা আগামী রোববারের (২১ মে) মধ্যে নোট ভার্বালের (কূটনৈতিক পত্র) মাধ্যমে দূতাবাসগুলোকে বিষয়টি জানানোর কথা বলেছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের

জো বাইডেনকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের
জো বাইডেনের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এ উপলক্ষে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ৭টায়) প্রথমবারের মতো বিতর্কে অংশ নিয়েছেন তারা। বিতর্কের আয়োজন করে সিএনএন ও এবিসি। সিএনএনের আটলান্টা স্টুডিওতে বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিএনএন এর জরিপ অনুযায়ী এই বিতর্কে হেরে গেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস শুক্রবার একটি সম্পাদকীয়তে প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেনকে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর এবং নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য অন্য ডেমোক্র্যাটকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

বাইডেনকে ‘একজন মহান সরকারি কর্মচারীর ছায়া’ হিসেবে বর্ণনা করে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পরিষদ বলেছে, “প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্পের মধ্যে বৃহস্পতিবারের বিতর্ক প্রমাণ করেছে ৮১ বছর বয়সী বাইডেন- তার নিজের পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি কী করবেন, তার ব্যাখা দিতে হিমশিম খেয়েছেন। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পের উসকানির জবাব দিতে। হিমশিম খেয়েছেন ট্রাম্পকে তার মিথ্যা কথা, ব্যর্থতা ও ভয়ানক সব পরিকল্পনার জন্য জবাবদিহি করাতে। একাধিকবার তিনি একটা বাক্য শেষ করতে গিয়ে সংগ্রাম করেছেন।”

বাইডেন এখন যা করতে পারেন, তা হলো, তিনি পুনরায় নির্বাচন করছেন না—এই ঘোষণা দেওয়া। দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট এক বেপরোয়া জুয়ায় লিপ্ত আছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়া ঠেকাতে ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে নিজেকে স্পষ্টবাদী, বাধ্যকারী ও উদ্যোমী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার মতো অধিকতর যোগ্য বিকল্প রয়েছেন।

ট্রাম্প ও বাইডেনের ঘাটতিগুলোর মধ্যে এর যেকোনোটি বেছে নিতে ভোটারদের বাধ্য করার মধ্য দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি গ্রহণ করার কোনও কারণ দলের নেই। আমেরিকানরা যা নিজেদের চোখে দেখেছেন, বাইডেনের সেই বয়স ও দুর্বলতা তারা এড়িয়ে যাবেন বা হিসেবে নেবেন না— সরলভাবে এটা আশা করা হবে এক বড় জুয়া’, বলেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

নতুন ডিবিপ্রধান হলেন মো. শফিকুল ইসলাম

নতুন ডিবিপ্রধান হলেন মো. শফিকুল ইসলাম
ছবি: সংগৃহীত



পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম। আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই পদায়ন করা হয়। 


জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম ১৮তম বিসিএস ব্যাচের একজন সদস্য। এর আগে তিনি ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।


শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন। পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি লক্ষ্মীপুরে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হন। ২০০২ সালে তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে বদলি হয়ে প্রায় পাঁচ বছর কাজ করেন।


পরে সারদা পুলিশ একাডেমিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) হিসেবে যোগ দেন। ২০০৭ সালের জুনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিতে লাইবেরিয়ায় পাঠানো হয় তাকে। মিশন শেষে ২০১০ সালে চট্টগ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পান। এরপর দ্বিতীয় দফায় লাইবেরিয়া মিশনে যান তিনি।


২০১৩ সালে শফিকুল ইসলাম পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পান এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হন। এক বছর পরই আবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দেন আইভরি কোস্টে। দেশে ফিরে তিনি হাইওয়ে পুলিশের এসপি হন। ২০১৯ সালে তাকে নৌ পুলিশের এসপির দায়িত্ব দেওয়া হয়।


২০২১ সালে পদোন্নতি পেয়ে একই সংস্থার অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড অপারেশন্স) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে হাইওয়ে পুলিশে যোগ দেন।


প্রসঙ্গত, ডিবিপ্রধানের পদটি প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে শূন্য। গত ১২ এপ্রিল ডিবির তৎকালীন প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়। তার পর থেকে যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা ডিবির এ ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

ছয় অদম্য নারীকে বিশেষ সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

ছয় অদম্য নারীকে বিশেষ সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ছয়জন অদম্য নারীকে বিশেষ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (০৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই সম্মাননা তুলে দেন।


সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে যেসব নারী এই সম্মাননা পেয়েছেন, তারা হলেন— অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য শরিফা সুলতানা, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অবদানের জন্য হালিমা বেগম, সফল জননী হিসেবে মেরিনা বেসরা, জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে লিপি বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসাধারণ অবদানের জন্য মো. মুহিন (মোহনা) এবং বিশেষ সম্মাননা হিসেবে বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল।


এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা নারীর ক্ষমতায়ন ও সমাজে তাদের অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ এ ধরনের সম্মাননা ভবিষ্যতেও চালিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

কোনো ‘শয়তান’ যেন পালাতে না পারে: উপদেষ্টা

কোনো ‘শয়তান’ যেন পালাতে না পারে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত




সারাদেশে চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে কোনো 'শয়তান' যেন পালাতে না পারে।


মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে 'দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার ও পরিবেশের ওপর গুরুত্বসহ আইন প্রয়োগ' বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসর, দুস্কৃতকারী, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, কিন্তু তাদের দোসররা দেশে-বিদেশে সরকারের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।


তিনি বলেন, তারা এদেশের জনগণের সম্পদ অন্যায়ভাবে লুটপাট করে অঢেল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছে। যারাই তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে, তাদেরকে দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়েছে, দলীয় বাহিনীর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে লেলিয়ে দিয়েছে, অন্যায়ভাবে মামলা-হামলা দিয়ে হেনস্থা করেছে। গণমাধ্যমগুলো দখল ও নিয়ন্ত্রণ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে শায়েস্তা করেছে। অনুগত পুঁজিবাদী শ্রেণি তৈরি করে সম্পদ লুণ্ঠন করেছে। সিভিল সার্ভিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে। আদালতের স্বাধীনতা খর্ব করেছে।


উপদেষ্টা বলেন, এক কথায় ফ্যাসিস্ট সরকার পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। বর্তমানে তারা বিগত ১৬ বছরে তাদের অর্জিত অবৈধ সম্পদ ব্যবহার করে অপশক্তির সম্পৃক্ততায় নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত সন্ত্রাসী, নরহত্যায় জড়িত বিশেষ হেলমেট বাহিনী, ফৌজদারি অপরাধে সম্পৃক্ত ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা, অর্থ পাচারকারী, লুণ্ঠনকারী, ষড়যন্ত্রকারী, দুস্কৃতকারী, রাষ্ট্রদ্রোহী, দুদকের মামলায় আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।


তিনি বলেন, সরকারের পুলিশ বাহিনী, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যককে গ্রেফতার করেছে। এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সারা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপতৎপরতাকারী এবং তাদের সহযোগিদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীসমূহের সমন্বয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযান পরিচালনা শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সারা দেশের অভিযান সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক কার্যক্রম তদারকি করা হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে স্থাপিত জয়েন্ট অপারেশন সেন্টারের মাধ্যমে অপারেশন ডেভিল হান্টের সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করা হবে।


তিনি আরও বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিযান পরিচালনায় সমন্বয় করবেন। সিএমএম আদালত, এমএম আদালত, সিজেএম আদালত, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, স্পেশাল আদালতের বিচারক, আদালতে সরকার পক্ষের আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা এই অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য নিয়োজিত। এছাড়াও সরকার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৮ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করেছে অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়ালের জন্য। আপনারা দক্ষ ও প্রশিক্ষিত সচেতন নাগরিক। আপনাদের দেশের জনগণ, সরকার এবং নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি জবাবদিহিতা, দায়বদ্ধতা ও কমিটমেন্ট রয়েছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আপনাদের অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় ভূমিকা পালন করা দরকার। আমরা কোনো অপরাধীকে রাস্তায়, বাজারে, মাঠে, ময়দানে, রাজপথে দেখতে চাই না। প্রত্যেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে চাই। তাদের বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর হতে বলবো। অপারেশন ডেভিল হান্টের বিষয়ে আমি বলবো, কোনো শয়তান যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকে পালিয়ে না যেতে পারে।


উপদেষ্টা বলেন, আইনজীবীদের আমি বলবো আপনারা আদালতে দায়েরকৃত প্রতিটি মামলার ধার্য তারিখে ও সময়ে উপস্থিত থাকুন। প্রসিকিউটিং এজেন্সির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পর্যাপ্ত তথ্য দিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ রাখুন। কোনোভাবেই যেন কোনো সন্ত্রাসী জামিন না পায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে আইজিপির টিম মামলাভিত্তিক অগ্রগতি নিয়ে পাবলিক প্রসিকিউটরদের সঙ্গে ১৫ দিন পর পর বসতে পারেন অগ্রগতি, গ্যাপ, ডকুমেন্ট, নথি পর্যালোচনা ও আদালতে উপস্থাপনের জন্য। আমরা দেখেছি রাজনৈতিক বিরোধীদের নিধনের জন্য বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার হাজার হাজার মামলায় নিরীহ, নিষ্পাপ সাধারণ মানুষকে আদালতের প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে বছরের পর বছর জেলে আটকে রেখেছে। নিষ্পাপ মানুষকে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এই অন্যায় আচরণের বিচার হয়তো একদিন হবে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসী, মানুষের বুকে গুলি করে ঝাঁঝরা করা, হেলমেট বাহিনী, দুস্কৃতকারী, উসকানিদাতা, জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী ও দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার করে আদালতে যাবে আর তথ্যের সীমাবদ্ধতা কিংবা এজেন্সিগুলোর ব্যর্থতার কারণে জামিন হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়বে এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল; শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ প্রমুখ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে শাস্তি দেবে ইসরাইল

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে শাস্তি দেবে ইসরাইল
যুদ্ধের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজায় যুদ্ধ ইস্যুতে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই মধ্যে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা ঠেকাতে ব্যাপক দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন নেতানিয়াহু। আমেরিকাও বিষয়টি প্রতিরোধে নানা তৎপরতা শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সংশ্লিষ্ট বিচারকদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথাও ভাবছে দেশটি।

এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকেও টেনে আনল ইসরাইল। দুই ইসরাইলি এবং মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছ, ইসরাইলি সরকার বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছে যে, যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে, তাহলে তারা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া শুরু করবে, যা তাদেরকে পতনের দিকে নিয়ে যাবে।

সম্প্রতি ইসরাইলি গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, আইসিসি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, সামরিক বাহিনীর প্রধান হার্জি হালেভি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নেতানিয়াহু বলেছেন, যদি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় তবে এটি ‘ঐতিহাসিক পর্যায়ের একটি কেলেঙ্কারি’ হবে।

মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে দাবি করেছে,  ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে, তারা ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কর রাজস্ব স্থানান্তর বন্ধ করে দেবে। আর এমন পদক্ষেপ নেবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে দেউলিয়া করে দেবে।

প্রসঙ্গত, ইসরাইল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পক্ষে ট্যাক্স সংগ্রহ করে এবং ১৯৯৪ সালে অসলো চুক্তির অধীনে তাদেরকে মাসিক ভিত্তিতে তা স্থানান্তর করে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের তারিখ পেছাল

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের তারিখ পেছাল
ছবি: সংগৃহীত



১৫ অক্টোবরের পরিবর্তে আগামী ১৭ অক্টোবর শুক্রবার জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হবে। জনসাধারণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।


বৈঠক শেষে কমিশন সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ জানান, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আগ্রহী জনগণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানটি ১৭ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। যদিও এর আগে কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল ১৫ অক্টোবর বুধবার বিকেলে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হবে।


বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে এতে।


বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত


স্বরাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলগুলো কিছু সমস্যার সমাধান করলে এবং জনগণ সচেতন থাকলে নির্বাচন সুন্দর হবে। 


রোববার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদায়ন এবং বদলির ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না দাবি করে তিনি যে কোনো অনিয়মের খবর প্রকাশ করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান। 


তিনি আরও জানায়, একক ব্যক্তির নামে সিম কার্ডের সংখ্যা ১০টি থেকে ২টিতে কমিয়ে আনতে চায় সরকার। নির্বাচনের আগে সেটি ৫-৭টিতে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। 


তারেক রহমানের জন্য বুলেট প্রুফ গাড়ির অনুমতি দেয়ায় তার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শংকা আছে কিনা এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, অন্য কেউ চাইলেও অনুমতি দেওয়া হবে। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১০

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১১

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১২

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

১৩

বিগত দুই সরকার শিশুদের হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

১৫

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

১৬

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছেরের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

১৭

আমরা হজযাত্রীদের খাদেম, তাদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব : ধর্মমন্ত্রী

১৮

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৯

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

২০