

যে সকল ব্যক্তি নিরক্ষর, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ছবির নিচে টিপসই (আঙুলের ছাপ) প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিস্টেম ম্যানেজারকে নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
ইসির এনআইডি মহাপরিচালক মো. মাহবুব আলম তালুকদার নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে এনআইডি পরিচালককেও (অপারেশনস) পাঠিয়েছেন।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো উপজেলায় বদলি জনিত কারণে পদ ফাঁকা হলে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিকল্প কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। অর্থাৎ পদ ফাঁকা রাখা যাবে না।
এছাড়া নতুন ভোটার নিবন্ধনে ডাকঘর এন্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যা নিরসন করা, নতুন ভোটার শনাক্তকারীর এনআইডি ডাটাবেজে রাখা ও তদন্ত দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
অন্যদিকে নিরক্ষর ভোটারের এনআইডিতে ছবির নিচে আঙুলের ছাপ, ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদনকারীর সশরীরে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, বিদেশে অবস্থিত মিশন হতে সংগৃহীত জন্ম সনদে মুদ্রণজনিত ত্রুটি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জাানায়, নিরক্ষর ব্যক্তিদের এনআইডিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা দীর্ঘ দিনের। অনেকে আবেদনে স্বাক্ষর না পারলেও কোনো একটা স্বাক্ষর করে দেন৷ কিন্তু পরবর্তীতে সেটা আর মেলে না৷ আবার যারা স্বাক্ষর করেন না, তাদের জন্যও কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই এখন থেকে এনআইডিতে ছবির নিচে নিরক্ষরদের আঙুলের ছাপ প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনের ট্রিপ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। স্পেশাল ট্রেনটি দিনে ২ বারের পরিবর্তে ৪ বার যাতায়াতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ প্রস্তাবনা গৃহীত হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
তারা বলছেন, বিদ্যমান জনবল এবং লজিস্টিকস ব্যবহার করেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার স্পেশালকে নিয়মিত করা ও ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।
তাই রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেন্ডেন্টের প্রস্তাবটি রেলভবন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিপুল যাত্রীচাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে।
গত ১১ ডিসেম্বর রেলওয়ে মহাপরিচালককে চিঠি দেন পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। ওই চিঠিতে বলা হয়, যাত্রী চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ট্রেন স্থায়ীভাবে পরিচালনার জন্য কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকার সামাজিক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি আরও এক জোড়া ট্রেন যোগ করে এখন দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার প্রস্তাব করা হলো।
নতুন প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রথম ট্রেন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছাড়বে সকাল সাড়ে ৬টায়। কক্সবাজারে পৌঁছাবে সকাল ১০টায়। ওই ট্রেন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার রেলস্টেশন ছেড়ে যাবে। চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর সোয়া ২টায়। চট্টগ্রাম থেকে দুপুর পৌনে তিনটায় ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ফের ছেড়ে যাবে। ওই ট্রেন কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে। কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টায় আবার ছাড়বে। সেটি চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছাবে রাত সাড়ে ১০টায়।
জানা যায়, ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ২০২৩ সালের নভেম্বরে উদ্বোধনের পর প্রথম এই রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় ২০২৩ এর ১ ডিসেম্বর। বিপুল যাত্রীচাহিদা থাকলেও এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি নিয়মিত ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
এর বড় কারণ হচ্ছে, বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যমান ব্যবস্থায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ফলে এই রুটে স্বাভাবিক সময়েই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন অনেকটা ‘সোনার হরিণ’পাওয়ার সমান।
এমন বাস্তবতায় ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গত ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ঈদের দিন বাদ দিয়ে সেটি চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ১৭ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই ট্রেন ফের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ট্রেনটি এখনও চলছে।
রেলওয়ের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম) এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, কক্সবাজার রুটে ট্রেনের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিন ও কোচসংকটের কারণে নতুন ট্রেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এখন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত যে বিশেষ ট্রেন চলছে, তা দিয়ে দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেন বাড়লে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
‘নেই পাশে কেউ যার, সমাজ সেবা আছে তার' এই প্রতিপাদ্যে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে মুক্ত আড্ডা মিলিত হয়। পরে ওয়াকাথন ও কল্যাণ রাষ্ট্র বিষয়ে মুক্ত আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সমাজ সেবা কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. নাহিদ ইসলামের সঞ্চালনায় কল্যাণ রাষ্ট্র বিষয়ে মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি,কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুল হালিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম,কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নানাবিধ কর্মসূচী গ্রহণ করেছে সরকার। যা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিরাপত্তায় সমাজ সেবার পাশাপাশি অভিভাবকদের আরো বেশী করে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।
এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন, বিএডিসি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৃনালিণী কর্মকার, সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেন, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হাজেরা বেগম সহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপক্ষো করেই জমি তৈরি করে বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা। কৃষকদের আশা, আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার তারা বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবেন। গেল বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় কচুয়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইরি-বোরো ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ফলে উপজেলার গ্রামাঞ্চল কিংবা পৌরসভার আবাদী ও অনাবাদী জমিতে ব্যাপকহারে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে শ্যালো মেশিন কিংবা পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি দিয়ে ধান রোপণের জন্য জমি উপযোগী করে তুলছেন বেশিরভাগ কৃষক। অধিকাংশ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা ও বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমি।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে দেখা যায় ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পালাখাল, সাচার, বিতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পুরোদমে বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গেলো বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় এবারও দাম ভালো পাওয়ার আশায় আছেন চাষিরা।
পালাখাল গ্রামের ধান চাষী ফজল হক ও ফজলু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ধানের দাম বাজার বেশি থাকায় বোরো রোপণ করছি অধিকাংশ জমিতে। আরও অনেক জমিতে রোপণ করা বাকি আছে। বাজারের ধানের দাম বেশি। তাই বোরো ধান চাষ বেশি আবাদ করবেন বলে জানান তারা।
দোয়াটি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা অনেক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন করেছি, বাকী জমি গুলোতে পর্যায়ক্রমে রোপন করা হবে। আশা করছি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের ফলন ভালো হলে দাম পাওয়া যাবে।
এব্যাপারে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বোরো চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তবে এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রোপণ হতে পারে বলেও জানান তিনি। তাছাড়া বোরো আবাদে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া:
কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে সরকারি রাস্তার উপর দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে গড়েউঠা প্রায় ফলফলাদীসহ শতাধিত বিভিন্ন দোকান ও ভ্রাম্যমান স্থাপনা স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রশাসনেরউর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্র্দেশে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বাপ্পী দত্ত রনি'র নেতৃত্বে সোমবার বিকেলে সাহসি এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন সাচার ইউনিয়নের প্রশাসক ও কচুয়া উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম, সেনাবাহিনি’র সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো: এমদাদুল হক, সাচার পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ (এসআই) মো: শাহজাহান, কচুয়া প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: এমদাদ উল্যাহ।
এদিকে সাচার বাজারে সরকারি রাস্তার উপর দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে গড়েউঠা প্রায় ফলফলাদীসহ শতাধিত বিভিন্ন দোকান ও ভ্রাম্যমান স্থাপনা স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট নিরসন, সময় অপচয়রোধ ও অতিরিক্ত খরচ রোধে চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার প্রসন্নকাপ গ্রামের মাঠে রাইসপ্লান্টারের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপন করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবু তাহের, এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি, ওসি এম আব্দুল হালিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওসমান গণি।
আয়োজকরা জানায়, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় প্রসন্নকাপ গ্রামের ৮০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হবে। এই পদ্ধতিতে বীজতলা ও ধানের চারা রোপণে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষিতে খুলছে এক নতুন দুয়ার।
তাছাড়া প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে জমি ও সময় অপচয়রোধে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যুগোপযোগী পদ্ধতি হচ্ছে সমলয় চাষ। স্বল্প জমিতে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে লাগানো যায় ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করলে সময় কম লাগবে।' এতে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিক সংকট দূর হবে। কৃষকরা আরও বেশী লাভবান হবেন।
এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফারুকুল ইসলাম,শম্ভু নাথ,অমল সরকার,প্রসন্নকাপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিবাস চন্দ্র গোপ,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, সাধারন সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ,ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান বাহাদুর সহ এলাকার কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মাদ্রাসায় বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা। নতুন বছরের এমন নতুন বই পেয়ে আনন্দ উল্লাসিত তারা। মাদ্রাসার ১ম শ্রেনী থেকে নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব বই বিতরণ করা হয়।
এদিকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জানান, বছরের প্রথমে বই পেয়ে আমরা আনন্দিত। এজন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই।
মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মো. সাদেকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও আরবী প্রভাষক নেয়ামত উল্যাহর পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ উল্যাহ,মঈনুল হাসান,সহকারী মৌলভী আব্দুল কুদ্দুস খান সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
কুরআন হাদীসের আলোকে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় কচুয়া উপজেলার হরিপুর দারুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোডিং। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এলাকায় দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় আলো ছড়াচ্ছে। তাই মাদ্রাসাটি নতুন আঙ্গিকে দ্বিতল ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার বিকালে উপজেলার হরিপুর গ্রামে অবস্থিত দারুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম তুহিনের সার্বিক আয়োজনে এ মাদ্রাসাটি উদ্বোধন করা হয়। এতে ফিতা কেটে মাদ্রাসার শুভ উদ্বোধন করেন বানিয়াপাড়া দরবার শরীফের পীর মো. আবু বকর ছিদ্দিক আল কাশেমী। গ্রামীন পর্যায়ে নান্দনিক সৌন্দর্য মন্ডিত দ্বিতীয় তলা মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম তুহিনের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, জজ কোর্টের সহকারী এ্যাটানী জেনারেল এডভোকেট আবুল ফজল পলাশ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মোশারফ হোসেন,বিতারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহীদ ভূঁইয়া, সমাজসেবক মোস্তফা কামাল,মোখলেছুর রহমান,মাদ্রাসার পরিচালক শাহজাহান মুকুল,আবুল কালাম তুষার ও মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মো. ইব্রাহিম সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম তুহিন বলেন, কুরআন হাদীসের আলোকে দ্বীনি শিক্ষার মাধ্যমে হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি যাতে আপনাদের সকলের সহযোগীতায় যাতে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারি। এই মাদ্রাসা ও এতিমখানা শুধু আমাদের নয় সকলের। তাই এটার ভালো মন্দ দেখার দায়িত্ব সবার।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন বিইআরসি কার্যালয়ে নতুন এই দাম ঘোষণা করেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন জানান, প্রতি কেজি এলপিজির দাম হবে ১০৭ টাকা ১ পয়সা। সে অনুসারে দাম বাড়বে সাড়ে ৫ থেকে ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের।
নতুন সমন্বিত দাম অনুসারে, যানবাহনে ব্যবহৃত প্রতি লিটার সিএনজির দাম হবে ৫৮ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগে ছিল ৫২ টাকা ১৭ পয়সা।
সেপ্টেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৮৪ টাকা। গত মাসে এটা ১৪১ টাকা বেড়েছিল।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। ঘোষিত নতুন দাম কার্যকর হবে রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবের হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বান্দরবান মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির নেতারা পার্বত্য জেলা বান্দরবানে আরও সাশ্রয়ী ভ্রমণের লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার এই ঘোষণা দেন।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম বলেন, বান্দরবানের প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপগুলো নিয়মিত চলাচল করার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি চালক একজন দক্ষ গাইড হিসেবে কাজ করেন। আমরা আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বরের পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা করছি।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম আরো জানান, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান সবচেয়ে বেশি সম্প্রীতির জেলা হিসেবে পরিচিত। এই জেলার পাহাড়ি ও বাঙালি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে। এই সম্প্রীতির সহাবস্থান দেখার পাশাপাশি বান্দরবানে নতুন নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠছে এবং সেখানে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়ত কাজ করছেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল বাজার ব্যবসায়ী এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিশেষ ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ২টা থেকে মাগরিব পর্যন্ত এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও পালাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওলানা শরীফুল ইসলাম ও কচুয়া জামিয়া ইসলামিয়া আহমাদিয়া মাদ্রাসার মুফতি মাওলানা শাহজালাল ইব্রাহিমী এবং ক্বারী মো. তাফাজ্জল হোসেন মুন্সীর যৌথ পরিচালনায় প্রধান মেহমান হিসেবে দ্বীন ও ইসলাম সম্পর্কে বয়ান রাখেন, কচুয়া জামিয়া ইসলামিয়া আহমাদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু হানিফ।
বিশেষ মেহমান হিসেবে বয়ান রাখেন, জামিয়া ইসলামিয়া ইব্রাহীমিয়া উজানী মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মাহবুবে এলাহি, জামিয়া দারুল উলুম বরুড়া মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মুফতি আতাউল্লাহ, নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা নুরুজ্জামান, দহুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী, সফিবাদ দরবার শরীফের পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম, পালাখাল বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আজিজুল হক সালেহী সহ আরো অনেকে।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তি ব্যবহারিক জীবনে কুরআন ও সুন্নায় বর্ণিত আদবসমূহ মেনে চলতে পারলে ব্যক্তিগতভাবে সে দুনিয়ার জীবনে একজন ভদ্র, শালীন ও সভ্য মানুষ হিসেবে সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবে এবং পরকালীন জীবনে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণের মিছিলে শামিল হতে পারবে। তাই আমাদের ভ্রান্ত ধারনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কুরআন সুন্নাহের আলোকে আমাদের মেনে চলতে হবে।
এসময় পালাখাল বাজারের ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও ওলামায়ে কেরামগন ওয়াজ দোয়ার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। পরে মুসলিম উম্মার মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন