ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়

কুড়িগ্রামে দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের আয়োজনে সকল বয়সের নারী পুরুষদের নিয়ে কুড়িগ্রামে দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়  করছে।

আজ সকালে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে কালে ডাক্তার পাড়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। 

সকাল থেকেই বেশ কৌতূহল নিয়ে ডাক্তারপাড়া গ্রামে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী মানুষদের আগমনে মিলন মেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। এসব খেলা দেখতে এলাকার সব বয়সী মানুষের অংশ গ্রহণে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। কিছুক্ষণের জন্য অনেকে যেন নিজের বয়স ভুলে ফিরে যান অতীতে কিংবা শৈশবে।

গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে ছিল বিস্কুট দৌড়, হাড়িভাঙ্গা,  বালিশ খেলা, সুঁই সুতা, সাঁতার, চোখ বেঁধে হাঁস ধরা, তৈলাক্ত কলা গাছ বেয়ে চড়া, পানিতে বলিশ খেলা ও যেমন খুশি তেমন সাজ। সকল বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ ৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ী ৩০জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও পিপি এস এম আব্রাহাম লিংকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মাসুদ, কুড়িগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়, বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সূর্য, দৈনিক মানবজমিন ও করতোয়ার সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টু, উলিপুর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার অমিত চন্দ্র পাল প্রমুখ।

খেলা দেখতে আসা মোঃ আব্দুল হাই বলেন, এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের অতীত খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম।

শিক্ষার্থী মোঃ নুর মামুন বলেন, টিভিতে মাঝে মধ্যে এসব খেলা দেখি।আজ স্বচোখে দেখে খুব মজা করছি। আগে গ্রাম গঞ্জে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে বৈশাখী মেলায় গ্রামে গ্রামে এসব খেলা হতো।এখন এগুলো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ও নতুন প্রজন্মদের জন্য এসব খেলা অবহ্যত রাখা উচিৎ। 

দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের সভাপতি রেজওয়ানুল হক নুরনবী বলেন, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক বলেন, কালের বিবর্তনে গ্রামীণ খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগে মোবাইল ইন্টারনেটের কারনে এসব খেলা থেকে মানুষজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকার ও সচেতন মহলের উচিৎ গ্রামীণ খেলাধুলাকে বাচিয়ে রাখতে সু দৃষ্টি রাখা।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ঈদুল আজহায় ছুটি ১০ দিন: প্রেস সচিব

ঈদুল আজহায় ছুটি ১০ দিন: প্রেস সচিব

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সব মিলিয়ে টানা ১০ দিনের ছুটি অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আজ মঙ্গলবার (৬ মে) সচিবালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফলে ছুটি শুরু হবে আগামী ৫ জুন, শেষ হবে ১৪ জুন। তবে ঈদের ছুটি শুরুর আগে ১৭ মে ও ২৪ মে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান। একই পোস্টে তিনি সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ অনুমোদন হওয়ার তথ্যও জানান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পোস্টে বলেন, ক্যাবিনেট সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন করেছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১০ দিনের ছুটি থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছুটির জন্য আগামী ১৭ মে ও ২৪ মে, শনিবার সরকারি অফিস খোলা থাকবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষ আগামী ৭ জুন বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হতে পারে। ঈদের আগের দুইদিন ও পরের তিনদিন মিলিয়ে মোট ৬ দিনের ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।

এর সঙ্গে নির্বাহী আদেশে ১১ ও ১২ জুনের ছুটি যোগ করা হয়েছে। এর পরের দুইদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এবার ৫ থেকে ১৪ জুন একটানা দশ দিনের দীর্ঘ ছুটি মিলছে সরকারি চাকরিজীবীদের।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পিজিআরকে চেইন অব কমান্ডের প্রতি আস্থাশীল থাকতে হবে : রাষ্ট্রপতি

পিজিআরকে চেইন অব কমান্ডের প্রতি আস্থাশীল থাকতে হবে : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং ‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।


রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।

পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।

মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।  

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর  সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন। সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায়।

রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।



তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তার কাছে প্রশ্ন ছিল, সরকার কেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না?

জবাবে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, আগে যে সিন্ডিকেট ছিল তা নিয়ন্ত্রণ করত আওয়ামী লীগ সরকার, কিন্তু সিন্ডিকেটের ভেতরে ছিল ব্যবসায়ীরা। এখন তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।

“কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও সহযোগিতা করতে হবে। কারণ, দলগুলো যদি আগের সেই প্রাকটিসে ঢুকে যায়, তাহলে এতগুলো মানুষের জীবন দেওয়ার কোনো দরকার ছিল না। এখন দলগুলোর মধ্যে একটা পজিটিভ বিষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। দলগুলো কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আশা করি তৃণমূলেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তাহলে স্থানীয় চাঁদাবাজি কমে আসবে। সরকারি পর্যায়েও এ বিষয়ে আমরা কঠোর হব। দুর্গাপূজা নিয়ে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সেটা ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ড্রাস্টিক অ্যাকশনে যাব। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় ইনভলব। বন্যার কারণে শাকসবজির সরবরাহ কমেছে। পর পর দুটো বন্যা হয়ে গেছে। সেই বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে। তবে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদেরকে হার্ডলাইনে যেতে হবে। যেসব করপোরেট প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দাম বাড়াবে তাদেরকে অ্যারেস্ট করব।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

স্ত্রীর যৌতুক মামলায় আত্মসমর্পণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফির

স্ত্রীর যৌতুক মামলায় আত্মসমর্পণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফির

স্ত্রীর করা যৌতুক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানভীর রাহী।

বুধবার (১৩ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপসের শর্তে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক মঞ্জুরুল ইসলাম ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।

গত ৮ মার্চ ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগ এনে রাহীর বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্ত্রী ফাহিমা বিনতে মাহবুব পুস্পিতা। মামলার পর আদালত রাহীকে ১৫ এপ্রিল হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। তবে ওইদিন তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বাদীপক্ষ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করে। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আজ আদালতে আত্মসমর্পণের পর রাহীর পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী ইশতিয়াক শাহরিয়ার। তিনি আদালতে বলেন, প্রেমের সম্পর্কের পর ৩০ লাখ টাকা দেনমোহরে রাহী ও পুস্পিতা বিয়ে করেন। পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে পুস্পিতা বাসা ছেড়ে চলে যান এবং পরে মামলা করেন। বর্তমানে উভয় পক্ষই সংসার করতে চান। তাই আপসের স্বার্থে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত জামিন চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৭ আগস্ট ৩০ লাখ টাকা দেনমোহরে রাহী ও পুস্পিতা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে পুস্পিতাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ৫০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করা হয়। পরে তিনি ৯৯৯-এ ফোন দিলে তাকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় জিডি করেন পুস্পিতা।

এছাড়া গত ১ মার্চ রাতে লালবাগ হোস্টেলের সামনে দেখা করতে ডেকে গাড়ি কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। টাকা না দিলে বিবাহ বিচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ১০, আহত কমপক্ষে ৩৩

কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ১০, আহত কমপক্ষে ৩৩

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ১০ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩৩ জন আহত হয়েছেন এবং ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি।

রোববার (৭ এপ্রিল) দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হওয়া ঘূর্ণিঝড়ে এ তাণ্ডবলীলা ঘটে। ভোলার মনপুরা ও লালমোহন, পিরোজপুর, বাউফল, বাগেরহাট ও ঝালকাঠিতে এ ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়।

পিরোজপুর:

পিরোজপুরে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড়ে গাছচাপায় এক নারী ও ঝড়ে উড়ে গিয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।

জেলার ওপর দিয়ে ১৫ মিনিট ঝড়ো গতিতে বাতাস বয়ে যায়। পুরো জেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শত শত গাছ উপরে পড়ে কয়েকশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পৌরসভার প্রায় সব সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। 

পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়ে পিরোজপুরের সদর উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার রমজান আলী জানান, এ ঝড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ১২ থেকে ১৩ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভোলা:

ভোলার মনপুরা ও লালমোহনে দুপুরের দিকে আকস্মিক ঝড় শুরু হয়। এতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় নিজ ঘরে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতেও একজন মারা গেছেন।

মনপুরার দুপুর ১২টা দিকে হওয় ঝড়ের তাণ্ডবে দাসের এলাকায় ছয় জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। যাত্রীদের সবাইকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারটির খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান জানিয়েছেন, নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলায় ১৬ টন চাল তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

বাউফল:

বাউফলে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া ৩৫ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে ২জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে বাউফলে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ ঝড় হয়েছে। এতে তেতুলিয়া নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোণিত কুমার গাইন হতাহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধার ও অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

বাগেরহাট:

বাগেরহাটে ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ও বিলবোর্ড পড়ে ১ জন নিহত ও ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সকাল ৯টা ৪০ থেকে ১০ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলা ঝড়ে অন্তত দেড় শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

এদিকে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, কচুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আকস্মিক ঝড়ে বেশকিছু ঘরবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিপূরণ নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের  নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

ঝালকাঠি:

ঝালকাঠির ২ উপজেলায় ঝড়ের সময় মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ নারী ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।  আজ বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শেখেরহাট, পোনাবালিয়া ইউনিয়ন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।  

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমাদের।

তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।

গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।

তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কুমিল্লা শিশু পার্ক সেজে উঠেছে বর্ণিল ক্যালিওগ্রাফিতে

কুমিল্লা শিশু পার্ক সেজে উঠেছে বর্ণিল ক্যালিওগ্রাফিতে

কুমিল্লা শিশু পার্ক এমন এক জায়গায় যেখানে আনাগোনা সব বয়সী মানুষের হয়, ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।

শিশুরা এসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখানে অনেক রাইড,দোলনা সহ অনেক কিছু যেমন আছে বয়সী ব্যক্তিরা এসেও যেন এখানে দু'দন্ড গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে তেমন পরিবেশ রয়েছে।

সারা দেশের দেয়ালগুলো শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিতে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে।

কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শিশু পার্কের দেয়ালগুলো এর ব্যতিক্রম নয়।


বর্ণিল ক্যালিগ্রাফি আর গ্রাফিতিতে ভরে উঠেছে শিশু পার্কের প্রবেশের তোরণ।


global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদন, জরিমানা সাড়ে ৩১ লাখ টাকা

নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদন, জরিমানা সাড়ে ৩১ লাখ টাকা

অনুমোদনহীন নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, প্লাস্টিকের পাইপ ও ভেজাল ভোজ্যতেল উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছের‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব -১০ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এনায়েত কবীর সোয়েব এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বুধবার সকাল ১০টা থেকে আজ বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত র‌্যাবের একটি দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ডেমরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম।  

ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই এলাকায় অনুমোদনহীন নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, প্লাস্টিকের পাইপ ও ভেজাল ভোজ্যতেল উৎপাদন, মজুত ও বিক্রি করার অপরাধে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।  

এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা মূল্যের নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ও ভেজাল ভোজ্যতেল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানএই কর্মকর্তা।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

জনসম্পৃক্ততা বিঘ্নিত না করে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

জনসম্পৃক্ততা বিঘ্নিত না করে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা দেয়ার নির্দেশ  রাষ্ট্রপতির

জনসম্পৃক্ততা বিঘ্নিত না করে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শুক্রবার (২৮ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠান ও নৈশভোজের আগে এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে রাষ্ট্রপতি ভিভিআইপিদের জন্য নিরাপত্তাবলয় তৈরিতে সব সহযোগী এজেন্সির সঙ্গে সুসম্পর্ক, নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখার পাশাপশি ভিভিআইপিদের জনসংযোগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখার তাগিদ দেন।

অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান, পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর পেশাদার, দক্ষ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি চৌকস বাহিনী হিসেবে এসএসএফ গড়ে তোলা হয়েছে। ১৯৮৬-এর ১৫ জুন, রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনী (পিএসএফ) গঠিত হয়, পরবর্তী সময় দেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পর একে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) নামে নামকরণ করা হয়। এসএসএফ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু পরিবার এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী ভিভিআইপি ও বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সুরক্ষা প্রদান করে এবং ভিভিআইপিদের ওপর সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ এবং সক্রিয় হুমকি থেকে ভিভিআইপিদের সুরক্ষায় বেসামরিক প্রশাসন এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ভিভিআইপিদের অফিস ও বাসস্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে এসএসএফ।

 

অতি কঠোরতা ও বাড়াবাড়ির কারণে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা ও জনগণের মধ্যে যেন কোনো দূরত্ব বা ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয় সেদিকটিও অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করারও নির্দেশনা প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, নিরাপত্তা আর জনসম্পৃক্ততা দুটিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি সদা পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় এসএসএফ সদস্যদের সর্বদা বলিষ্ঠ মনোবল, প্রশ্নাতীত আনুগত্য ও পেশাদারত্বের সর্বোত্তম প্রয়োগ ঘটানোর উপদেশ দিয়ে এসএসএফকে বলেন, প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। আপনাদের কোনো আচরণে জনগণ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। জনগণ থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে নয়, বরং জনসম্পৃক্ততা স্বাভাবিক রেখেই পেশাদারত্বের সঙ্গে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএসএফের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান ।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষায় হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার পরে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ১টা ৪০ মিনিটে  হাসপাতালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে উদ্ধৃত করে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপার্সনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০