

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া (চাঁদপুর):
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সুন্দরী খাল কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হয়ে এখন তা এলাকাবাসীর দূর্ভেগের কারণ।
ওই দু’ইউনিয়নটিতে ছোট বড় মিলেয়ে প্রায়ই অনেক খাল রয়েছে। তন্মধ্যে সুন্দরী খাল অন্যতম। এই খাল দিয়ে আগে নিয়মিত পরস্কিার পানি ও নৌকা যাতায়াত করত। এই খাল গুলোতে এলাকাবাসী গোসল সহ নানান রকম কাজ কর্ম করতো। কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য হারিয়ে গেছে এখন আর চোখে পড়ে না।
খাল গুলোতে এখন কচুরিপানায় দখলে চলে গেছে। এর ফলে পানি দুষিত হয়ে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। এছাড়া দুর্গন্ধে মানুষ বসবাস করতে পারে না।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার বক্সগঞ্জ হয়ে মালচোয়া গ্রামে অতিবাহিত হয়ে পাশ্ববর্তী মতলব উপজেলা সংযুক্ত রয়েছে। তাছাড়া কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ও পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে এ সুন্দরী খাল বয়ে গেছে। এই সুন্দরী খালের মাধ্যমে দুটি ইউনিয়নের ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের অভ্যন্তরে পানি প্রবেশ করায় কৃষক বিনা সেচে রবি শস্য অবাদ করত। আস্তে আস্তে কচুরিপানায় খালটিকে গ্রাস করে ফেলায় ছোট নৌকাও চলাচল করতে পারে না।
স্থানীয় অধিবাসী গোলাপ শাহ, মহিউদ্দিন ও তাজুল ইসলাম সহ একাধিক লোকজন জানায়, সুন্দরী খাল দুটি ইউনিয়নের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটির এখন কচুরিপানায় ভরা। সাপ-বিচ্ছু সহ নানা বিষধর পোকামাকড়ে আতংকিত থাকি সবসময়। এক সময় দুই ইউনিয়নের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল এটি।
এ ব্যাপারে পশ্চিম সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই খাল গুলোতে কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ আসে না। এই খাল গুলোর কচুরিপানা পরিস্কারের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ততা করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরী খালের কচুরিপানা পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিদিপ্তা
চক্রবর্তী ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি নাটক থেকে সিনেমা সকল জায়গাতেই
অভিনয়ের ছাপ ফেলেছেন। ব্যক্তিজীবনে পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেছেন বিদিপ্তা।
বিদিপ্তার
শাশুড়ি ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা চৈতালী দাশগুপ্ত। বিরসার সঙ্গে বিয়ের অনেক আগে
থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। এক সাক্ষাৎকারে সেটাই জানালেন এই অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী
বিদিপ্তা বলেন, তাদের বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল। তখন তো বিরসাকে (বর্তমান স্বামী) ছোট
দেখেছি। হয়তো কখনও গালও টিপে দিয়েছি আদর করে, ঠিক মনে নেই। স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায়
৭ বছরের বড় তিনি। কিন্তু বয়সের এই ফারাক কোনোদিন তাদের সম্পর্কে বাধা হয়নি।
তবে
বিরসাকে বিয়ের আগেই বিবাহিত ছিলেন বিদিপ্তা। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তানও ছিল বিদিপ্তার।
কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। ডিভোর্সের পর মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা।
তখনই বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে পরিচয়। ২৫ বছর বয়সী বিরসার তখন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছিল।
আমিও বিচ্ছেদ নিয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। একটা সময়ে দুজনের সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। আমাদের
পরিবারও বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
অভিনেত্রীর
শাশুড়ি চৈতালী দাশগুপ্ত বলেন, বন্ধু কখন বউমা হয়ে গেল, সেটা একদম চমকপ্রদ গল্প।
মন্তব্য করুন


১৭ জুন শনিবার ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে আদালত চত্বরে পৌঁছান আমিশা। এরপর রাঁচি সিভিল কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এরপরেই আদালত শর্তসাপেক্ষে অভিনেত্রীর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করেন।
গেল এপ্রিল মাসে আমিশা প্যাটেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেছিলেন রাঁচি হারমু জেলার বাসিন্দা অজয় কুমার সিং।
জানা গেছে, আড়াই কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় অভিযুক্ত এই নায়িকা।
অজয় কুমার সিং-এর অভিযোগ অনুযায়ী, আমিশা তাকে ‘দেশি ম্যাজিক’ নামে একটি সিনেমার জন্য অর্থ বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি সিনেমাটি নির্মাণ ও প্রচারের জন্য আমিশার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২.৫ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছিলেন। ২০১৩ সালে সিনেমাটির শুটিং শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি।
অজয় কুমার সিং-এর দাবি আমিশা ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার আশ্বাস দিয়েছিলেন সিনেমাটি শেষ হওয়ার পরে সুদের সঙ্গে তিনি আসল ফেরত পাবেন। বারবার দেরি হওয়ার পর, আমিশা অজয় কুমার সিংকে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ২.৫ কোটি এবং ৫০ লাখ টাকার দুটি চেক দিয়েছিলেন, যা বাউন্স হয়ে যায়। এরপরই আমিশা ও তার ব্যবসায়ীক সঙ্গী ক্রুনালের নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ১২০ ধারায় মামলা দায়ের করেন অজয়।
এদিকে, জালিয়াতি এবং চেক বাউন্সের মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২১ জুন ধার্য করা হয়। ওইদিন আমিশাকে রাঁচি আদালতে শারীরিকভাবে হাজির হতে বলা হয়।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে
যমুনার চরাঞ্চল শুকিয়ে জেগে উঠেছে যমুনার বুকে ধূসর বালুচর। আর এই বালুচরে অধিক
লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। ইতিমধ্যে বাদাম গাছের সবুজ
পাতায় ছেয়ে গেছে পুরো বালুচর। বালি মাটির নিচে রোপন করা এ বাদামই যেন চরাঞ্চলের
কৃষকদের এখন লাভবান হওয়ার স্বপ্ন।
গত বছর বাদামের বাম্পার
ফলন হওয়ায় এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বাদাম ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন
দেখছেন যমুনা চরাঞ্চলের কৃষক। যমুনা বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ধুধু বালুচরে সারিবদ্ধ
বাদাম ক্ষেত দেখে চোখ জুড়ে যায়। বাদাম গাছ ভাল হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখে আশার আলো
জ্বলছে।
বাদাম চাষিরা বলেন,
প্রতি বছর বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে আমরা বন্যা পরবর্তী
সময়ে জেগে উঠা চরে বাদাম চাষ করি। কারণ অল্পদিনে বাদাম চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া
যায়। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।
গাবসারা চরাঞ্চলের
বাদাম চাষি গফুর মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৮ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ভালো লাভবান
হয়েছিলাম। বাদামের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর আমি প্রায় ১২ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ
করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছরেও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।
সুস্বাদু, মুখরোচক ও
ভিটামিন সমৃদ্ধ এই ফসল একদিকে যেমন খাদ্যে যোগান দিয়ে থাকে অন্যদিকে তেলের চাহিদা
পূরণ করে। বাদাম ক্ষেত থেকে কচিপাতা কেটে কৃষকরা তাদের গরু-ছাগলের খাওয়ান। এতে
গরু-ছাগল তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্যবান হয়। তাছাড়া অন্য ফসলের মতো বাদামের জমিতে তেমন
একটা সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। শুধু সময়মতো বীজ বুনে বাদাম ঘরে তোলার জন্য
অপেক্ষায় থাকতে হয়। বীজরোপণে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তুলে সংগ্রহ ও
হাট-বাজারে বিক্রি করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি
কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর যমুনা চরাঞ্চলে ১ হাজার ৩২০
হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চরাঞ্চলের বাদাম
চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বাদামের বীজ বিতরণ করেছি। বাদামের ফলন ভালো করার
জন্য আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত
পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর
বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ুর পাশাপাশি নারীর প্রজনন
হার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে বাল্য বিয়ে এবং শিশু
মৃত্যুর হার। আবার এ জরিপে উঠে এসেছে- দেশে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও বিয়ে না করা পুরুষের
সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। বয়স্ক পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। কিছুটা হলেও কমেছে বিবাহিত
দম্পতির মধ্যে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা।
গত
দশ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ক্রমান্বয়ে
প্রায় দশ শতাংশ কমেছে।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেসের অধ্যাপক ডঃ মোঃ মঈনুল ইসলাম জানান, সরকারি এই রিপোর্টে
যা উঠে এসেছে তাতে মূলত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের করুণ চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে। এর
ফলে বাংলাদেশ যে 'ট্রিপল জিরো কমিটমেন্ট', অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনার
অপূর্ণ চাহিদা (শতভাগ দম্পতিকে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আসা), মাতৃমৃত্যু ও বাল্য বিবাহ-সহ
জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শূন্যতে নামিয়ে আনার যে অঙ্গীকার করেছিল তার অর্জন দুরূহ হয়ে
উঠতে পারে বলে মনে করেন।
কেনিয়ার
নাইরোবিতে ২০১৯ সালে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এই ট্রিপল জিরো অঙ্গীকার
করেছিলো বাংলাদেশ।
প্রসঙ্গত,
বিবিএস যে জরিপের ফল প্রকাশ করেছে সে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ২০২৩ সালে। জরিপটি দেশ
জুড়ে ৩ লাখ ৮ হাজারেরও বেশি পরিবার ও বিবাহিত নারীদের ওপর পরিচালনা করা হয়েছে। তারা
এই জরিপের সাথে তার আগের বছরের তথ্যও প্রকাশ করেছে।
সূত্র- বিবিসি বাংলা
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সোমবার এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এইচএসসি পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস বিষয়ক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


এম এ হান্নান, ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আজীবন
সহযাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে
আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন ও
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,
ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।
এসময় এমপি শাওন বলেন, দেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গমাতা শেখ
ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান অবিস্মরণীয়। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের
আদর্শ ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত বাঙ্গালী নারীদের মাঝে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
দেশ ও দেশের মানুষকে নিজের পরিবার ভেবেছেন তিনি। তাই দেশের মুক্তির
সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে সর্বদা সাহস যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা।
এসময় লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল এর
সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম
হাওলাদার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসান রিমন, পৌর আওয়ামী লীগের
আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বাদলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার ১২ জন দুস্থ মহিলাদের
মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন এমপি শাওন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১৯ জুলাই ২০২৩ইং) দুপুরে বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, সাক্ষাৎকালে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতা ও নির্দেশনা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এসময় নৌবাহিনীর উন্নয়নে সরকারের নেওয়া কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও অগ্রগতিসহ ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি জানান, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীকে আধুনিক ও চৌকস বাহিনীতে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


শনিবার ২৬ আগস্ট ভোর
রাত ৪টায় পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পুকুরে প্রায় ১১ কেজি ওজনের একটি চিতল মাছ ধরা পড়েছে।
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলা এলাকার
আবু তালেব সিহাবের হুইল ছিপে ধরা পরে মাছটি।
মাছটির শিকারি আবু
তালেব সিহাব তার নিজ ফেসবুকে পোস্ট দিলে আলোচনায় আসে বিষয়টি। চিতলটি কিনতে আগ্রহ
প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, মাছটি বিক্রি না করে তিনি তার পরিবারের সবাইকে
নিয়ে ভাগ করে খেয়েছেন।
বাউফল উপজেলা উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুকুরে টিকিট কেটে আয়োজন করা হয় মাছ ধরার। সেখানে নিজেদের
বড়শি, হুইল ছিপ নিয়ে আসেন বিভিন্ন এলাকার শিকারিরা।
চিতল শিকারি আবু তালেব
সিহাব বলেন, জীবনে এই প্রথম ধরতে পারলাম এত বড় চিতল মাছ। সাধারণত পুকুরে বা ছোট
জলাশয়ে খুব কমই পাওয়া যায় বড় চিতল মাছ।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য
ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনায়
আমরা পুকুরে মাছের পোনা ছাড়েন এবং পরিচর্যা করেন। এক-দুই বছর পর পর টিকিটের
মাধ্যমে মাছ শিকারিরা আসেন এবং মাছ ধরেন। এতে যা আয় হয়, তা দিয়ে আবারও মাছ ছাড়েন
এবং সরকারি কোষাগারে কিছু টাকা জমা করেন।
মন্তব্য করুন


ভেজাল মিষ্টি দই উৎপাদন
ও বাজারজাতের অপরাধে ফেনীতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে
ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২২ আগস্ট মঙ্গলবার
দুপুরে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ
আদালত।
অভিযানটি পরিচালনা করেন,
বিএসটিআই কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম), এছাড়া
বিএসটিআই কুমিল্লার প্রতিনিধিরা। এ সময় ফেনী জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা করেন।
বিএসটিআই সূত্র জানায়,
বিএসটিআই কুমিল্লা কার্যালয়ের একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ছাগলনাইয়া উপজেলা
নির্বাহী অফিসার মৌমিতা দাশের নেতৃত্ব অভিযান চালায়। অভিযানে দেখা যায়
প্রতিষ্ঠানগুলো বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই মানহীন মিষ্টি দই উৎপাদন ও বাজারজাত
করছে।
এসব অপরাধে ছাগলনাইয়ার মেসার্স
মুসলিম খন্ডল মিষ্টি, মেসার্স খন্ডল মিষ্টি মেলা ও মেসার্স মায়ের দোয়া খন্ডল
মিষ্টি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রত্যেককে বিএসটিআই আইন-২০১৮ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা করে
মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জনস্বার্থে এ ধরনের
অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান, বিএসটিআই কুমিল্লা কার্যালয়ের কর্মকর্তা ইকবাল
আহাম্মদ।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা
উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়ায় আব্দুল আজিজ মোল্লা (১৭) নামে এক
শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে স্কুল
সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু শিকদার প্লেনে করে ভ্রমণ করলেন।
রোববার (২০ আগস্ট)
দুপুর দেড়টায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তারা ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানে ঢাকা
থেকে যশোর পর্যন্ত যান।
প্লেন ভ্রমণের
সব খরচ বহন করেছেন সভাপতি নিজেই।
স্থানীয় ও বিদ্যালয়
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জাবেদ পারভেজ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং কমিটির
সভাপতি এস এম শহিদুল ইসলাম বাবলু ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায়
যারা জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হবেন পরিবারসহ ঢাকা-যশোর প্লেনে ভ্রমণ করাবেন তাদের। আব্দুল
আজিজ মোল্লা নামের একজন শিক্ষার্থী জাবেদ পারভেজ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট থেকে জিপিএ-৫
প্রাপ্ত হন। স্কুলের সভাপতির ঘোষণা অনুযায়ী ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স বিমানে উক্ত
শিক্ষার্থীর মা-বাবা ভ্রমণে রাজি না হওয়ায় ওই শিক্ষার্থী ও তার বড়বোন রুমি
সুলতানাকে নিয়ে প্লেন ভ্রমণে যান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলার জাবেদ
পারভেজ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এস এম শহিদুল ইসলাম বাবলু
শিকদার জানান, এবার বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। আমার ঘোষণা
অনুযায়ী তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমণের আয়োজন সম্পন্ন করি। তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ভ্রমণে ইচ্ছুক
না হওয়ায় ওই ছাত্র ও তার বড় বোনকে নিয়ে আমার নিজস্ব অর্থায়নে প্লেনে ভ্রমণ করি। তবে বেশি খুশি
হতাম আরও সংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ প্রাপ্ত হলে।
জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী
জানান, সভাপতি ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তিনি তার কথা রেখেছেন। আমি জীবনের প্রথম প্লেনে চড়েছি। খুব ভালো লেগেছে। এটি একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে আমার শিক্ষা
জীবনে।
মন্তব্য করুন