

কুমিল্লায়
২,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০ কেজি গাঁজা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে
জেলা গোয়েন্দা শাখা(ডিবি)।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একাধিক টিম কুমিল্লা জেলায় বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩১ জুলাই রাতে ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বাগরা সাকিনস্থ বাগরা বাজারের জনৈক নুরুল ইসলামের ভাতের হোটেলের
সামনে হতে তল্লাশি করে ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুমন মিয়াকে গ্রেফতার
করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে মোঃ সুমন মিয়া (৩৫), পিতা-আব্দুল কাদের, মাতা-মাফিয়া খাতুন,
গ্রাম-দক্ষিন তারুয়া (মিয়াজী বাড়ী), থানা-আশুগঞ্জ, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
এ
সংক্রান্তে কুমিল্লা এর ব্রাহ্মণপাড়া থানার মামলা নং-১, তারিখ- ১ আগস্ট, ২০২৩; ধারা-
২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) তে মামলা রুজু করা হয়।
অপর
একটি অভিযানে গত ৩১ জুলাই রাতে কুমিল্লা দাউদকান্দি মডেল থানাধীন গৌরীপুর পশ্চিম বাজারস্থ
জনৈক হক সাহেবের ৪ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলার ভাড়াটিয়া মোঃ আল মামুন এর ভাড়া
বাসার ভিতরে হতে তল্লাশি করে ১০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী
মোঃ আল মামুন ও মুন্সী মোঃ আবু হানিফকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: ১।
মোঃ আল মামুন (৪১), পিতা- মোশারফ হোসেন @ মকবুল হোসেন @ মকবুল আহাম্মদ @ মুকুল মেম্বার,
মাতা-হাওয়া বেগম, গ্রাম-শোলাকান্দি (পশ্চিম পাড়া-চকের বাড়ী), থানা-তিতাস, জেলা-কুমিল্লা,
২। মুন্সী মোঃ আবু হানিফ (৪০), পিতা-মৃত মুন্সি নাছির উদ্দিন, মাতা-মৃত ফাতেমা বেগম,
গ্রাম-ইলিয়টগঞ্জ (গরু বাজারের পিছনে মুন্সি বাড়ী), থানা-দাউদকান্দি মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
এ
সংক্রান্তে কুমিল্লা এর দাউদকান্দি থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নৌ-বাহিনীর সাবেক সদস্য রনি মিয়া চার মাস আগে নার্স ফারজানাকে বিয়ে করেন । বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে দাম্পত্য কলহ চলছিল। একদিন স্বামীর ঘর করবে না বলে জানান ফারজানা। এমনকি তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেবে বলেও জানান ফারজানা। ওইদিন রাতের খাওয়া শেষে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা বললে ফারজানা রাজি হয়ে যান।
এরপর ফারজানাকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে হত্যা করেন তার স্বামী। ফিরে এসে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় স্ত্রী নিখোঁজের জিডি করেন স্বামী। আর এ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এবং স্বামী রনিকে গ্রেফতার করে।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে স্ত্রী ফারজানার পুরোনো প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে স্বামী রনি মিয়ার ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়। ফারজানাকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে। ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফারজানাকে নিয়ে বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে নিয়ে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী রনি মিয়া ফারজানাকে গভীর পানিতে ফেলে দেন। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় ফারজানা পানির ডুবে যায়। তারপর ঘটনাস্থল থেকে রনি মিয়া চলে আসে এবং আত্মীয়স্বজনদের ফোন দিয়ে বলে যে, ফারজানা ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে তার সাবেক প্রেমিকের কাছে চলে গেছে। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
পুলিশ সুপার বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে রনির রাতে বিভিন্ন অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ফারজানার স্বামী রনির দেওয়া তথ্যগুলো যাচাইকালে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, তার দেওয়া তথ্যগুলো মিথ্যা। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রনি মিয়া নিজে্ই তার স্ত্রী ফারজানাকে কীভাবে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে সে ব্যাপারে পুলিশকে তথ্য দেয়।
রিমান্ডে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম বাদীর বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।
মন্তব্য করুন


স্কুলছাত্রীদের
গালাগাল করে টিকটক ভিডিও করা ২ টিকটকারকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, কুমিল্লা।
কুমিল্লার
মুরাদনগরে স্কুল ছাত্রীদের গালাগালি করে ধারণকৃত ভিডিও টিকটক করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে এক কিশোর। টিকটকের এমন ভিডিও সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুকে সর্বমহলে
নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় উঠে। সারাদেশেই বিষয়টি সমালোচনার জন্ম দেয়। এমতাবস্থায় জেলা পুলিশ কুমিল্লার নজরে আসা মাত্রই
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম বার এর নির্দেশনায় ঐ গালাগালি করা
টিকটকার ও সহযোগীদের চিহ্নিতপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এই নির্দেশনা
অনুযায়ী জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি চৌকস
টিম অভিযুক্তদের সকলকে চিহ্নিত করে। আজ চান্দিনা ও দাউদকান্দি থানার বিভিন্ন এলাকায়
অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় অভিযুক্ত আতিক
(১৪) (টিকটকার) ও হৃদয় আহমদ (১৭) কে গ্রেফতার করেন এবং টিকটক একাউন্ট ব্যবহৃত মোবাইল
ফোনটি জব্দ করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন: আতিক (১৪), পিতা-রবিউল ইসলাম, মাতা-দিপালী, সাং-
তীরচর, বাতাকাশি ২ নং ওয়ার্ড, চান্দিনা, কুমিল্লা এবং ২। হৃদয় আহমদ (১৭), পিতা- মকবুল
হোসেন, মাতা: জাহানারা বেগম, সাং-বীরতলা,রতন মেম্বার বাড়ি, ইলিয়টগঞ্জ, দাউদকান্দি,
কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে গত ১৭/০৮/২০২৩ তারিখ দুপুর অনুমান ১:৩০-২:০০ঘটিকার সময় গোমতা
ইসহাকিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, মুরাদনগর, কুমিল্লার কয়েকজন স্কুলছাত্রীকে আতিক (১৪), (টিকটকার) কর্তৃক গালাগালি করা এবং সহযোগীদের সহায়তায় গালাগালির
বিষয়টি ভিডিও করে টিকটক ভিডিও তৈরী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়টি
স্বীকার করে।
উক্ত
ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে মঙ্গলবার দুপুরে শহরের বাবুরহাট চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে অসহায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে দুই শতাধিক কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলার পিআইও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, চাঁদপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার মোঃ আবুল কালাম চিশতীসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


বরিশালে টিসিবির গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত ৫১ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের টিসিবির সিল তুলে বাইরে অতিরিক্ত দামে বিক্রির চেষ্টাকালে ১ ডিলারকে হাতেনাতে ধরে সেইসঙ্গে টিসিবির ওই ৫১ লিটার তেল জব্দের পাশাপাশি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
জানা যায়, তেলের বোতলগুলো টিসিবির কার্ডধারি গ্রাহকদের মধ্যে বিক্রির কথা ছিল। কিন্তু সেই টিসিবির তেল গ্রাহকদের না দিয়ে উল্টো টিসিবির সিল তুলে বেশি দামে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়।
শনিবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল নগরের বিএম কলেজ এলাকার টিপু এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় বিভিন্ন ব্রান্ডের বোতলজাত ৫১ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয় টিসিবির সিল কাটা অবস্থায়।
অভিযুক্ত দোকান মালিক ও টিসিবির ডিলার আরিফুর রহমান বলেন, নগরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের টিসিবির ডিলার তিনি। যে তেলের বোতলগুলো বিক্রি হয়নি সেগুলোর সিল ভুল বসত কেটেছে তার কর্মচারী। বাইরে বেশিদামে বিক্রির জন্য এমন কাণ্ড ঘটানো হয়নি বলেও দাবি তার।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী জানান, অতিরিক্ত মুনাফার আশায় এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে দোকানদার। বিভিন্ন ব্রান্ডের ৫১ লিটার সয়াবিন তেল জব্দের পাশাপাশি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া টিসিবির সঙ্গে কথা বলে ডিলারের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী।
মন্তব্য করুন


নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সদ্য
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগামী তিন বছরের
জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আজ রোববার (২৩ জুন) তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
এর আগে ১১ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ওয়াকার-উজ-জামানকে সেনাবাহিনী
প্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানও
একসময় (১৯৯৭-২০০০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ওয়াকার-উজ-জামানকে চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ
অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে সিজিএস করা হয়। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল
থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন ওয়াকার-উজ-জামান। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের
সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।
শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি
কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক
জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব
দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব
পালন করেছেন তিনি।
ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি।
তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসারও ছিলেন একসময়। দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি
মিশনেও, সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে।
সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স
সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড
স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স
স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ’
ডিগ্রি পান।
ব্যক্তিগত জীবনে ওয়াকার-উজ-জামানের সহধর্মিণী সারাহনাজ কমলিকা জামান। এই দম্পতির
ঘরে দুই কন্যা সন্তান (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) রয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান প্রয়াত
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের জামাতা, যিনি ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ২০০০
সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে বন্ধ রয়েছে মেট্রোরেল চলাচল। কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক গোলযোগ কিংবা অন্য কোনো ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল করতে পারছে না।
ত্রুটি সারানোর পর স্বাভাবিক হবে মেট্রোরেল চলাচল।
বুধবার (৯ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জেনারেল ম্যানেজার ইফতেখার হোসেন।
তিনি বলেন, মেট্রোরেল বন্ধ আছে কারিগরি ত্রুটির কারণে। ক্যাটারিং সার্ভিসে সাপ্লাই নেই, কাজ করা হচ্ছে। ঠিক হলে মেট্রোরেল আবারও চলাচল শুরু করবে।
ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের লাইনে কোনো কিছু হয়তো পড়েছে তাই বিদ্যুতের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক (অপারেশন) নাসির উদ্দিন।
তিনি আরও জানান, তাদের কর্মীরা রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে দেখছেন কোথায় সমস্যা হয়েছে। সমস্যার জায়গা খুঁজে পেলে তা ঠিকঠাক করা হবে।
এর আগে সোমাবার (৭ আগস্ট) সকালেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল ৪০ মিনিট বিলম্বে ছাড়ে।
শুক্রবার ছুটির দিন ছাড়া মেট্রোরেল চলাচল শুরু করে প্রতিদিন সকাল ৮টায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
ইচ্ছাশক্তি প্রবল থাকলে কোনও বাধাই বাধা না বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শিউলি রহমান তিন্নী। তিনি বলেন আমি যে এ পর্যায়ে এসেছি, আমার পথটিও যে খুব সুন্দর ছিল তা কিন্তু নয়। আমার পথে ও কাটা ছিল বাধা ছিল। সেটাকে অতিক্রম করে এ পর্যন্ত আসা। সেটা হচ্ছে শুধু মাত্র ইচ্ছা শক্তির কারণে। এটা আমি খুব বেশি বিশ্বাস করি, আমার ভিতরে যদি ইচ্ছা থাকে এগিয়ে যাওয়ার, কোন বাঁধাই বাধা না।
মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর দক্ষিণ চর্থা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লা উপপরিচালকের কার্যালয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির চেক বিতরণ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক কার্যক্রমের প্রচারাভিযান ২০১৭ সালের সংশোধিত আইনের তথ্য বোর্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শিউলি রহমান তিন্নী নারী উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে সকল নারীকে এই ম্যসেজটাই দিতে চাই, আমরা পিছিয়ে থাকব না, নিজের ইচ্ছাকে জাগ্রত করি। আমরা অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন দেখলে অবশ্যই সে স্বপ্ন সত্যি হবে। আমাদের দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের নারী। আমরা পিছিয়ে থাকব না। আপনারা এগুলেই আমরা বাংলাদেশ এগিয়ে নিতে যেতে পারব।
এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক জেসমিন আরা বেগম।
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার প্রোগ্রাম অফিসার সেলিনা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মিজানুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন মহিলা কল্যান সংস্থার পরিচালক নাছিমা আক্তার, নবজাগরণ নারী উন্নয়ন সমিতি সভাপতি নারী উদ্যেক্তা শামীমা সুলতানা, মুক্তা কুটির শিল্প সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি মীনা আক্তার, সেবা প্রধান মহিলা সংস্থা সভাপতি জোহরা বেগম।
আলোচনা শেষে কুমিল্লায় নিবন্ধনকৃত ৩৮টি স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির মাঝে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিউলি রহমান তিন্নী।
এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিউলি রহমান তিন্নী ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক জেসমিন আরা বেগম অফিস প্রাঙ্গণে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক কার্যক্রমের প্রচারাভিযান ২০১৭ সালের সংশোধিত আইনের তথ্য বোর্ড উদ্বোধন করেন।
এরপর শিউলি রহমান তিন্নী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কার্যালয়ে অবস্থিত ডিসপ্লে সেন্টার ও প্রদর্শনী কেন্দ্র এবং জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (কম্পিউটার, শুচিশিল্প, বিউটিফিকেশন, ব্লক বাটিক, ডেসমেকিং এন্ড টেইলারিং) পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ভাই-বোনের সম্পর্ককে মজবুত করতে রাখইর থালায় রাখি, মিষ্টি, প্রদীপ, সিঁদুর, লাল সুতো, ধান ও দূর্বা দিয়ে সাজিয়ে বাঙালি হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ সামাজিক অনুষ্ঠান রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়।
বুধবার (৩০ আগস্ট ২০২৩) সন্ধ্যায় সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন বাসা-বাড়ীতে এ উৎসবটি পালিত হয়। জানা যায়- রাখি বন্ধন বা রাখি পূর্ণিমা উৎসবটি ভাই-বোনদের পবিত্র সম্পর্কের এক নিবিড় উদযাপন। তবে বর্তমানে শুধুই ভাই-বোনদের মধ্যে এই উৎসব সীমাবদ্ধ নেই। জাতি বর্ণ ধর্ম র্নিবিশেষে পারষ্পারিক সৌহার্দ্য-সৌভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির জন্যেও রাখি পূর্ণিমা পালিত হয় থাকে। রাখি পূর্ণিমার ঠিক পাঁচদিন আগে ঝুলন পূর্ণিমা শুরু হয় এবং রাখি পূর্ণিমার সাতদিন পর জন্মাষ্টমী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের এই দুই লীলার মাঝে শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে রাখি পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হয় বলে এর আরেক নাম শ্রাবণী পূর্ণিমা। এই দিনটির জন্য প্রত্যেক ভাইবোন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে। বোন ভাইয়ের হাতে রাখি পরিয়ে দেয় আর ভাই বোনকে রক্ষার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়। এই ভাবেই এই অনুষ্ঠিত যুগের পর যুগ ধরে পালিত হয়ে আসছে। রাখি বন্ধন মূলত বিহারী সংস্কৃতি হলেও পরবর্তীকালে এই অনুষ্ঠান বাঙালি সংস্কৃতির সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পরে।
এদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরীতেও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মেয়ে অর্পিতা সরকার এভাবেই রাখি বন্ধনের মাধ্যমে তাঁর ছোটভাই অরন্য সরকার প্রিন্সের দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য কামনা করেন। তদ্রুপ ভাইও বোনের রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐদিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়ে বিশেষ খাবার দাবার ও উপহার এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
রাখি বন্ধনের নেপথ্যের ইতিহাস থেকে জানা যায়- সুদূর অতীতকাল থেকেই পুরুষদের বিপদ থেকে রক্ষা করার প্রতীক হিসেবে তাঁর কব্জিতে সুতো বেঁধে দিতেন মহিলারা। পুরাণ মতে- দেবতা ও রাক্ষসদের যুদ্ধে দেবতারা তখন প্রায় পরাজয়ের মুখে, দেবরাজ ইন্দ্র তখন তাঁর গুরু বৃহস্পতির সাহায্য চান। বৃহস্পতির পরামর্শ মতো শ্রাবণ পূর্ণিমায় ইন্দ্রের স্ত্রী সচী একটি মন্ত্রপূত রাখির ইন্দ্রের হাতে বেঁধে দেন। তারপরই যুদ্ধে জয়লাভ করেন দেবতারা। একবার কৃষ্ণের আঙুল কেটে গেলে দ্রোপদী তাঁর গায়ের কাপড় ছিঁড়ে তা বেঁধে দিয়েছিলেন কৃষ্ণের আঙুলে। বদলে কৃষ্ণ কথা দেন, যে কোনও বিপদেই তিনি দ্রৌপদীকে রক্ষা করবেন। শ্রাবণ মাসের এই শুভ পূর্ণিমা তিথিতে বোন ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধবে ভাইয়ের মঙ্গল কামনায়। রাখি বন্ধনের একটি শুভ মুহূর্ত প্রতি বছর থাকে। আর এই তিথির মধ্যে রাখি বন্ধনের একটা শুভ সময় থাকে। এই সময়ের মধ্যে রাখি বন্ধন করলে সেটি শুভ বলে মানা হয়। বাঙালিরা ভাই-বোনের সম্পর্ককে মজবুত করতে এই বিশেষ দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। রাখি বন্ধনের এই পবিত্র দিনে বোন বা দিদিরা তাঁদের ভাইয়ের মঙ্গল কামনায় হাতে রাখি বাঁধেন। রাখি বন্ধন হল ভাই ও বোনের মধ্যে এক প্রীতিবন্ধন আর শুধু তাই নয়, এই রাখি বন্ধন উৎসব এখন বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসার প্রতীক। রক্ষা বন্ধন উৎসবে ভাইবোনের মধ্যকার স্বর্গীয় সম্পর্ক উদযাপন করা হয়। বোনেরা তাদের ভাইদের হাতের কব্জিতে সুন্দর সুন্দর পবিত্র সূতা বেঁধে দেয় যা ‘নিরাপত্তা ও রক্ষা বন্ধন’ চিহ্ন হিসেবে প্রকাশিত। তারা তাদের ভাইদের মঙ্গল কামনা করে এবং ভাইয়েরা বোনদের রক্ষা করা প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। ঐ দিন পরিবারের সকলে একত্রে মিলিত হয়, বিশেষ খাবার দাবারের ও উপহারের ব্যবস্থা করা হয় এবং সকলে মিলে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে ওঠে। এই বিশেষ দিনে পরিবেশে “যম” তত্ত্ব বেশি থাকে, এতে ভাইয়ের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিন্তু রাখি বন্ধনের ফলে তা দূর হয়ে যায়।
আরো জানা যায়- সুভদ্রা কৃষ্ণের ছোট বোন, কৃষ্ণ সুভদ্রাকে অত্যন্ত ভালবাসতেন। তবে আপন বোন না হয়েও দ্রৌপদী ছিলেন কৃষ্ণের অতীব স্নেহভাজন। একদিন সুভদ্রা কিছুটা অভিমান ভরে কৃষ্ণকে প্রশ্ন করলেন এর কারন। উত্তরে কৃষ্ণ বললেন যথা সময়ে এর কারণ তুমি বুঝতে পারবে। এর কিছুদিন পর শ্রীকৃষ্ণের হাত কেটে রক্ত পড়ছিল, তা দেখে সুভদ্রা রক্ত বন্ধের জন্য কাপড় খুঁজছিলেন, কিন্তু মন মত পাতলা সাধারন কাপড় পাচ্ছিলেন না, এর মাঝে দ্রৌপদী সেখানে আসলেন, দেখে বিন্দুমাত্র দেরি না করে সাথে সাথে নিজের মুল্যবান রেশম শাড়ি ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাত বেধে দিলেন, কিছুক্ষন পর রক্তপাত বন্ধ হল। তখন শ্রীকৃষ্ণ বোন সুভদ্রাকে ডেকে বললেন এখন বুঝতে পেরেছ কেন আমি দ্রৌপদীকে এত স্নেহ করি? সুভদ্রা বুঝতে পারল ভক্তি ও পবিত্র ভালবাসা, শ্রদ্ধা কি জিনিস! দাদা কৃষ্ণের চেয়ে মুল্যবান বস্ত্র নিজের কাছে বেশি প্রিয় এটা ভেবে সুভদ্রা দারুন লজ্জিত হলেন। কোন বোন তার ভাইয়ের কোনোরূপ কষ্ট, অমঙ্গল সহ্য করতে পারে না। ভাইয়ের কষ্ট দূরের জন্য সে সর্বত্তম চেষ্টা করে। অন্যদিকে ভাই ও তার বোনকে পৃথিবীতে সর্বাধিক স্নেহ করে, সারাজীবন তাকে রক্ষা করে থাকে, যেরকম শ্রীকৃৃষ্ণ দ্রৌপদীকে রাজসভায় চরম কলঙ্ক থেকে রক্ষা করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


এবার আমেরিকা থেকে বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। দীর্ঘদিন ধরেই চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিয়ে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
তবে আমেরিকা থেকে বিয়ের প্রস্তাব পেলেও, তিনি রাজি হননি বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন জায়েদ।
সেই বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে চিত্রনায়ক বলেন, আমার বাবা-মায়ের কবর এখানে। ওখানে (আমেরিকা) কাউকে বিয়ে করলে সেখানে আমাকে ছয় মাস থাকতে হবে। কেউ কেউ আমাকে বাসিন্দা হওয়ার জন্য বলেছে। কিন্তু আমার মনে এমন কোনো ইচ্ছা নাই।
তিনি বলেন, প্রথমবার যখন আমেরিকায় যাই, তখনই বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলাম। এর আগেও দুইবার সেখানে গিয়েছিলাম। তবে এবারই প্রথম আমার আমেরিকা যাওয়া হচ্ছে না। আমাকে অনেকে বিয়ে করতে চায়। এটাই স্বাভাবিক।
বিয়ে নিয়ে বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমে কথা বললেও, কবে নাগাদ তিনি বিয়ে করবেন সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাননি জায়েদ। তবে একাধিকবার তিনি জানিয়েছেন, মেয়েরা তাকে ভীষণ পছন্দ করেন এবং অনেক বিয়ের প্রস্তাবও পান।
এ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ঢালিউড ফিল্ম অ্যান্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিতে নিউইয়র্কে যাচ্ছেন জায়েদ খান।
মন্তব্য করুন


গভীর
রাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়
কম্বল মোড়ানো শিশুটি দেখতে পান পথচারী। এরপর
পুলিশ খবর পেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের
পর তার পরিচয় শনাক্ত
করে। তারপর মাকে থানায় ডেকে
নিয়ে শিশুটিকে তার কোলে তুলে
দেওয়া হয়।
পুলিশ
জানিয়েছে, রাস্তায় পড়ে থাকা শিশুটির
নাম মালিহা ইসলাম ওহি। তার বয়স
মাত্র ৯ মাস। তার
মায়ের নাম মরিয়ম বেগম।
গত
৪দিন আগে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর
উপজেলার তোরাবগঞ্জ অগ্রণী স্কুলের ক্যাম্পাস থেকে চুরি হওয়া
তাকে চুরি করে নিয়ে
যায় অজ্ঞাত এক নারী।
শিশু
মালিহার মা মরিয়ম বেগম
বলেন, গতরাত ১২ টার আগ
পর্যন্ত আমরা থানায় ছিলাম।
সেখান থেকে বাড়ি আসার
১০ মিনিটের মাথায় থানা থেকে আমাদের
কাছে ফোন আসে। থানায়
গিয়ে আমার মেয়েকে দেখতে
পাই। পরে আমার কাছে
মালিহাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৪
দিন পর আমার মেয়ে আমার
কোলে ফিরেছে। আমার বুকটা ভরে
গেছে। চুরির সঙ্গে যে নারী জড়িত
তাকে যেন গ্রেপ্তার করে
আইনের আওতায় আনা হয়। আমি
তার বিচার দাবি করছি।
কমলনগর
থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল
জলিল বলেন, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত
আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে
থানার কাছে উপকূল কলেজের
পেছনে মাটির রাস্তা দিয়ে জনৈক পথচারী
ইউছুপ বাড়ি যাওয়ার সময়
কম্বল মোড়ানো একটি শিশুটি দেখতে
পান। তিনি চিৎকার দিয়ে
লোকজন জড়ো করে। পরে
এলাকার লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ
গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং তার
পরিচয় নিশ্চিত করে। এর আগে
শিশুর মা থানায় একটি
জিডি করে। সে সূত্রে
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রাখে।
এদিকে
চুরির সঙ্গে জড়িত নারীকে এখনো
শনাক্ত করা যায়নি।
মন্তব্য করুন