

কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রামে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে প্রাইভেটকারের
চাপায় জাকারিয়া (২৪) নামে এক
যুবক নিহত হয়েছে। নিহত জাকারিয়া ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মো: মোকলেছুর রহমানের
ছেলে।
২৯জুন
আজ দুপুরে উপজেলার হাড়িসর্দার বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা
জানান,বৃহস্পতিবার দুপুরে জাকারিয়া মামার মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় ।
হাড়িসর্দার বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা
অজ্ঞাত প্রাইভেটকার চাপা দিলে সে
গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা
উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন,মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সেকেন্ডে অফিসার টিপু রায় ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
আজ
১০সেপ্টেম্বর চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ
চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন ৬নং ঘোলপাশা ইউপির আমানগন্ডা শালুকিয়া সাকিনস্থ পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতাল
সংলগ্ন পূর্ব পাশে রাস্তার উপর হতে পলাতক অজ্ঞাতনামা ২ জন আসামীদের ফেলে যাওয়া ২টি
প্লাষ্টিকের বস্তা উদ্ধার করে। এ সময় বস্তার ভেতরে থাকা ২০ কেজি গাঁজা জব্দ করেন।
এ
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-১৬, তারিখ-১০/০৯/২০২৩,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১৯(গ)/৪১ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজাসহ ০২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
অদ্য ২৪/০৭/২৩ খ্রিঃ তারিখ ভোর ০৪:২৫ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন জগমোহনপুর এলাকায় চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী মহাসড়কের পাকা রাস্তার উপর ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২) ও ২। রফিক (৪৫)দ্বয়কে তাদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে মোট ০২টি প্লাষ্টিকের বস্তা সহ আটক করে। আশপাশ হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় ধৃত আসামী ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২) ও ২। রফিক (৪৫) দ্বয়ের হেফাজতে থাকা প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ২০ (বিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হল- ১। মোঃ কামাল হোসেন (৫২), পিতা- মৃত আব্দুল হামিদ, ২। রফিক (৪৫), পিতা- মৃত চাঁন মিয়া, উভয় গ্রাম- জগমোহনপুর, ০৫নং ওয়ার্ড, উজিরপুর ইউপি, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, উল্লেখিত মাদকদ্রব্য গাঁজা ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা হতে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে ঢাকা নিয়ে অধিক মূল্যে বিক্রয়ের জন্য উক্ত স্থানে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিল।
এছাড়াও আসামী মোঃ কামাল হোসেন (৫২) এর বিরুদ্ধে ১৪ টি ও রফিক (৪৫) এর বিরুদ্ধে ০৬ মাদক মামলা সহ অন্যান্য মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে বলে জানা যায়। এই সংক্রান্তে এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং- ৪৯, ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(খ) রুজু করা হয়। মাদক কারবারী, গডফাদারদের গ্রেফতার ও সনাক্তকরণে পুলিশ সুপার, কুমিল্লা নির্দেশনা মোতাবেক অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৯৬ হাজার ৯১৯ জন যাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৭৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৮৭ হাজার ১২১ জন । শনিবার (১৭ জুন) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্কের ২৭তম বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
মন্তব্য করুন


কেউ গাড়ির হেলপার-ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা কিংবা রাজমিস্ত্রী। আছে সবজি বিক্রেতাও। কিন্তু ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা-পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ।
এসব ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারো জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব এবং লেভেল হাই এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও চাঁন গ্রুপ,মাউরা ইমরান গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন লেভেল হাই, ৬ জন চাঁন গ্রুপ, ৫ জন লও ঠ্যালা গ্রুপ, এবং ৭ জন মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।
র্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব সন্ত্রাসীদের হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
র্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেফতাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এসব গ্রুপের গ্রেফতাররা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। মাদক সেবনসহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা। মূলত তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত।
গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে র্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন গাড়ির হেলপার ও ড্রাইভার, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, পুরাতন মালামাল ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার আড়ালে তারা মূলত মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।
অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গ্রেফতার সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব পাটালি গ্রুপ এর মূলহোতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। সে এই সন্ত্রাসী গ্যাং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছিল।
গ্রেফতার রানা শিকদার, জুয়েল মিয়া ও সাগর গ্রেফতার ফর্মা সজীবের সহযোগী। তারা গ্রেফতার পাটালি গ্রুপ এর ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ১১টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এ সকল মামলায় কারাভোগ করেছে।
র্যাব-২ এর সিও আরও বলেন, গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহন লেভেল হাই গ্রুপের মূলহোতা ও সন্ত্রাসী হায়াত ওরফে টাকলা হায়াত অন্যতম প্রধান সহযোগী। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। সে টাকলা হায়াতের অন্যতম সহযোগী হিসেবে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল।
টাকলা হায়াতের অবর্তমানে সে গ্যাংটি পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতার দুলাল, সোহাগ ও তারেক তারা লেভেল হাই গ্রুপের সদস্য। তারা গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। শরিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৮টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
গ্রেফতার সাকিব ওরফে প্রকাশ রিয়াম চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী সদস্য। সে ২০১৮ সালে বরিশাল হতে ঢাকায় এসে ঢাকা উদ্যান এলাকায় বসবাস শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি করেছে।
২০২১ সালে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরির সময়ে চাঁন গ্রুপ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৩টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদকের কারবারে গ্রেফতার ইমরান ওরফে মাউরা ইমরান মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।
২০২১ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময়ে নিজেই একটি কিশোর গ্যাং মাউরা ইমরান গ্রুপ গঠন করে। মাউরা ইমরান মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৪টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
মুরগী রাকিব লও ঠ্যালা গ্রুপের সদস্য । র্যাব-২ এর সিও অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান আরও বলেন, রাকিব ওরফে মুরগী রাকিবের জন্ম বরিশাল এলাকায়। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি ও ডিসের লাইনে চাকরি করতো। ২০২০ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে চাকরির সময় লও ঠ্যালা গ্রুপে যোগ দেয়। সে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও মাদক পৌঁছে দেয়ার কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত দুটির অধিক মামলায় কারাভোগ করেছে।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৯টি ভারতীয় গরু ও ১টি পিকআপ গাড়ীসহ ৩ জন চোরাচালানকারীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশ ।
রবিবার
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) মোহাম্মদ কাইয়ুম হোসেন এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ
থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালিকাপুর ইউপিস্থ নোয়াবাজারের পাশে পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট করে ১টি পিকআপ গাড়ি
আটকে তল্লাশি করে গাড়ির ভিতরে ৯ টি ভারতীয় গরু সহ ৩ জন চোরাচালানকারীকে গ্রেফতার করা
হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো: ১। শরিফ হোসেন (৩০)
(ড্রাইভার), পিতা: জামাল হোসেন, মাতা: আফরোজা, সাং: বানীপুর, পোঃ সুয়াগঞ্জ বাজার,
ইউপি জোড়কানন, থানা: সদর দক্ষিণ, ২। ইকবাল হোসেন (২৬), পিতা: বাবুল মিয়া, মাতা: রুবি
আক্তার, ৩। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫), পিতা: মৃত রাজা মিয়া, মাতা: আমেনা বেগম, উভয় সাং:
রামধনপুর, পোঃ আনন্দপুর, ইউপি: গলিয়ারা, সর্ব থানা: সদর দক্ষিণ মডেল থানা, জেলা: কুমিল্লা।
পরবর্তীতে ৯ টি গরু সহ পিকআপ গাড়িটি জব্দ করা হয়।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-৩১, তারিখ-১৬/০৭/২০২৩, ধারা- ১৯৭৪ সালের
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি/২৫-ডি তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের রশিদপুর দুই নম্বর কূপে ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে আপার স্যান্ড টপ জোনে টেস্টিং করে গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। আর এখান থেকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দৈনিক ৮০ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
গ্যাসের বর্তমান গড় মূল্য বিবেচনায় এ স্তরে উত্তোলনযোগ্য ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মূল্য ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর আগে সিলেটের হরিপুর এলাকায় ১০ নম্বর কূপ থেকে চার স্তরের তেল গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন । চার স্তরের মধ্যে একটি স্তরে সম্পূর্ণ তেলের খনি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২০ ফেব্রুয়ারী রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন রামপুর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ তুহিন (৩৫) এবং মোঃ জুয়েল নামক ২
জন মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা এবং মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত ১ টি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ তুহিন (৩৫)
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার দৌলা গ্রামের আজাহার উদ্দিন এর ছেলে এবং ২নং আসামী মোঃ
জুয়েল (২৮) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পাচরা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মাগুরায় ইজিবাইক চুরির ঘটনায় জেলা ইজিবাইক সমিতির সভাপতি ও তার ভাইসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছে থাকা ২টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহরের আদর্শ পাড়ার মৃত আব্দুর রউফের ছেলে মাগুরা ইজিবাইক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জাকারিয়া ও তার ভাই আবু হাসনাত আকাশ হিটলার এবং তাদের সহযোগী সংকোচখালী গ্রামের আজহার ফকিরের ছেলে ইবাদত হোসেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেকেন্দার আলী।
মাগুরা সদর থানার ওসি সেকেন্দার আলী জানান, সম্প্রতি শহরে বেশ কয়েকটি ইজিবাইক চুরির ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শহরের বিভিন্ন ইজিবাইক গ্যারেজে অভিযান চালায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার আদর্শ পাড়া থেকে ইজিবাইক সমিতির সভাপতি জাকারিয়া ও তার ভাই হিটলারের পরিচালনায় থাকা একটি গ্যারেজ থেকে দুটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ৩জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


১১৫ বছর বয়সী মোয়াজ্জিন চোখে দেখতে পান না। তবুও দড়ি ও বাঁশ ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে নামাজের জন্য ডাকেন সবাইকে।
অন্ধ মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে নিজ গ্রামে তৈরি করেন একটি মসজিদ। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় । সমাধানের জন্য বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন রশি ও বাঁশ।
আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে স্কুল শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলাম সাইফুল জানান, বাবার বয়স ১১৫ বছর। হজ থেকে আসার পর বাবা যে মসজিদটি স্থাপন করেছেন সেখানে আজান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বাড়ি থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। তখনই জটিলতা দেখা দেয় আসা-যাওয়া নিয়ে। পরে বাবা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দিতে বলেন।
বাবার দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দেন ছেলেরা। এরপর প্রথম দিকে কয়েকদিন তার ছেলে ও নাতিরা রশি ও বাঁশের সাহায্যে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকে যাতায়াত ও রাস্তা পার হতে অভ্যস্ত করে তোলেন।
মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান বলেন, ১০ কাঠা জমি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেছি। এখন টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় অজু করতে সমস্যা হয়। মসজিদের পাশে একটা পানির পাম্পের ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হতো।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন