

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রা ।
রথযাত্রা শুরু হবে ৭ জুলাই থেকে এবং ১৪ জুলাই হবে উল্টোরথ ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব এই রথযাত্রা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় রথযাত্রা
আয়োজনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কুমিল্লা জেলাতেও রথযাত্রা উদযাপন নিয়ে কর্মসূচি
গ্রহণ করা হয়েছে ।
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এর উদ্যোগে ৭ জুলাই রথযাত্রা শুরু হয়ে উল্টোরথ
পর্যন্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করা হয়েছে।
ইসকন সূত্র জানায়- জেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দিরে শ্রী জগন্নাথ, বলদেব
ও শুভদ্রা দেবীর রথযাত্রা উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ
করা হয়েছে।
শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির হতে রথে করে শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও শুভদ্রা দেবীর মূর্তি
ভক্তবৃন্দ টেনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সহকারে শহর প্রদক্ষিণ শেষে ঠাকুরপাড়াস্থ শ্রীরাধাকৃষ্ণ
গৌর নিতাই মন্দিরে নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত
অনুষ্ঠানাদির মধ্যে রয়েছে- শ্রীজগন্নাথ দেবের পূজা, বিশ্বশান্তি মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র
যজ্ঞ, ভজন কীর্তন, আরতি, মহাপ্রসাদ বিতরণ ও সবশেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালন শেষে এখন
পর্যন্ত ৫১ হাজার ৯৮১ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।
শুক্রবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের
হজ পোর্টালের সর্বশেষ বুলেটিনে এই তথ্য এর পাশাপাশি আরো জানানো হয়, চলতি বছর ৬০ জন
বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ইসমাইল হোসেন (৬৪) নামে একজন হাজি
মারা গেছেন।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, মৃত্যুবরণকারী এসব হাজির মরদেহ সৌদি আরবেই দাফন করা হবে। প্রখর
তাপপ্রবাহ ও অসহনীয় গরমে চলতি বছর রেকর্ডসংখ্যক হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,
মারা যাওয়া ৬০ জনের মধ্যে ৪৭ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। এর মধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা
শুরুর আগে ১৭ জন, বাকি ৪৩ জন হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর মারা গেছেন। সবার নাম-পরিচয়
প্রকাশ করেছে হজ পোর্টাল। এসব হজযাত্রীর মধ্যে ৪৭ জন মক্কায় মারা গেছেন।
মসজিদুল হারামে তাদের জানাজা
অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া হজ পালনের বিভিন্ন পর্যায়ে মদিনায় চারজন, মিনায় সাতজন ও জেদ্দায়
দুজন মারা গেছেন।
অন্যদিকে, মোট ১২৭টি ফ্লাইটে
৫০ হাজারের বেশি হাজি দেশে ফেরার তথ্য জানানো হয় বুলেটিনে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ
এয়ারলাইনস ৫৩টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৮টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইটে হজ পালন
শেষে তারা দেশে ফেরেন।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ) সৌদি আরবে হজ পালন
করতে যান।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২২ হাজার ৮৩৩ জন যাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ২২ জন, মদিনায় ৪ জন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ৩২১ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ১ লাখ ১২ হাজার ৫৬২ জন । হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
আইয়ুব আলী (৬৫) টাকা জোগাড় করতে না পারায় সাইকেল চালিয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। আইয়ুব আলী
ফারাজিপাড়া গ্রামের মৃত কদের আকন্দের ছেলে। আইয়ুব আলীর পরিবারে স্ত্রী ও ৪ ছেলে ও ১
মেয়ে রয়েছে। হজে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
বুধবার
(১০ জানুয়ারি) সকালে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া
থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন আইয়ুব আলী।
আইয়ুব
আলীর ছেলে আসাদুল বলেন, বাবার হজ করার ইচ্ছে অনেক দিনের। গত ৬ মাস ধরে তিনি ঢাকা, ময়মনসিংহ
ও রংপুর ঘুরে সাইকেলে হজে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন। সব কাগজপত্র
সংগ্রহের পরে বাড়িতে থাকা সাইকেল মেরামত করে বুধবার মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
এতক্ষণে হিলি পোর্ট দিয়ে ভারতে পৌঁছানোর কথা। ভারত সীমান্ত হয়ে পাকিস্তান, আফগানিস্তান
পৌঁছবেন। এরপর ইরান হয়ে মক্কায় পৌঁছবেন। এতে সময় লাগবে প্রায় ৬ মাস। প্রতিদিন অন্তত
৭০-৮০ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালাতে হবে। পথে রাত হলে নিকটবর্তী মসজিদে রাত্রিযাপন করবেন।
সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মমেদুল
ইসলাম বলেন, তার এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। মক্কায় পৌঁছাতে তাকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে
হবে। আমাদের সবার দোয়া তার সঙ্গে আছে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


আজ
মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত
। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য
দিয়ে এদিন দিবাগত রাতে
সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত
হবে।
হিজরী
বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত
রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন
করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে
রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়। গুনাহ থেকে
ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র
শবে বরাত। এই রাতকে ভাগ্য
নির্ধারণের রাতও বলা হয়।
তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত
এই রাত।
এই
রাতে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকতে থাকেন।
রিযিক বৃদ্ধির জন্য আহ্বান করেন।
অসুস্থদের সুস্থতার সুসংবাদ দান করেন মহান
সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। ফজর
উদিত হওয়া পর্যন্ত এভাবেই
বান্দাকে ডাকতে থাকেন তিনি। এসব কারণে এ
রাতের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অন্যান্য
সাধারণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি।
রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত উপস্থিত হয়
তখন তোমরা এ রাত (ইবাদতের
মধ্যে) জাগরণ কর এবং দিনে
রোজা রাখ (আল হাদিস)।
অন্যত্র
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
এই রাতে আল্লাহ তায়ালা
প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং ফজর
উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে
থাকেন গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়ার
কে আছ ? আমি তাকে
ক্ষমা করে দিব। অসুস্থতা
থেকে সুস্থ চাওয়ার কে আছ আমি
তাকে সুস্থ করে দিব। রিযিক
অন্বেষণকারী কে আছ? আমি
তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিব। কে
আছ তওবাকারী? আমি তার তওবা
কবুল করে নিব (আল
হাদিস)।
এই
রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ
লাভের আশায় নফল নামাজ,
কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে
রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন।
অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা,
ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা ও বিভিন্ন মহামারি
থেকে মুক্তির জন্য মুসলমানরা মোনাজাতে
অংশ নেবেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে মা-বাবাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও
দোয়া করেন।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা পবিত্র শবে বরাতের মাহত্মে
উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও
দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ
করার জন্য সবার প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন,
সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার
করে আমরা শান্তির ধর্ম
ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয়
জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা
করি। পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে এক
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
শবে
বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান
শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিস্ফোরক দ্রব্য,
আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য
বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ
করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন
কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র
কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের আকাশে শুক্রবার কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।
তাই পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে আগামী রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে।
সে হিসেবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে বৃহস্পতিবার ২৮ সেপ্টেম্বর।
আজ ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার।
আগামীকাল শনিবার পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং রবিবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সে হিসেবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর।
এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মহা. বশিরুল আলম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. আবদুল জলিল, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মহা. আসাদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন, বাংলাদেশ ওয়াক্ফ প্রশাসনের সহকারী প্রশাসক মো. শাহরিয়ার হক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জুলফিকার রহমান কোরাইশী, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ, সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়ার আল-কুরআন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ানসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবে তীব্র তাপদাহে ৬ হাজার ৫০০ হাজি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দেশটির মেডিকেল টিম তাদের সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসা দিচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সৌদি গণমাধ্যম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডা. মোহাম্মদ আল-আব্দুলালির বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নজরে এনেছে। পবিত্র স্থানে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
সৌদি টিভি আল এখবারিয়া জানিয়েছে, ২৯ জুন বৃহস্পতিবার ভোরে পবিত্র শহর মক্কার কাছে মিনা উপত্যকায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাজিদের সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য তরল পানের পাশাপাশি সূর্য থেকে রক্ষা করার জন্য ছাতা ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, মক্কা ও মদিনায় গত ৩৯ দিনে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৬১ হাজি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা পেয়েছেন। এ বছর হাজিদের সেবায় সৌদি আরবের পবিত্র স্থানগুলোতে মোট ১৭২টি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা স্থাপন করা হয়েছে। ১৪০টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও ৩২টি হাসপাতাল হাজিদের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ছিল। এ বছর পবিত্র স্থানগুলোতে আরও ভার্চুয়াল ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। এ বছর হাজিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ৩২ হাজারের ও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত ছিল।
সূত্র: গালফ নিউজ
মন্তব্য করুন


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে যৌতুকবিহীন ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বিয়ে পরিচালনা করেন ভারতের মাওলানা জুহাইরুল হাসান।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমায় যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বায়নের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা।আজ বাদ আসর ৭২টি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতের আগের দিন যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বছরও বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এবার ১৪২ জন নারী-পুরুষের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
আগামী রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শুরায়ে নিজাম অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ১৯৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৩৮৬ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৭২ হাজার ৯৪৯ জন। হজে গিয়ে এখন পর্যন্ত ২০ জন মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) হজ পোর্টালে এই তথ্য জানায়।
এতে বলা হয়, হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৩৮৬ হজযাত্রী ও বেসরকারিভাবে গেছেন ৭২ হাজার ৯৪৯ জন। হজে গিয়ে সর্বমোট ২০ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন